চাঁদপুর। শুক্রবার ৯ নভেম্বর ২০১৮। ২৫ কার্তিক ১৪২৫। ২৯ সফর ১৪৪০
redcricent
jibon dip

সর্বশেষ খবর :

  • --
হেরার আলো
বাণী চিরন্তন
আল-হাদিস

৪৩-সূরা যূখরুফ


৮৯ আয়াত, ৭ রুকু, মক্কী


পরম করুণাময় ও অসীম দয়ালু আল্লাহর নামে শুরু করছি।


৫২। 'আমি তো শ্রেষ্ঠ এই ব্যক্তি হইতে, যে হীন এবং স্পষ্ট কথা বলিতেও অক্ষম।


৫৩। 'মূসাকে কেন দেওয়া হইল না স্বর্ণ-বলয় অথবা তাহার সঙ্গে কেন আসিল না ফিরিশ্তাগণ দলবদ্ধভাবে?


৫৪। এইভাবে সে তাহার সম্প্রদায়কে হতবুদ্ধি করিয়া দিল, ফলে উহারা তাহার কথা মানিয়া লইল। উহারা তো ছিল এক সত্যত্যাগী সম্প্রদায়।


দয়া করে এই অংশটুকু হেফাজত করুন


 


assets/data_files/web

বীরত্বের নির্যাস হলো আত্মবিশ্বাস। -ইমারসন।


 


 


বিদ্যা শিক্ষার্থীগণ বেহেশতের ফেরেশতাগণ কৃর্তক অভিনন্দিত হবেন।


 


 


 


ফটো গ্যালারি
সভাপতির কথা
০৯ নভেম্বর, ২০১৮ ০০:০০:০০
প্রিন্টঅ-অ+

আজ থেকে ৫০ বছর আগে ঐতিহ্যবাহী শিশু-কিশোর সংগঠন কেন্দ্রীয় 'কচি-কাঁচার মেলা'র শাখা মতলব সূর্যমুখী কচি-কাঁচার মেলার জন্ম। পুরাতন ডাক বাংলোর সবুজ ঘাসের উপর বসে এ সংগঠনের জন্ম। সাইনবোর্ড ঝুলিয়ে বিকেলে একই জায়গায় প্রশিক্ষণ চলতো। আবার তা সন্ধ্যায় খুলে নেয়া হতো। আজ মেলার মনোরম প্রাঙ্গণে সবুজ ঘাস ঠিকই রয়েছে। কিন্তু তার পাশাপাশি অনেক ঘর উঠেছে, দালান উঠেছে, অনেক কিছু হয়েছে। একদিন দুরু দুরু বক্ষে যে সংগঠনের জন্ম হয়েছিলো, তা হাঁটি হাঁটি পা পা করে, অনেক চড়াই উৎরাই পার হয়ে আজ পূর্ণাঙ্গ বিকশিত হতে চলেছে। আর তা সম্ভব হয়েছে মতলব মেলার সঙ্গে সংশ্লিষ্ট অতীত ও বর্তমান পৃষ্ঠপোষক, শুভানুধ্যায়ী, প্রবীণ/তরুণ/কর্মী সদস্য ও মেলার ভাই-বোনদের অকুণ্ঠ আন্তরিকতা, কর্মোদ্যম, উৎসাহ ও প্রেরণার ফলে। তাছাড়া মাননীয় মন্ত্রীবর্গ, সংসদ সদস্য, জনপ্রতিনিধি, সরকারি-বেসরকারি কর্মকর্তা, গণ্যমান্য ব্যক্তি ও সমাজসেবীদের দানও অপরিসীম। সংগঠনের প্রতি মতলববাসীর শুভেচ্ছা ও ভালোবাসাও ছিলো অতুলনীয়। তা-না হলে আমরা এ দুরুহ কাজ সম্পাদন করতে পারতাম না। তাই এ স্মরণীয় মুহূর্তে আমরা সক্রিয় অবদান রাখার জন্যে সংশ্লিষ্ট সবার প্রতি শ্রদ্ধা ও কৃতজ্ঞতা জানাই।

শিশুরাই জাতির ভবিষ্যৎ। 'ঘুমিয়ে আছে শিশুর পিতা সব শিশুরই অন্তরে'। আজকের শিশু আগামীদিনের নাগরিক। শিশুদের জন্যে দরদী মন, ত্যাগের আদর্শে উদ্বুদ্ধ হয়ে আমরা যদি মহত্তের সাধনায় আত্মনিয়োগ করতে পারি, তবেই সার্থক হবে কচি-কাঁচার মেলা আন্দোলন। তাই এ লক্ষ্য সামনে রেখে মতলব সূর্যমুখী কচি-কাঁচার মেলা ব্যাপক কর্মসূচি ও প্রকল্প নিয়ে এগিয়ে চলেছে। আমাদের আকাঙ্ক্ষা কেন্দ্রীয় কচি-কাঁচার মেলার প্রতিষ্ঠাতা-পরিচালক, শিশু দরদী, সাংবাদিক রোকনুজ্জামান খান দাদা ভাইয়ের আদর্শে ও বর্তমান পরিচালক, নিবেদিতপ্রাণ খোন্দকার ইব্রাহিম খালেদের অনুপ্রেরণায় মেলার প্রতিটি ভাই-বোন মেলার সংস্পর্শে এসে নিজেকে সুযোগ্য নাগরিক হিসেবে গড়ে তুলবে। মা, মাতা, মাতৃভূমির কল্যাণে সবিশেষ অবদান রাখবে। মতলব মেলার সুবর্ণজয়ন্তীর প্রাক্কালে ইহাই আমাদের শুভ কামনা।

আমরা এখনো সাফল্যের চূড়ান্ত পর্যায়ে পেঁৗছতে পারিনি। আমাদের সামনে রয়েছে অনেক কাজ ও দায়িত্ব। মতলব মেলা সংগঠিত করছে নবপ্রজন্মের শিশু-কিশোরদের তাদের জন্যে তৈরি করছে শারীরিক ও মানসিক পূর্ণ বিকাশের পরিবেশ। তাই আমাদের অগ্রযাত্রায় অতীতের মতো ভবিষ্যতেও সবার আন্তরিক সৌহার্দ্য ও সহযোগিতা কামনা করি।

আমাদের যাত্রা আরও সাবলীল হোক, বলিষ্ঠ হোক।

জয়তু কচি-কাঁচার মেলা।

ঙ্ মোঃ মাকসুদুল হক বাবলু, সভাপতি, মতলব সূর্যমুখী কচি-কাঁচার মেলা।

আজকের পাঠকসংখ্যা
৫১১০২৬
পুরোন সংখ্যা