চাঁদপুর, শনিবার ১৫ আগস্ট ২০২০, ৩১ শ্রাবণ ১৪২৭, ২৪ জিলহজ ১৪৪১
jibon dip

সর্বশেষ খবর :

  • ২৮ সেপ্টেম্বর সোমবার সকাল ১০টায় চাঁদপুর মহাস্মশানে অন্তেস্টিক্রিয়া সম্পন্ন হবে || চাঁদপুর অযাচক আশ্রমের অধ্যক্ষ সুখরঞ্জন ব্রহ্মচারী আজ বিকেল সাড়ে ৫টায় ঢাকার বারডেমে লাইফ সপোর্টে থাকা অবস্থায় পরলোক গমন করেছেন
হেরার আলো
বাণী চিরন্তন
আল-হাদিস

৭৪-সূরা মুদ্দাছ্ছির


৫৬ আয়াত, ২ রুকু, মক্কী


পরম করুণাময় ও অসীম দয়ালু আল্লাহর নামে শুরু করছি।


৫। পৌত্তলিকতা পরিহার করিয়া চল,


৬। অধিক পাওয়ার প্রত্যাশায় দান করিও না।


৭। এবং তোমার প্রতিপালকের উদ্দেশ্যে ধৈর্য ধারণ কর।


৮। যেদিন শিংগায় ফুৎকার দেওয়া হইবে


 


মানুষের সর্বোৎকৃষ্ট শিক্ষকই হল মহৎ ব্যক্তিদের আত্মজীবনী।


-ওরসন স্কোয়ার ফাউলার।


 


 


যার দ্বারা মানবতা উপকৃত হয়, তিনিই মানুষের মধ্যে শ্রেষ্ঠ।


 


 


ফটো গ্যালারি
মৃত্যুঞ্জয়ী নেতা বঙ্গবন্ধু
কায়ছার আলী
১৫ আগস্ট, ২০২০ ০০:০০:০০
প্রিন্টঅ-অ+


আমেরিকা ও প্রশান্ত মহাসাগরীয় অঞ্চলে একটা গল্প প্রচলিত আছে। এক বিশাল দ্বীপকে নিয়ে গল্পটি তৈরি। এই দ্বীপে ৫ লাখ লোকের বাস। দ্বীপটির নিরাপত্তাঝুঁকি প্রকট। দ্বীপবাসীরা দেখলো উজ্জ্বল এক আলোকবর্তিকা ধীরে ধীরে আকাশ থেকে নেমে আসছে। তারা একে অনুসরণ করলো এবং একটি বড় ফাঁকা মাঠে তা এসে থামলো। অর্থাৎ সেটাই ছিলো একজন দেবদূত। চারিদিকে হাজার হাজার মানুষ এসে জমা হলেন। তারা তার সাথে কথা বলতে চাইলেন। দেবদূত বললেন, 'তোমাদের এতো লোকের সঙ্গে তো আমার কথা বলা সম্ভব নয়, বরং তোমরা তিনজন প্রতিনিধি নির্বাচন করে দাও, আমি তাদেরকে কিছু জিজ্ঞাসাবাদ করবো, ও কথা বলবো। তারা তিনজন প্রতিনিধি নির্বাচন করে দিলেন। একজন বৃদ্ধ শতায়ু, আরেকজন আধুনিক ফিটফাট কেতাদুরস্ত, অন্যজন সাদাসিধা বুদ্ধিদীপ্ত ও প্রতিশ্রুতিবদ্ধ বলেই মনে হয়। প্রথমে বৃদ্ধ আসলেন, দেবদূত কুশল বিনিময়ের পর জিজ্ঞেসা করলেন, 'এখন থেকে আটচলি্লশ ঘণ্টা পর তোমাদের এই দ্বীপে জলোচ্ছ্বাস হবে এবং বাড়িঘর, সহায়সম্পদসহ তোমাদের সবাইকে ভাসিয়ে নিয়ে যাবে। তুমি তখন কি করবে?' বৃদ্ধ ব্যক্তি বললেন, আমি জীবনে অনেক পাপ করেছি, এখন বয়স হয়েছে আর বেশি দিন বাঁচবো না, এই সময়ে কান্নাকাটি করে বিধাতার দরবারে মাফ চেয়ে নেবো। যাতে পরকালে আমার ভালো হয়। দ্বিতীয় ব্যক্তি একই প্রশ্নের উত্তরে বললেন, জীবনে আমি অনেক কিছুই ভোগ করেছি, এখন যতটুকু সময় অবসর আছে খাওয়া-দাওয়া-ফূর্তি ইত্যাদি সেরে নেবো। মৃত্যুর পর কি পাবো না পাবো তা নিয়ে আমার মাথা ব্যথা নেই। এবার তৃতীয় ব্যক্তি একই প্রশ্নের উত্তরে চিন্তা করে বললেন, (৪৮ ঘণ্টাকে মনে মনে মিনিট ও সেকেন্ড হিসেব করে নিলেন) 'এখনও ১ লাখ ৭২ হাজার ৮শ' সেকেন্ড সময় আছে, আমি আমার দ্বীপের ৫ লাখ লোককে সংগঠিত করে তাদের ১০ লাখ হাতকে কাজে লাগাবো এবং জলোচ্ছ্বাস আসার আগেই দ্বীপের চারিদিকে এমন বাঁধ নির্মাণ করবো যাতে জলোচ্ছ্বাসের পানি লোকালয়ে প্রবেশ করতে না পারে এবং একটি লোকেরও যেনো জান ও মালের ক্ষতি না হয়।' দেবদূত তার কথা শুনে অত্যন্ত খুশি হলেন এবং তাকে বুকে জড়িয়ে বললেন, 'আমি তোমার সাথে আছি।'



 



ক্ষুধা, দারিদ্র্য, অভাব-অনটন, রাষ্ট্রীয় সার্বভৌমত্ব ও স্বাধীনতাবিরোধীদের যে জলোচ্ছ্বাস তার মোকাবিলার জন্যে বাঁধ তৈরিতে উদ্বুদ্ধ ও কাজে লাগানো হচ্ছে নেতা বা রাজনীতিকের কাজ। আপামর জনসাধারণকে উদ্বুদ্ধ করাই নেতার সাফল্য। এমন মহান নেতাকে আমরা চিরতরে হারিয়ে ফেলেছি। টুঙ্গিপাড়ায় চিরদিনের জন্যে ঘুমিয়ে থাকা বঙ্গবন্ধু আর কোনোদিন কথা বলবেন না, আর কখনও তার কণ্ঠে উচ্চারিত হবে না দুঃখিনী বাংলা মায়ের দাবি আদায়ের কথা। যাঁর সমস্ত বুকজুড়েই ছিলো বাংলাদেশের মানচিত্র। যাঁর অপেক্ষায় ছিলো '৭৫-এর ১৫ আগস্ট ভোরের সূর্য। সেদিন প্রতীক্ষায় ছিলো ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্র-ছাত্রী ও শিক্ষকগণ এবং সাড়ে সাত কোটি বাঙালি। দেশবন্ধু চিত্তরঞ্জন দাশের মৃত্যুতে বিশ্বকবি লিখেছিলেন_'এনেছিলে সাথে করে মৃত্যুহীন প্রাণ, মরণে তাহাই তুমি করে গেলে দান।' ঘৃণ্য ঘাতকেরা স্টেনগানের একঝাঁক বুলেট দিয়ে চিরদিনের জন্যে স্তব্ধ করে দেয় এক মহান রাষ্ট্রনায়ককে, এক নিয়তি নির্মাতাকে, যুগস্রষ্টাকে। জাতির পক্ষ থেকে দেয়া এক অমোচনীয় কালিমা, যা কখনো অপসৃত হওয়ার নয়। দুর্ভাগ্য বাংলাদেশের। কোটি কোটি দেশপ্রেমিকের পুতপবিত্র ধারায় উথ্রিত এই বাংলাদেশটাই তাঁর স্মৃতির মিনার। নদী মেঘলা, শস্য শ্যামলা এই মাতৃভূমিকে বঙ্গবন্ধু ধ্যানে-প্রাণে তাঁর প্রথম ও শেষ পবিত্র ভূমি বলে নির্ধারণ করেন। জীবনে ও মরণে বাংলাদেশকেই তিনি বেছে নিয়েছিলেন একমাত্র আশ্রয়স্থল হিসেবে। এই মৃত্তিকা পবিত্র থেকে পবিত্রতর হয়েছে তাঁরই বুকে ভেজা তাজা রক্তে। অবিনাশী আপন কীর্তিসমূহ পেছনে ফেলে তাঁর জীবনরথ দিগন্তে পেঁৗছে গেলে এখানে রচিত হয়েছে তাঁর অন্তিম শয়ান। হৃদয়বিদারক মমস্পর্শী ঘটনা চিরদিনই মনে থাকে। আত্মাহুতি একটি জনপদকে আলোড়িত করতে পারে। একটি দুর্ঘটনা (সড়ক, নৌ, বিমান, ট্রেন) মানুষের অনুভূতিতে কয়েকদিনের জন্যে ব্যথা বা ক্ষতের সৃষ্টি করতে পারে, কিন্তু একজন সফল রাষ্ট্রনায়ক, সরকারপ্রধান, অবিসংবাদিত, ক্যারিশম্যাটিক বা সম্মোহনী শক্তিসম্পন্ন নেতার হত্যাকা- প্রজন্মের পর প্রজন্ম, যুগের পর যুগ একটি দেশ, জাতি বা রাষ্ট্রকে অনুপ্রাণিত করে। সেই অনুপ্রেরণার আভায় উদ্ভাসিত বাংলার আকাশে উজ্জ্বল জ্যোতিষ্ক এক নক্ষত্র চিরভাস্কর প্রতিভাধরের নাম জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান। তিনি বাঙালির হাজার বছরের চিরন্তন সংগ্রামের ইতিহাসে এক বিশাল অধ্যায়ের শিরোনাম।



 



এই দেশ বিভিন্ন সময় বিভিন্ন শাসনামলে অনেক রাজধানী ছিলো। যেমন : মুুর্শিদাবাদ, গৌঢ়, একডালা, কর্ণসুবর্ণ, কমান্ত বসাক, পু-নগর, পাটালিপুত্র, সোনারগাঁও, বিক্রমপুর, লক্ষ্মণাবর্তী, পান্ডুয়া, নদীয়া বা নবদ্বীপ। কিন্তু ঢাকাকে রাজধানী করে এই ভূ-খ-ে স্বাধীন প্রথম মুসলিম বাঙালি শাসক শেখ মুুজিবুর রহমান। দেশি এবং বিদেশি স্বার্থান্বেষী গোষ্ঠীর বিরুদ্ধে তাঁর রয়েছে সংগ্রামের বর্ণাঢ্য ইতিহাস।



 



১৭৫৭ সালের ২৩ জুন পলাশীর আম্রকাননে স্বাধীনতার সূর্য অস্তমিত হওয়ার ফলে বিদেশি শাসকদের দ্বারা আমরা শাসিত হয়েছি। পরিস্থিতি এমন হয়েছিলো যে, বড় মাছ যেভাবে ছোট মাছকে নদী বা পুকুরে গিলে খায় আমাদের অবস্থা ঠিক সে রকমই হয়েছিলো। শত শ্রদ্ধা রেখেই লিখছি, হাজী শরীয়তুল্লাহ, তিতুমীর, সূর্যসেন, প্রীতিলতা, ভাসানী, সোহরাওয়ার্দী যা আমাদের দিতে পারেনি সেই মহান স্বাধীনতা বঙ্গবন্ধু আমাদের এনে দিয়েছেন আর এটা সম্ভব হয়েছে তাঁর সম্মোহনী নেতৃত্বের কারণে। সম্মোহনী হচ্ছে নেতা ও তাঁর অনুসারীদের মধ্যে একটি আবেগময় বন্ধন। অন্যভাবে বলা যায়, সম্মোহনী হচ্ছে কোনো ব্যক্তির নেতৃত্বের প্রতি চরম ভক্তি বা আসক্তি এবং তাঁর অন্যান্য গুণাবলির সাথে ব্যক্তিগত আসক্তি। যখন কোনো সমাজে বা যে কোনো দেশে নানাবিধ কারণে আর্থসামাজিক ও রাজনৈতিক প্রেক্ষাপটে গভীর সঙ্কট দেখা দেয়, তখন ক্যারিশমাসুলভ নেতৃত্বের আবির্ভাব ঘটে। এই নেতৃত্বে জাতীয়তাবাদী চেতনা এনে দেয়। যা স্বাধীনতাসংগ্রাম গড়ে তুলতে সহায়তা করে।



 



বঙ্গবন্ধুর রাজনৈতিক জীবন, অদম্য সাহস ও অকুণ্ঠ আত্মত্যাগের ইতিহাস নিয়ে দেশে-বিদেশে সর্বত্র গবেষণা চলছে। এরই ধারাবাহিকতায় ২৬ মার্চ ২০০৪ থেকে প্রচারিত বিবিসি বাংলা সার্ভিসের শ্রোতা জরিপে নির্বাচিত সর্বকালের সর্বশ্রেষ্ঠ ২০ বাঙালির তালিকায় প্রথম স্থান লাভ করেন বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান। ১৪ এপ্রিল ২০০৪ 'সর্বকালের সর্বশ্রেষ্ঠ বাঙালি' হিসেবে তাঁর নাম প্রকাশ করা হয়।



 



বঙ্গবন্ধুর ৫৫ বছরের জীবনে ১২ বছরের অধিক কেটেছে কারাগারে, জীবনের অর্ধেক কেটেছে রাষ্ট্রীয় নিপীড়নে, পুরো জীবন গেছে স্বাধীনতা নির্মাণে। বাংলাদেশের নামকরণ, ছাত্রনেতা হিসেবে কৃতিত্ব, প্রাদেশিক সরকারের মন্ত্রিত্ব লাভ, আওয়ামী লীগের জন্ম থেকে সম্পৃক্ততা, পূর্ব পাকিস্তানের প্রধান নেতা, ছয়দফা দাবি পেশ, আগরতলা ষড়যন্ত্র মামলা, ৬৯-এর গণঅভ্যুত্থান, বঙ্গবন্ধু উপাধি, ৭০-এর নির্বাচন, ঐতিহাসিক ৭ মার্চের ভাষণ, অসহযোগ আন্দোলন, স্বাধীনতার ঘোষণা প্রদান, মৃত্যুমুখে জেলখানায় বন্দীজীবন, স্বদেশ প্রত্যাবর্তন, মাত্র সাড়ে ৩ বছরের শাসনক্ষমতা গ্রহণ, জাতির জনক উপাধির ইতিহাসগুলো আমরা অনেকেই জানি। কিন্তু আমরা কি জানি Inclusive democracy-র কথা। ৭ মার্চের ভাষণে তিনি বলেন, 'যদি কেউ ন্যায্য কথা বলে আমরা সংখ্যায় বেশি হলেও, একজন যদিও হয় তার ন্যায্য কথা আমরা মেনে নেবো।' গণতন্ত্রের সবচেয়ে বড় সমালোচনা হলো সংখ্যাগরিষ্ঠের মতামতের নামে অনেক ভালো চিন্তা ও উদ্যোগ বাতিল হয়ে যায়। শুভ কাজ সংখ্যাগরিষ্ঠের চাপে পিষ্ঠ হয়। Inclusive democracy হলো ভালো পরামর্শ ও প্রস্তাব যদি একজনও হয় তাকে মূল্যায়ন করা উচিত। যে মহান মানুষটি কমপক্ষে একজন লোকের মতামত এবং সর্বোচ্চ লোকের মতামতকে গুরুত্ব দিতেন অর্থাৎ আপামর জনগণকে জীবন দিয়ে কি রকম ভালোবাসতেন তার একটি কথা না লিখে পারছি না।



 



বিশ্ববিখ্যাত সাংবাদিক ডেভিড ফ্রস্ট হয়তো বেকায়দায় ফেলতে বা বিব্রত করতে কিংবা সরলভাবে বঙ্গবন্ধুকে জিজ্ঞেসা করেছিলেন, 'Mr. Prime minister what is your qualification?' 'উত্তরে বঙ্গবন্ধু বলেন, ও ষove my people'| এরপর তিনি প্রশ্ন করেন, 'What is your disqualification?' চোখ মুছতে মুছতে প্রতিভাদীপ্ত কণ্ঠে বলেন, 'ও love them too much'|



 



অত্যন্ত দুঃখ ও পরিতাপের বিষয় সর্বনাশা কালরাতের দৃশ্যপট মানসচক্ষে একবার ভেসে উঠলেই শিহরিত হতে হয়। বঙ্গবন্ধুর রক্তমাখা নিথরদেহের সাথে আরও ছিলো বঙ্গবন্ধুর সহধর্মিণী মহীয়সী নারী বেগম ফজিলাতুন্নেছা মুজিব, জ্যেষ্ঠ পুত্র শেখ কামাল, তার স্ত্রী সুলতানা কামাল, অপর পুত্র শেখ জামাল ও তার স্ত্রী রোজী জামাল, কনিষ্ঠ পুত্র শেখ রাসেল, ভাই শেখ নাসের ও কর্নেল জামিলের মৃতদেহ। অন্য বাড়িতে শেখ ফজলুল হক মনি, তার অন্তঃসত্তা স্ত্রী আরজু মনি, আবদুর রব সেরনিয়াবাত, শহীদ সেরনিয়াবাত, শিশু বাবু, আরিফ, রিন্টু খানসহ অনেকের লাশ। পরিশেষে সকলের আত্মার শান্তি কামনা করে মনে করছি একটি লেখায় বঙ্গবন্ধুর মতো মহান ব্যক্তির জীবনী লেখা অত্যন্ত কঠিন। আমার এখনও বারবার আবৃত্তি করতে ভালো লাগে পল্লীকবি জসীমউদ্দীনের 'কবর' কবিতাটি, জাতীয় কবি কাজী নজরুল ইসলামের 'অগি্নবীণা', বহুমুখী প্রতিভার নোবেলজয়ী বিশ্ব্কবি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের 'আমার সোনার বাংলা, আমি তোমায় ভালবাসি' গাইতে, হাজার বছরের সর্বশ্রেষ্ঠ বাঙালি জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের তেজদীপ্ত, বজ্রকণ্ঠে ৭ মার্চের কালজয়ী ভাষণ, 'এবারের সংগ্রাম আমাদের মুক্তির সংগ্রাম, এবারের সংগ্রাম স্বাধীনতার সংগ্রাম' শুনতে।



 


করোনা পরিস্থিতি
বাংলাদেশ বিশ্ব
আক্রান্ত ৩,৩৯,৩৩২ ২,৯২,০১,৬৮৫
সুস্থ ২,৪৩,১৫৫ ২,১০,৩৫,৯২৬
মৃত্যু ৪,৭৫৯ ৯,২৮,৬৮৬
দেশ ২১৩
সূত্র: আইইডিসিআর ও বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা।
আজকের পাঠকসংখ্যা
৬৬৭০৩৮
পুরোন সংখ্যা