চাঁদপুর, বৃহস্পতিবার ১ অক্টোবর ২০২০, ১৬ আশ্বিন ১৪২৭, ১৩ সফর ১৪৪২
jibon dip

সর্বশেষ খবর :

  • --
হেরার আলো
বাণী চিরন্তন
আল-হাদিস

৭৮-সূরা নাবা'


৪০ আয়াত, ২ রুকু, মক্কী


পরম করুণাময় ও অসীম দয়ালু আল্লাহর নামে শুরু করছি।


৩৩। সমবয়স্কা উদ্ভিন্ন যৌবনা তরুণী।


৩৪। এবং পূর্ণ পানপাত্র।


৩৫। সেথায় তাহারা শুনিবে না অসার ও মিথ্যা বাক্য;


৩৬। ইহা পুরস্কার, যথোচিত দান তোমার প্রতিপালকের,


 


assets/data_files/web

সংসারে কারো ওপর ভরসা করো না, নিজের হাত এবং পায়ের ওপর ভরসা করতে শেখো।


-শেক্সপিয়ার।


 


 


 


নম্রতায় মানুষের সৌন্দর্য বৃদ্ধি পায় আর কড়া মেজাজ হলো আয়াসের বস্তু অর্থাৎ বড় দূষণীয়।


 


 


ফটো গ্যালারি
মাননীয় শিক্ষামন্ত্রীর কাছে খোলা চিঠি
০১ অক্টোবর, ২০২০ ০০:০০:০০
প্রিন্টঅ-অ+


বরাবর



মাননীয় ডাঃ দীপু মনি এমপি



শিক্ষামন্ত্রী



গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার, ঢাকা, বাংলাদেশ।



 



বিষয় ঃ 'চতুরঙ্গ' চাঁদপুর-এর 'ইলিশ উৎসব' কে জাতীয় লোকজ উৎসব ঘোষণার অনুরোধ। জনাব,



আপনার মতো প্রথিতযশা সাংস্কৃতিক মনন সমপন্ন ব্যক্তিত্ব বরাবরে চাঁদপুর-এর সাংস্কৃতিক সংগঠন আমরা 'চতুরঙ্গ' সম্পূর্ণ এক সংস্কৃতি নির্ভর বিষয়ে আবেদন করতে গিয়েও অত্যন্ত- সৌহার্দ্যময় অনুভূতিতে আবিষ্ট হয়ে আছি। আপনার সদয় অবগতির জন্যে জানাচ্ছি যে, বিগত ২০০৯ সাল হতে হারুন আল রশীদ এর পরিকল্পনায় 'চতুরঙ্গ'-এর আয়োজনে চাঁদপুরের সর্বস্তরের সাংস্কৃতিক কর্মী ও সংস্কৃতি মনস্ক ব্যক্তির সমন্বয়ে দল-মত-পথ নির্বিশেষে প্রশাসন-তৃণমূল-উদ্দিষ্ট জনগণ সকলের সক্রিয় সহযোগিতা ও অংশগ্রহণে 'ইলিশ উৎসব' অনুষ্ঠিত হয়ে আসছে। সূচনালগ্ন হতে ২০১৯ সাল অবধি এ উৎসবের একাদশ আসর সফলভাবে উদ্যাপিত হতে যাচ্ছে। বাংলা একাডেমি এই উৎসবকে বাংলাদেশের লোকজ উৎসবরূপে অন্তর্ভুক্ত করার প্রস্তাবনা করেছিল, কোন অদৃশ্য কারণে সেটি আর হয়ে উঠেনি। ইলিশ আমাদের জাতীয় মাছ এবং বাঙালি সংস্কৃতির এক অবিচ্ছেদ্য অঙ্গ। ইলিশের সামপ্রতিক সঙ্কটকাল আমাদের 'ইলিশ-ভাবনা' আরো বাড়িয়ে দিয়েছে। পাশাপাশি 'চতুরঙ্গ'-এর আয়োজনে 'ইলিশ উৎসব' কে ঘিরে সর্বস্তরে প্রাণের জোয়ার সৃষ্টি হওয়ায় চাঁদপুর ও সংশ্লিষ্ট সংলগ্ন জেলাবাসী হতে দাবি উঠেছে এই উৎসবকে 'জাতীয় উৎসব' ঘোষণা দেওয়ার। 'ইলিশ উৎসব' কেন জাতীয় উৎসব হতে পারে এ মর্মে বলতে হয়-



 



ক) রমণীয় রূপালি ইলিশ রপ্তানি করে আমরা প্রতি বছর আমাদের জাতীয় রাজস্বের ১% অংশ আয় করি। জাটকা নিধন রোধ ও 'মা ইলিশ' বাঁচাতে পারলে এই মাত্রা ৬% পযন্ত পেঁৗছাতে পারে।



খ) ইলিশের বিনিময়ের উপরে আমাদের বৃহৎ প্রতিবেশী রাষ্ট্রের সাথে সম্পর্কের অমস্ন-মধুরতা বাড়ে-কমে। আমাদের মাননীয় প্রধানমন্ত্রী ১৯৯৬-২০০১ শাসনামলে ইলিশকে মৈত্রী উপহার হিসেবে পাঠিয়ে প্রতিবেশী প্রধানমন্ত্রীর সাথে সম্পর্ক দৃঢ় করেন। গ) জোড়া ইলিশ সনাতনী বাঙালি জীবনে অতীব শুভময়তার প্রতীক। ঘ) ইলিশ রান্নার বিবিধ রেসিপিতে বর্তমানে বাঙালি রন্ধনশিল্পে বিপ্লব পরিলক্তি হয়। প্রায় পঞ্চাশোর্ধ ইলিশ রান্নার রেসিপি রন্ধন শিল্পে উৎসবের আমেজ নিয়ে এসেছে।



 



ঙ) ইলিশের অাঁশটে থেকে বিবিধ চারু শিল্প ও কুটির শিল্প তৈরি হয়, যা বিশ্ববাজারে বাঙালি সংস্কৃতিকে অনন্য মাত্রায় তুলে ধরে। চ) ইলিশ ধর্ম-বর্ণ-গোত্র নির্বিশেষে সকলের পছন্দনীয় ও সম্মানীয়। ইলিশকে কেন্দ্র করে বাঙালি মিলন মোহনায় একত্রিত হয়ে অসামপ্রদায়িক চেতনাকে সমুন্নত রেখে মুক্তিযুদ্ধের স্বপ্নকে বাস্তবায়ন করতে পারে। মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে 'মিষ্টি কুমড়ো' কেন্দ্রিক হ্যালোইন নামে জাতীয় উৎসব হয়। গণচীনে 'বরফ ভাস্কর্য' নিয়ে জাতীয় উৎসব হয়। আয়ারল্যান্ডে 'আলু' নিয়ে জাতীয় উৎসব হয়। তেমনি বাংলাদেশেও জাতীয় মাছ ইলিশ নিয়ে জাতীয় উৎসব অনুষ্ঠিত হলে তা বিশ্ব আসরে বাঙালিকে আরো মার্যাদাবান করে তুলবে। ছ) সবচে' বড় ও ওজনদার ইলিশের প্রদর্শনী ও প্রতিযোগিতা যদি ইলিশ উৎসবে চালু করা হয় তবে জাটকা নিধন কমে আসবে বহুলাংশে। জ) ইলিশ উৎসবকে কেন্দ্র করে ছবি অাঁকা, বিতর্ক শিল্প, নৃত্য, সঙ্গীত ইত্যাদি কলাবৃত্তির চর্চা নূতন মাত্রা পেতে পারে। পাশাপাশি জাটকা নিধন রোধে জনসচেতনতা বৃদ্ধি পাবে। ঝ) 'ইলিশ উৎসব' জাতীয়করণের মাধ্যমে ইলিশ গবেষণায় ইতিবাচক পরিবর্তন আসবে। ঞ) ২০১২ সালে চাঁদপুরের তৎকালীন জেলা প্রশাসক জনাব প্রিয়তোষ সাহা এবং ২০১৪ সালে অত্র জেলার জেলা প্রশাসক জনাব ইসমাইল হোসেন পত্রদ্বারা সংশ্লিষ্ট মহলে যোগাযোগ করে 'ইলিশ উৎসব' কে 'জাতীয় উৎসব' করার ব্যাপারে কিছুদূর অগ্রসর করে গেছেন।



 



অতএব, উপর্যুক্ত আলোচনার আলোকে এ কথা আজ দ্বিধাহীন চিত্তে বলা যায়, 'ইলিশ উৎসব' কে জাতীয় লোকজ উৎসব ঘোষণা আজ সময়ের দাবি। আমরা সকল সাংস্কৃতিক কর্মীরা আপনার মতো সাংস্কৃতিক ব্যক্তিত্বের হাতেই এই উৎসবকে জাতীয় উৎসব হিসেবে পাওয়ার প্রার্থনা করি। 'চতুরঙ্গ' বিশ্বাস করে আপনার মতো সংস্কৃতি প্রেমিকের হাতেই বাঙালি নতুন জাতীয় উৎসবের সূচনা করতে পারে।



 



 


করোনা পরিস্থিতি
বাংলাদেশ বিশ্ব
আক্রান্ত ৩,৮৭,২৯৫ ৩,৯৬,৩৮,১৮৮
সুস্থ ৩,০২,২৯৮ ২,৯৬,৭৮,৪৪৬
মৃত্যু ৫,৬৪৬ ১১,০৯,৮৩৮
দেশ ২১৩
সূত্র: আইইডিসিআর ও বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা।
আজকের পাঠকসংখ্যা
২৬১২৬১
পুরোন সংখ্যা