চাঁদপুর। সোমবার ২ জুন ২০১৮। ১৮ আষাঢ় ১৪২৫। ১৭ শাওয়াল ১৪৩৯
redcricent
jibon dip

সর্বশেষ খবর :

  • কচুয়ায় স্ত্রী হত্যার দায়ে স্বামীকে ফাঁসির আদেশ দিয়েছে জেলা দায়রা জজ আদালত
হেরার আলো
বাণী চিরন্তন
আল-হাদিস

৩৯-সূরা আয্-যুমার

৭৫ আয়াত, ৮ রুকু, মক্কী

পরম করুণাময় ও অসীম দয়ালু  আল্লাহর নামে শুরু করছি।

২১। তুমি কি দেখনি যে, আল্লাহ আকাশ থেকে পানি বর্ষণ করেছেন, অতঃপর সে পানি জমিনের ঝর্ণাসমূহে প্রবাহিত করেছেন, এরপর তা দ্বারা বিভিন্ন রঙের ফসল উৎপন্ন করেন, অতঃপর তা শুকিয়ে যায়, ফলে তোমরা তা পীতবর্ণ দেখতে পাও। এরপর আল্লাহ তাকে খড়-কুটায় পরিণত করে দেন। নিশ্চয় এতে বুদ্ধিমানদের জন্যে উপদেশ রয়েছে।

দয়া করে এই অংশটুকু হেফাজত করুন


রাজা রাজত্ব করে কিন্তু শাসন করেন না।                                         


-বিসমার্ক।


যিনি বিশ্বমানবের কল্যাণ সাধন করেন, তিনিই সর্বশ্রেষ্ঠ মানুষ।



                         


ফটো গ্যালারি
কবিতা এক নিঃসঙ্গ আনন্দের নাম
মনসুর আজিজ
০২ জুলাই, ২০১৮ ০০:০০:০০
প্রিন্টঅ-অ+


কবিতা এক নিঃসঙ্গ আনন্দের নাম। একলা একা শব্দের বারান্দায় বসে থাকে কবি। বুনে যায় শব্দবীজ। কচিপাতা আর কুঁড়ির অপেক্ষায় পাড়ি দেয় জীবনপ্রহর। নতুন পাতা আর ফুলের সৌরভে ভরে যায় কবির আনন্দবাগান। বহুবর্ণিল ফুলের নির্যাসে সুবাসিত করে কবিতার শরীর। একটি প্রজাপতির পাখায় সাজাতে থাকে উপমা, চিত্রল পঙক্তির বিন্যাস। উপেক্ষার মায়াজাল ছিঁড়ে কবি পাড়ি দেয় উত্তাল কবিজীবন। অচেনা দ্বীপের খোঁজে কেটে যায় প্রলুদ্ধ-প্রহর। নতুন দ্বীপের মতোই কখনো বা জেগে ওঠে কবিতার শরীর। নতুন পাঠকের আগমন ঘটে শব্দচরে। অস্তগামী সূর্যের আভার মতোই অন্তিম হাসি ছড়িয়ে পড়ে কবির নিজস্ব কবিতার দ্বীপে।



 



একটি চুম্বন



একটি চুম্বন খসে পড়লো বোঁটা ছিঁড়ে



কুড়িয়ে নিতেই ঝলসে গেলো হাত



ঠোঁটের পোড়া গন্ধ পেলাম নাকে



হাসির ঝংকারে পিছনে তাকাতেই_



হয়ে গেলাম দৃষ্টিহীন



গ্রীবায় আঙুলের স্পর্শ পেলে



আমি হই স্মৃতিহীন।



 



উৎকর্ণ কান দুটি শুনতে পায়



নর্তকীর পায়ের আওয়াজ



ক্ষীণ থেকে ক্ষীণতর হয়ে



মিলিয়ে যায় অসীমে...



 



স্মৃতির ক্যানভাস



আমিও তৃণসম; ভেসে যাই নদীর ভাঙনে



স্রোতের শক্তি নেই ডুবিয়ে দেবার



সাগরের গান শুনি উত্তাল তরঙ্গে



তারপর :



জাহাজের রেলিঙ ধরে দাঁড়িয়ে থাকা



নিঃসঙ্গ বালিকার আনন্দের সঙ্গী হই ক্ষণিকের



নিরন্তর গেঁথে যাই স্মৃতির ক্যানভাসে।



 



পাখিদের ডানা



আমার সমূহ সম্ভাবনা রেখে দিয়েছি



পাখিদের ডানায়



সময়টা তোমাদের বড্ড অনুকূলে



আমি তো উড়াল শিখেছি প্রতিকূলে



বিস্মৃত ডানায় ঠাঁই নেয় প্রাণিকূল, নবীদের উম্মত



নূহের তরীকে রেখেছি ঠোঁটে



প্লাবনের ভয় এখন আর দেখিও না প্রভু



পারো তো বাতাসের গতিকে বাড়িয়ে দাও



আমিও দেখে নেবো প্রতিকূলে উড়বার শক্তি।



 



জুতার অলৌকিকত্ব



আমার পাদুকা জোড়া পায়ে থাকতে চায় না আর



উঠে আসে হাতে;



অসভ্য জনপদে হাঁটার জায়গা নেই তার



মানুষের আচরণে ক্ষেপে ওঠে



অফিসে, রাস্তায়, বাসে ও বাজারে



অধিকার কেড়ে খায় যারা



নদী-খাল-নিসর্গ দখলদারের গালে



জুতা-জোড়া ঠাস ঠাস বাড়ি মারে...



 



নগরের অবোধ বাসিন্দা আমি;



নিশ্চুপ দেখে যাই



জুতার অলৌকিকত্ব।



 



ভগ্নাংশ সিরিজ



 



ভোগ :



ভোগের পেয়ালা উপচে পড়েছে বলে



উচ্ছিষ্টের ছিটেফোঁটা পায় জাতি



তখতের ভরা জৌলুস দেখে দেখে



এসো না আমরা উৎসবে তবু মাতি।



 



সাঁই :



রোদ নাচে সাথে জড়াজড়ি করে



কটিদেশ খুঁজে পাই না



এমন নাচের আসর মাতাবো



আমি তো তেমন সাঁই না।



 



কুয়াশা :



কুয়াশার চোখ আমাকেও কাটে



আমিও কেটেছি তারে



তোমার দুচোখ কাটে না আমায়



হৃদয় নদীর পাড়ে।



 



দহন :



আমি তো পুড়েছি নিজের আগুনে



দহন দেখি না কভু



নীলাকাশ নীলে নীল হয়ে গেছে



বিষেও কাঁদে না তবু।



 



আলিঙ্গন :



কান্নার বাঁশি তোমার বেজেছে



পান্নার দ্যুতি ছড়ালে



আলিঙ্গনের প্রথম পরশে



আমাকেই তুমি জড়ালে।



 


আজকের পাঠকসংখ্যা
১২৯২৭৯
পুরোন সংখ্যা