চাঁদপুর। বুধবার ২৬ ডিসেম্বর ২০১৮। ১২ পৌষ ১৪২৫। ১৮ রবিউস সানি ১৪৪০
jibon dip

সর্বশেষ খবর :

  • -
হেরার আলো
বাণী চিরন্তন
আল-হাদিস

৪৫-সূরা জাছিয়া :

৩৭ আয়াত, ৪ রুকু, ‘মক্কী

১০। উহাদের পশ্চাতে রহিয়াছে জাহান্নাম; উহাদের কৃতকর্ম উহাদের কোন কাজে আসিবে না, উহারা আল্লাহর পরিবর্তে যাহাদিগকে অভিভাবক স্থির করিয়াছে উহারাও নহে। উহাদের জন্য রহিয়াছে মহাশাস্তি।


assets/data_files/web

মনের যাতনা দেহের যাতনার চেয়ে বেশি। -উইলিয়াম হ্যাজলিট।


 


দয়া ঈমানের প্রমাণ; যার দয়া নেই তার ঈমান নেই।


 


ফটো গ্যালারি
সাহিত্য আসরের কথা
আবদুর রাজ্জাক
২৬ ডিসেম্বর, ২০১৮ ০০:০০:০০
প্রিন্টঅ-অ+


পরিবার, সমাজ ও রাষ্ট্রের ইতিবাচক পরিবর্তনে শিল্প-সাহিত্য ও সংস্কৃতির উন্নতি ব্যাপকভাবে ভূমিকা পালন করে। সাহিত্যবিষয়ক বৈপ্লবিক চিন্তা, সৃজনশীল ও মননশীলতাকে প্রত্যাশিত আলাপ-আলোচনার মাধ্যমে আরো এক ধাপ এগিয়ে নিয়ে সৃষ্টি করে নতুন সাহিত্যকর্ম। শিল্প-সাহিত্য ও সংস্কৃতি হচ্ছে একটি রাষ্ট্রের মানুষকে ব্যাপকতর শুদ্ধ করার হাতিয়ার। যে জাতি শিল্প-সাহিত্যে যতো বেশি এগিয়ে, তারা ততো বেশি সমৃদ্ধ ও সভ্য। সাহিত্য যেহেতু জ্ঞানের একটি নিগূঢ়তম শাখা তাই এর রস আস্বাদন করতে হলে পঠন-পাঠন ও শ্রবণ করতে হয়। আর এ লক্ষ্যেই পৃথিবীর নানা প্রান্তে শিল্প-সাহিত্যিকরা জমিয়ে আড্ডা দিতেন এবং সে আড্ডা থেকে সৃষ্টি হতো সৃজনশীল সাহিত্যকর্ম। আর এ সৃজনশীল সাহিত্যকর্ম একসময় সমাজ ও রাষ্ট্রকে ইতিবাচকভাবে পরিবর্তিত করে দিতো।



আজ চাঁদপুর সাহিত্য একাডেমীর সাহিত্য আড্ডার পাঁচ বছর পূর্তি। মনে পড়ে যায় সেদিনের কথা। আমার মন আজ উচ্ছ্বাসিত। কেননা ২০১৭ সালে কোনো এক আড্ডায় সাহিত্যকর্মী মুহাম্মদ ফরিদ হাসানের হাত ধরে এ সাহিত্য আড্ডায় উপস্থিত হয়েছিলাম। পরিচিত হয়েছিলাম আড্ডারুদের সাথে। তারপর থেকে নিয়মিত এ আসরে উপস্থিত হয়ে আসছি। চাঁদপুর সাহিত্য একাডেমীর আড্ডায় নবীন-প্রবীণ ও বিজ্ঞজনদের আলোচনা আর স্বরচিত কবিতা-গল্প, প্রবন্ধ পাঠ এবং এগুলোর উৎকর্ষে পরামর্শ উপস্থাপন আমার সাহিত্য চর্চার পরিধিকে আরো বৃদ্ধি করেছে। সমৃদ্ধ করেছে আমার কবিতার বলয়। সর্বোপরি নবীন সাহিত্যকর্মীদের প্লাটফর্ম হিসেবে ব্যাপক ভূমিকা পালন করে আসছে সাহিত্যের এ আসর। এ আড্ডায় উপস্থিত হয়ে চাঁদপুরের সাহিত্য চর্চার বিভিন্ন বিষয় জানতে পেরেছি। কোনো কোনো সাহিত্য আড্ডায় যোগ দিয়ে সাহিত্যের অজানা বিষয় আমার জানার সুযোগ হয়েছে। ভীষণভাবে আলোড়িত হয়েছে আমার নবীন সাহিত্যের আঙ্গিনা।



সাহিত্য আসরে এসে আমি যাদের সানি্নধ্য পেয়েছি তারা হলেন বিশিষ্ট প্রাবন্ধিক পীযূষ কান্তি বড়ুয়া, প্রবীণ লেখক তছলিম হোসেন হাওলাদার, কবি ইকবাল পারভেজ, সালাহউদ্দীন, কাদের পলাশ, মুহাম্মদ ফরিদ হাসানসহ আরো অনেকের। যাঁর কথা বিশেষভাবে না বললেই নয়, তিনি হলেন সাহিত্য একাডেমীর মহাপরিচালক কাজী শাহাদাত। আমার লেখা কবিতা প্রথম প্রকাশিত হওয়ার পরে তাঁর সাথে দেখা করতে গেলে তিনি আমাকে অনেক উৎসাহ ও প্রেরণা দিয়েছিলেন। যা আমার জীবন-চলার পাথেয় হয়ে থাকবে। অন্যদিকে চাঁদপুরের সাহিত্য জগতের মানুষদের সাথে আমাকে পরিচয় করিয়ে দিয়ে কৃতজ্ঞতার ডোরে বেঁধেছেন লেখক কবির হোসেন মিঝি। তাকেও আন্তরিক ধন্যবাদ জানাই।



চাঁদপুর সাহিত্য একাডেমীর নিয়মিত সাহিত্য আসর নবীন-প্রবীণ লেখকদের জন্যে এক মিলনমেলা, এক আস্থার নাম। নবীন-প্রবীণ সাহিত্যসেবীদের সৃজনশীলতার উৎকর্ষে চাঁদপুর সাহিত্য আসর নতুন নতুন পরিকল্পনা নিয়ে তাদের মাঝে প্রাণসঞ্চার করুক_সেই প্রত্যাশা চাঁদপুর সাহিত্য একাডেমীর সাহিত্য আড্ডার বিদগ্ধজনের কাছে।



 


আজকের পাঠকসংখ্যা
১১১৯৪৫১
পুরোন সংখ্যা