চাঁদপুর। শুক্রবার ৯ নভেম্বর ২০১৮। ২৫ কার্তিক ১৪২৫। ২৯ সফর ১৪৪০
redcricent
jibon dip

সর্বশেষ খবর :

  • --
হেরার আলো
বাণী চিরন্তন
আল-হাদিস

৪৩-সূরা যূখরুফ


৮৯ আয়াত, ৭ রুকু, মক্কী


পরম করুণাময় ও অসীম দয়ালু আল্লাহর নামে শুরু করছি।


৫২। 'আমি তো শ্রেষ্ঠ এই ব্যক্তি হইতে, যে হীন এবং স্পষ্ট কথা বলিতেও অক্ষম।


৫৩। 'মূসাকে কেন দেওয়া হইল না স্বর্ণ-বলয় অথবা তাহার সঙ্গে কেন আসিল না ফিরিশ্তাগণ দলবদ্ধভাবে?


৫৪। এইভাবে সে তাহার সম্প্রদায়কে হতবুদ্ধি করিয়া দিল, ফলে উহারা তাহার কথা মানিয়া লইল। উহারা তো ছিল এক সত্যত্যাগী সম্প্রদায়।


দয়া করে এই অংশটুকু হেফাজত করুন


 


assets/data_files/web

বীরত্বের নির্যাস হলো আত্মবিশ্বাস। -ইমারসন।


 


 


বিদ্যা শিক্ষার্থীগণ বেহেশতের ফেরেশতাগণ কৃর্তক অভিনন্দিত হবেন।


 


 


 


ফটো গ্যালারি
উদ্যাপন কমিটির আহ্বায়কের কথামালা
০৯ নভেম্বর, ২০১৮ ০০:০০:০০
প্রিন্টঅ-অ+

মতলব সূর্যমুখী কচি-কাঁচার মেলার সুবর্ণজয়ন্তী উদ্যাপন হচ্ছে। এখন আমরা দৃঢ় প্রত্যয়ে বলতে পারি, আমাদের অঞ্চলের সার্বজনীন মানুষ বাঙালির ঐতিহ্য এবং সংস্কৃতি সম্পর্কে সচেতন। মতলববাসী তাদের সাংস্কৃতিক ঐতিহ্য চেতনার অনুসন্ধানে নিজকে লিপ্ত করেছে, তার বড় প্রমাণ হলো মেলা আজ পঞ্চাশ বছর পূর্ণ করেছে। মতলবের সার্বজনীন মানুষের সাংস্কৃতিক উৎসমূলে আঘাত করার সময় আজ আর নেই। আজ ময়ূরের পালকের মতো বহুবর্ণের আড়ম্বরতা নিয়ে বাঙালি সংস্কৃতি মানুষকে হাতছানি দেয়। একটা সময় ছিলো যখন সংস্কৃতির এই বর্ণিল আবহে মতলববাসীকে রাঙাতে মাকসুদুল হক বাবলু ভাইসহ তাঁর সারথীদের শ্রম, ঘাম আর ত্যাগে রচিত হয়েছে মতলব সূর্যমুখী কচি-কাঁচার মেলার প্রশস্ত প্রান্তর।

সংস্কৃতি যে মানবজাতির স্বপ্ন কল্পনার ফসল তা মতলববাসীকে বুঝাতে প্রতিষ্ঠাকাল (১৯৬৮) হতে শুরু করে যারা প্রাণান্তকর প্রচেষ্টায় ছুটে বেড়িয়েছে তাদের প্রতি আমাদের বিনম্র শ্রদ্ধা। মতলব সূর্যমূখী কচি-কাঁচার মেলার ৫০ বছরপূর্তি (সুবর্ণজয়ন্তী) উৎসব উদ্যাপনের আন্তরিক প্রচেষ্টার নেপথ্য উদ্দেশ্য হলো মেলার প্রাক্তন ও বর্তমান সারথীরা মহাসমারোহে মিলনমেলার আয়োজনে এগিয়ে এসেছে। পঞ্চাশ বছরের এই পথচলায় মেলা সম্পৃক্ত সতীর্থগণ প্রজন্ম পরম্পরায় স্মৃতিচারণ করে উপলব্ধি করবে মেলার প্রতিষ্ঠালগ্নের বন্ধুর সময় কেমন করে স্বাপি্্নক বন্ধনে আজকের মতলব সূর্যমুখী কচি-কাঁচার মেলায় পরিণত হয়েছে। সময় বদলে যাবে, একটা সময় আজকের প্রজন্ম লোকান্তরিত হবে। সময়ের বিবর্তনে নতুন নতুন প্রজন্ম আত্মচেতনায় বলীয়ান হয়ে নবউদ্যমে এদেশের শিল্প সংস্কৃতির ধারক ও বাহক হয়ে মতলব সূর্যমুখী কচি-কাঁচার মেলাকে প্রতিনিধিত্ব করবে সুবর্ণজয়ন্তীতে এই আমাদের প্রত্যাশা।

পরিশেষে মতলব সূর্যমুখী কচি-কাঁচার মেলার সুবর্ণজয়ন্তীতে আন্তরিকভাবে যারা সম্পৃক্ত থেকেছেন, মতলব সূর্যমুখী কচি-কাঁচার মেলা কার্যনির্বাহী পরিষদ, প্রবীণ (উপদেষ্টা) পরিষদ, তরুণ (সহযোগী) পরিষদ, শিশু (কর্মী) পরিষদ, মেলার ৫০ বছরপূর্তি (সুবর্ণজয়ন্তী) উৎসব উদ্যাপনের লক্ষ্যে গঠিত উপদেষ্টা কমিটি, উদ্যাপন কমিটি, সকল উপ-কমিটির আহ্বায়ক/সদস্য সচিব ও সদস্যবৃন্দ এবং স্কুল দুটির ব্যবস্থাপনা কমিটি, শিক্ষকম-লী, ছাত্র-ছাত্রী, অভিভাবক, শুভানুধ্যায়ী, অনুষ্ঠানের প্রধান অতিথি, বিশেষ অতিথি, গণমাধ্যমকর্মী, আমন্ত্রিত অতিথিবৃন্দসহ মতলবের সার্বজনীন গণমানুষ যারা প্রতিষ্ঠালগ্ন হতে মেলার মঙ্গলাকাঙ্ক্ষী, সবার প্রতি কৃতজ্ঞতা জ্ঞাপন করছি।

মোঃ মিজানুর রহমান খান

আহ্বায়ক, উদ্যাপন কমিটি

মতলব সূর্যমূখী কচি-কাঁচার মেলার ৫০ বছরপূর্তি (সুবর্ণজয়ন্তী) উৎসব

মতলব দক্ষিণ, চাঁদপুর।

আজকের পাঠকসংখ্যা
৪৯৬৮২৪
পুরোন সংখ্যা