ঢাকা। সোমবার ২১ জানুয়ারি ২০১৯। ৮ মাঘ ১৪২৫। ১৪ জমাদিউল আউয়াল ১৪৪০
redcricent
jibon dip

সর্বশেষ খবর :

  • -
হেরার আলো
বাণী চিরন্তন
আল-হাদিস

৫০-সূরা কাফ্

৪৫ আয়াত, ৩ রুকু, মক্কী

পরম করুণাময় ও অসীম দয়ালু আল্লাহর নামে শুরু করছি।



৪৩। আমিই জীবন দান করি; মৃত্যু ঘটাই এবং সকলের প্রত্যাবর্তন আমারই দিকে।

৪৪। যেদিন তাহাদের উপরস্থ জমিন বিদীর্ণ হইবে এবং মানুষ ত্রস্ত্র-ব্যস্ত হইয়া ছুটাছুটি করিবে, এই সমবেত সমাবেশকরণ আমার জন্য সহজ।

৪৫। উহারা যাহা বলে তাহা আমি জানি, তুমি উহাদের উপর জবরদস্তিকারী নহ; সুতরাং যে আমার শাস্তিকে ভয় করে তাহাকে উপদেশ দান কর কুরআনের সাহায্যে।

 


assets/data_files/web

প্রতিভাবান ব্যক্তিরাই ধৈর্য ধারণ করতে পারে। -ই. সি. স্টেডম্যান।


যে শিক্ষিত ব্যক্তিকে সম্মান করে, সে আমাকে সম্মান করে।


ফটো গ্যালারি
অমর হয়ে আছেন করিম পাটোয়ারী
অ্যাডভোকেট ইকবাল-বিন-বাশার
২১ জানুয়ারি, ২০১৯ ০০:০০:০০
প্রিন্টঅ-অ+


মৃত্যু ছোট একটি শব্দ। কিন্তু এই শব্দটি শোনামাত্র কোনো মানুষ অাঁৎকে না ওঠে পারে না। মানুষ মরণশীল। তাই জন্ম মাত্র মৃত্যু অনিবার্য। মানুষ মরবে, এতে কোনো সন্দেহ নেই বরং বেঁচে থাকাটাই অস্বাভাবিক। মূলতঃ মানুষ মৃত্যুবরণ করলেই জীবিতরা সত্যিকারভাবে মৃত ব্যক্তির শূন্যতা উপলব্ধি করতে পারে। এজন্যেই ফ্রাঙ্কলিন বলেছেন, একটি মানুষ না মরা পর্যন্ত পরিপূর্ণভাবে জন্মলাভ করতে পারে না। অর্থাৎ মৃত্যুকে জয় করতে হলে এমন কিছু কাজ করে যেতে হয়, যাতে মানুষ মরেও অমর হয়ে থাকে। পৃথিবীতে যত সত্য আছে, মৃত্যু তন্মধ্যে সর্বশ্রেষ্ঠ। কারণ, ধীরগতিতে হোক কিংবা দ্রুত গতিতে হোক অবশেষে মৃত্যু আসবেই। মানুষ মরবে এতে অস্বাভাবিকতার কিছু নেই। কিছু কিছু মৃত্যু এমন রয়েছে যা' গোটা জাতিকে কাঁদিয়ে যায়।



প্রবীণ রাজনীতিবিদ, সাবেক গণপরিষদ সদস্য ও চাঁদপুর পৌরসভার সাবেক চেয়ারম্যান আবদুল করিম পাটওয়ারী ২০০০ সালের এই দিনে কাক ডাকা ভোরেই ২৫ লাখ চাঁদপুরবাসীকে শোক সাগরে ভাসিয়ে পরপারে পাড়ি দেন। তাঁর মৃত্যুতে সংবেদনশীল কোনো চাঁদপুরবাসীই না কেঁদে পারেনি। মরহুম আব্দুল করিম পাটওয়ারীর গ্রহণযোগ্যতা শুধু চাঁদপুরেই নয়, দেশব্যাপীও ছিলো তার সুখ্যাতি। আব্দুল করিম পাটওয়ারীর মৃত্যুতে জাতি একজন সৎ ও নিষ্ঠাবান সমাজসেবক হারিয়েছে। এ অপূরণীয় ক্ষতি কখনো পূরণ হবার নয়। দেশবাসী তার অবদানকে অস্বীকার করতে পারবে না। আমরাও তাঁর ঋণ শোধ করতে পারবো না। চাঁদপুর প্রেসক্লাব আজীবন



স্মরণ রাখবে এ মহান সমাজসেবীকে। তাঁর অবদানে চাঁদপুর শহরের স্ট্র্যান্ড রোডে সাংবাদিকদের বসার জন্যে এক খ- জমি প্রাপ্তি ঘটেছে। এজন্যে চাঁদপুর প্রেসক্লাবের সকল সাংবাদিক এবং সদস্য তাঁর কাছে চির ঋণী। চাঁদপুর প্রেসক্লাবের শ্বেতপাথরে মরহুম আবদুল করিম পাটওয়ারীর নাম লেখা রয়েছে এবং থাকবে। শুধু প্রেসক্লাব নয়, এমন অনেক সমাজসেবী প্রতিষ্ঠান ও ধর্মীয় প্রতিষ্ঠানের জন্যে জায়গা দান করে গেছেন মরহুম আব্দুল করিম পাটওয়ারী চাঁদপুর পৌর চেয়ারম্যান থাকাকালীন সময়ে। এ মহান ব্যক্তিত্বসম্পন্ন মানুষটিকে হারিয়ে শুধু সাংবাদিক নয়, গোটা চাঁদপুরবাসীর অপূরণীয় ক্ষতি সাধিত হয়েছে। আজ তাঁর রেখে যাওয়া আদর্শ, স্মৃতিবহন করে চলেছি। মরহুম আব্দুল করিম পাটওয়ারীর সৎ আদর্শ এবং নিষ্ঠাবান পথ অনুসরণ করে যেতে পারলে নিজেদেরকে গৌরবান্বিত ভাবতে পারতাম। তাঁর মতো সমাজসেবা ও দেশসেবা থেকে শিক্ষা নিয়ে আমরা যদি মানবকল্যাণে এগিয়ে যাই তবে আমরাও অমর হতে পারবো।



 


আজকের পাঠকসংখ্যা
২০৫৮৫৫
পুরোন সংখ্যা