চাঁদপুর । সোমবার ৩০ জুলাই ২০১৮ । ১৫ শ্রাবণ ১৪২৫ । ১৬ জিলকদ ১৪৩৯
redcricent
jibon dip

সর্বশেষ খবর :

  • -
হেরার আলো
বাণী চিরন্তন
আল-হাদিস

৪০-সূরা আল মু’মিন

৮৫ আয়াত, ৯ রুকু, মক্কী

পরম করুণাময় ও অসীম দয়ালু  আল্লাহর নামে শুরু করছি।

৮। হে আমাদের পালনকর্তা, আর তাদেরকে দাখিল করুন চিরকাল বসবাসের জান্নাতে, যার ওয়াদা আপনি তাদেরকে দিয়েছেন এবং তাদের বাপ-দাদা, পতি-পতœী ও সন্তানদের মধ্যে যারা সৎকর্ম করে তাদেরকে। নিশ্চয় আপনি পরাক্রমশালী, প্রজ্ঞাময়।

৯। এবং আপনি আমাদেরকে অমঙ্গল থেকে রক্ষা করুন। আপনি যাকে সেদিন অমঙ্গল থেকে রক্ষা করবেন, তার প্রতি অনুগ্রহই করবেন। এটাই মহাসাফল্য।

দয়া করে এই অংশটুকু হেফাজত করুন

 


সময় মানুষকে পরিপক্ক করে, কোনো মানুষ জ্ঞানী হয়ে জন্মলাভ করে না। 


-কার্ভেন্টিস।

                         


রসূলুল্লাহ্ (দঃ) বলেছেন, যে ব্যক্তি কোন লোকের  সঙ্গে ধোঁকাবাজি করে সে আমার (দলের বা উম্মতের) বাইরে।



 


নাহিদা আশরাফীর 'প্রেম নিয়ে পাখিরা যা ভাবে'
স্বতন্ত্র কবিতার মায়াবী শরীর
মৃণাল বসুচৌধুরী
৩০ জুলাই, ২০১৮ ০০:০০:০০
প্রিন্টঅ-অ+


 



কবিতার সংজ্ঞা নির্ধারণ নিয়ে নানা মুনির নানা মত। প্রত্যেকেই তাঁর নিজস্ব বিশ্বাস, অন্তরঙ্গ অনুভব ও উপলব্ধি থেকে নির্ণয় করার চেষ্টা করেছেন কবিতার স্বরূপ। সে কারণেই Coleridge, Wordsworth, শেলি বা মালার্মের মতো আরো অনেক কবি সাহিত্যিকরা কবিতার প্রকৃতরূপ নিয়ে কখনোই একমত হতে পারেননি। তাঁদের এইসব বিরোধের মধ্যেই উঠে এসেছে নানান মতবাদ এবং কবিতার সংজ্ঞা নির্ণয়ের ঘনিষ্ঠ প্রয়াস। William Wordsworth বিশ্বাস করতেন, কবিতা হবে..‘spontaneous overflow of powerful feelings’ অর্থাৎ তাঁর মতে 'আন্তরিক অনুভুতি প্রকাশের স্বতঃস্ফূর্ত উন্মাদনা থেকেই উৎসারিত হয় কবিতা'। পাশাপাশি Thomas Hardz মানতেন- ‘emotions put into measure’আবেগের শিল্পিত প্রকাশই হবে কবিতা। আবার Thomas Carlzle বিশ্বাস করতেন কবিতা আসলে সংগীতময় চিন্তা [musical thoughts] তিনি বিশ্বাস করতেন, ব্যক্তিগত অনুভব, উপলব্ধি কখনো কখনো অদৃশ্য কোন সুরের মূর্ছনায় নিরন্তর ছন্দময় হয়ে ওঠে আমাদের অন্তরমহলে, তার থেকেই বোধহয় জন্ম নেয় কবিতা। এ রকম অসংখ্য মতবাদের মধ্যে না গিয়ে আমরা বরং Archibald Macleish-এর সেই অমোঘ উক্তিটিতেই ফিরে আসব-‘A poem should not mean, But be’  অন্য কিছু নয়, 'হয়ে ওঠা' ই কবিতার মূল শর্ত।



 



কবি নাহিদা আশরাফী'র কাব্যগ্রন্থ 'প্রেম নিয়ে পাখিরা যা ভাবে' পুনর্বার হাতে নিতেই 'অধরা মাধুরী' কবিতা সম্পর্কে কাব্যজগতের উজ্জ্বল জ্যোতিষ্করা কী ভাবতেন সেই সব কথা সামনে এসে দাঁড়াল। তাঁদের কয়েকজনের ভাবনার হাত ধরে নতুন করে আবিষ্কার করলাম এই কবিকে। 'নতুন করে' শব্দ দুটি ব্যবহার করলাম বিশেষ একটি কারণে। এই কাব্যগ্রন্থটির দ্বিতীয় প্রচ্ছদে কিছু লেখার সময়, পা-ুলিপিটি পড়েছিলাম বেশ কয়েকবার। এবার বইমেলায় বইটি হাতে পেয়ে আবার পড়তে গিয়ে মনে হলো নতুন করে নাহিদার কবিতা পড়ছি। মায়াময় মুগ্ধতামাখানো অসংখ্য পংক্তি ছড়িয়ে আছে এই কাব্যগ্রন্থের পাতায় পাতায়। শেষ কবিতাতেই চোখ অাঁকে গেল প্রথমে...



 



'ও কুয়াশা



শরীর বিছাও স্নানঘরের দেয়ালে।



ও শিশির



এসো স্নানের জলে মেশাব তোমায়।



ও সবুজ,



স্পর্শ বুনে চলো আপন খেয়ালে।



ও জীবন,



উষ্ণতা তোমায় ছুঁয়ে দেখতে চায়।' [স্নানপর্ব]



 



অভিজাত আরশি থেকে উঁকি মারা মধ্যবিত্ত জ্যোৎস্না আর তারা-ভেজানো জলে সুখময় স্নানের মায়াবী অনুষঙ্গে এক অলৌকিক আবহ উপহার দিয়েছেন কবি। শেষ থেকে শুরু করেছিলাম...এবার প্রথম কবিতায় আসি। অনাবিল, অনবদ্য এক প্রেমের কবিতা- 'হৃদয়হরণ পর্ব' _



 



'তুমি চাইলেই



আইনস্টাইনকে দিয়ে লিখিয়ে নেব



এক শ তিয়াত্তরটি প্রেমের কবিতা।



আর রবিবাবু বানিয়ে দেবেন



আস্ত এক থিওরি অফ রিলেটিভিটি।



তুমি চাইলেই-



ভ্যানগগ বিটোফেনে তুলবে ঝড়।



গাইবে রাগ মল্লার বা ভৈরবী।



আর তোমার উপেক্ষিত হাসির বিনিময়ে



আমি লিখে দেব হৃদয়ের ভিটেমাটি।



 



প্রথম ও শেষ এই দুটি কবিতার সহজ, সরল, আত্মনিষ্ঠ ভাষা প্রকাশভঙ্গির মাধুর্য, নিয়ন্ত্রিত মগ্ন উচ্চারণে অবাক হয়েই তাঁর কবিতার প্রতি আকৃষ্ট হয়েছিলাম। আমরা, পাঠকেরা সকলেই জানি, শুধুমাত্র সত্যের প্রকাশ নয়, কবির উপলব্ধ সত্যকে বাস্তবের তুলনায় আরো অধিকতর সত্য করে তোলাই হয়ত কবির কাজ। দৃশ্যমান সত্যকে বোধ বা চৈতন্যের রং, খড়, মাটি দিয়ে তাঁর সৃষ্টির মাধুর্যে আরো বেশি গ্রহণযোগ্য করে তুলবেন কবি, এটাই স্বাভাবিক। কবি নাহিদা আশরাফীর কবিতায় অবগাহন করলে, এই সরল সত্যটি আবার সামনে দাঁড়ায়। নাহিদার একটি কবিতা 'আমিহীন আমি' _



 



'জলভরা দিঘির পুরোঁাই দিতে হলো আকাশকে ।



বিনিময়ে চাঁদ এক রাতের জন্যে আমার হলো।'



 



অথবা অন্য একটি কবিতা 'জেগে ওঠা বসন্ত'



 



'আস্ত একটা শীতকাল নিলামে তুলেছি ।



 



সাথে তেইশটি হেমন্তের কুয়াশা।'



পরিশুদ্ধ আবেগের প্রেমময় অনাবিল আত্মিক প্রকাশ



তাঁকে পাঠকপ্রিয় করে তুলেছে ইতিমধ্যেই। দিনযাপনের দুঃখ-ক্লান্তি হতাশা মাখানো কিছু সুন্দর স্বপি্নল কবিতা ছড়ানো রয়েছে এই কাব্যগ্রন্থে। বিরহ বা বিষাদ তাঁর কলমে মূর্ত হয় মুগ্ধ অবয়বে।



 



'একখানা জিডি করব।



একটা নীল পাঞ্জাবি, এলোমেলো চুল



একজোড়া উথালপাতাল চোখ



আর একটা সর্বনাশা হাসির বিরুদ্ধে।' [জিডি]



কিংবা,



বর্ষা এলেও তুই এলি না ঘরের দাওয়ায়।



তোর অভাবে কদম আভাও শূন্যে হারায়।



......



 



একটিবার তো আমায় নিয়ে ভাবতে পারিস হতচ্ছাড়া। [হতচ্ছাড়ার জন্য পংক্তিমালা]



বিরহমধুর উচ্চারণে কি অনায়াসে তিনি লিখতে পারেন_



'ইচ্ছে করে ঠোঁটছুরিতে নিত্য আমি খুন হই



তোমায় নিয়ে লিখব বলে নির্মলেন্দু গুণ হই'। [তোমায় নিয়ে লিখব বলে]



 



প্রত্যেক কবিই অর্জন করতে চান নিজস্ব ভাষা ও আঙ্গিক। স্বতন্ত্র কাব্যভাষা অর্জনের প্রয়াসে সম্ভবত নাহিদা জেনেছেন সেই পরম সত্যটি, কবিতার ভাষা যদি আপাত সরল না হয়, পাঠকের কাছে তা পৌঁছবে না কোনদিন। প্রথম পাঠে, কবিতার ভাষা যদি আকর্ষণ না করে পাঠককে, তাহলে কবিতার আত্মাও অধরা থেকে যাবে তাদের কাছে। এই প্রসঙ্গে T.S. ELIOT বলেছিলেন- ÔEmotion and feeling then are best expressed in the common language of people- that is, In the language common to all classes...' কবি নাহিদা আশরাফীর কবিতার ভাষা সরল এবং স্বতন্ত্র। অত্যন্ত সহজ সরল ভাষায় তিনি তৈরি করেছেন কবিতার মায়াবী শরীর। যা সতত উজ্জ্বল।



 



নানা প্রশ্ন এবং প্রতিপ্রশ্নের মধ্যে তাঁর মায়াময় কলম খুঁজেছে ভালোবাসা ও প্রার্থিত প্রেমিকটিকে, অলৌকিক মন্ত্রের মত, সমপর্ণের পূর্বমুহূর্তে উচ্চারিত হয় কিছু মায়াশব্দ...



'আকাশটাকে উল্টে দিতেই দিব্যি একটা ঝুড়ি হলো,



যার জঠরে এক পৃথিবী প্রেম সাজালাম



তোমার পায়ে লুটিয়ে দিতে।



ঝুড়িটা কি আনতে পারি?'



এই মগ্ন উচ্চারণে মূর্ত হয় এক ঐশ্বরিক বাতাবরণ। অনির্বচনীয় আনন্দের মুখোমুখি নতশির দাঁড়িয়ে থাকা ছাড়া পাঠকের আর কিছু করার থাকে না।



 



'প্রেম নিয়ে পাখিরা যা ভাবে' কবির দ্বিতীয় কাব্যগ্রন্থ। প্রেম, প্রেমহীনতার দোলাচল অস্থিরতা, অনন্ত দহন, সুন্দরের জন্য স্বপ্নময় আর্তি, অসুন্দরের প্রতি ঘৃণা, প্রতিবাদ, তাঁর কবিতার মূল উপজীব্য হলেও সামাজিক বৈষম্য, নিপীড়িত নিঃস্ব মানুষের প্রতি ভালোবাসা ও সহমর্মিতার কথাও মূর্ত হয়েছে তাঁর কবিতায়। স্বদেশপ্রেমে ঋদ্ধ তাঁর অনুভব। সময়ের সঙ্গে সঙ্গে তাঁর দেখার ভঙ্গি ও চেতনার রং তাঁকে নির্যাতিত, বিপন্ন, অসহায়, বঞ্চিত শিশু ও নারীদের পাশে দাঁড়াতে উদ্বুদ্ধ করেছে। 'রিশার জন্য পংক্তিমালা', 'পরীর জন্যে এলিজি', 'আসুন, প্রতিযোগিতা হোক' এবং অন্য অনেক কবিতায় উচ্চারিত হয়েছে তাঁর প্রতিবাদ। সামাজিক অসংগতি, নারীদের ওপর অত্যাচার দমন-পীড়ন, যন্ত্রণাক্লিষ্ট করেছে তাঁর কলম কে..



 



'আসুন, প্রতিযোগিতা হোক



কে কতো দ্রুত ভুলতে পারি



রূপা হারানোর শোক।'



পুরুষতান্ত্রিক সমাজের প্রতি তাঁর বিদ্রূপের প্রকাশ_



'নারী মানেই তো ভোগ্যপণ্য



মাংসপি- দলা।



নারী মানেই তো খুবলে খাওয়ার



নিপুণ শিল্পকলা।'



 



এক ভাসমান রোহিঙ্গা শিশুর প্রতি উৎসর্গ করে তাঁর কবিতা... 'পরীর জন্যে এলিজি'



'আনন্দ করুন বিশ্ববিবেক!



পিশাচ পর্বতারোহীরা প্রায় পেঁৗছে গেছে



ধর্মান্ধ পাহাড়ের শেষচূড়ায়।



ভাসমান এই ছোট্ট বুকে পা রেখেই



এবার সম্পন্ন হবে অভিযাত্রার উল্লাসচিত্র...'



এমন অনেক কবিতাতেই তিনি নারীদের বেদনা ও যন্ত্রণাজটিল জীবনের কথা বলেছেন, বলেছেন অসহায় শিশুদের কথা। সুখের কথা, তাঁর সমস্ত উচ্চারণই কবিতার শর্ত মেনে...।



 



শুধু প্রতিবাদ নয়, প্রেমবিরহ, মিলনের আর্তিও মূর্ত হয়েছে তাঁর কবিতায়। কখনো কখনো কিছু নীরব আর্তনাদ। কবিতা মূলত শব্দেরই শিল্প। শব্দ জুড়ে জুড়ে তৈরি হয় ভাষা। ভাষাকে গতি দেয় ছন্দ। বিষয়, ভাষা ও ছন্দের সহজাত মিশ্রণে অনুভূতির জগৎ থেকে জন্ম নেয় কবিতা। ছন্দ প্রসঙ্গে আব্দুল মান্নান সৈয়দ



 



যথার্থই বলেছিলেন...'ছন্দ কবির বাহন নয়- ব্যক্তিত্ব' ছন্দময় শব্দ ব্যবহারের সময় যে কোন কবিই সচেতন থাকেন শব্দের অন্তর্লীন স্রোতের সঙ্গে ছন্দের মিশ্রণ যেন পূর্ণতার ছোঁয়া দিতে পারে কবিতাকে। কবিতার সাধনায় নিজেকে সমর্পণ করার আগে কবি নাহিদা আশরাফী যে দীর্ঘদিন ভাষা, ছন্দ ও শব্দনির্মাণের পাঠ নিয়েছেন, সন্ধান করেছেন সেই মায়াবী প্রকাশভঙ্গি, তা স্পষ্ট তাঁর প্রতিটি কবিতায়... প্রায় সমস্ত রকম ছন্দে তিনি প্রকাশ করেছেন নিজেকে। যে কবিতার শিরোনামে কাব্যগ্রন্থটির নামকরণ সেই 'প্রেম নিয়ে পাখিরা যা ভাবে' কবিতাটিতেই যাই-



'ভালোবাসা নয় কোনো পুঁথিপাঠ



নয় কোনো শব্দের অভিধান



হয়নি তো জানা আজ প্রেম কী



প্রেম জানে শুধু ওই পাখিপ্রাণ'



অথবা 'জলগোলাপের চাষি' র সুরেলা উচ্চারণ_



মেঘবাড়িতে গোপন সভায়



মেঘফুলেদের মন্ত্রণা।



বর্ষা দুপুর জানান দিল



'মানুষ আমি যন্ত্র না'



 



এমন অসংখ্য পংক্তি ছড়িয়ে আছে তাঁর কবিতায়। বিভিন্ন ছন্দে, নতুন ভঙ্গীতে, অনুপম ও অনিবার্য ভাষায় তিনি নিজেকে হাজির করেছেন পাঠকের দরবারে...।



 



যে কথাটি, আগেই লেখা জরুরি ছিল, সেটাই এখন বলে রাখি। আমি কাব্য সমালোচক নই, সে যোগ্যতাও আমার নেই। আমি নিজের মত করে নিজের মুগ্ধতার কথা, সামান্য হলেও জানিয়ে রাখলাম। নাহিদার কবিতার বিভিন্ন দিক নিয়ে সম্যক আলোচনা করার মত গুণী মানুষের অভাব নেই... শীঘ্রই, হয়তো সে সব চোখে পড়বে আমাদের। কবি ও পাঠকের মুগ্ধ বোঝাপড়ার মধ্যেই লুকিয়ে থাকে কবিতার সার্থকতা। শব্দ, ভাষা, আঙ্গিকের পূর্ণ উপাচার নিয়ে কবি হয়ত পাঠকের চৌকাঠ পর্যন্ত যেতে পারেন_ শব্দহীন আলোয়অাঁধারে নিঃশব্দ দরজা খুলে পাঠক কবিকে তাঁর অন্দরমহলে ডেকে নেবেন কিনা তা পাঠকের নিজস্ব বিচারের ওপরই নির্ভর করে। মনে পড়ছে, সেই বিখ্যাত পংক্তি...



 



'একাকী গায়কের নহে



তো গান/গাহিতে হবে দুইজনে'



 



আমার স্থির বিশ্বাস কবি নাহিদা আশরাফীর কবিতা পাঠকমনের প্রত্যাশা মিটিয়ে কবিতার রসাস্বাদনের নতুন অভিমুখ দেখাবে পাঠককে। 'যাত্রাবিরতি' কবিতার শেষ পংক্তিতে কবি লিখেছেন_ 'ভুলে গেছিস বুঝি, গন্তব্যের আগে সর্বদাই কিছু যাত্রাবিরতি থাকে'। এই কাব্যগ্রন্থের পর, যাত্রাবিরতিতে, কবি নিজেকে আরো সমৃদ্ধ করুন ভাষায়, আঙ্গিকে...বিষয়বৈচিত্র্যে আরো উজ্জ্বল মায়াময় হয়ে উঠুক তাঁর সৃষ্টি, একজন মুগ্ধ পাঠক হিসেবে এটাই প্রার্থনা।



 


আজকের পাঠকসংখ্যা
৭৮১৭১
পুরোন সংখ্যা