চাঁদপুর । সোমবার ৩০ জুলাই ২০১৮ । ১৫ শ্রাবণ ১৪২৫ । ১৬ জিলকদ ১৪৩৯
redcricent
jibon dip

সর্বশেষ খবর :

  • -
হেরার আলো
বাণী চিরন্তন
আল-হাদিস

৪০-সূরা আল মু’মিন

৮৫ আয়াত, ৯ রুকু, মক্কী

পরম করুণাময় ও অসীম দয়ালু  আল্লাহর নামে শুরু করছি।

৮। হে আমাদের পালনকর্তা, আর তাদেরকে দাখিল করুন চিরকাল বসবাসের জান্নাতে, যার ওয়াদা আপনি তাদেরকে দিয়েছেন এবং তাদের বাপ-দাদা, পতি-পতœী ও সন্তানদের মধ্যে যারা সৎকর্ম করে তাদেরকে। নিশ্চয় আপনি পরাক্রমশালী, প্রজ্ঞাময়।

৯। এবং আপনি আমাদেরকে অমঙ্গল থেকে রক্ষা করুন। আপনি যাকে সেদিন অমঙ্গল থেকে রক্ষা করবেন, তার প্রতি অনুগ্রহই করবেন। এটাই মহাসাফল্য।

দয়া করে এই অংশটুকু হেফাজত করুন

 


সময় মানুষকে পরিপক্ক করে, কোনো মানুষ জ্ঞানী হয়ে জন্মলাভ করে না। 


-কার্ভেন্টিস।

                         


রসূলুল্লাহ্ (দঃ) বলেছেন, যে ব্যক্তি কোন লোকের  সঙ্গে ধোঁকাবাজি করে সে আমার (দলের বা উম্মতের) বাইরে।



 


পীযূষ কান্তি বড়ুয়ার কবিতা
৩০ জুলাই, ২০১৮ ০০:০০:০০
প্রিন্টঅ-অ+


মোক্ষ বিদ্যালয়



 



ঝুলে থাকা বিদ্যুতের তারে পায়রা বিদ্যালয়



সাদাকালো হরেক রঙের পায়রা শিক্ষার্থী



মাথার উপর উদার আকাশ তার বই



পরিযায়ী পলকা অলক মেঘ তার শিষ্য



নিচে পড়ে থাকা ধরিত্রীর কাছে তার শান্তির পাঠ



পায়রা শেখে, 'যে সহে সে রহে'।



আকাশের নীল জমিনে ফুটে উঠা অক্ষরে



পায়রা ভুলে যায় আত্মস্বার্থ



সমাপ্ত হয় পায়রা বিদ্যালয়ে প্রথম পাঠ।



 



পায়রা বিদ্যালয়ের খুব কাছে সবুজ গাছে



ঝুলে থাকা মাতৃ অবয়বে বর্তুল বাতাবি লেবু



ধরিত্রীর দিকে মুখ করে আনত ফলভারে



বাতাবিলেবুর কাছে পায়রার দ্বিতীয় পাঠ



'বিনয়ী ধূলোমুখি আপন অহম ভুলে'।



 



পায়রা বিদ্যালয়ে অতিথি শিক্ষক হাওয়া



পালকের ফাঁকে নীরবে মিশে যায় শিক্ষার্থীর গায়ে



জাহিরের প্রয়াস তার নেই বিন্দুমাত্র



সমাপ্ত হয় পায়রায় অন্তিম পাঠ



'যে দেয় সে জানায় না



যে জানে সে উচ্চকিত হয় না কখনো'।



 



পায়রা বিদ্যালয়ের স্নাতক পায়রারা



শান্তির প্রতীকে দেয় গুরু দক্ষিণা



দৃষ্টিবান জন্মান্ধের কাছে আঁধার বিলাস না হোক



পায়রা বিদ্যালয়ই হয়ে উঠুক পরম মোক্ষ।



 



 



বাবা আছে হৃদয়জুড়ে



 



বাবা ছিলেন আমার কাছে রূপকথার এক রাজ্য



কখনো তাঁর গম্ভীর মুখ, মৃদু হাসি ন্যায্য



কখনো তাঁর অট্টহাসি সরল শিশুর মুখ



কখনো তাঁর মলিন মুখে উঠতো ফুটে বুক



বাবা ছিলেন আমার কাছে আকাশ সমান বড়



কখনো পাই ভরসা কভু কাঁপতাম থরথর



বাবা ছিলেন আমার কাছে দূরদর্শী প্রজ্ঞা



তাঁর ভাষিত বচন সময় করেনি অবজ্ঞা।



 



আমার যখন তাঁকে দেখার হলো প্রথম বোধ



দেখেছি তাঁর হাসির মাঝে ছড়িয়ে আছে রোদ



রুগ্ন আমায় সঙ্গে করে সাম্পানে তাঁর যাত্রা



নয় বেশিদিন! বললো ডেকে কালের ধারাপাতরা



বিদ্যালয়ের প্রথম ভাগে যখন আমি ছাত্র



হাতের লেখায় নজর বাবার রাত দুটোতে মাত্র



রবির হাতের লেখার মতো আমার হাতের লেখা



বাবার দেওয়া নির্দেশনায় ছোট্ট বেলায় শেখা।



 



যীশু যেথায় ক্রুশের উপর ঘুমিয়ে করুণায়



সেই তীর্থে বিদ্যালয়ে পাঠালেন বাবায়



বছর শেষে ফলাফলের আনতে গিয়ে ডালি



আমার বাবার মুখে হাসি চাঁদ যেন একফালি



আমার হাতে ঘোড়ার চালে জীবন পেতো দাবা



গর্বে যে জন বুক ফুলাতো তিনিই আমার বাবা



আমার মুখে ছোট্ট হতে ফুটতো যখন ভাষণ



বাবাই ছিলেন শ্রোতা-সারির ভরিয়ে প্রথম আসন।



 



বাবার ছিলো খুব অনুরাগ বিদ্যাশিক্ষার ক্ষেত্রে



পড়ছি কিনা তাকিয়ে সে তা দেখতো ঈগল-নেত্রে



পিতার সূত্রে প্রাপ্ত ভূমি বিদ্যালয়ে দিয়ে



বাবা আমার অকাতরে দানেন তাঁর নিধি এ'



শিক্ষাগুরুর ছেলে তিনি শিক্ষকেরও পিতা



তাঁর মননের আলোক মেপে না পায় তল ফিতা



বাবা আমার যোদ্ধা তো নয় মুক্তিসেনার মিত্র



তাদের সাথে দেন সহযোগ পথ ছিলো বিচিত্র।



 



বাবার খোঁজে মায়ের কাছে রাজাকারের দল



এসে খোঁজে আওয়ামী লীগের কী আছে সম্বল



গোপন নথি মিটিং-মিনিট না পেয়ে তার কিছু



আগুন দেওয়ার ভয় লাগিয়ে হটল তারা পিছু



বাবার বাবা ছিলেন কালে সূর্যসেনের শিষ্য



বাবা ছিলেন আওয়ামী নেতা নেপথ্যে অদৃশ্য



সাদা মনের আলোর মানুষ চপলা-তনয় সুরেশ



বাবাতো আছেন হৃদয়জুড়ে ছড়িয়ে সুখের রেশ।



 


আজকের পাঠকসংখ্যা
৭৮৩১০
পুরোন সংখ্যা