চাঁদপুর, শনিবার ২৬ সেপ্টেম্বর ২০২০, ১১ আশ্বিন ১৪২৭, ৮ সফর ১৪৪২
jibon dip

সর্বশেষ খবর :

  • --
হেরার আলো
বাণী চিরন্তন
আল-হাদিস

৭৬-সূরা দাহ্র বা ইন্সান


৩১ আয়াত, ২ রুকু, মক্কী


পরম করুণাময় ও অসীম দয়ালু আল্লাহর নামে শুরু করছি।


 


২৭। উহারা ভালোবাসে পার্থিব জীবনকে এবং উহারা পরবর্তী কঠিন দিবসকে উপেক্ষা করিয়া চলে।


২৮। আমি উহাদিগকে সৃষ্টি করির্য়ািছ এবং উহাদের গঠন সুদৃঢ় করিয়াছি। আমি যখন ইচ্ছা করিব উহাদের পরিবর্তে উহাদের অনুরূপ এক জাতিকে প্রতিষ্ঠিত করিব।


 


 


 


 


অতি মাত্রায় বাস্তববাদী লোকেরা সচ্ছলতা পায় কিন্তু সব সময় শান্তি পায় না। -জর্জ গ্রানভিল।


 


 


 


 


 


 


 


সেই ব্যক্তি শ্রেষ্ঠ মর্যাদার অধিকারী সে স্বল্পাহারে সন্তুষ্ট থাকে, অল্প হাসে এবং লজ্জাস্থান ঢাকিবার উপযোগী বস্ত্রে পরিতুষ্ট।


 


 


 


 


ফটো গ্যালারি
স্বাদে সেরা চাঁদপুরের ইলিশ
এইচএম জাকির
২৬ সেপ্টেম্বর, ২০২০ ০০:০০:০০
প্রিন্টঅ-অ+


মাছের রাজা ইলিশ। আর স্বাদের রাজা চাঁদপুরের ইলিশ। তাই দেশ-বিদেশের বাজারে সবাই চাঁদপুরের ইলিশ খোঁজে। মৎস্যবিজ্ঞানীদের মতে, ইলিশের বসবাস মূলত গভীর জলে বা সাগরে। তবে ইলিশ প্রজনন ঘটায় নদীর মিলনস্থলে বা মোহনায়। সেক্ষেত্রে চাঁদপুরের পদ্মা-মেঘনা-ডাকাতিয়া এ তিন নদীর মিলনস্থল ইলিশের প্রজননের জন্যে উত্তম কেন্দ্র। চাঁদপুরের তিন নদীর এই অঞ্চল দিয়ে ইলিশের প্রজননকালীন নদীর স্রোত থাকে উত্তাল। প্রবাহমান পানির এই উত্তাল খেলায় প্রজনন ঘটাতে ইলিশ সাগর থেকে ঝাঁকে ঝাঁকে চলে আসে চাঁদপুরে। সাগরের লোনা পানির খাবার ও নদীর মিঠা পানির খাবারে তারতম্য থাকায় ইলিশের দৈহিক গঠনে এবং এর স্বাদ, ঘ্রাণ ও গুণেও পার্থক্য রয়েছে।



 



ইলিশ গবেষকদের মতে, নদীর ফাইটোপ্ল্যাংকটন ও জুপ্ল্যাংকটন ইলিশের প্রধান খাদ্য। মূলত প্ল্যাংকটন-জাতীয় খাদ্যের কারণেই নদীর ইলিশ সাগরের ইলিশ থেকে স্বাদের হয়ে থাকে। তাছাড়া পানির প্রবাহও ইলিশের স্বাদ, ঘ্রাণ ও গুণে কার্যকর ভূমিকা রাখে। সকল দিক বিবেচনায় মৎস্যবিজ্ঞানীদের মতে, চাঁদপুরের ইলিশের মতো স্বাদ, ঘ্রাণ ও গুণ অন্য এলাকার ইলিশে পাওয়া যায় না।



 



ভালো ও স্বাদের ইলিশ খেতে হলে তাজা ইলিশ হতে হবে। আর তা চাঁদপুরের হলে তো কথাই নেই। এখন সময় ইলিশের। এখন ইলিশের ভরা মৌসুম। তাই কিছুটা ধারণা নিয়ে ইলিশ কিনতে গেলে লাভবান হবেন।



 



ইলিশে রয়েছে ওমেগা-থ্রি ফ্যাটি অ্যাসিড, আয়োডিন, সেলেনিয়াম, সোডিয়াম, পটাসিয়াম, ম্যাগনেসিয়াম, ফসফরাস, জিঙ্ক, প্রোটিন, ভিটামিন-এ, ডি এবং ই।



 



খনিজ উপাদানে ভরপুর : ইলিশ মাছে আছে আয়োডিন, সেলেনিয়াম, জিঙ্ক, পটাশিয়াম। থাইরয়েড গ্ল্যান্ড সুস্থ রাখে আয়োডিন, সেলেনিয়াম উৎসেচক ক্ষরণে সাহায্য করে যা ক্যান্সারের মোকাবিলা করতে পারে। এছাড়াও ইলিশে থাকা খনিজ বিশেষ করে ফসফরাস দাঁত এবং ক্যালসিয়াম হাড়ের পুষ্টির জন্যে একান্ত অপরিহার্য। সোডিয়াম, পটাশিয়াম, ম্যাগনেশিয়াম ও লৌহ স্বাভাবিক শরীর বৃদ্ধি এবং মানসিক বিকাশের জন্যে খুবই প্রয়োজনীয় উপাদান।



 



হার্ট সুস্থ রাখে : ইলিশ মাছে প্রচুর পরিমাণ ওমেগা-থ্রি ফ্যাটি অ্যাসিড। যা রক্তে কোলেস্টেরলের মাত্রা বাড়ায় না। সামুদ্রিক মাছ হিসেবে ইলিশে সম্পৃক্ত চর্বিও কম। যার ফলে ইলিশ খেলে হার্ট থাকবে সুস্থ।



 



রক্ত সঞ্চালন বৃদ্ধি করে : ইলিশ মাছ রক্তনালির স্বাস্থ্যরক্ষায় ভালো। এতে ইপিএ ও ডিএইচএ নামক ওমেগা-থ্রি ফ্যাটি অ্যাসিড থাকে। তাই ইলিশ মাছ খেলে শরীরে রক্ত সঞ্চালন বৃদ্ধি পায়। ফলে থ্রম্বসিসে আক্রান্ত হওয়ার ঝুঁকি কমে।



 



ত্বকের উজ্জ্বলতা বাড়ায় : ত্বকের সৌন্দর্য রক্ষায় ও রোদ থেকে ত্বকের ক্ষতি হওয়া প্রতিরোধে ইলিশ মাছের ওমেগা-থ্রি ফ্যাট সাহায্য করে। তাছাড়া ইলিশ মাছে থাকা প্রোটিন কোলাজেনের অন্যতম উপাদান। এই কোলাজেন ত্বক শক্ত ও নমনীয় রাখতে সাহায্য করে।



 



চোখ ভালো রাখে : ইলিশের ভিটামিন-এ এবং ওমেগা-থ্রি ফ্যাটি অ্যাসিড চোখের সুস্থতা রক্ষায় সাহায্য করে। ইলিশ মাছ খেলে চোখের স্বাস্থ্য ভালো থাকে এবং চোখ উজ্জ্বল হয়। বয়সকালে দৃষ্টিশক্তি ক্ষীণ হয়ে আসার মোকাবিলা করতে পারে এই ওমেগা-থ্রি ফ্যাটি অ্যাসিড।



 



ভিটামিন এ, ডি এবং ই রয়েছে প্রচুর : ইলিশ মাছে রয়েছে প্রচুর ভিটামিন এ, ডি এবং ই। বিশেষ করে ভিটামিন ডি খুব কম খাবারেই পাওয়া যায়। যা ইলিশে সহজেই মেলে। ইলিশে থাকা ভিটামিন-এ রাতকানা রোগ প্রতিরোধ করে এবং ভিটামিন-ডি শিশুদের রিকেট রোগ থেকে রক্ষা করে। তাছাড়া এতে থাকা ওমেগা-থ্রি ফ্যাটি অ্যাসিড অবসাদ, আলসার, কোলাইটিসের হাত থেকেও রক্ষা করে।



 



পরিহার : ইলিশ মাছ খেলে কারো কারো শরীরে অ্যালার্জি বা গ্যাসের উদ্রেক হতে পারে। সেক্ষেত্রে আগে বুঝতে হবে আপনার শরীরে ইলিশ মাছের বিরূপ প্রভাব আছে কি না, থাকলে ইলিশ এড়িয়ে চলাই ভালো।



ভালো ইলিশ কিনতে হলে আপনার হাত, চোখ, নাক তিনের ব্যবহার করতে হবে। কিছু বৈশিষ্ট্য আপনাকে জেনে ভালো ইলিশ কিনতে যেতে হবে। অন্যথায় আপনার চোখে ফাঁকি দিয়ে বিক্রেতা আপনাকে ঠকাবে। কী করে ভালো ইলিশ চিনবেন? চলুন জেনে নিই-



 



চোখ : ভালো ইলিশের চোখ স্বচ্ছ থাকবে, দেখাবে উজ্জ্বল। কোল্ডস্টোরেজে রাখা পুরোনো ইলিশ মাছের চোখ ভেতরের দিকে ঢুকে থাকবে এবং চোখ ঘোলা দেখাবে। মনে রাখবেন, যে ইলিশের চোখ লাল তারচেয়ে নীল চোখের ইলিশের স্বাদ বেশি পাবেন। তাই লাল চোখের ইলিশ তাজা হলেও এড়িয়ে যান।



 



মুখ : ইলিশের মুখ যতো সরু তার স্বাদ ততো বেশি। তাই ইলিশ কেনার সময় অবশ্যই এই বৈশিষ্ট্যটি দেখে নিবেন।



 



ফুলকা বা কানকা : ইলিশ মাছের কানকা বা ফুলকাটি ফাঁক করে দেখুন। তাজা ইলিশে লালচে ভাব থাকবে। যদি পুরোনো ইলিশ মাছ হয় তবে লালচে ভাব থাকবে না। ফুলকার রং ধূসর বা বাদামি থাকবে।



 



গন্ধ : মাছটি হাতে নিয়ে নাকের কাছে ধরুন। আপনি যে গন্ধ প্রত্যাশা করেছে ইলিশের থেকে সেই গন্ধ পাবেন তাজা ও ভালো ইলিশ থেকে। পুরাতন ইলিশের নিজস্ব গন্ধ থাকবে না। তাজা ইলিশ মাছ সাগরের বা লোনা পানি থেকে ধরা হলে মাছে লবণাক্ত গন্ধ থাকবে। নদীর বা মিঠা পানির হলে পানির মতো গন্ধ থাকবে। যদিও মিঠা পানির ইলিশের স্বাদ বেশি। ইলিশ যতই সমুদ্র থেকে দূরে আসে দেহে লবণের পরিমাণ কমতে থাকে। আর স্বাদ ততো বাড়ে।



 



দেহ ও রং : তাজা ইলিশের দেহ অনেকটাই নমনীয় হবে। মাছের গায়ে চাপ দিলে স্পঞ্জ করে আবার স্বাভাবিক হয়ে যাবে। দীর্ঘদিন বরফে রাখা ইলিশ অনেকটা শক্ত হয়ে যায়। চকচক করলে সোনা হয় না। তবে তাজা ইলিশ মাছ চকচক করবে। রূপালী রঙের ঝলক আপনি পাবেন ভালো ইলিশে। চকচক দেখাবে। তাজা ইলিশের দেহে পিচ্ছিল একটা ভাব থাকে। হাত দিয়ে ধরলে টের পাবেন। ঘাড় মোটা হবে।



 



পেট : মাছটি হাতে নিয়ে হালকা চাপ দিন, তার পেটে যদি মুখ বা ফুলকা দিয়ে রক্ত বের হয় তবে এই মাছ বাদ দিন। এটি দীর্ঘদিন বরফে রাখা মাছ। পেট যদি ফুলা থাকে তবে ডিম আছে মাছে। ইলিশের ডিম অনেকের প্রিয়। ডিম হলে ছোট ইলিশের স্বাদ কমে যায়। কিন্তু বড় ইলিশ বিশেষ করে ১ কেজির উপরে হলে কোনো সমস্যা নেই। স্বাদ পাওয়া যায়। তবে ডিম এড়াতে চাইলে পেট মোটা ইলিশ বাদ দিন।



 



সাগর ও নদীর ইলিশ : সাগরের ইলিশে থেকে নদীর ইলিশের স্বাদ ভালো। নদীতে আসার পর খাবারের কারণে ইলিশের স্বাদ বাড়ে। সাগরের ইলিশে নোনা ভাব বেশি থাকে। তাই ভালো স্বাদ পেতে নদীর ইলিশ কিনতে হবে। সাগরের ইলিশ লম্বাটে হয়। নদীর ইলিশ খাটো ও গোলাকার, রূপালী ভাব বেশি। যে নদীর পানি যতো স্বচ্ছ সেই নদীর ইলিশের পিঠ ততো কালচে হয়। ঘোলা নদীর ইলিশের পিঠে কালচে ভাব কম।



এককথায় চাঁদপুরের অরিজিনাল ইলিশ কিনতে ঘাড় চওড়া, চোখ নীল, মুখ সরু, পেট সমান দেখে কিনুন। তাতেই আসল স্বাদ, ঘ্রাণ ও গুণের ইলিশ পাওয়ার সম্ভাবনা বেশি। ভুল করেও লম্বা, সরু ইলিশ মাছ কিনবেন না। তাতে স্বাদ পাবেন না ভালো ইলিশের।



 



এ গেলো স্বাদের ইলিশের বর্ণনা। মুখের স্বাদ ছাড়াও ইলিশের অন্য অনেক স্বাদ আছে। বাংলাদেশের প্রাণবৈচিত্র ও অর্থনীতিতে ইলিশের ভূমিকা বহুলাংশে বৃদ্ধি পেয়েছে।



 



বাজারে থেকে আপনি ইলিশ কিনে দামের কারণে হতাশ হতেই পারেন। কিন্তু হাজার হতাশার মাঝে চাঁদপুরের ইলিশ আশার আলো। বিশ্বের কোনো দেশের সাথে এই ইলিশের তুলনা করা যাবে না। বিশ্বজুড়েও স্বাদ, ঘ্রাণ, গুণ, অর্থনৈতিক দিক বিবেচনায় বাংলাদেশের ইলিশ সেরা। দেশে দেশে যখন ইলিশের উৎপাদন কমছে। তখন ইলিশ উৎপাদনে বাংলাদেশ রেকর্ড গড়েছে। মৎস্যবিষয়ক আন্তর্জাতিক সংস্থা ওয়ার্ল্ডফিশের চলতি মাসের হিসাবে বিশ্বের মোট ইলিশের ৮৬ শতাংশ এখন বাংলাদেশে উৎপাদিত হচ্ছে। অথচ চারবছর আগেও বিশ্বের মোট ইলিশের উৎপাদনের ৬৫ শতাংশ আসতো বাংলাদেশ থেকে। এই সময়ের মধ্যে এখানে ধারাবাহিকভাবে বেড়েছে ইলিশের উৎপাদন। সে তুলনায় প্রতিবেশী ভারত, মিয়ানমার, শ্রীলঙ্কা ও পাকিস্তানে ইলিশের উৎপাদন কমেছে। বাংলাদেশের পরই ইলিশের উৎপাদনে দ্বিতীয় স্থানে ভারত। পাঁচবছর আগে দেশটিতে বিশ্বের প্রায় ২৫ শতাংশ ইলিশ উৎপাদিত হতো। তবে চলতি বছর তাদের উৎপাদন সাড়ে ১০ শতাংশে নেমেছে। তৃতীয় অবস্থানে থাকা মিয়ানমারে উৎপাদন হয়েছে ৩ শতাংশের মতো। ইরান, ইরাক, কুয়েত ও পাকিস্তানে উৎপাদন হয়েছে বাকি ইলিশ।



 



রপ্তানির নামে চিংড়ি চাষ করে যখন পরিবেশ প্রকৃতির বারোটা বাজাচ্ছি, তখন প্রকৃতির দান ইলিশ আশীর্বাদ। ইলিশ ডিম ছাড়ার জন্যে বেছে নেয় বাংলাদেশের সীমানাকে। সেক্ষেত্রে নদীর মোহনাকেই প্রজননের জন্যে বেছে নেয় ইলিশ। চাঁদপুরের তিন নদীর মিলনস্থল ও প্রবাহমান পানির ঘূর্ণন স্রোতই ইলিশের জন্যে উপযুক্ত প্রজননকেন্দ্র। বর্ষাকালে নদীতে পানি বেশি থাকে, তাই বর্ষায় বাংলাদেশের নদীগুলো মা ইলিশে ভরে ওঠে। এই মা ইলিশ আমাদের সৌভাগ্যের প্রতীক। তাকে রক্ষার দায়িত্ব সঠিকভাবে পালন করলে ইলিশের উৎপাদন কয়েক লাখ টন বাড়ানো সম্ভব।



 



ভালো স্বাদের ইলিশে আপনি ও আপনার ভবিষ্যৎ প্রজন্মের মন ভরাতে চাইলে আপনাকে মা ইলিশ ও জাটকা ইলিশ রক্ষায় এগিয়ে আসতে হবে। স্বপ্ন দেখতে হবে এদেশের প্রতিটি নদী জাটকা ইলিশের অবাধ বিচরণ ক্ষেত্র হবে। হাজার হাজার তরুণ ইলিশের ব্যবসায় আসবে। এ বছর মহামারি করোনাভাইরাস ঘরবন্দী তরুণ-তরুণীদের ই-কমার্স বা অনলাইন ব্যবসায় উদ্যোক্তা তৈরিতে বিরাট ভূমিকা রেখেছে। সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম খুললেই তরুণ-তরুণীদের নানা বিষয়ে অনলাইন ব্যবসার বিজ্ঞাপন চোখে পড়ে। এতে করে বিজ্ঞাপনদাতারা যেমন উদ্যোক্তা হতে পেরেছে, তেমনি ঘরে বসেই মোবাইল ব্যাংকিংয়ে লেনদেন করে ক্রেতারা পছন্দের পণ্য পাচ্ছে। চাঁদপুরের ইলিশ তার অন্যতম পণ্য। স্থানীয় উদ্যোক্তা ছাড়াও বিভিন্ন জেলার তরুণ-তরুণীরা পরিচিতজনদের সহযোগিতায় চাঁদপুরের ইলিশ নিয়ে অনলাইন ব্যবসা করে স্বাবলম্বী হচ্ছে।



 



 


করোনা পরিস্থিতি
বাংলাদেশ বিশ্ব
আক্রান্ত ৩,৮৭,২৯৫ ৩,৯৬,৩৮,১৮৮
সুস্থ ৩,০২,২৯৮ ২,৯৬,৭৮,৪৪৬
মৃত্যু ৫,৬৪৬ ১১,০৯,৮৩৮
দেশ ২১৩
সূত্র: আইইডিসিআর ও বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা।
আজকের পাঠকসংখ্যা
২৯১৭০৭
পুরোন সংখ্যা