চাঁদপুর। বুধবার ২৬ ডিসেম্বর ২০১৮। ১২ পৌষ ১৪২৫। ১৮ রবিউস সানি ১৪৪০
redcricent
jibon dip

সর্বশেষ খবর :

  • ফরিদগঞ্জের মনতলা হাজী বাড়ির মোতাহের হোসেনের ছেলে ফাহিম মাহমুদ (৩) নিজ বাড়ির পুকুরে ডুবে মারা গেছেন। ||  শনিবার সকালে ফাহিমের মৃত্যুর বিষয়টি নিশ্চিত করেন হাজীগঞ্জ উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের দায়িত্বপ্রাপ্ত চিকিৎসক। || 
হেরার আলো
বাণী চিরন্তন
আল-হাদিস

৪৫-সূরা জাছিয়া :

৩৭ আয়াত, ৪ রুকু, ‘মক্কী

১০। উহাদের পশ্চাতে রহিয়াছে জাহান্নাম; উহাদের কৃতকর্ম উহাদের কোন কাজে আসিবে না, উহারা আল্লাহর পরিবর্তে যাহাদিগকে অভিভাবক স্থির করিয়াছে উহারাও নহে। উহাদের জন্য রহিয়াছে মহাশাস্তি।


assets/data_files/web

সৌভাগ্যবান হওয়ার চেয়ে জ্ঞানী হওয়া ভালো।        


-ডাবলিউ জি বেনহাম।


স্বভাবে নম্রতা অর্জন কর।



 


ফটো গ্যালারি
সাহিত্য আসরে প্রাপ্তির আনন্দ
মোখলেছুর রহমান ভঁূইয়া
২৬ ডিসেম্বর, ২০১৮ ০০:০০:০০
প্রিন্টঅ-অ+


সাহিত্য একডেমী চাঁদপুরের নবপর্যায়ের সাহিত্য আসরের পাঁচ বছর পূর্তি হতে যাচ্ছে_এটি অনেক আনন্দের খবর। এটি চাঁদপুরের সাহিত্য চর্চা ও গতিধারার উচ্ছ্বল আনন্দের প্রকাশ।



মুহাম্মদ ফরিদ হাসান এক গোধূলি সন্ধ্যায় মুঠোফোনে বললেন, আমাদের আর খোলা আকাশের নিচে সাহিত্য আড্ডা দিতে হবে না। সাহিত্য একাডেমীতে এখন প্রতিমাসের শেষ বুধবার মাসিক সাহিত্য আসর হবে। একাডেমীর মহাপরিচালক কাজী শাহাদাত সাহেব এই উদ্যোগ নিয়েছেন। ফরিদ হাসান প্রথম আসরে আমাকে আমন্ত্রণ জানালেন। এরপর চাঁদপুরের সাহিত্যের সৌরভ জাতীয় পর্যায়ে গিয়ে পর্যন্ত পেঁৗছলো। ইলিশের বাড়ি চাঁদপুর নয় কেবল, চাঁদপুর হয়ে উঠলো সাহিত্যের বাড়িও।



সাহিত্য একাডেমীর মাসিক সাহিত্য আসর পিছিয়ে-পড়া সাহিত্যকে, ঝিমিয়ে-পড়া সাহিত্যামোদীদের এগিয়ে আসার অনুপ্রেরণা হিসেবে কাজ করেছে। আসরে নবীন লেখকরা যেমন এসেছেন, তেমনি অনেক প্রবীণ লেখকবৃন্দও আসরে এসে সাহিত্য পাঠ ও আলোচনা উপভোগ করেছেন। ফলে চাঁদপুরের তরুণরা সাহিত্য নিয়ে এখন আরো বেশি আগ্রহী ও মনোযোগী হয়েছে। চাঁদপুরের সাহিত্য যাদের নখদর্পণে তারা অবশ্যই অবলীলায় স্বীকার করবেন, বিগত পাঁচ বছরে চাঁদপুরের স্থানীয় লেখকদের লেখা জাতীয় পত্রিকায় প্রকাশিত হয়েছে সবচেয়ে বেশি। আমার মত ক্ষুদ্র লেখকের লেখাও জাতীয় পত্রিকায় প্রকাশিত হয়েছে। এর সবটুকু কৃতিত্ব সাহিত্য একাডেমীর মাসিক সাহিত্য আসরের। চাঁদপুরের তরুণ লেখকরা এখন জাতীয়ভাবে পুরস্কৃত ও সম্মানীত হচ্ছেন। এটি দেখে চাঁদপুরের মানুষ হিসেবে আমার খুব ভালো লাগে।



সাহিত্য আসরের উপস্থিতি অন্য সবার মতো আমাকেও পিপাসু রাখে। নবযুগের প্রান্তিক সময়ে সাহিত্যের পঞ্চপা-বদের বন্ধুত্ব, আড্ডায় প্রাণের উচ্ছ্বাসে সবাই মুগ্ধ হতেন। ভালোবাসতেন তাদের হাতে হাত ধরে চলাফেরা, রেললাইনের পথচলার গল্প। এই চর্চা অব্যাহত থাকুক। সফল ও স্বার্থক চাঁদপুরের ইতিহাসের প্রথম সাহিত্য সম্মেলন। ভূয়সী প্রসংশা করেছেন বাংলা একাডেমির মহাপরিচালক ড. শামসুজ্জামান খান ও কথাসাহিত্যিক হরিশংকর জলদাস। ভূয়সী প্রসংশা করেছেন গভীর রাতেও চাঁদপুরের সর্বস্তরের সাহিত্যকর্মীদের শিল্পকলায় ব্যাপক উপস্থিতির। প্রস্তাবিত আগামী দুই দিনের সাহিত্য সম্মেলনেও লেখকদের পদচারণায় মুখরিত থাকবে সাহিত্যাঙ্গন_এই প্রত্যাশা করছি। ধন্যবাদ সাহিত্য একাডেমীকে, ধন্যবাদ একাডেমীর মহাপরিচালক ও সাহিত্য আসরের আড্ডারুদেরকে।



 


আজকের পাঠকসংখ্যা
৮৯৬৬১৬
পুরোন সংখ্যা