চাঁদপুর। বৃহস্পতিবার ১৩ ডিসেম্বর ২০১৮। ২৯ অগ্রহায়ণ ১৪২৫। ৫ রবিউস সানি ১৪৪০
redcricent
jibon dip

সর্বশেষ খবর :

  • চাঁদপুর-৩ আসনের সংসদ সদস্য ডাঃ দীপু মনি শিক্ষামন্ত্রীর দায়িত্ব পেয়েছেন || চাঁদপুর-৩ আসনের সংসদ সদস্য দীপু মনি শিক্ষামন্ত্রীর দায়িত্ব পেয়েছেন || *
হেরার আলো
বাণী চিরন্তন
আল-হাদিস

৪৫-সূরা জাছিয়া :

৩৭ আয়াত, ৪ রুকু, মক্কী

পরম করুণাময় ও অসীম দয়ালু  আল্লাহর নামে শুরু করছি।

৩১। পক্ষান্তরে যাহারা কুফরী করে তাহাদিগকে বলা হইবে, তোমাদের নিকট কি আমার আয়াতসমূহ পাঠ করা হয় নাই? কিন্তু তোমরা ঔদ্ধত্য প্রকাশ করিয়াছিলে এবং তোমরা ছিলে এক অপরাধী সম্প্রদায়।  

 


assets/data_files/web

অসৎ আনন্দের চেয়ে পবিত্র বেদনা মহৎ।

-হোমার


দোলনা থেকে কবর পর্যন্ত জ্ঞান চর্চায় নিজেকে উৎসর্গ করো।

 


ফটো গ্যালারি
বীরাঙ্গনাদের সীমাহীন ত্যাগ
১৩ ডিসেম্বর, ২০১৮ ০০:০০:০০
প্রিন্টঅ-অ+

'চিরসুখী জন ভ্রমে কি কখন, ব্যথিত বেদন বুঝিতে পারে, কি যাতনা বিষে, বুঝিবে সে কিসে, কভু আশী বিষে দংশেনি যারে'। যার ব্যথা সেই জানে। দংশিত ব্যক্তিই কেবল বিষের জ্বালার তীব্রতা বুঝতে পারে, অন্য কেউ নয়। একজন স্বাভাবিক মানুষ কোনো কারণে অন্ধ হয়ে গেলে তিনি বুঝতে পারেন চোখের কি প্রয়োজনীয়তা। হঠাৎ পঙ্গুত্ববরণ করলে জানতে পারেন পায়ের কি উপকারিতা। অস্বাভাবিকভাবে অসুস্থ হলেই সুস্থতার নেয়ামত মর্মে মর্মে উপলব্ধি করতে পারেন। হতদরিদ্র, দরিদ্র, নিপীড়িত, নির্যাতিত ও আর্তজনেরই কষ্ট বা বুকের হাহাকার কি সুখে থাকা পায়রাদের কলরব ঠেলে কানে আসে? কিছু ঋণ শোধ করা যায় না। তবে শোধ করার চেষ্টা করতে হয়। উদাসী গৃহকর্তাদের ঘরের উপোসী বিড়ালের দুঃঘ বিনয়ের সাথে শোনানোর জন্যেই এই স্বাধীনতার মাসে তথা গর্ব ও অহঙ্কারের সন্ধিক্ষণে কীভাবে নারী জাতির সম্মান ও মর্যাদা চিরতরে বৃদ্ধি করা যায় তার জন্যেই লিখছি।

অতীতে এই পৃথিবীর তিন মহাকবি আমাদের দেখিয়েছেন উন্মত্ত বা মদমত্ত পুরুষ যখন নারীর ওপর অত্যাচার করেছে তখন অবশ্যাম্ভাবী ধ্বংস হয়েছে। হেলেনকে অপহরণের জন্যে অপূর্ব সুন্দর ট্রয়নগরী ধ্বংস হয়েছে। সীতা হরণের জন্যে ভূবন-বিখ্যাত স্বর্ণময়ী লঙ্কার বিনাশ ঘটেছে আর পুরুষের রাজসভায় দ্রোপদীর অসম্মানে কুরু বংশকে ধ্বংস করেছে সমূলে। যে সভায় দুঃশাসন দ্রোপদীকে বিবস্ত্র করেছিলো সেই সভায় পা-ব ও কৌরব বংশের সব বীরপুরুষ উপস্থিত ছিলেন। কিন্তু কোনো বীরই দ্রোপদীকে রক্ষা করেননি। পাকিস্তানও নারীর প্রতি অত্যাচারের কারণে ১৯৭১ সালের মহান স্বাধীনতা যুদ্ধে ১৬ ডিসেম্বর সশস্ত্র তিরানব্বই হাজার সৈন্য নিয়ে জেনারেল নিয়াজীর নেতৃত্বে সোহরাওয়ার্দী উদ্যানে আত্মসমর্পণে বাধ্য হয় এবং বাংলাদেশ বিজয়ের স্বাদ পায়। যে কোনো যুদ্ধে সবচেয়ে প্রথম এবং বেশি ক্ষতিগ্রস্ত হয় নারী (বর্তমানে রোহিঙ্গা মহিলারা)। যাদের বয়স ১৫-২৫। বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধেও এর ব্যতিক্রম হয়নি। মুক্তিযুদ্ধের অবদানে চিরস্মরণীয়, চিরভাস্কর, অমস্নান একটি নাম বীরাঙ্গনা। বীরাঙ্গনা নামটির প্রতিফলনে ভেসে উঠে চোখের সামনে বেদনাবিধুর কাহিনী। মনে প্রশ্ন জাগে, কি রহস্য ছিলো তাদের অবয়বে কি-ই বা অপরাধ ছিলো তাদের আচরণে, কথা-বার্তায়, ব্যবহারে? কামুক মনকে উত্তেজিত করা লোলুপ দৃষ্টির সেই পাকিস্তানী পশুদের কাছে তাঁদের একমাত্র অপরাধ ছিলো টগবগে সম্ভ্রম মেশানো যৌবন এবং জীবনের সবচেয়ে মূল্যবান সম্পদ ছিলো সতিত্ব। সেই যৌবনই হলো তাঁদের জীবনের সবচেয়ে বড় শত্রু। পাকিস্তানী পশুদের মনোরঞ্জনের জন্যে এদেশীয় দালালদের সহযোগিতায় তাদের শিবিরে বা ক্যাম্পে জোরপূর্বক টেনে-হিঁচড়ে ধরে নিয়ে যাওয়া হয়। তাঁদের কান্না, আর্তনাদ বা চিৎকার আকুতি-মিনতি শয়তানদের মন গলাতে পারেনি। ফলে তাঁদের ওপর চালানো হয় পাশবিক, অমানবিক ও নৃশংস নির্যাতন। তাঁদের করুণ আর্তনাদে থমকে যেতো উড়ন্ত একঝাঁক পাখির দল, বেদনায় মুষড়ে উঠতো কুয়াশার শান্ত সকাল, সূর্য লজ্জা পেয়ে মাঝে মাঝে মেঘের আড়াল হতো, চিৎকারে ভেঙ্গে যেতো সমস্ত নীরবতা, কান্নায় ভেসে যেতো মরুভূমির শুষ্কতা, আর যন্ত্রণায় ছটপট করত ঝরেপড়া পাতারা। কী অসীম ত্যাগ। যাদের সর্বোচ্চ ত্যাগের বিনিময়ে আজ আমরা স্বাধীন আকাশ পেলাম, আজ সেই আকাশ থেকেই দিনে প্রচ- রোদ আর বর্ষার দিনের বৃষ্টি তাদের মাথা গোঁজানো ঠাঁইয়ের নিত্য সঙ্গী। স্বাধীন জমিন পেলেও তারা এ জমিনে স্বাভাবিকভাবে চলাফেরা করতে পারতেন না। ক্ষুধার জ্বালা, সম্ভ্রম হারানোর বেদনা, সামাজিক বদনাম আর নিষ্ঠুর আকাশও যেনো একসময়ের যৌবনের মতো শত্রু। সকল দুঃখ, কষ্ট, জ্বালা, যন্ত্রণা, অপমান, বদনাম একাকার হয়ে মিশে আছে তাদের দুর্বিসহ জীবনে। সমাজে, সংসারে, বাবা এবং মায়ের বাড়িতে ঠাঁই হয়নি তাঁদের। বিয়ে হলেও সংসার হয়নি। আর সংসার হলেও তার রক্ষা হয়নি। অনেকে পেটের বাচ্চা নষ্ট করেছিলো। কারও সন্তান প্রসব হলে লোকলজ্জার ভয়ে গোপনে তা ফেলে দিয়েছিলো। আর অনেকে অন্ধকার ভবিষ্যৎ দেখে আত্মহত্যা করেছিলো। অনেকেই হয়তো মনে করেছিলো আত্মহত্যার মতো মহাপাপের পথ বেছে না নিয়ে তারা একাই চলতে পারবে। হয়তো তাঁদের দুঃখ সে সময়ের বাস্তবতা সমাজ মেনে না নিলেও পরিবার-পরিজন ঘৃণাভারে হলেও মেনে নিবে। হয়তো সন্তানেরা তাঁদের মায়েদের ব্যথা উপলব্ধি করে একসময় মধুর ডাক মা বলে ডাকবে। শুধু আমাদের দেশেই নয়, সারাবিশ্বে যুদ্ধের সময় নির্যাতিত, নিপীড়িত নারীদের কেই একতরফা দোষ দেয়া হয়। নারী হয়ে জন্ম নেয়া এবং বীরাঙ্গনা হওয়ারই তাঁদের একমাত্র অপরাধ। এর মধ্যে কোনো মা বেদনায় কুঁকড়ে ওঠা পেটের অবৈধ সন্তান নিয়ে রাস্তার পাশে, রেলের বস্তিতে, লোকালয় থেকে দূরে, নিজ এলাকা থেকে অন্যত্র গিয়ে অথবা সরকারি খাস জমিতে গিয়ে একটু আশ্রয় নিয়েছিলো। শীতের দিনে প্রচ- ঠা-ায় বুকের উষ্ণতা দিয়ে, মায়া-মমতার আর্দ্রতা দিয়ে, অজানা শঙ্কা দিয়ে সন্তান জন্ম দিয়েছেন। পরবর্তীতে সেই সন্তান নিজের জন্ম পরিচয় বা পিতৃপরিচয় জানতে না পেরে বা বুঝতে পেরে চির দুঃখিনী বা জনম দুঃখিনী মাকে ফেলে দূরে পালিয়ে গেছে। তবে চলে যাবার আগে দিয়ে যায়নি দশ মাস দশ দিনের পেটে রাখার ভাড়া। মাতৃজঠরে বহনের খরচ, মাতৃক্রোড়ে বা বুকের সাথে ঝাপটে ধরা ভালোবাসার দাম। নিজে অর্ধাহারে, অনাহারে থেকে, অর্ধমৃত বা প্রায় মৃত শরীরে বা মুখে নিজে খাবার না দিয়ে তাঁদের খাওয়ানোর মূল্য। দিনে ও রাতে একাকী সেবা করার পরিশ্রমের ফল আর জন্মের সময়ের পৃথিবীর সবচেয়ে মরণযন্ত্রণা প্রসব ব্যথার উপহার।

ধর্ষিত বা নির্যাতিত নারীর সংখ্যা নিয়ে বিতর্কের সৃষ্টি হয়েছে। সে সময় বিদেশী প্রতিবেদনে এ সংখ্যা ১০ লাখের মতো বলা হয়েছে। ইতিহাসবিদ ড. মুনতাসীর মামুন তাঁর 'বীরাঙ্গনা-১৯৭১' শীর্ষক গবেষণায় দেখিয়েছেন যে এ সংখ্যা আনুমানিক ৬ লাখের কাছাকাছি। দৈনিক বাংলার বাণী পত্রিকায় ১৯৭২ সালে প্রকাশিত অস্ট্রেলিয়ান ডাঃ জিওফ্রে ডেভিস-এর প্রতিবেদন হতে নির্যাতিত নারীর সংখ্যা সম্পর্কে ধারণা লাভ করা যায়। তিনি নির্যাতিত নারীদের সেবাদানের জন্যেই বাংলাদেশে এসেছিলেন। তাঁর মতে মুক্তিযুদ্ধে নির্যাতিতা নারীর সংখ্যা চার লাখের কম নয়। এই হিসেবের তিনি একটি পুঙ্খানুপুঙ্খ বিবরণ দিয়েছেন, ধর্ষিতাদের চিকিৎসার জন্যে ফ্রেরুয়ারি মাসে ঢাকায় একটি হাসপাতাল স্থাপন করা হয়। সরকারি কর্মচারীদের হিসাব মতে, ধর্ষিতা মহিলাদের আনুমানিক সংখ্যা ২ লাখ। ডাঃ ডেভিস বলেন, অন্তঃসত্বা মহিলার সংখ্যাই ২ লাখ। অন্তস্বত্বা মহিলাদের সাহায্য সংক্রান্ত কর্মসূচি শুরু হবার আগেই দেড় লাখ থেকে ১ লাখ ৭০ হাজার মহিলা গর্ভপাত করেছেন। অবশিষ্ট ৩০ হাজারের মধ্যে কেউ কেউ আত্মহত্যা করেছেন, কেউ কেউ তার শিশুদের নিজের কাছে রাখার সিদ্ধান্ত নিয়েছেন। কিন্তু হানাদারবাহিনী গ্রামে গ্রামে হানা দেবার সময় যেসব তরুণীকে ধর্ষণ করেছে তার হিসাবরক্ষণে সরকারি রেকর্ড ব্যর্থ হয়েছে। পৌনঃপুনিক লালসা চরিতার্থ করার জন্যে হানাদারবাহিনী অনেক তরুণীকে তাদের শিবিরে নিয়ে যায়। এসব রক্ষিত তরুণীদের অন্তঃসত্তার লক্ষণ কিংবা রোগের প্রাদুর্ভাব দেখা দিলে, হয় তাদের পরিত্যাগ করা হয়েছে, নয় তাদের হত্যা করেছে। সর্বকালের সর্বশ্রেষ্ঠ তথা হাজার বছরের শ্রেষ্ঠ বাঙালি স্বাধীনতার মহানায়ক দুরদৃষ্টিসম্পন্ন জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান বলেন, 'বীরাঙ্গনাদের যে তালিকা তৈরি করা হয়েছে তা বিনষ্ট করে ফেলুন কারণ সমাজ এদের গ্রহণ করবে না।' তিনি বুঝতে পেরেছিলেন মুক্তিযুদ্ধ হলেও সমাজের মূল কাঠামোর কোনো পরিবর্তন হয়নি। তবে নির্যাতিত নারীদের পুনর্বাসনের জন্যে তিনি অগ্রণী ভূমিকা পালন করেন। বীরাঙ্গনাদের উদ্দ্যেশে বলেছিলেন, 'সন্তানদের বাবার নামের জায়গায় তাঁর নাম এবং ঠিকানা ৩২ নম্বর ধানমন্ডি লিখে দিও।' দীর্ঘ ৪৬ বছরে রোগে, শোকে, অন্তর্জ্বালায় জর্জরিত জীবনপ্রদীপ কারো নিভে গেছে, কারো বাকি আছে। তাঁদের আছে বুকভরা হাহাকার, নেই প্রিয়জনের সাথে অভিমান বা খুনসুটি। এখনও আছে সোহাগপুর বিধবা পল্লী, নেই তাদের সংসার। তাঁদের চোখ আছে, অশ্রু নেই। কলাগাছের মতো শুকনা শরীর আছে, শক্তি নেই। কিচমিচের মতো গাল আছে, সৌন্দর্য নেই। মুখে ঠোঁট আছে, বলার ভাষা নেই। নেই তাঁদের সামাজিক মর্যাদা ও রাষ্ট্রীয় স্বীকৃতি। দুঃখিত ভুল করলাম।

বর্তমান সরকারপ্রধান মাননীয় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার নেতৃত্বে গত ২৯ জানুয়ারি ২০১৫ মহান জাতীয় সংসদে বীরাঙ্গনাদের মুক্তিযোদ্ধার স্বীকৃতি দিয়ে প্রস্তাব পাশ হয়। এরই ধারাবাহিকতায় ১৬ সেপ্টেম্বর ২০১৫ জারিকৃত প্রজ্ঞাপন অনুযায়ী মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক মন্ত্রণালয় ৪১ জন বীরাঙ্গনাকে মুক্তিযোদ্ধা স্বীকৃতি দিয়ে গেজেট প্রকাশ করে পরবর্তীতে ২০১৬ সালে ১৪ মার্চ ২৬ জন, ২৫ মে ২৩ জন, ২১ জুলাই ৩৩ জন, ১০ আগস্ট ৭ জন, ১ সেপ্টেম্বর ১৬ জন, ১৭ নভেম্বর ২৪ জন, ২০১৭ সালে ৩ জুলাই ১৫ জনসহ মোট ১৮৫ জন (বর্তমানে ২৩১ জন)। এর মধ্য দিয়ে নির্যাতিত বীরাঙ্গনাদের প্রথমবারের মতো মুক্তিযোদ্ধা হিসেবে স্বীকৃতি দেয়া হলো। যা নারীজাতির জন্যে বা মানবজাতির জন্যে শ্রেষ্ঠ উপহার। নির্যাতিতকে রাষ্ট্রীয় সম্মান দেয়ায় তিনিও আন্তর্জাতিকভাবে সম্মানীত হচ্ছেন। অন্যকে সম্মান দিলে নিজেও সম্মানীত হওয়া যায়। এটাই তার জ্বলন্ত প্রমাণ। পরিশেষে মহিমান্বিত মুক্তিযুদ্ধের সময় সমস্ত মৃত ও জীবিত বীরাঙ্গনাদের প্রতি বিনম্র শ্রদ্ধা আর ভালোবাসা এবং তাদের প্রত্যাশিত জীবনের সুখ-স্বাচ্ছন্দ কামনা করছি। সম্মানীত পাঠকবৃন্দ এবং বিবেকবানদের প্রতি অনুরোধ করছি যে কোনো সময় অথবা সামাজিক সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানে নারীজাতির সম্মান যেনো আর হানি না হয়। ভুবনবিখ্যাত শিল্পী সাবিনা ইয়াসমিনের কণ্ঠে দেশাত্মবোধক গানের (বিজয়ের মাসের) একটা কলি লিখে শেষ করছি 'চোখ থেকে মুছে ফেল অশ্রুটুকু, এমন খুশির দিনে কাঁদতে নেই, হারানো স্মৃতির বেদনাতে, একাকার করে মন রাখতে নেই।'

আজকের পাঠকসংখ্যা
৩৬২৭৩৫
পুরোন সংখ্যা