চাঁদপুর। রোববার ১৮ ফেব্রুয়ারি ২০১৮। ৬ ফাল্গুন ১৪২৪। ১ জমাদিউস সানি ১৪৩৯
redcricent
jibon dip

সর্বশেষ খবর :

  • চাঁদপুরের নতুন জেলা প্রশাসক হিসেবে যোগ দেবেন মোঃ কামরুজ্জামান। তিনি বর্তমানে এলজিইডি মন্ত্রণালয়ে উপ-সচিব হিসেবে কর্মরত আছেন।
হেরার আলো
বাণী চিরন্তন
আল-হাদিস

৩৫-সূরা ফাতির


৫৫ আয়াত, ৫ রুকু, মক্কী


পরম করুণাময় ও অসীম দয়ালু আল্লাহর নামে শুরু করছি।


 


২৫। তারা যদি আপনার প্রতি মিথ্যারোপ করে, তাদের পূর্ববর্তীরাও মিথ্যারোপ করেছিল। তাদের কাছে তাদের রসূলগণ স্পষ্ট নিদর্শন, সহীফা এবং উজ্জ্বল কিতাবসহ এসেছিলেন।


২৬। অতঃপর আমি কাফেরদেরকে ধৃত করেছিলাম। কেমন ছিল আমার আযাব।


২৭। তুমি কি দেখনি আল্লাহ আকাশ থেকে বৃষ্টিবর্ষণ করেন, অতঃপর তদ্বারা আমি বিভিন্ন বর্ণের ফল-মূল উদগত করি। পর্বতসমূহের মধ্যে রয়েছে বিভিন্ন বর্ণের গিরিপথ-সাদা, লাল ও নিকষ কালো কৃষ্ণ।


দয়া করে এই অংশটুকু হেফাজত করুন


 


 


নিরাশ হয়ো না, তাতে আয়ু কমে যায়। -এরিস্টটল।


 


 


 


 


 


কাউকে অভিশাপ দেওয়া সত্যপরায়ণ ব্যক্তির উচিত নয়।


 


 


 


ফটো গ্যালারি
মডেলিংয়ে ঝুঁকছে তরুণ প্রজন্ম
চাঁদপুর কণ্ঠ ডেস্ক ॥
১৮ ফেব্রুয়ারি, ২০১৮ ০৪:৪৭:১৪
প্রিন্টঅ-অ+
মডেল : ফাইয়াজ সাহবুদ্দিন
মানুষ সবসময় নিজেকে অন্যের কাছে সুন্দরভাবে উপস্থাপন করতে চায়। এটি মানুষের সাংস্কৃতিক বিবর্তনের ফলাফল। এ বিবর্তনের ফলাফলস্বরূপ বলা যায়, আমাদের নতুন প্রজন্ম যুগে যুগে নিজে সুন্দরভাবে উপস্থাপনের প্রচেষ্টা থেকেই ফ্যাশনের দিকে ধাবিত হয়েছে। বাংলাদেশের রাজধানী হিসেবে ঢাকা শহরে এখন পণ্যের প্রসার এবং উৎসবকে কেন্দ্র করে প্রতিনিয়ত ফ্যাশন চলছে। 

বর্তমানে তরুণ-তরুণীরা র‌্যাম্প অব মডেলিংয়ে নিজেদের নানাভাবে সম্পৃক্ত করেছেন। এদের মধ্যে কেউ কেউ এটাকে পেশা হিসেবেও নিয়েছেন। সময় ও সংস্কৃতি ফ্যাশনের সঙ্গে ওতপ্রোতভাবে জড়িত। আমাদের ঢাকা শহরে ফ্যাশন এখন নানাভাবে আমরা দেখে থাকি। ক্রাফট বিজনেসের সঙ্গে জড়িত ব্যবসায়ীরা এ ফ্যাশনকে প্রমোট করে থাকেন। প্রমোট করে থাকেন এরকম আরো অনেক ব্যবসায়ী। বিভিন্ন ফ্যাশন হাউসগুলো যারা কিনা ক্রাফট ব্যবসার সঙ্গে সড়িত, তারা নিয়মিতই আয়োজন করে থাকেন নানা ধরনের ফ্যাশন শোর। ফ্যাশন শো, বিজ্ঞাপন ইত্যাদিকে ধরে আরেকটি বিষয় দাঁড়িয়ে গেছে, সেটা হলো মডেলিং। মডেলিংয়ের ক্ষেত্রে তরুণ প্রজন্মই সবচেয়ে বেশি আগ্রহী এবং সবচেয়ে বেশি এগিয়ে। 

 

প্রযুক্তির আগ্রাসনে আমাদের তরুণ প্রজন্ম নানাভাবে নৈতিকতা হারাতে বসেছে। ইভটিজিং, পারিবারিক বন্ধনকে হালকাভাবে দেখা; এ বিষয়গুলোয় সবাই বিচলিত। সেই জায়গায় ফ্যাশন ও মডেলিংয়ের সঙ্গে যারা জড়িত, তাদের অবিবেচনাকর কার্যক্রম আসলেই ভাবনার বিষয়। 

আমাদের দেশের মডেলিং ইন্ড্রাস্ট্রিকে সাধারণ মূল তিন ধরনের বিভক্ত করা যেতে পারে। টিভি মিডিয়ায় বিজ্ঞাপনচিত্রের মডেলিং, ফ্যাশন হাউসের জন্যে মডেলিং ও র‌্যাম্প মডেলিং। এই তিনটি ধরনকে এক করে দেখলেও ক্ষতি নেই। কারণ এই ৩টি ক্ষেত্রেই বিচরণ করেছেন এমন মডেলের সংখ্যাও নগন্য নয়। 

বিজ্ঞাপনচিত্রের মডেলিং 

বিশ^জুড়েই পণ্যের প্রচরের সবচেয়ে বড় হাতিয়ার হচ্ছে বিজ্ঞাপনচিত্র। একটি পণ্য কত সহজ ও সফল উপায়ে ভোক্তার কাছে পৌঁছানো যায়, তা নিয়েই এখন চলছে জোর প্রতিযোগিতা। ফলে নতুন নতুন ধারণা ও কাঠামো সংযোজন ঘটছে এ মাধ্যমটিতে। তবে ধারণা বা কাঠামোতে যতোই সৃজনশীল মোড়কে একটি পণ্যকে নির্দিষ্ট ক্রেতার কাছে পৌঁছে দেয়া। বিজ্ঞাপনের মাধ্যমে নির্দিষ্ট পণ্য বেছে নেয়ার ক্ষেত্রে মার্কেটিংয়ের বিভিন্ন থিওরির সঠিক বাস্তবায়ন করতে পারার মধ্যেই ওই বিজ্ঞাপনটির সাফল্য নিহিত। বিজ্ঞাপনের কার্যকারিতার কয়েকটি ধাপ রয়েছে। প্রথম ধাপে বিজ্ঞাপনের মাধ্যমে একটি নির্দিষ্ট পণ্যের প্রতি আকর্ষণ তৈরি করা হয়। দ্বিতীয় ধাপে পণ্যের প্রতি ক্রেতার এক ধরনের আগ্রহ সৃষ্টি করা হয়। তৃতীয় ধাপে ওই পণ্যটি কেনার প্রতি আকাক্সক্ষা পোষণ করেন ক্রেতা। আর চতুর্থ ও শেষ ধাপে পণ্যটি ক্রয় করেন। অর্থাৎ মনোযোগ আকর্ষণ আকাক্সক্ষাÑএ বিষয়গুলোই প্রাধান্য পায় একটি বিজ্ঞাপনের ক্ষেত্রে। বিজ্ঞাপনের এ তত্ত্বটিকে ভোক্তাদের কাছে সহজে বিশ^াসযোগ্য করে তোলার গুরুদায়িত্ব নিষ্ঠার সঙ্গে পালন করেন একজন মডেল। বিজ্ঞাপনের গভীর অর্থটি নিজের ভেতর ধারণ করে অভিব্যক্তির মাধ্যমে পণ্যটি তুলে ধরাই একজন মডেলের মূল লক্ষ্য। আর এ কাজটি যিনি অল্প সময়ের মধ্যে সাবলীলভাবে করতে পারেন এবং নিজের উজ্জ্বল উপস্থিতির মাধ্যমে দর্শকদের মুগ্ধ করতে সক্ষম হন, তিনিই হয়ে উঠেন তারকা। 

আজ থেকে তিন-চার বছর আগেও আমাদের দেশে সাধারণ জিঙ্গেল নির্ভর বিজ্ঞাপনচিত্র নির্মিত হতো। বিগত কয়েক বছর ধরে থিমনির্ভর বিজ্ঞাপনচিত্র নির্মিত হচ্ছে। এ কারণে বিগত কয়েক বছরে মোবাইল কোম্পানিগুলোর থিমনির্ভর বিজ্ঞাপন চিত্রগুলো একদিকে যেমন দর্শকদের মাঝে আলোড়ন সৃষ্টি করতে পেরেছ, তেমনি এসব বিজ্ঞাপনচিত্রে পারফর্ম করে রাতারাতি তারকাও হয়েছেন অনেকে।

 

ফ্যাশন হাউসের জন্যে মডেলিং বর্তমানে ফ্যাশন হাউসের জন্যে বছরের বিভিন্ন উৎসব-পার্বনে প্রচুর মডেল প্রয়োজন হয়। ঈদ-পূজা, নববর্ষ ও বিভিন্ন দিবসের পোশাকের প্রদর্শনীর জন্যে মডেলদের চাহিদা থাকে সবচেয়ে বেশি। প্রসিদ্ধ ফ্যাশন হাউসগুলো প্রমিন্যান্ট মডেলদের দিয়ে পোশাকের প্রদর্শনীর ফটো তুললেও অনেক নতুন ফ্যাশন হাউজগুলোকেই নির্ভর করতে হয় নতুন মডেলদের ওপর। এর কারণ হিসেবে বলা যায়, প্রমিন্যান্ট মডেলরা যেকোনো হাউসের ফটো সেশনে বেশ মোটা অঙ্কের অর্থ দাবি করেন যেটি নতুন ফ্যাশন হাউসগুলোর জন্যে অনেক সময় বাজেটের অধিক হয়ে দাঁড়ায়। অপরদিকে নতুন মডেলরা প্রচারের তাগিদে এক্ষেত্রে অনেক কম অর্থের বিনিময়েই এসব নতুন ফ্যাশন হাউসের ফটো সেশন করে থাকেন।

এজন্যে সামগ্রিকভাবে বলা যায়, নূতন মডেলদের ক্ষেত্র হিসেবে ফ্যাশন হাউসের জন্যে মডেলিং নতুন দিগন্ত হিসেবে ওঠে এসেছে। 

র‌্যাম্প মডেলিং; র‌্যাম্প ওয়ার্ড তরুণ-তরুণীদের কাছে আকর্ষণীয় এক জগতের নাম। তবে এ জগতে নাম লেখাতে হলে একজন মডেলকে কিছু যোগ্যতার অধিকারী হতে হয়। এক্ষেত্রে প্রথমেই আসতে উচ্চতার প্রসঙ্গটি। 

পৃথিবীব্যাপী র‌্যাম্প মডেলিংয়ের জন্যে আদর্শ উচ্চতা ধরা হয় ছেলেদের ক্ষেত্রে ৬ ফুট এবং মেয়েদের ক্ষেত্রে ৫ ফুট ১০ ইঞ্চি। তবে আমাদের দেশের প্রেক্ষিতে ছেলেদের ক্ষেত্রে কমপক্ষে ৫ ফুট ৪ ইঞ্চি উচ্চতা থাকাটা জরুরি। উপরন্তু শারীরিক ফিটনেসও র‌্যাম্পে কাজ করার জন্যে জরুরি। এরপরই আসবে গ্রুপে রিহার্সেলের বিষয়টি। র‌্যাম্প মডেলিং একক কোনো বিষয় নয়। বরং একটি গ্রুপের মাঝে থেকে নিজেকে সতন্ত্র উপস্থাপনার মাধেই একজন র‌্যাম্প মডেল পরিচিতি পান। এজন্যে নিয়মিত রিহার্সেলের কোনো বিকল্প নেই। ইদানীংকালে রাজধানীর কিছু কিছু প্রতিষ্ঠান র‌্যাম্প মডেলদের প্রমিং করিযে থাকেন। নিজের শারীরিক উচ্চতা ও ফিটনেস যদি ঠিক থাকে তবে এসব প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে যোগাযোগ করে র‌্যাম্প মডেল হিসেবে নিজের অবস্থানকে পোক্ত করা সম্ভব হয়। 

 

 

মডেল : ফাইয়াজ সাহবুদ্দিন।

 

সূত্র :  দ্য অ্যাপারেল নিজউ। 

 

এই পাতার আরো খবর -
    আজকের পাঠকসংখ্যা
    ৭৬৫৯৬৪
    পুরোন সংখ্যা