চাঁদপুর। সোমবার ২০ নভেম্বর ২০১৭। ৬ অগ্রহায়ণ ১৪২৪। ৩০ সফর ১৪৩৯
kzai
muslim-boys

সর্বশেষ খবর :

  • -
হেরার আলো
বাণী চিরন্তন
আল-হাদিস

৩২- সূরা সেজদাহ

৩০ আয়াত, ৪ রুকু, ‘মক্কী’

পরম করুণাময় ও অসীম দয়ালু  আল্লাহর নামে শুরু করছি।

১১। বলুন, তোমাদের প্রাণ হরণের দায়িত্বে নিয়োজিত ফেরেশতা তোমাদের প্রাণ হরণ করবে। অতঃপর তোমরা তোমাদের পালনকর্তার কাছে প্রত্যাবর্তিত হবে।

১২। যদি আপনি দেখতেন যখন অপরাধীরা তাদের পালনকর্তার সামনে নতশির হয়ে বলবে, হে আমাদের পালনকর্তা, আমরা দেখলাম ও শ্রবণ করলাম। এখন আমাদেরকে পাঠিয়ে দিন, আমরা সৎকর্ম করব। আমরা দৃঢ়বিশ্বাসী হয়ে গেছি।

দয়া করে এই অংশটুকু হেফাজত করুন


সংসারে যে সবাইকে আপন ভাবতে পারে, তার মতো সুখী নেই।              

-গোল্ড স্মিথ।


দোলনা থেকে কবর পর্যন্ত জ্ঞানচর্চায় নিজেকে উৎসর্গ করো।


ফটো গ্যালারি
সৌম্য সালেকের কবিতা
২০ নভেম্বর, ২০১৭ ০০:০০:০০
প্রিন্টঅ-অ+


পথের গান



 



পাবার ছিলো আশার ছিলো কত



নিশার মতো মিলিয়ে গেছে মধু



ভোর-দখিনা বন্ধ সবি আজ



রাতের পালা অাঁধার সারা ধুধু...



 



শ্রমের ঘোরে রক্ত নাচে কত



কার খেয়ালে অঙ্গ-হানি লুট



একি আমার ভগ্ন স্বপন জ্বালা



রসের কালে মন নিয়েছে ছুট!



 



দেহের ফেরে কাম জেগেছে যদি



মনের ঘরে ঘুমের নষ্ট হানা



এই কী ছিল প্রেমের সপ্তপদী



একি তোমার চিরকালীন মানা!



 



কোমল-পথে সঙ্গ নিতে যাবো



নদীর মতো নিত্য মধু হেসে



সাগর যদি অধীর হতো চেয়ে_



মিলিয়ে যেতাম তরল ভালোবেসে।।



 



 



স্বপ্নের গান



 



আমায় ফোটাতে চেয়েছিলো ফুলদল



গুল্মবীথির অচিন পুষ্পবালা



ঊর্ধ্ব আকাশ-সুপ্তির হোমা পাখি



পাঠাতে চেয়েছে প্রিয়গন্ধের মালা।



হৃদয় কাঁপছে বিচ্ছেদ ব্যতিহারে



আশার উঠোনে কোথা যেনো ভয়বিধি



তবুও ফাগুন পেয়েছি ঊষার খেলা



তবুও জীবন-বকুল পুষ্পনিধি।



দেখেছি করাল ইনানী পাথর থেকে



মন চলে গেছে শৈল-সুধীর বনে



চলে গেছে মন আঙ্গনের মেঠোপথে



স্বপ্নের রথে-অমরার গানে গানে...



মন্দ-নিষেধ জোট বেঁধে শাপ-জ্বালা



বিষাদ করেছে বাসনার প্রেমহার



তবুও জীবন ভাটি-জল-পারাপার



রাতভর গান-প্রীত জোসনার পালা।।



 



সাড়া



 



আমার প্রাণে লাগে যখন ঢেউ



তোমার কোলে দ্বিধান্বিত তারা



যখন আমি ছিলাম দিশাহারা



তোমার মতো দেখে নি আর কেউ



 



আমার হলে জাগতে তুমি রাত



হতে আমার উড়াল-মেঘা নাও



ফাগুন বনে মিলিয়ে নিতে হাত



ও'বিলাসী কার ঘরে ঠাঁই নাও



খেপা আমার বুকের বায়ু-পাল



ছিন্ন করে মোহের জটাজাল



তুমি যখন ধনী-ঘরের দাসী



একাই বাঁচি আমি আদিম চাষী।



 



 



আপনাকে মনে রেখে পিতা



 



মেয়েলোকেরা আপনাকে করুণা করেছে, আমি দেখেছি একজন বয়োজ্যেষ্ঠ হিসেবে মুচকি হাসতে গিয়ে কখনো ওদের বিব্রত করেন নি বরং ঠা ঠা অট্ট হেসে কৃতজ্ঞতা জানিয়ে বলেছেন-'কারণে অকারণে প্রতিদিন মন তো জাগবেই, মন জাগুক, দেহকে এত জাগতে হবে না, বারবার দেহকে জাগতে দিলে এদেশে তোমার সুখ হবে না, বলি । অথচ মন বরাবর জাগতে গিয়ে দেহটি ফ্যাসাদে পড়ে আছে, আমি অপঘাতে আক্রান্ত রয়েছি পিতা; দৃষ্টি থেকে সরতে চায় না নেশা, বদ-ভাবনাগুলি ভিতরে বাসা বেঁধেছে, যা কেবল বিব্রত নয় আত্মঘাতীও। সংসার সমরে চিরদিন সংযত থেকে প্রায়ই কবিদের কথা বলতে গিয়ে শেষে আপনি যা উচ্চারণ করতেন, আমি তা সাগ্রহে মনে রেখেছি পিতা :



'ভাবছ কিসে, ভাবনা মিছে, ভাববে তুমি কে?



যার ভাবনা ভাবছে সে, ভাব তুমি তাকে।'



তেমনি এক ভাবনাহীন অচিন্ত্য জীবনের পাঠকে মর্মে তুলে নিতে গিয়ে, আমি আসলে মারাত্মক ভাবনাতেই ডুবে থাকি। অথচ দুঃখ-যাপনের রুক্ষ কিনারে দাঁড়িয়ে, ঊধর্ে্ব হাত তুলে আপনি যে ভক্তি জানাতেন, সেখানে বিলাসের ধন্দ ছাপিয়ে অপার তৃপ্তির বড় অধিকার দেখেছি। দেখে যান, সামান্য দুরাশার মাঝে আমি কেমন আহত পড়ে আছি! লোক-মার্গ, রীতি ও প্রীতির দ্বন্দ্ব ঘুচিয়ে আপনার প্রসন্ন পথে একদিন আমিও হারিয়ে যাবো, পিতা।



 


আজকের পাঠকসংখ্যা
৮৪২২৮৮
পুরোন সংখ্যা