চাঁদপুর। মঙ্গলবার ১৩ ফেব্রুয়ারি ২০১৮। ১ ফাল্গুন ১৪২৪। ২৬ জমাদিউল আউয়াল ১৪৩৯
kzai
jibon dip

সর্বশেষ খবর :

  • চাঁদপুরে মাসুদ রানা হত্যা মামলায় ৫ জনের মৃত্যুদন্ড ,, জেলা বিএনপির সাবেক ভারপ্রাপ্ত সাধারণ সম্পাদক ও কেন্দ্রীয় নির্বাহী কমিটির সদস্য মো. শফিকুর রহমান ভুঁইয়া, জেলা বিএনপির যুগ্ম আহবায়ক কাজী গোলাম মোস্তফাকে আটক করেছে পুলিশ || বিক্ষোভ চলাকালে বিএনপি নেতা শফিকুর রহমান ভূঁইয়াসহ আটক ৫
হেরার আলো
বাণী চিরন্তন
আল-হাদিস

৩৫-সূরা ফাতির

৫৫ আয়াত, ৫ রুকু, মক্কী

পরম করুণাময় ও অসীম দয়ালু  আল্লাহর নামে শুরু করছি।

১১। এবং তাকে আমি বলেছিলাম, প্রশস্ত বর্ম তৈরি কর, কড়াসমূহ যথাযথভাবে সংযুক্ত কর এবং সৎকর্ম সম্পাদন কর। তোমরা যা কিছু কর, আমি তা দেখি।

১২। আর আমি সোলায়মানের অধীন করেছিলাম বায়ুকে, যা সকালে এক মাসের পথ এবং বিকালে এক মাসের পথ অতিক্রম করত। আমি তার জন্যে গলিত তামার এক ঝরণা প্রবাহিত করেছিলাম। কতক জি¦ন তার সামনে কাজ করত তার পালনকর্তার আদেশে। তাদের যে কেউ আমার আদেশ অমান্য করবে, আমি জ¦লন্ত অগ্নির শাস্তি আস্বাদন করাব।

দয়া করে এই অংশটুকু হেফাজত করুন


বাচুর না পানালে দুধ পেতে কোথায়?


-প্রবাদ।


যে সদর দরজা দিয়ে বেহেশতে যেতে চায়, সে তার পিতা-মাতাকে সন্তুষ্ট করুক।


ফটো গ্যালারি
আউটার স্টেডিয়ামে এরা কারা?
চৌধুরী ইয়াসিন ইকরাম
১৩ ফেব্রুয়ারি, ২০১৮ ০০:০০:০০
প্রিন্টঅ-অ+

চাঁদপুর স্টেডিয়ামে যে সমস্ত খেলোয়াড় ফুটবল ও ক্রিকেট খেলায় অংশ নেন, তাদের অনেকেই নিজ দলের হয়ে কিংবা নিজের খেলাটা ধরে রাখার জন্যে অনুশীলন করেন আউটার স্টেডিয়ামে। বিশেষ করে উদীয়মান খেলোয়াড়রাই সেখানে সকালের কিছু সময় এবং দুপুরের পর থেকে শুরু করে সন্ধ্যা পর্যন্ত অনুশীলন করে যাচ্ছেন। কিন্তু গত ক'মাস ধরে এ সমস্ত খেলোয়াড় যেনো ঠিকমতো অনুশীলন করতে যাচ্ছেন না। খোঁজ নিয়ে জানা যায়, আউটার স্টেডিয়ামে ঢোকার সময়ে ক'টি ক্লাবের রুমে নাকি জেলা ও জেলা শহরের বাইরের বিভিন্ন বসয়ী জুয়াড়িরা সকাল থেকে শুরু করেন তাদের ইনডোর গেমস্। বিভিন্ন পেশা-শ্রেণীর জুয়াড়িদের কারণে এখন আউটার স্টেডিয়ামে গেলে খেলোয়াড়দের ঘিরে থাকার সেই পরিবেশ দেখা যায় না। খেলোয়াড়রা ইনডোর গেমসে অংশগ্রহণকারী বিভিন্ন এলাকার জুয়াড়িদের কারণে চিন্তা করছেন, তারা কি আউটার স্টেডিয়ামে অনুশীলন করবেন নাকি খেলাধুলা ছেড়ে দিয়ে ইনডোর গেমসে অংশ নিবেন। খোঁজখবর নিতে গেলে ভাড়া নেয়া ব্যক্তিটিও বিভিন্নভাবে হুমকি প্রদান করেন। বলতে থাকেন, আমি ভাড়া নিয়া খেলা চালাই, লিখে কোনো লাভ হবে না। আরো বলতে থাকে, তুমি কি জানো না এটা কাদের ক্লাব?

নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক ক'জন খেলোয়াড় জানান, এখানে যারা ইনডোর গেমস্ খেলতে আসে তাদেরকে আমরা এই শহরে ঠিকমতো দেখি না। প্রতিদিনই তারা দল বেঁধে আবার কখনো একা একা এসে দরজা ফাঁক করে রুমের ভেতরে ঢুকে যায়। একই সাথে কয়েকটি খেলার ক্লাবঘর রয়েছে। ওই খেলোয়াড়রা আরো জানায়, যে সমস্ত ক্লাবে খেলা হচ্ছে সেই ক্লাবগুলোর মূল কর্মকর্তারা যেনো অনেকটা ধরা-ছোঁয়ার বাইরে। ক্লাবগুলোকে প্রভাবশালী কয়েকজন ব্যক্তি ক্লাবের কর্মকর্তাদের কাছ থেকে ভাড়া নিয়ে দিন-রাত ইনডোরের এ আসরটি চালিয়ে আসছে। যারা এ জুয়ার আয়োজন করছে তারা ওই ক্লাবগুলোর কর্মকর্তাদের মাসিক কিংবা নামমাত্র সাপ্তাহিক টাকা দিয়ে আসছেন। ভাড়া নেয়া কর্তা ব্যক্তিটি এমনভাবে দুটি রুমে খেলা চালান যে, দুটি রুমের বা ক্লাবের মাঝামাঝিতে দেয়াল ভেঙ্গে ফাঁক করে দিয়েছেন। যাতে মানুষ না বুঝতে পারে। সামনে দিয়ে তালা আর ভেতর দিয়ে সকাল থেকে মধ্যরাত পর্যন্ত চলে এ ইনডোর গেমস্।

এলাকাবাসী জানান, চাঁদপুর আউটার স্টেডিয়াম এলাকাটি একসময় মাদকসেবীদের জন্যে ছিলো নিরাপদ স্থান। চাঁদপুরে মহিলা এসপি আসার পর থেকে সেই নিরাপদ স্থানে এখন আর তেমন মাদকসেবীদের আড্ডা দেখা যায় না। আউটার স্টেডিয়ামে বিশেষ করে সকালে ও বিকেলে শহরের অনেক বয়স্ক-পুরুষ ও মহিলা ব্যায়াম করতে আসেন। আবার এখানে দেখা যেতো যে, দুপুর গড়িয়ে গেলে বিভিন্ন স্কুল ও কলেজ পড়ুয়া শিক্ষার্থীরা খেলাধুলার জন্যে চলে আসছে। কিন্তু গত ক'মাস ধরে আউটার স্টেডিয়ামে ঢুকতেই কয়েকটি ক্লাবে সকাল থেকে বিকেল পর্যন্ত বিভিন্ন বয়সী লোকজনকে দেখা যায়। এরা কখনো পেন্ট-পাঞ্জাবী ও লুঙ্গি পরে চলে আসে খেলার জন্যে। প্রতিটি ক্লাবঘরে গেলেই দেখা যাবে যে, জুয়াড়িদের খেলার জন্যে টেবিল-চেয়ার বসানো রয়েছে। এ ধরনের পরিস্থিতির বিষয়ে যদি খেলাপ্রিয় জেলা ক্রীড়া সংস্থার সভাপতি জেলা প্রশাসক মোঃ আবদুস সবুর মন্ডল এবং সকলের প্রিয়জন জেলা ক্রীড়া সংস্থার সহ-সভাপতি ও চাঁদপুরের পুলিশ সুপার আপা শামসুন্নাহার খেয়াল করতেন তাহলে জেলা ও উপজেলা থেকে পেশাদার জুয়াড়িরা ইনডোর গেমস্ খেলার জন্যে আসতো না। আগের চেয়ে আউটার স্টেডিয়ামের পরিবেশটা অনেকটা ভালো থাকতো।

স্থানীয় এলাকাবাসীর দাবি, যে সমস্ত ক্লাব ইনডোর গেমসের আয়োজন করছে সেই ক্লাবগুলোতে যদি ওই ক্লাবগুলোর কর্মকর্তারা আসতেন তাহলে আর অন্য মানুষ (যারা এখন ইনডোর গেমসের আয়োজক ও অংশগ্রহণকারী) এ ধরনের অপরাধ করার সুযোগ পেতেন না। ক'জন লোকের পকেট ভারী করার কারণে আগামীতে আমাদের উঠতি বয়সী ছেলেদেরকে কন্ট্রোল করতে খুব কষ্ট হবে।

আজকের পাঠকসংখ্যা
৫৩০৪৯৩
পুরোন সংখ্যা