চাঁদপুর, বৃহস্পতিবার ২১ জানুয়ারি ২০২১, ৭ মাঘ ১৪২৭, ৭ জমাদিউস সানি ১৪৪২
jibon dip

সর্বশেষ খবর :

  • আজ শনিবার সংবাদ সম্মেলন করবেন প্রধানমন্ত্রী
সাদা মনের মানুষ করিম ভাই
জীবন কানাই চক্রবর্তী
২১ জানুয়ারি, ২০২১ ০০:০০:০০
প্রিন্টঅ-অ+


 



'সেই ধন্য নরকুলে লোকে যারে নাহি ভুলে



মনের মন্দিরে নিত্য সেবে সর্বজন।'



মানুষ নন্দিত হয় তার কর্মে, নিন্দিতও হয় কর্মে।



কর্মই মানুষকে চিরধন্য, চির বরেণ্য করে, করে চিরধিকৃত, চরম কলংকিত।



আমার অগ্রজপ্রতিম প্রয়াত আবদুল করিম পাটওয়ারী সাহেব, যাঁকে আমি 'করিম ভাই' বলেই ডাকতাম, ডেকে আনন্দ পেতাম, তাঁর সুকৃতির সামান্য আলোকপাতের লক্ষ্যেই এক অক্ষম লেখকের লেখনির আকারের সঞ্চালন।



'করিম ভাই'-এর কথা মনে হলেই স্মৃতির দর্পণে অত্যুজ্জ্বল হয়ে ভেসে উঠে সহজ-সরল, নিরহঙ্কার সাদামনের, মুক্ত চিন্তার এক মহাপ্রাণ ব্যক্তির অবয়ব।



কৈশোরে তাঁর সাথে পরিচিত হতে হতে নানা কর্মের মাধ্যমে একদিন চিনে নিলাম সম্যকভাবে করিম ভাইকে। সে অনেক দিন আগের কথা। স্থানীয় আওয়ামী লীগের নেতা বলতে যারা সেদিন ছিলেন পরিচিত, নিবেদিত, সমাদৃত তাঁদের মধ্যে আমার খুব কাছের মানুষ ছিলেন প্রয়াত চাঁদবক্স পাটওয়ারী সাহেব।



হোসেন শহীদ সোহরাওয়ার্দী সাহেব আসবেন চাঁদপুরে। সে জন্যে ডাকা হলো নেতাদের। এলেন করিম ভাই, প্রয়াত এ. বি. খান, প্রয়াত আবুল কাশেম চৌধুরী টুনু ভাই, আবদুল হামিদ মাস্টারসহ জনা পাঁচেক নেতা। সভাটি আহুত হয়েছিলো প্রয়াত চাঁদবক্স পাটওয়ারী সাহেবের চেম্বারে। সেদিনটি ছিল লক্ষ্মী পূজার দিন। আমি তখন ডিএন উচ্চ বিদ্যালয়ের ৯ম শ্রেণীর ছাত্র। আমাকে বাসা থেকে ডেকে পাঠানো হলো। গেলাম সভায়। সবাইকে সম্মান জানিয়ে দাঁড়িয়ে রইলাম। চাঁদবক্স পাটওয়ারী সাহেব সবার সাথে পরিচয় করিয়ে দিয়ে টিনের চোঙ্গা হাতে দিয়ে তখনই জনগণকে আহূত পরের দিনের সোহরাওয়ার্দীর জনসভায় উপস্থিত থাকার প্রচার কাজে নেমে পড়ার কথা বলে রিক্সা ভাড়া বাবদ কিছু টাকা, সম্ভবত ১০ টাকা হাতে গছিয়ে দিলেন। সেদিনই খুব কাছ থেকে করিম ভাইকে দেখার সুযোগ পেয়েছিলাম। তাঁর সামান্য কিছু উপদেশেই মুগ্ধ হলাম। চেহারায়, পোশাকে ছিলো না কোনো চাকচিক্য। একেবারে সাধারণ মানের পরিচ্ছদ। শহরের প্রধান প্রধান রাস্তায় টিনের চোঙ্গায় প্রচার করতে করতে শহর ছেড়ে বাবুরহাট পর্যন্ত গিয়ে ফিরে এলাম রাত ৯ টায়। বাসায় লক্ষ্মীপূজার কাজ শেষ। মা খুব রাগ করেছিলেন বাসার পূজা ফেলে রেখে নেতাদের আদেশে চোঙ্গা ফুঁকার জন্যে।



ধীরে ধীরে যতই করিম ভাই-এর সানি্নধ্যে এসেছি, ততই জনগণের জন্যে, দেশের জন্যে তাঁর মনের গভীরে সঞ্চিত ভালোবাসার স্ফূরণের সন্ধান পেয়ে উদ্দীপ্ত হয়েছি, হয়েছি প্রাণিত।



 



 



জাতি, ধর্ম-বর্ণ-স্ত্রী-পুরুষ এবং বয়স নির্বিশেষে সব মানুষের হৃদয় জয় করার সহজাত অনন্য-অনুপম গুণাবলি ছিলো বলেই করিম ভাই খুব সাধারণ শিক্ষায় স্বশিক্ষিত হয়েই সত্যিকার অর্থে সুশিক্ষিত হতে পেরেছিলেন। সুবিধা বঞ্চিত মানুষের উন্নয়নে, সমাজ গঠনে, তাঁর চিন্তা-চেতনায় ছিলো গণতান্ত্রিক-প্রগতিশীলতার দৃশ্যমান ছাপ। পদলোভ বা ধনলোভ তাঁকে প্রলুব্ধ করেনি কখনো।



প-িতের পা-িত্যপূর্ণ ভাষণ তুষ্ট করে মুষ্টিমেয়কে। এই মুষ্টিমেয়র তুষ্টি সাধনে তিনি তৎপর ছিলেন না। সাদামাটা ভাষায় কথা বলতেন জনসভায়। তাতেই প্রকাশ পেত জ্ঞানের গভীরতা। শ্রোতারা মন্ত্রমুগ্ধের মত বসে বসে বক্তৃতা নয়, মনের কথা শুনতো করিম ভাই-এর কাছ থেকে। ধর্মীয়, রাজনৈতিক, সামাজিক, ক্রীড়া সাংস্কৃতিক এমনকি প্রশাসনিক ক্ষেত্রেও যখন তিনি বক্তব্য উপস্থাপন করতেন তখনো ব্যত্যয় ঘটত না বক্তৃতার আঙ্গিকে। ব্যত্যয় ঘটত শুধু শব্দ চয়নের কুশলতায়। যেখানে যেমন, সেখানে তেমন-এক কথায় স্থান, কাল, পাত্র, বিষয়বস্তুর গুরুত্ব ইত্যাদি সুবিবেচিতভাবেই উপস্থাপিত হতো তাঁর বক্তব্যে। জনগণের প্রাণের কথা, দুঃখ-বেদনার কথা, তাঁদের সমস্যা-সঙ্কটের কথাগুলো অনায়াসেই প্রাঞ্জল ভাষায় প্রকাশ করতেন তিনি। মুসলিমলীগ বিরোধী আন্দোলন, আইয়ুবের সামরিক শাসন বিরোধী আন্দোলন, হামিদুর রহমান শিক্ষা কমিশন বিরোধী আন্দোলন, ৬ দফা, ১১ দফার আন্দোলন, ১৯৬৯-এর গণঅভ্যুত্থানসহ মুক্তি সংগ্রাম পূর্ব সকল আন্দোলনে তিনি ছিলেন নিত্যদিনের সহচর, আদর্শনিষ্ঠ নেতা, আশা-উদ্দীপনা সৃষ্টিতে আলোর দিশারী, দুর্দিন-দুঃসময়ে ছাত্র-যুবসহ সব বয়সী আন্দোলনকারী মানুষের প্রেরণার উৎস, সত্যাদর্শী নেতা।



মুক্তিযুদ্ধের প্রাক্কালে জনগণকে সংগঠিত করার দুঃসাহসিক দুরূহ কাজে নির্ভীকচিত্তে তিনি নেতৃত্ব দিয়েছেন মহকুমা সংগ্রাম কমিটি গঠনে। আওয়ামী লীগের মহকুমা জেলা নেতৃত্বে কখনো প্রকাশ্য, কখনো অপ্রকাশ্য বিভক্তি পরিলক্ষিত হলেও করিম ভাই, টুনু ভাই, আউয়াল ভাই এবং চাঁদবক্স পাটওয়ারী সাহেব প্রমুখ ছিলেন এসব সংকীর্ণতার ঊধর্ে্ব। সংকীর্ণতার গ্লানি থেকে মুক্ত ছিলেন বলেই সংগ্রাম কমিটিতে অন্তর্ভুক্ত হতে পেরেছিলাম ন্যাপের এই আমি সহ অনেকেই।



পাক-সেনারা যেদিন চাঁদপুর শহরের একেবারে সনি্নকটে, পাক-বাহিনীর মর্টারের সেল যখন বর্ষিত হচ্ছিল শহরে, ঠিক সে সময়ে চিত্রলেখা সিনেমা হলের নিচে অবস্থিত কফি হাউজের সামনে তাঁর সাথে কথা বলে শেষ রাতে যখন আমরা চাঁদপুর শহর ছেড়ে ইচলীর কাছে অবস্থিত প্রয়াত কলন্দর গাজীর বাড়িতে পৌঁছি, তখন প্রায় ভোর হয়ে আসছিলো। তিনিই একমাত্র নেতা যিনি সর্বশেষ সেই রাতেই শহর ছেড়েছিলেন মুক্তিযোদ্ধাদের ঐক্যবদ্ধ করার কাজে নিয়োজিত হবার মহাব্রত নিয়ে। শহরের মানুষকে অসহায় রেখে, অরক্ষিত রেখে তিনি শহর ছেড়ে যেতে চাননি। নেতা-কর্মীদের সকলে চলে যাবার পরেই তিনি শহর ছেড়ে ছিলেন। সেদিন এর আগে রাত ১২/১ টায় টাউন হলের নিচে দাঁড়িয়ে তিনি সবাইকে নিরাপদ আশ্রয়ে চলে গিয়ে যথাসময়ে, যথাযথ কর্তৃপক্ষের আহ্বানে, যথাস্থানে সমবেত হবার আহ্বান জানিয়েছিলেন।



এই ছিলো তাঁর দায়িত্ববোধ, নেতা-কর্মী, সাধারণ জনগণের প্রতি তাঁর দায়বদ্ধতার বহির্প্রকাশ। এপ্রিল মাসের প্রথমদিকে পাইকপাড়া হাই স্কুলে অনুষ্ঠিত গোপন সভায় ৯ সদস্য বিশিষ্ট মুক্তাঞ্চলে মুক্তিযুদ্ধ পরিচালনার্থে গঠিত হয় ২ নং সেক্টরের অধীনে মধুমতি সাব-সেক্টরের মিনি কেবিনেট মন্ত্রী পরিষদ। করিম ভাই-এর ওপর অর্পিত হয় আইন, অভ্যন্তরীণ সুরক্ষা, সমাজকল্যাণ, খাদ্য-স্বাস্থ্য ও নিরাপত্তা বিধানের দায়িত্ব। ওই বয়সে তাঁর পক্ষে আমাদের সঙ্গে ক্যাম্পে ক্যাম্পে থাকা, অর্থাৎ যুদ্ধক্ষেত্রে থাকা সম্ভব ছিলো না বিধায় মন্ত্রীসভার সিদ্ধান্ত অনুযায়ী তাঁকে নিরাপদ স্থানে থাকার পরামর্শ দেয়া হলে ফরিদগঞ্জস্থ মুন্সিরহাটের তালুকদার বাড়িতে (তাঁর শ্বশুর বাড়ি) থেকেই তিনি কৌশলে স্বীয় বুদ্ধি-বিবেচনায় অর্পিত দায়িত্ব যথাযথভাবে পালন করেন। বিশেষ সময়ে মন্ত্রী পরিষদের সভা আহূত হলে আমি নিজে গিয়েই তাঁকে নিয়ে আসতাম সভাস্থলে। ওই সময়ে কিছুদিন তিনি ঠা-ায় ক্লান্ত হয়ে প্রচ- শ্বাসকষ্টে ভুগছিলেন। কিন্তু শারীরিক কষ্ট, পারিবারিক বন্ধন, আর্থিক সংকট, মৃত্যুর ভয় ইত্যাদি কোনো কিছুই তাঁকে অর্পিত দায়িত্ব পালনের কঠিন কর্তব্যবোধ থেকে বিচ্যুত করতে পারেনি। এখানেও করিম ভাই অনন্য দৃষ্টান্ত স্থাপন করে মুক্তিযুদ্ধের ইতিহাসে অমর, অক্ষয়, অব্যয় হয়ে রয়েছেন। এ সময় সামাজিক বিচারকার্যসহ সকল বিচার কাজ অত্যন্ত নির্মোহ দৃষ্টিতে নিরপেক্ষভাবে পরিচালনা করেছিলেন। দ্রব্যমূল্য নিয়ন্ত্রণে রাখতে মুক্তাঞ্চলে বিশেষ ব্যবস্থা গ্রহণ করে শতভাগ সাফল্যের পরিচয় দিয়েছিলেন। কৃষি ক্ষেত্রে নৈরাজ্য বা হতাশাব্যঞ্জক কোনো কিছুই যেন সৃষ্টি না হয়, সেজন্যও তিনি নিয়েছিলেন জনকল্যাণমুখী বাস্তব পদক্ষেপ।



চাঁদপুর শহর সম্পূর্ণরূপে শত্রুমুক্ত হলে তিনি হন প্রধান প্রশাসক। প্রশাসনিক ভবন ছিলো পৌরসভা কার্যালয়ে। সেখানে খুব সকালে এসে বসতেন। আশ্রয়হীন, বস্ত্রহীন, মানুষের দুঃখের কথা শুনতেন। সমাধানের জন্য আমাদের সবাইকে নিয়ে কাজ করতেন যৌথভাবে। মহকুমা প্রশাসক থেকে শুরু করে থানা প্রশাসন সবাইকে নতুন প্রাণচাঞ্চল্যে উজ্জীবিত সংগঠিত করে তখনকার অশান্ত পরিবেশকে শান্ত করার প্রয়াস চালাতেন সর্বোতভাবে। ত্রাণকার্য পরিচালনায় ওই সময় তিনি সবচেয়ে দক্ষতা ও যোগ্যতার স্বাক্ষর রেখেছিলেন। তাঁর বিখ্যাত উক্তি ছিলো 'ঠিক আছে'। এভাবে পক্ষ-বিপক্ষের যুক্তি-তর্ক শেষ হলে বলতেন 'ঠিক আছে' অর্থাৎ সব কিছুর সমাধান হবে। হয়েছেও তাই। শত্রুমুক্ত হলে চাঁদপুরে শরণার্থী দলে দলে আসতে শুরু করলে পুনর্বাসনের জন্যে খোলা হয় আশ্রয়হীনদের জন্যে নিরাপদ আশ্রয়কেন্দ্র। ডি হল (বর্তমানে মহিলা কলেজ হোস্টেল)সহ বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে আশ্রয়হীনদের সাময়িক আশ্রয়ের ব্যবস্থাসহ খাদ্য, ঔষধ-পথ্য ইত্যাদি সরবরাহের দায়িত্ব বণ্টিত হয় আওয়ামী লীগ, ন্যাপ, ছাত্রলীগ, ছাত্র ইউনিয়নসহ মুক্তিযুদ্ধের পক্ষের সকল নেতা-কর্মীর ওপর। নিহত, পলায়িত রাজাকার, আল-বদর, শান্তিবাহিনীর লোকদের অসহায় পরিবার পরিজনদের মাঝেও বণ্টিত হয় ত্রাণসামগ্রী-কারো কারো আপত্তি সত্ত্বেও।



১৯৭৪-এর শেষভাগে অনুষ্ঠিত হয় জনগণের সরাসরি ভোটে পৌরসভা নির্বাচন। বিপুল ভোটে তিনি নির্বাচিত হন চেয়ারম্যান পদে আর আমি নির্বাচিত হই ভাইস-চেয়ারম্যান পদে। স্বল্প আয়ের বাজেট নিয়ে শুরু হয় পৌরসভার জনকল্যাণমূলক কার্যক্রম। সেই স্বল্প আয়ের বাজেটেই পুনর্গঠনের কার্যক্রমে আসে ব্যাপক সাফল্য-তাঁর নেতৃত্বে আমাদের পৌর পরিষদের সমবেত প্রচেষ্টায়।



সাদা পায়জামা-পাঞ্জাবী পরিহিত করিম ভাই পায়ে হেঁটে পৌর এলাকার সর্বত্র ঘুরে ঘুরে জনগণের কথা শুনতেন, সমাধানের আশ্বাস দিতেন। বঙ্গবন্ধুর কালো কোটে তাঁকে মানাতো ভালো। তীব্র শীতে সাদা খদ্দরের চাদর গায়ে দিয়ে শীতকে পরাভূত করতেন অনায়াসে।



'মানুষ মানুষের জন্য, জীবন জীবনের জন্য'-এই বাণীর মর্মার্থকে তিনি অন্তরে ধারণ করতেন গভীর বিশ্বাসে। আর বাস্তবায়নে কাজ করতেন নিরলসভাবে। স্বচ্ছ, সুন্দর, সহজ, সরল মনের মানুষটি কিন্তু আপোষ করেননি অসত্য ও অন্যায়ের সঙ্গে। তিনি ছিলেন মানুষের মানুষ, জনগণের প্রকৃত বন্ধু, পরমাত্মীয়। তাঁর হৃদয় ছিলো আকাশের মত উদার-বিশাল। মানবতার মহৈশ্বর্যে ঐশ্বর্যম-িত ছিলো তাঁর চিন্তা-চেতনা। অর্পিত দায়িত্ব পালনে তিনি ছিলেন আত্মপ্রত্যয়ী, একনিষ্ঠ। স্বধর্মের মূলাদর্শে গভীর আস্থাশীল থেকেও তিনি ছিলেন মনে-প্রাণে, কর্মে, চিন্তা-চেতনায় সম্পূর্ণরূপে অসামপ্রদায়িক। দুঃখীর দুঃখে ব্যথিত হতো তাঁর হৃদয়ের কোমলতন্ত্রী। ব্যথিতের বেদনায় প্রকাশ পেত তাঁর সহমর্মিতা, সংবেদনশীলতা। রাজনৈতিক বিরোধীদের বা বিরুদ্ধ মতবাদীদের মত প্রকাশের স্বাধীনতায় তিনি ছিলেন ধৈর্যশীল, শ্রদ্ধাশীল।



ব্যক্তিগত ব্যবহারে তিনি ছিলেন অমায়িক। জনস্বার্থে নিবেদিত করিম ভাই-এর মার্জিত রুচিবোধ চরম শত্রুকেও মুগ্ধ করতো। শিক্ষা-দীক্ষা, শিল্প-সংস্কৃতি, খেলাধুলাসহ সমাজের উন্নয়ন ও মানস গঠনের সকল ক্ষেত্রেই ছিলো তাঁর পদচারণা। সকল কূপম-ুকতার ঊধর্ে্ব উঠতে পেরেছিলেন তিনি। তাই তো সদালাপী, অহমিকাহীন, নির্বিরোধ, জনদরদী এই মানুষটিই বি ডি মেম্বার থেকে যাত্রা শুরু করে গণপরিষদের সদস্য এবং একাধিকবার পৌরসভার সর্বজন শ্রদ্ধেয় চেয়ারম্যান নির্বাচিত হয়ে জনগণমননন্দিত মহান নেতার শ্রদ্ধা- ভালোবাসার আসনে অভিষিক্ত হবার দুর্লভ সুযোগ অর্জন করেছিলেন।



আমৃত্যু জাতির জনক বঙ্গবন্ধুর আদর্শানুসারী, মুক্তিযুদ্ধের চেতনায় একান্ত বিশ্বাসী, মাটি ও মানুষের প্রাণের মানুষ আমাদের গর্বের ধন এই মহাপ্রাণকে জানাই হৃদয়ের গভীরতম প্রদেশের অকৃত্রিম শ্রদ্ধা।



 



 


হেরার আলো
বাণী চিরন্তন
আল-হাদিস

 


৮৯-সূরা ফাজর :


৩০ আয়াত, ১ রুকু, মক্কী


পরম করুণাময় ও অসীম দয়ালু আল্লাহর নামে শুরু করছি।


 


 


বৃহস্পতিবার : ২১ জানুয়ারি ২০২১


ফজর : ০৫ : ২৬ মিঃ


সূর্যোদয় : ০৬ : ৪৩ মিঃ


ইশরাক : ০৭ : ০৬ মিঃ


যোহর : ১২ : ১২ মিঃ


আছর : ০৩ : ৫৬ মিঃ


মাগরিব : ০৫ : ৩৬ মিঃ


এশা : ০৬ : ৩৬ মিঃ


 


 


 


assets/data_files/web

মাত্রাধিক নম্রতার অর্থই হল কর্কশতা।


_জাপানি প্রবাদ।


 


 


 


 


নফস্কে দমন করাই সর্বপ্রথম জেহাদ।


 


 


ফটো গ্যালারি
করোনা পরিস্থিতি
বাংলাদেশ বিশ্ব
আক্রান্ত ৫,৩৮,০৬২ ১০,৬৪,২৭,১০৩
সুস্থ ৪,৮৩,৩৭২ ৭,৮০,৮৪,৯০৯
মৃত্যু ৮,২০৫ ২৩,২২,০৫৩
দেশ ২১৩
সূত্র: আইইডিসিআর ও বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা।
আজকের পাঠকসংখ্যা
২৫৬৬৬৮
পুরোন সংখ্যা