চাঁদপুর। মঙ্গলবার ৬ জুন ২০১৭। ২৩ জ্যৈষ্ঠ ১৪২৪। ১০ রমজান ১৪৩৮

বিজ্ঞাপন দিন

বিজ্ঞাপন দিন

সর্বশেষ খবর :

  • -
হেরার আলো
বাণী চিরন্তন
আল-হাদিস

২৮-সূরা কাসাস 


৮৮ আয়াত, ৯ রুকু, ‘মক্কী’


পরম করুণাময় ও অসীম দয়ালু  আল্লাহর নামে শুরু করছি।


 


৪৬। মূসাকে যখন আমি আহ্বান করিয়াছিলাম তখন তুমি তূর পর্বতপার্শ্বে উপস্থিত ছিলে না। বস্তুত ইহা তোমার প্রতিপালকের নিকট হইতে দয়াস্বরূপ, যাহাতে তুমি এমন এক সম্প্রদায়কে সতর্ক করিতে পার, যাহাদের নিকট তোমার পূর্বে কোন সতর্ককারী আসে নাই, যেন উহারা উপদেশ গ্রহণ করে;


দয়া করে এই অংশটুকু হেফাজত করুন


 


যে স্বল্প পরিমাণে সুগন্ধ পায় সে সুগন্ধের মাধুর্য বুঝে।                      


-মিনেকো।

মৃত্যুই অনন্ত পদযাত্রার প্রারম্ভ।


ফটো গ্যালারি
চাঁদপুরে স্পোর্টস্ ব্যবসায় ১০ বছরে মোঃ মোক্তার আহমেদ
খেলাধুলার আইটেমের ব্যবসায় আমি নতুন আঙ্গিকের জিনিস গ্রাহকদের দিচ্ছি*৯
চৌধুরী ইয়াসিন ইকরাম
০৬ জুন, ২০১৭ ০০:০০:০০
প্রিন্টঅ-অ+

পরিবারের কথা চিন্তা করে স্কুলের গ-ি পেরুনোর আগেই ঢাকায় স্পোর্টসের দোকানে চাকুরি করতে চলে যান । চাকুরি করার পাশাপাশি সবসময়ই স্বপ্ন দেখতেন চাঁদপুরের মানুষদের জন্য স্পোর্টস্ আইটেমের ভালো জিনিস দিয়ে সেবা করার জন্য । সেই লক্ষ্য নিয়েই ২০০৮ সালের এপ্রিল মাসে চাঁদপুরের এশিয়ান স্পোর্টস্ নামে স্পোর্টস্ ব্যবসায় জড়িয়ে পড়েন মোঃ মোক্তার আহমেদ। তার বাবার নাম নুরুল ইসলাম মিয়াজী। বসবাস করেন পুরাণবাজার রামদাসদী এশিয়ান ভিলাতে। ৪ ভাই ১ বোনের মধ্যে মোক্তার সবার বড়। বর্তমানে গণি স্কুলের সামনে এশিয়ান স্পোর্টস্, হাকিম প্লাজার দোতলায় এবং আউটার স্টেডিয়ামের সুপার মার্কেটের নিচতলায় টেন স্পোর্টস্ নামে ৩টি দোকান পরিচালনা করছেন। সুনামের ও সততার সাথে দীর্ঘ ১০ বছর ধরে চাঁদপুরের স্পোর্টস্ আইটেমের ব্যবসা করে আসছেন তিনি।

ক্রীড়াকণ্ঠের সাথে আলাপকালে তিনি শুরুতেই বলেন, দোকানে ভালো জিনিস বিক্রি করলে ক্রেতা আসবেই। আমার স্বপ্ন ছিলো জেলার মানুষদেরকে খেলাধুলার ভালো আইটেম দিয়ে সেবা করা, আল্লাহতায়ালা আমার সেই আশা পূরণ করেছে । তার সাথে আলাপকালের কিছু কথা তুলে ধরা হলো।

চাঁদপুর শহরের নুরিয়া স্কুলে অষ্টম শ্রেণীতে পড়াশোনা অবস্থায় পারিবারিক কারণে তিনি ঢাকায় চলে যান। ১৯৯৩ সালে তার মামা আরশাদ জমাদারের মাধ্যমে ঢাকায় বাংলাদেশ স্পোর্টসে চাকুরি নেন। সেখানে সুনামের সাথে সাড়ে ৬ বছর চাকুরি করার পর ঢাকা স্টেডিয়াম মার্কেটের আইডিয়েল স্পোর্টসে চাকুরি নেন । ওই দোকানে চাকুরি করা অবস্থায়ই তিনি চাঁদপুরে প্রথম গণি হাই স্কুলের সামনে এশিয়ান স্পোর্টস্ নামে দোকান দেন । দোকান দেয়ার মূল লক্ষ্যই ছিলো স্পোর্টস্ আইটেমে চাঁদপুরের মানুষদের স্বপ্ন পূরণ করা। তিনি বিয়ে করেছেন আনন্দবাজার এলাকায়। তার স্ত্রীর নাম আমেনা বেগম । তার ৩টি কন্যা সন্তান রয়েছেন। এর মধ্যে বড় মেয়ে তাহমিনা আহমেদ মিতু পড়াশোনা করছেন লেডী প্রতিমা মিত্র বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়ের অষ্টম শ্রেণীতে, ২য় মেয়ে তানজিলা আহমেদ মিম পড়াশোনা করছেন হাসান আলী সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের চতুর্থ শ্রেণীতে, আর ছোট মেয়ে তাবাসুম আহমেদ মাহি ৪ বছর বয়সী, মার সাথে রয়েছে।

তিনি আলাপকালে আরো বলেন, খেলাধুলার আইটেমের ব্যবসায় আমি নতুন আঙ্গিকের জিনিস গ্রাহকদের দিচ্ছি। আমাদের দোকানে ফুটবল, ক্রিকেটের সরঞ্জামাদি, ব্যাডমিন্টন, ট্রাউজার, জার্সি, পেন্ট, ক্রেস্ট, ট্রফি, জুতা, ব্যায়ামের রানিং মেশিনসহ অনেক জিনিসপত্র রয়েছে। চাঁদপুর শহরে প্রায় ১৫টি স্পোর্টসের দোকান রয়েছে। মানুষকে ভালো জিনিস সরবরাহ করায় আল্লাহ আমাকে ভালো রেখেছে । আমি দোকানে মাল বিক্রির ক্ষেত্রে কোয়ালিটিটা মেন্টেন করি বেশি। আমি যখন চাঁদপুরে নতুন দোকান দিয়েছি তখন দেখা গেছে প্রথম সপ্তাহে মাত্র ১শ' ৫০ টাকা বিক্রি করেছি। আর বর্তমানে তার থেকে অনেক ভালো বেচাকেনা হয়। জেলা পর্যায়ের যারা শুরু থেকে আমার দোকানের জিনিসপত্র কেনাকাটার সাথে ছিলেন এবং যারা খেলার সাথে জড়িত রয়েছেন বেচাবিক্রির ক্ষেত্রে তাদের জন্যে আমি অনেক সুযোগ-সুবিধা রেখেছি। জেলার মানুষ যেই সময় যেই খেলার জিনিসপত্র চায়, আমি তখনই সেই জিনিসপত্র কালেকশন করে দোকানে রাখি। তবে হয়তো বেশিদিন গণি স্কুলের সামনে থাকা হবে না। আমার চেষ্টা রয়েছে যে আমি যদি স্টেডিয়াম মার্কেট এলাকায় দোকান দিতে পারি তাহলে সেখানেই আমি নতুন করে আমার ব্যবসার জন্য আরো মালমাল উঠাবো। আমি যেন সততার সাথে মানুষকে স্পোর্টসের জিনিসপত্র দিতে পারি সকলের সাথে সু-সম্পর্ক ধরে রাখতে পারি, এ জন্য সকলের সহযোগিতা ও দোয়া প্রত্যাশা করি।

আজকের পাঠকসংখ্যা
১১৯৮২৩
পুরোন সংখ্যা