চাঁদপুর, শনিবার ২১ মার্চ ২০২০, ৭ চৈত্র ১৪২৬, ২৫ রজব ১৪৪১
jibon dip

সর্বশেষ খবর :

  • চাঁদপুর সদর হাসপাতালে ভর্তি হওয়া ছেলেটির করোনা ভাইরাস নেগেটিভ পাওয়া গেছে। অর্থাৎ সে করোনা ভাইরাসে আক্রান্ত রোগী নয়। তথ্য সূত্র: আরএমও ডাঃ সুজাউদ্দৌলা রুবেল। || বৈদ্যনাথ সাহা ওরফে সনু সাহা করোনা আক্রান্ত হয়ে মারা যায় নি : সিভিল সার্জন
হেরার আলো
বাণী চিরন্তন
আল-হাদিস

৬৬-সূরা তাহ্রীম


১২ আয়াত, ২ রুকু, মাদানী


পরম করুণাময় ও অসীম দয়ালু আল্লাহর নামে শুরু করছি।


 


 


১২। আরও দৃষ্টান্ত দিতেছেন 'ইমরান-তনয়া মার্ইয়ামের-যে তাহার সতীত্ব রক্ষা করিয়াছিল, ফলে আমি তাহার মধ্যে রূহ ফুঁকিয়া দিয়াছিলাম এবং সে তাহার প্রতিপালকের বাণী ও তাঁহার কিতাব-সমূহ সত্য বলিয়া গ্রহণ করিয়াছিল, সে ছিল অনুগতদের অন্যতম।


 


বিদ্যালয়ের শিক্ষক হইতেছেন একজন মিস্ত্রী, যিনি গঠন করেন মানবাত্মা।


-আল্লামা ইকবাল।


 


 


কৃপণতা একটি ধ্বংসকারী স্বভাব, ইহা মানুষকে দুনিয়া এবং আখেরাতে উভয়লোকে ক্ষতিগ্রস্ত করে।


 


ফটো গ্যালারি
মুজিববর্ষের শ্রদ্ধাঞ্জলি
মোখলেছুর রহমান ভূঁইয়া
২১ মার্চ, ২০২০ ০০:০০:০০
প্রিন্টঅ-অ+


সূর্য খোকা খেলা করে



সঙ্গে থাকে বন্ধুরা



প্রজাপতির পেছন ছুটে



হয় যে নিত্য গ্রাম ঘোরা।



 



সেই খোকাটি সবার প্রিয়



গ্রামেরই স্কুলে



সোহরাওয়ার্দীর পথ আটকায়



ন্যায্য দাবির কথা বলে।



 



প্রতিবেশি হিন্দু যখন



হয় নির্যাতন



বালক মুজিব এগিয়ে আসে



বাঁধে সম্প্রীতি-বন্ধন।



 



পাড়া-পড়শি সব জায়গায়



মুজিব নাম আলো ছড়ায়



আমজনতা তাঁর কাছে



সুখে-দুঃখে ছুটে যায়।



 



স্কুল-কলেজ যখন যেথায়



আছে সমস্যা



সবকিছুরই সমাধানে



খোকার মাথা-ব্যথা।



 



বিশ্ববিদ্যালয় কর্মচারীদের অধিকারে



মুজিব হয় কা-ারী



কর্তৃপক্ষ বহিস্কার করে



করতে ছল চাতুরী।



 



পাকিস্তানী শোষণে



মায়ের ভাষায় আসে বাধা



মানি না মানবো না



মুজিব হয় শাহজাদা।



 



রক্ত দিয়ে বাংলা যখন



মুক্ত হাসি হাসে



হায়েনারা তখন রক্তলোলুপ



অন্য ফন্দি অাঁটে।



 



পাকিস্তানের ফন্দি-ফিকির



বুঝতে পারেন মুজিব



নির্বাচনে জয়ী হলেন



বাংলা করবেন সজিব।



 



টালবাহানা করে ওরা



অধিকার দেয় না



মুজিব বলে অনেক হলো



ছাড় দেয়া যায় না।



 



বঙ্গবন্ধুর স্বপ্ন এখন



নতুন সূর্য নিয়ে



দামাল ছেলে আয়রে তোরা



যুদ্ধে পড় ঝাঁপিয়ে।



 



মুক্ত হলো পূর্ব বাংলা



স্বাধীন বাংলাদেশ



পাকিস্তানের ঘৃণ্য শোষণ



সেই যে হলো শেষ।



 



বাহাত্তরের সংবিধান



দিলেন উপহার



স্বপ্ন দেখেন শেখ মুজিব



সোনার বাংলার।



 



পাকিস্তানী প্রেতাত্মা আর



বিশ্বাসঘাতক দল



রক্ত ঝরালো শেখ মুজিবের



কাঁপলো ভূতল।



 



বঙ্গবন্ধুর দুই কন্যা



ছিলেন বিদেশে



বাংলার সূর্য হেলে পড়ে



পশ্চিম আকাশে।



 



অবশেষে ফেরেন তারা



প্রাণবাজি রেখে



বাংলা থেকে মেঘ কেটে যায়



বঙ্গকন্যাদের দেখে।



 



বাপের বেটি শেখ হাসিনা



পিতৃহত্যার করেন বিচার



যুদ্ধাপরাধীদের গলায় দড়ি



গোলাম আযমরা ছারখার।



 



শেখ হাসিনার হাত ধরে



সোনার বাংলা এগিয়ে চলে



মানবতার জননী তিনি



বিশ্ব তাঁর কথা বলে।



 



দুই হাজার বিশ সাল



মুজিব শতবর্ষে



বিশ্ববাসী স্মরণ করে



শ্রদ্ধাঞ্জলি বরষে।



 



যতদিন বাংলা রবে



রবে স্বাধীনতা



থাকবেন অমলিন



বাঙালির জাতির পিতা।



 



 


আজকের পাঠকসংখ্যা
১৩২৬২৫
পুরোন সংখ্যা