চাঁদপুর। বৃহস্পতিবার ১৩ সেপ্টেম্বর ২০১৮। ২৯ ভাদ্র ১৪২৫। ২ মহররম ১৪৪০
redcricent
jibon dip

সর্বশেষ খবর :

  • চাঁদপুরের নতুন জেলা প্রশাসক হিসেবে যোগ দেবেন মোঃ কামরুজ্জামান। তিনি বর্তমানে এলজিইডি মন্ত্রণালয়ে উপ-সচিব হিসেবে কর্মরত আছেন।
হেরার আলো
বাণী চিরন্তন
আল-হাদিস

৪১-সূরা হা-মীম আস্সাজদাহ,

৫৪ আয়াত, ৬ রুকু, মক্কী

পরম করুণাময় ও অসীম দয়ালু  আল্লাহর নামে শুরু করছি।

২৩। তোমাদের প্রতিপালক সম্বন্ধে তোমাদের এই ধারণাই তোমাদের ধ্বংস এনেছে। ফলে তোমরা হয়েছো ক্ষতিগ্রস্ত।

২৪। এখন তারা ধৈর্যধারণ করলেও জাহান্নামই হবে তাদের আবাস এবং তারা অনুগ্রহ চাইলেও তারা অনুগ্রহ প্রাপ্ত হবে না।

২৫। আমি তাদের জন্যে নির্ধারণ করে দিয়েছিলাম সহচর যারা তাদের সম্মুখ ও পশ্চাতে যা আছে তা তাদের দৃষ্টিতে শোভন করে দেখিয়েছিল এবং তাদের ব্যাপারেও তাদের পূর্ববর্তী জি¦ন ও মানবদের ন্যায় শাস্তির কথা বাস্তব হয়েছে। তারা তো ছিল ক্ষতিগ্রস্ত।

দয়া করে এই অংশটুকু হেফাজত করুন



 


সব সমস্যার প্রতিকার হচ্ছে ধৈর্য ও চেষ্টা।

-প্লুটাস।


ন্যায়পরায়ণ বিজ্ঞ নরপতি আল্লাহ’র শ্রেষ্ঠ দান এবং অসৎ মূর্খ নরপতি তার নিকৃষ্ট দান।



 


ফটো গ্যালারি
সমাজ ভাবনা
মকবুল হামিদ
১৩ সেপ্টেম্বর, ২০১৮ ০০:০০:০০
প্রিন্টঅ-অ+

খাদ্যে ভেজাল নয়

দেশের অধিকাংশ বাজারে ব্যবসায়ীরা খাদ্যের সঙ্গে ভেজাল মিশিয়ে বিক্রি করে। এ ক্ষেত্রে ফলের দোকানের কথা না বললেই নয়। বিভিন্ন মৌসুমি ফলের সঙ্গে ফরমালিন মিশিয়ে ফলকে টাটকা করে ক্রেতাদের কাছে বিক্রি করছে। আবার ফুটপাতের হোটেলগুলোর দিকে লক্ষ্য করলে দেখা যায়, মরা মুরগির গোশত দিয়ে রান্না করে মানুষকে খাওয়ানো হচ্ছে। তারা মানসম্মত খাবার পরিবেশনের কথা বলে মানুষকে ভেজাল খাদ্য পরিবেশন করছে। ফলে এসব ভেজাল খাদ্য খাওয়ার ফলে মানুষের স্বাস্থ্যের বিরাট ক্ষতি হয়। অনেক সময় দেখা যায়, শিশুদের ডানো গুঁড়া দুধের ভেতরও ভেজাল মিশিয়ে দুধ তৈরি করে বাজারে বিক্রি করে। এসব গুঁড়া দুধ শিশুদের খাওয়ানোর ফলে তাদের মারাত্মক ক্ষতি হয়। অনেক সময় শিশু মারা যায়। তাই এসব ভেজাল মেশানো কারখানা বন্ধ করা, উৎপাদনকারীদের ও অসাধু বিক্রেতাদের আইনের আওতায় এনে কঠোর শাস্তির ব্যবস্থা করুন।

ঝুঁকিমুক্ত সড়ক চাই

চাঁদপুর জেলার পুরান বাজার ও নতুন বাজারের মধ্যবর্তী সেতুর দক্ষিণ-পশ্চিম পাশে সড়কের ওপর ইট-পাথর সরে গিয়ে এক ভয়ঙ্কর গতের্র সৃষ্টি হয়েছে। দিনের পর দিন এই গর্তটি আরও ভয়ঙ্কর রূপ ধারণ করছে। দিনে হাজার হাজার গাড়ি ওই সড়কের মধ্য দিয়ে চলাচল করে। গাড়িচালকরা ওই সড়ক দিয়ে গাড়ি চালাতে ভয় পায়। কারণ যে কোনো সময় গাড়ির চাকা উল্টে গিয়ে মারাত্মক দুর্ঘটনা ঘটতে পারে। জেলা মহাসড়ক হওয়ায় হাজার হাজার মানুষ তাদের নানা প্রয়োজনে ওই সড়কপথে চলাফেরা করে থাকে। মহাসড়কে গর্ত সৃষ্টি হওয়ায় যাত্রীদের ঘণ্টার পর ঘণ্টা জ্যামের মধ্যে আটকে থাকতে হয়। উল্লেখ্য, সেতুটি নদীর দু' পাশের লোকদের মধ্যে যোগাযোগের মাধ্যম। আরও লক্ষণীয়, সড়কের ওই স্থানটি যানবাহনের টার্নিং। সড়কটি মেরামত না করলে দিনের পর দিন গর্তটি আরও ভয়ঙ্কর রূপ ধারণ করে নানা দুর্ঘটনা ঘটবে। পৌর মেয়রের কাছে আবেদন, যত দ্রুত সম্ভব চাঁদপুর জেলার মহাসড়কটি মেরামতের ব্যবস্থা করে মানুষকে ভয়ঙ্কর দুর্ঘটনা থেকে বাঁচতে সাহায্য করুন।

ফোন নয় বই দিন

অনেক অভিভাবক তাদের সন্তানদের পড়ালেখা শেষ হওয়ার আগেই তাদের হাতে স্মার্টফোন দিয়ে দেন। ফলে তারা পড়ালেখা বাদ দিয়ে সারাক্ষণ মোবাইল ফোনে আসক্ত হচ্ছে। পরীক্ষার সময়টাতে আসক্ত থাকে। পরীক্ষার ফল বের হলে দেখা যায়, তারা পরীক্ষায় খারাপ ফল করে। অভিভাবকের উচিত, তাদের হাতে স্মার্টফোন না দিয়ে বই তুলে দেওয়া। তাহলেই তারা পরীক্ষায় ভালো ফল করবে। মানুষ হবে। তাদের ভবিষ্যৎ অন্ধকারের দিকে ঠেলে দেওয়ার পেছনে অভিভাবকরাই দায়ী। নতুন প্রজন্মের ছেলেমেয়েরা যদি মোবাইল ফোন ব্যবহার না করে, তাহলে কেমন হয়- এটা বেশিরভাগ অভিভাবকের মুখে শোনা যায়। তাদের এটা ভাবা উচিত যে, এই অল্প বয়সী ছেলেমেয়েদের হাতে যদি বইয়ের পরিবর্তে স্মার্টফোন তুলে দেওয়া হয়, তাহলে তারা পড়ালেখা বাদ দিয়ে বিভিন্ন খারাপ কাজে সময় ব্যয় করবে বা লিপ্ত হবে। তাই প্রত্যেক অভিভাবকের উচিত- তাদের স্কুল, মাদ্রাসা পড়ুয়া ছাত্রদের হাতে স্মার্টফোনের পরিবর্তে বই তুলে দেওয়া, যাতে তারা সুশিক্ষায় শিক্ষিত হয়ে ভবিষ্যৎ জীবন আলোকিত করতে পারে।

লেখক : শিক্ষার্থী, চাঁদপুর সরকারি কলেজ।

আজকের পাঠকসংখ্যা
৬৬৫০৪
পুরোন সংখ্যা