চাঁদপুর, সোমবার ২১ অক্টোবর ২০১৯, ৫ কার্তিক ১৪২৬, ২১ সফর ১৪৪১
jibon dip

সর্বশেষ খবর :

  • -
হেরার আলো
বাণী চিরন্তন
আল-হাদিস

৫৭-সূরা হাদীদ


২৯ আয়াত, ৪ রুকু, মাদানী


পরম করুণাময় ও অসীম দয়ালু আল্লাহর নামে শুরু করছি।


 


 


 


০৩। তিনিই আদি, তিনিই অন্ত; তিনিই ব্যক্ত ও তিনিই গুপ্ত এবং তিনি সর্ববিষয়ে সম্যক অবহিত।


৪। তিনিই ছয় দিবসে আকাশম-লী ও পৃথিবী সৃষ্টি করিয়াছেন; অতঃপর 'আরশে সমাসীন হইয়াছেন। তিনি জানেন যাহা কিছু ভূমিতে প্রবেশ করে ও যাহা কিছু উহা হইতে বাহির হয় এবং আকাশ হইতে যাহা কিছু নামে ও আকাশে যাহা কিছু উত্থিত হয়। তোমরা যেখানেই থাক না কেনো_তিনি তোমাদের সঙ্গে আছেন, তোমরা যাহা কিছু করো আল্লাহ তাহা দেখেন।


 


সংশয় যেখানে থাকে সফলতা সেখানে ধীর পদক্ষেপে আসে।


-জন রে।


 


 


যে ব্যক্তি উদর পূর্তি করিয়া আহার করে, বেহেশতের দিকে তাহার জন্য পথ উন্মুক্ত হয় না।


 


যে শিক্ষা গ্রহণ করে তার মৃত্যু নেই।


 


ফটো গ্যালারি
সাক্ষাৎকার : কবি ইকবাল পারভেজ
লেখালেখির চেষ্টাটি কীভাবে যেন নেশার মতো হয়ে গেল
২১ অক্টোবর, ২০১৯ ০০:০০:০০
প্রিন্টঅ-অ+


কবি ইকবাল পারভেজ। জন্ম ১৯৬৫ সালের ১৫ মার্চ, ফরিদগঞ্জের হাঁসা গ্রামে। কবিতা লিখছেন প্রায় দুই দশক। নিয়মিত লিখছেন দৈনিক জনকণ্ঠ, আলোকিত বাংলাদেশ, যায়যায়দিনসহ বিভিন্ন পত্রিকা ও ম্যাগাজিনে। প্রকাশিত কবিতার সংখ্যা শতাধিক। ২০১৯ সালের একুশে বইমেলায় তাঁর প্রথম গ্রন্থ 'নদীপাঠ' প্রকাশিত হয়েছে সময় প্রকাশন থেকে। সম্প্রতি ইকবাল পারভেজ 'জেলা প্রশাসক পা-ুলিপি পুরস্কার ২০১৮' লাভ করেছেন। গত ১ অক্টোবর চাঁদপুর জেলা শিল্পকলা একাডেমিতে তাঁর হাতে এ পুরস্কার তুলে দেন শিক্ষামন্ত্রী ডাঃ দীপু মনি এমপি।



৭ অক্টোবর সোমবার সন্ধ্যায় তাঁর মুখোমুখি হয় চাঁদপুর কণ্ঠ। তাঁর সাক্ষাৎকার নিয়েছেন চাঁদপুরের প্রবীণ লেখক তছলিম হোসেন হাওলাদার। সাক্ষাৎকারটি আজ প্রকাশিত হলো।



তছলিম হোসেন হাওলাদার : কেমন আছেন?



ইকবাল পারভেজ : ভালো।



তছলিম হোসেন হাওলাদার : প্রথমে জানতে চাইছি লেখালেখিতে আপনি কীভাবে যুক্ত হলেন?



ইকবাল পারভেজ : খুব ছোটবেলা থেকেই পড়তাম। ছড়া কবিতা গল্প। এসব পড়ে পড়ে ভাবতাম আমি যদি এমন সুন্দর সুন্দর গল্প কবিতা লিখতে পারতাম! আর এই ভাবনা থেকেই মূলত আমার লেখার চেষ্টা শুরু হয়।



প্রথম প্রথম যা লিখতাম সেসব ছিল কাগজ দুমড়ানো মোছড়ানোর চেষ্টা। কোন কিছুই মূলত লেখা হতো না, শুধু কাগজের অপচয় ছাড়া। তবু লেখালেখির চেষ্টাটি কীভাবে যেন নেশার মতো হয়ে গেল। জীবনে যতো কাগজ অপচয় করেছি তার জন্যে এখন দুঃখ হয়।



তছলিম হোসেন হাওলাদার : আপনার প্রিয় রচনা কোনটি?



ইকবাল পারভেজ : আমি মূলত কবিতাই লিখি। এর মধ্যে কিছু কবিতা প্রিয়। যার মধ্যে একটি হলো 'মানুষ একখ- চুম্বক'।



তছলিম হোসেন হাওলাদার : জানতে চাইছি কীভাবে আপনার একটি কবিতা লেখা হয়?



ইকবাল পারভেজ : কোনো একটি বিষয়ে যখন তাড়িত হই, তখন সেই বিষয়ে চিন্তা করি প্রথমে। তারপর শব্দের পর শব্দ মিলিয়ে তা প্রকাশ করার চেষ্টা করি।



 



তছলিম হোসেন হাওলাদার : আপনার প্রিয় কবি কে?



ইকবাল পারভেজ : অনেকেই আমার প্রিয়, এর মধ্যে কাজী নজরুল ইসলাম ও রবীন্দ্রনাথ প্রিয়দের শীর্ষে।



তছলিম হোসেন হাওলাদার : একজন কবি সামাজিক দায়বদ্ধতার বিষয়টিকে কীভাবে দেখেন?



ইকবাল পারভেজ : কবিরা সামাজিক জীব বিধায় তাদেরও সামাজিক দায়বদ্ধতা রয়েছে। আমি বলবো, একটু বেশি রকমই আছে। কবিরা হচ্ছে বীক্ষণ। তারা যা কিছু দেখেন তীক্ষ্নভাবেই দেখে থাকেন। আর তাদের লেখনীর ভিতর দিয়ে সমাজের সঙ্গতি-অসঙ্গতি ফুটে ওঠে।



তছলিম হোসেন হাওলাদার : আপনার প্রথম কাব্যগ্রন্থ 'নদীপাঠ' জেলা প্রশাসক পা-ুলিপি পুরস্কার ২০১৮ পুরস্কৃত হয়েছেন। প্রথম কাব্যগ্রন্থ পুরস্কৃত হওয়ায় আপনার অনুভূতি কী?



ইকবাল পারভেজ : প্রথম পিতা হওয়ার মতোই আনন্দিত হয়েছি। সংশ্লিষ্ট জেলা প্রশাসনকে এজন্যে ধন্যবাদ জ্ঞাপন করছি।



তছলিম হোসেন হাওলাদার : বাংলা সাহিত্য নিয়ে কী স্বপ্ন দেখেন?



ইকবাল পারভেজ : বাংলা সাহিত্য ক্রমাগতভাবে সমৃদ্ধ হবে এবং বিশ্ব সাহিত্যাঙ্গনে আরো সুবৃহৎ পরিসরে আলো ছড়াবে এরকমই স্বপ্ন দেখি।



তছলিম হোসেন হাওলাদার : আমাকে সময় দেয়ার জন্যে আপনাকে ধন্যবাদ।



ইকবাল পারভেজ : আপনাকেও অশেষ ধন্যবাদ।



 



 



 


আজকের পাঠকসংখ্যা
৫৬৮৩৪৯
পুরোন সংখ্যা