চাঁদপুর, সোমবার ২১ অক্টোবর ২০১৯, ৫ কার্তিক ১৪২৬, ২১ সফর ১৪৪১
jibon dip

সর্বশেষ খবর :

  • -
হেরার আলো
বাণী চিরন্তন
আল-হাদিস

৫৭-সূরা হাদীদ


২৯ আয়াত, ৪ রুকু, মাদানী


পরম করুণাময় ও অসীম দয়ালু আল্লাহর নামে শুরু করছি।


 


 


 


০৩। তিনিই আদি, তিনিই অন্ত; তিনিই ব্যক্ত ও তিনিই গুপ্ত এবং তিনি সর্ববিষয়ে সম্যক অবহিত।


৪। তিনিই ছয় দিবসে আকাশম-লী ও পৃথিবী সৃষ্টি করিয়াছেন; অতঃপর 'আরশে সমাসীন হইয়াছেন। তিনি জানেন যাহা কিছু ভূমিতে প্রবেশ করে ও যাহা কিছু উহা হইতে বাহির হয় এবং আকাশ হইতে যাহা কিছু নামে ও আকাশে যাহা কিছু উত্থিত হয়। তোমরা যেখানেই থাক না কেনো_তিনি তোমাদের সঙ্গে আছেন, তোমরা যাহা কিছু করো আল্লাহ তাহা দেখেন।


 


সংশয় যেখানে থাকে সফলতা সেখানে ধীর পদক্ষেপে আসে।


-জন রে।


 


 


যে ব্যক্তি উদর পূর্তি করিয়া আহার করে, বেহেশতের দিকে তাহার জন্য পথ উন্মুক্ত হয় না।


 


যে শিক্ষা গ্রহণ করে তার মৃত্যু নেই।


 


ফটো গ্যালারি
পীযূষ কান্তি বড়ুয়ার কবিতাগুচ্ছ
২১ অক্টোবর, ২০১৯ ০০:০০:০০
প্রিন্টঅ-অ+


ইতিহাস



 



সময়ের জরায়ুর ফোলে কলেবর



তিলে তিলে বাড়ে তাতে খোকা মুজিবর



এক নয় দুই নয় বছর হাজার



একদিন ফোটে স্বর রাখাল রাজার।



 



মধুমতী বাইগার পাটগাতী ভাবে



এই রাজা দেহধারী সিংহ স্বভাবে



প্রতিবাদ প্রতিরোধ শোণিত ধারায়



হিমালয় গিরিমালা মুজিব ছাড়ায়।



 



একদিন আগুনের কথা-কবিতায়



ময়দানে ফুল-পাখি বায়ু-নদী যায়



তারপর যাদুকর তুলেছে আঙুল



ভেঙে দিয়ে শেকলের কংস-মাতুল।



 



সকরুণ পরিণতি না মেনে দানব



দলে টানে লোভাতুর বেপথু মানব



রাত ছিল শ্রাবণের বিলাপে ব্যাকুল



জনকের বুকে ফোটে শোণিতের ফুল।



 



সময়ের ময়দানে যে লড়ে সমর



মাটিমাতা বুকে তারে করেছে অমর



যার বুক বাঙালির উদার আকাশ



তারে খুন করে দাগী হলো ইতিহাস।



 



অমানুষিক



 



মানুষরূপী দানবগুলো ছাড়িয়ে গেছে আজ সীমা



তাদের এমন অত্যাচারে প্রাণ দিয়েছে তাসলিমা



এই নারীটি লড়াই করে চলছিল তার সংসারে



দুর্দিনের এই এমন দিনে একাকী আর কে পারে?



 



ছোট্ট মেয়ে তুবার সাথে একাই ঘরে থাকতো আর



ছেলেধরার বদনামে সে মার খেয়ে হয় ভবের পার



মেয়ের জন্য বিদ্যালয়ে খোঁজ নিতে যায় বাড্ডাতে



তালহারা মা পড়লো শেষে বখাটেদের আড্ডাতে।



 



লম্বা লাঠি কয়েক অাঁটি ভাঙলো মায়ের পিঠটাতে



রক্তক্ষরণ জমাট বেঁধে পড়লো রে কালশিট তাতে



মায়ের প্রাণ মৃত্যুকালে দেখতে না পায় মেয়ের মুখ



বীর জনতা রক্তলোভী খুন করে পায় অপার সুখ।



 



ছোট্ট মেয়ে ভাবছে বসে মা গেছে তার মার্কেটে



আনবে জামা খাবার সাথে পড়বে কিছু তার পেটে



বাবার সাথে ভায়ের সাথে ছোট্ট জীবন বিচ্ছেদের



মায়ের বুকে আদর মেখে মেলতো ডানা ইচ্ছেদের।



 



অাঁধারঘন ভরিয়ে দেশে আলো আনে রাতের ঘোর



পিটিয়ে মেরে নিরীহকে মজায় সবার হাতের জোর



কে ফিরাবে তুবার কাছে কবর হতে মায়ের জান



পিটিয়ে মারার খুনের খেলা সত্বর হোক অবসান।



 



 



অমর্ত্য



 



সূর্যের সাদা আলোয় ধরে রাখে সাত রঙ সাথে



কেউ কারো অরি নয় কোন মারামারি নয় তবু



থাকে তারা মিলেমিশে সারাদিন রোদের সাক্ষাতে



দিন যায় মাস যায় এ বাঁধন ভাঙেনাতো কভু।



 



শিশিরের গোল কণা সাতরঙা রঙধনু সারা গায়ে



ঘাসের ডগায় ঝোলে বাতাসের দোলে বাঁয়ে-ডানে



সাত রঙে গলাগলি সুখ তাতে পড়েছে ছড়ায়ে



কেউ কারো ছোট নয়, মুখে কিংবা অস্ত্রে না হানে।



 



হাতে আছে পাঁচ খানা আঙুলের সুখী সমারোহ



ভালোবেসে হাত খানি সমপ্রীতির বানিয়েছে তীর্থ



মিলেমিশে করে কাজ নেই কোন বিভেদ-বিদ্রোহ



পাঁচ জনে জোট বেঁধে কর্মতে হলো তারা বীর তো!



 



বাঙালির জীবনেও আছে চার ধর্মের সন্তান



রক্তের একই রঙ, এক রঙ অশ্রুর, কষ্টের



মুসলিম ও সনাতনী বুদ্ধের অনুসারী খ্রিস্টান



চারিদিকে শ্বাপদেরা ওঁৎ পেতে চেষ্টায় নষ্টের।



 



এখানেই লালনের গান মোছে মানুষের ভেদ



মহাপ্রভু বলে গেছে মানুষের চেয়ে নেই সত্য



দূর হোক লঘুগুরু সংখ্যার বড়-ছোট খেদ



বাঙালির সমপ্রীতিতে এইদেশ হয়ে যাক অমর্ত্য।



 



 


আজকের পাঠকসংখ্যা
৫৬৪৫৮৩
পুরোন সংখ্যা