চাঁদপুর, বৃহস্পতিবার ১৯ মার্চ ২০২০, ৫ চৈত্র ১৪২৬, ২৩ রজব ১৪৪১
jibon dip

সর্বশেষ খবর :

  • -
হেরার আলো
বাণী চিরন্তন
আল-হাদিস

৬৬-সূরা তাহ্রীম


১২ আয়াত, ২ রুকু, মাদানী


পরম করুণাময় ও অসীম দয়ালু আল্লাহর নামে শুরু করছি।


 


 


 


 


assets/data_files/web

দুঃখ অনেক ক্ষেত্রে জ্ঞান বৃদ্ধিতে সহায়তা করে।


-বায়রন।


 


 


 


পবিত্রতা ঈমানের অঙ্গ।


 


 


 


 


 


 


 


ফটো গ্যালারি
কালজয়ী ৭ মার্চের ভাষণ
এইচএম জাকির
১৯ মার্চ, ২০২০ ০০:০০:০০
প্রিন্টঅ-অ+


১৯৭১ সালের ৭ মার্চের ভাষণের মধ্য দিয়ে মুক্তিযুদ্ধ ও স্বাধীনতার ডাক দিয়েছিলেন স্বাধীন বাংলাদেশের প্রতিষ্ঠাতা জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান। বঙ্গবন্ধুর ৭ মার্চের ভাষণ ছিল একটি অগি্নশলাকা, যা প্রজ্জ্বলিত করেছিল মুক্তিযুদ্ধের ওই দাবানলকে। যার সামনে টিকতে পারেনি বর্বর পাকিস্তানী সেনাবাহিনী এবং তাদের এ দেশীয় সহযোগীরা। ১৯৭১-এর ৭ মার্চ থেকে ২৫ মার্চ এই ১৮ দিনে বঙ্গবন্ধুর ১৮ মিনিটের ওই ভাষণ বাংলাদেশের সাত কোটি মানুষকে প্রস্তুত করেছে মুক্তির সংগ্রামে, স্বাধীনতার সংগ্রামে। এ ভাষণ ছিলো দিশেহারা জাতির জন্যে আলোকবর্তিকাস্বরূপ।



 



আর আজকে এ ভাষণ শুধু বাঙালি জাতির একান্ত ঐশ্বর্য নয়। বঙ্গবন্ধুর ৭ মার্চের ভাষণ আজ বিশ্বমানবতার ঐশ্বর্য। বঙ্গবন্ধুর ৭ মার্চের ভাষণকে ইউনেস্কো কর্তৃক 'বিশ্ব প্রামাণ্য দলিলের' অন্তর্ভুক্ত করার মাধ্যমে বিশ্বমানবতার বিজয় প্রতিষ্ঠিত হয়েছে। এগিয়ে যাক বিশ্বসভ্যতা ও বিশ্ব মানবতা।



 



'ভাইয়েরা আমার, আজ দুঃখভারাক্রান্ত মন নিয়ে আপনাদের সামনে হাজির হয়েছি। আপনারা সবই জানেন এবং বোঝেন। আমরা আমাদের জীবন দিয়ে চেষ্টা করেছি। কিন্তু দুঃখের বিষয় আজ ঢাকা, চট্টগ্রাম, খুলনা, রাজশাহী, রংপুর আমার ভাইয়ের রক্তে রাজপথ রঞ্জিত হয়েছে। আজ বাংলার মানুষ মুক্তি চায়, বাংলার মানুষ বাঁচতে চায়, বাংলার মানুষ তার অধিকার চায়।' কালজয়ী এমন বক্তব্যের মধ্য দিয়েই বঙ্গবন্ধু ৭ মার্চের ভাষণ শুরু করেছিলেন। পুরো বক্তৃতার বিশ্লেষণ করলে দেখা যায় যে, বক্তৃতাটি মূলত পৃথিবীর মানচিত্রে একটি নতুন দেশের অভ্যুদয়বার্তা ও তার স্বাভাবিক অনুযাত্রায় পাকিস্তানের তদানীন্তন রাষ্ট্রকাঠামোর পূর্বাঞ্চলের পরিসমাপ্তির প্রজ্ঞপ্তি ও বিবরণী।



 



বাংলাদেশের স্বাধীনতার মূলমন্ত্র ও মূলসূত্র ৭ মার্চের এ বক্তৃতা। মুক্তিযুদ্ধের নয় মাস এ বক্তৃতা ছিলো আমাদের যুদ্ধ সস্নোগান। শিশু-কিশোর-যুব-বৃদ্ধ সকলের গায়ের লোম দাঁড়িয়ে হয়ে যেতো এ বক্তৃতা শ্রবণে। বঙ্গবন্ধুর কণ্ঠে উচ্চারিত এ বক্তৃতা সাড়ে সাত কোটি বাঙালিকে শুধু ঐক্যবদ্ধই করেনি, তাদেরকে মুক্তিযুদ্ধে ঝাঁপিয়ে পড়ার মন্ত্রে দীক্ষিত করেছিলো। কারণ এ ভাষণই ছিলো কার্যত বাংলাদেশের স্বাধীনতার ঘোষণা।



 



বাংলাদেশ জন্মের প্রাক্কালে বাংলাদেশের অবিসংবাদিত নেতার বাংলার জনগণের সাথে সংলাপ হলো এ বক্তৃতা। প্রাঞ্জল কথোপকথনের ভঙ্গিমায় অতি সহজ-সাবলীল ভাষায় তাৎক্ষণিক রচিত এ ভাষণ আমাদের স্বাধীনতার মূল দলিল। শ্রোতাকে আকর্ষণ করার লক্ষ্যে তিনি সংলাপের বাচনশৈলী অনুসরণ করেছিলেন অত্যন্ত সুচারুভাবে। বক্তৃতার বিভিন্ন পর্যায়ে তিনি প্রশ্ন উত্থাপন করেছেন পাঁচটি। 'কি অন্যায় করেছিলাম?' 'কি পেলাম আমরা?' 'কিসের আর-টি-সি?' 'কার সঙ্গে বসবো?' 'যারা আমার মানুষের রক্ত নিয়েছে তাদের সঙ্গে বসবো?' বক্তার সাথে শ্রোতার মেলবন্ধন সৃষ্টিতে সুপ্রয়োগ ঘটেছে এ ভাষণে। পুরো ভাষণে বর্তমান কালের যৌক্তিক ব্যবহার বক্তৃতাটিতে সজীবতা দিয়েছে। আবার কথোপকথনের ধারার সার্থে তিনি অতীত ও ভবিষ্যৎ কালপর সুন্দর সংমিশ্রণও ঘটিয়েছেন এ বক্তৃতায়। বক্তৃতার যেসব অংশে বঙ্গবন্ধু আদেশ, নির্দেশ বা সতর্ক সঙ্কেত দিয়েছেন সেসব স্থানে বাক্যগুলো স্বাভাবিকভাবে সংক্ষিপ্ত হয়ে গেছে। ভাষণ থেকে এর কিছু উদাহরণ দেয়া যেতে পারে। যেমন : '২৮ তারিখে কর্মচারীরা গিয়ে বেতন নিয়ে আসবেন।' 'প্রত্যেক ঘরে ঘরে দুর্গ গড়ে তোল।' 'সরকারি কর্মচারীদের বলি_আমি যা বলি তা মানতে হবে।' 'যে পর্যন্ত আমার এই দেশের মুক্তি না হবে, খাজনা-ট্যাঙ্ বন্ধ করে দেয়া হল। কেউ দেবে না।' রাষ্ট্রনায়কোচিত ও কর্তৃত্বব্যঞ্জক বক্তৃতার অপরিহার্য বৈশিষ্ট্য হচ্ছে ভবিষ্যৎ কর্মপরিকল্পনার সাথে শ্রোতাদের শুধু পরিচিত করানোই নয়, বরং তাদেরকে সক্রিয়ভাবে অংশগ্রহণে উদ্বুদ্ধ ও অনুপ্রাণিত করা। বঙ্গবন্ধু কাজটি অত্যন্ত সফলভাবে সাধন করেছিলেন তাঁর এ বক্তৃতার মাধ্যমে। বঙ্গবন্ধুর উৎসাহমূলক বক্তব্য : 'তোমাদের উপর আমার অনুরোধ রইলো_প্রত্যক ঘরে ঘরে দুর্গ গড়ে তোল। তোমাদের যা কিছু আছে তাই নিয়ে শত্রুর মোকাবিলা করতে হবে' সাড়ে সাত কোটি বাঙালি এ হুকুম সেদিন আদেশ হিসেবে গ্রহণ করেছিলো।



 



মানবিক দৃষ্টিভঙ্গি বঙ্গবন্ধু চরিত্রের এক অন্যতম বৈশিষ্ট্য। কঠিন সতর্কবাণী উচ্চারণের সময়ও তাঁর মানবিক উদারতার কোনো হেরফের কখনো যে ঘটেনি তার প্রমাণ ৭ মার্চের ভাষণ। রাষ্ট্রের জন্ম-মৃত্যুর সংযোগস্থলে দাঁড়িয়েও তিনি 'আমরা ভাতে মারবো, আমরা পানিতে মারবো' বলার সাথে সাথেই আশ্বাসবাণী উচ্চারণ করেন_'তোমরা আমার ভাই, তোমরা ব্যারাকে থাক। কেউ তোমাদের কিছু বলবে না। কিন্তু আর আমার বুকের ওপরে গুলি চালাবার চেষ্টা কর না।' কঠিনের সাথে কোমলের এমন সহাবস্থান উদার হৃদয় বঙ্গবন্ধুর মাঝে সর্বদাই বিদ্যমান ছিলো। যথাযথ তথ্যচয়নের ফলে বক্তৃতাটি অত্যন্ত তথ্যনিষ্ঠ হয়েছে, আর তীক্ষ্ন যুক্তিবিন্যাসের কারণে শ্রোতাদের মাঝে তীব্র প্রণোদনা সঞ্চারে সক্ষম হয়েছে। বঙ্গবন্ধুর ভাষায়_'যে আমার পয়সা দিয়ে অস্ত্র কিনেছে বহিঃশত্রুর আক্রমণ থেকে দেশকে রক্ষা করার জন্যে, আজ সেই অস্ত্র ব্যবহার হচ্ছে আমার দেশের গরিব-দুঃখী-আর্তমানুষের মধ্যে। তার বুকের উপর হচ্ছে গুলি। আমরা পাকিস্তানের সংখ্যাগরিষ্ঠ, আমরা বাঙালিরা যখনই ক্ষমতায় যাবার চেষ্টা করেছি তখনই তারা আমাদের উপর ঝাঁপিয়ে পড়েছে।' সহজ ভাষায় এ ধরনের জোরালো যুক্তিবাদ বঙ্গবন্ধুর ভাষণের এক সহজাত বিশেষত্ব। বক্তব্যের কার্যকারিতা বাড়ানোর জন্য বক্তৃতার মাঝামাঝি এসে সূচনা বক্তব্যের সমপ্রসারণ বা পুনরাবৃত্তির কথা বলা হয় আজকাল। বঙ্গবন্ধুর ভাষণে আশ্চর্যজনকভাবে এ দিকটিও দেখা যায়নি। যখন তিনি বক্তৃতার মাঝামাঝি এসে বলেন_'তাকে আমিও বলেছিলাম জনাব ইয়াহিয়া খান সাহেব আপনি পাকিস্তানের প্রেসিডেন্ট, দেখে যান কীভাবে আমার গরিবের ওপরে, আমার বাংলার মানুষের বুকের ওপরে গুলি করা হয়েছে। কি করে আমার মায়ের কোল খালি করা হয়েছে। কি করে মানুষকে হত্যা করা হয়েছে। আপনি আসুন, দেখুন, বিচার করুন।' অন্যের বক্তব্যের উদ্ধৃতি দিতে গিয়েও বঙ্গবন্ধু বক্তার নাম প্রথম উল্লেখ করে তারপর তার বক্তব্য উত্থাপন করেছেন। যেমন_'ভুট্টো সাহেব বললেন, তিনি যাবেন না' কিংবা 'ইয়াহিয়া খান সাহেব সরকার নিলেন, তিনি বললেন, দেশে শাসনতন্ত্র দেবেন, গণতন্ত্র দেবেন, আমরা মেনে নিলাম'।



 



সর্বজনীন ভাষণের একটি প্রধান দায়িত্ব কর্মসূচি নির্ধারণ, যা বঙ্গবন্ধুর এ বক্তৃতায় সুস্পষ্টভাবে এসেছে বার বার। কিন্তু কঠোর কর্মসূচি প্রদান কালেও বঙ্গবন্ধুর মানবিক দৃষ্টিভঙ্গির যে কোনো তারতম্য ঘটত না_তার স্বাক্ষর এ বক্তব্য_'আমি পরিষ্কার অক্ষরে বলে দেবার চাই যে, আজ থেকে এই বাংলাদেশে কোর্ট, কাচারি, ফৌজদারি, আদালত, শিক্ষা প্রতিষ্ঠান অনির্দিষ্টকালের জন্য বন্ধ থাকবে। গরিবের যাতে কষ্ট না হয়, যাতে আমার মানুষ কষ্ট না করে, সেজন্য হরতাল কাল থেকে চলবে না। তবে রিকশা, ঘোড়ার গাড়ি, রেল, লঞ্চ চলবে। শুধু সেক্রেটারিয়েট, সুপ্রিমকোর্ট, হাইকোর্ট, জজকোর্ট, গভর্নমেন্ট দপ্তরগুলো চলবে না।' বঙ্গবন্ধু বলেছেন, 'আর এই সাতদিন হরতালে যে সমস্ত শ্রমিক ভাইয়েরা যোগদান করেছেন প্রত্যেকটা শিল্পের মালিক তাদের বেতন পেঁৗছিয়ে দেবেন' কিংবা 'আর যে সমস্ত লোক শহীদ হয়েছে, আঘাতপ্রাপ্ত হয়েছে, আমরা আওয়ামী লীগের পক্ষ থেকে যতদূর পারি ওদের সাহায্য করতে চেষ্টা করবো।'



 



সর্বজনীন বক্তব্যে ও জনযোগাযোগে কার্যকর ফল লাভের জন্যে চ্যালেঞ্জ উত্থাপনের প্রয়োজনীয়তা সর্বজনবিদিত একটি পদ্ধতি। বঙ্গবন্ধু বক্তৃতার শেষ পর্যায়ে এসে যখন বলেন, 'প্রত্যেক গ্রামে, প্রত্যেক মহল্লায়, আওয়ামী লীগের নেতৃত্বে সংগ্রাম পরিষদ গড়ে তোল এবং তোমাদের যা কিছু আছে তাই নিয়ে প্রস্তুত থাক। মনে রাখবা রক্ত যখন দিতে শিখেছি, রক্ত আরও দেব। এদেশের মানুষকে মুক্ত করে ছাড়ব ইনশাআল্লাহ।' তখন বোঝা যায় যে, তিনি পরম দক্ষতার সাথে শ্রোতাদেরকে বক্তৃতার সাথে গেঁথে ফেলেছেন। যে কোন বক্তৃতার সংজ্ঞা নির্ধারণী অংশ সাধারণত শেষেই উচ্চারিত হওয়া বাঞ্ছনীয়। বঙ্গবন্ধু তাঁর বক্তৃতায় তা-ই করেছেন। তিনি ৭ মার্চের সেই ভাষণে শেষ বাক্যে বলেছেন_'এবারের সংগ্রাম আমাদের মুক্তির সংগ্রাম, এবারের সংগ্রাম স্বাধীনতার সংগ্রাম।' আসলে তাঁর বক্তব্যে সেটাই হয়েছে। সেই সংগ্রামটি আমাদের মুক্তিরই ছিলো। আমরা সেই সংগ্রামে স্বাধীনতা পেয়েছি। পেয়েছি লাল-সবুজের পতাকা।



 



বলিষ্ঠ বক্তব্য সর্বদাই সংক্ষিপ্ত হয়। একাত্তরের ৭ মার্চ তারিখে প্রদত্ত জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের ১৮ মিনিটের এ ভাষণ তেজস্বী বক্তৃতার এক শ্রেষ্ঠ উদাহরণ। একটি ভাষণ একটি জাতিকে মুক্তিযুদ্ধে ঝাঁপিয়ে পড়তে কি দারুণভাবে উৎসাহিত করেছিলো তা পৃথিবীর ইতিহাসে এক বিরল ঘটনা। মুক্তিযুদ্ধের দিকনির্দেশনা ও স্বাধীনতার ঘোষণা প্রদানে বঙ্গবন্ধুর এ ভাষণের গুরুত্ব, তাৎপর্য ও সময়োপযোগীতা বিশ্লেষণ গবেষকদের জন্যে এক স্বর্ণখনি। এ ভাষণ বাঙালি জাতিকে যেভাবে স্বাধীনতার মূলমন্ত্রে উদ্দীপ্ত ও দীক্ষিত করেছিল, তা পৃথিবীতে সৃষ্টি করেছে নতুন এক বক্তৃতা আলেখ্য। সার্বজনীন বক্তৃতা বিশারদ ও গবেষকদের জন্যে এ ঐতিহাসিক ভাষণ একটি আবশ্যিক পাঠক্রম হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে দেশ-বিদেশে। আমাদের প্রাত্যহিক চিন্তা-চেতনা ও আদর্শিক দৃষ্টিভঙ্গির পরিশীলিত ও স্বচ্ছ উপস্থাপনা সার্বজনীন সম্ভাষণের অন্যতম শর্ত।



 



ভাষণের ১৮ দিন পর ১৯৭১-এর ২৫ মার্চ কালোরাত্রিতে পাকিস্তানী হানাদারবাহিনী নিরস্ত্র বাঙালির উপর নির্বিচারে গণহত্যা শুরু করলে ২৬ মার্চ প্রথম প্রহরে বাঙালির অবিসংবাদিত নেতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান বাংলাদেশের স্বাধীনতার ঘোষণা করেন। বঙ্গবন্ধুর আহ্বানে সাড়া দিয়ে বাংলার মুসলিম, হিন্দু, বৌদ্ধ, খ্রিস্টানসহ সর্বস্তরের জনগণ জাতি-ধর্ম-বর্ণ নির্বিশেষে ঐক্যবদ্ধভাবে মুক্তিযুদ্ধে ঝাঁপিয়ে পড়ে। জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের নেতৃত্বে ও আওয়ামী লীগ নেতৃত্বাধীন সরকারের অধীনে পরিচালিত দীর্ঘ ৯ মাসের সশস্ত্র মুক্তিযুদ্ধে ৩০ লাখ শহীদের আত্মত্যাগ ও দুই লক্ষ মা বোনের সম্ভ্রমহানির বিনিময়ে অর্জিত হয় বাংলাদেশের স্বাধীনতা। বিশ্বমানচিত্রে অভ্যুদয় ঘটে স্বাধীন-সার্বভৌম বাংলাদেশ রাষ্ট্রের।



 


করোনা পরিস্থিতি
বাংলাদেশ বিশ্ব
আক্রান্ত ১,৭২,১৩৪ ১,২০,১২,১২৫
সুস্থ ৮০,৮৩৮ ৬৫,৬৩,৪৯২
মৃত্যু ২১৯৭ ৫,৪৮,৮৯৬
দেশ ২১৩
সূত্র: আইইডিসিআর ও বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা।
আজকের পাঠকসংখ্যা
৫৫০৬৯
পুরোন সংখ্যা