চাঁদপুর। মঙ্গলবার ৬ নভেম্বর ২০১৮। ২২ কার্তিক ১৪২৫। ২৬ সফর ১৪৪০
redcricent
jibon dip

সর্বশেষ খবর :

  • --
হেরার আলো
বাণী চিরন্তন
আল-হাদিস

৪৩-সূরা যূখরুফ


৮৯ আয়াত, ৭ রুকু, মক্কী


পরম করুণাময় ও অসীম দয়ালু আল্লাহর নামে শুরু করছি।


 


৪৭। সে উহাদের নিকট আমার নিদর্শনসহ আসিবামাত্র উহারা তাহা লইয়া হাসি-ঠাট্টা করিতে লাগিল।


৪৮। আমি উহাদিগকে এমন কোন নিদর্শন দেখাই নাই যাহা উহার অনুরূপ নিদর্শন অপেক্ষা শ্রেষ্ঠ নহে। আমি উহাদিগকে শাস্তি দিলাম যাহাতে উহারা প্রত্যাবর্তন করে।


দয়া করে এই অংশটুকু হেফাজত করুন


 


 


যে স্ত্রীর কাছ থেকে যৌতুক গ্রহণ করে, সে স্ত্রীর নিকট বিক্রি হয়ে যায়। -ডগলাস ডেরাল্ড।


 


 


 


 


যে শিক্ষা গ্রহণ করে তার মৃত্যু নেই।


 


 


 


ফটো গ্যালারি
ফরিদগঞ্জে ক্রমেই বাড়ছে নাইট মিনি ক্রিকেট টুর্নামেন্টের জনপ্রিয়তা
রাসেল হাসান
০৬ নভেম্বর, ২০১৮ ০০:০০:০০
প্রিন্টঅ-অ+


দিনের আলোয় ক্রীড়া আসরগুলোর আয়োজন বেশ পুরানো। প্রতিনিয়তই খেলাকে বিনোদনের মাধ্যম হিসেবে ব্যবহারের জন্যে যুক্ত হচ্ছে নতুন নতুন সংস্করণ। ৫০ ওভারের খেলার জনপ্রিয়তার স্থান দখল করে নিয়েছে ২০ ওভারের টি-টুয়েন্টি ক্রিকেট আসর। ডে ম্যাচগুলো এখন গড়াচ্ছে ডে-নাইট ম্যাচে। অঞ্চলভিত্তিক খেলোয়াড় সৃষ্টির লক্ষ্যে আয়োজন বিপিএলের মতো হচ্ছে প্রিমিয়ার লীগগুলো। সেই ধারাবাহিকতায় পিছিয়ে নেই ফরিদগঞ্জের ক্রিকেটপ্রেমীরাও। খেলাকে বিনোদনের অন্যতম হাতিয়ার হিসেবে প্রজন্মের মাঝে ছড়িয়ে দিতে কৃত্রিম আলোয় আয়োজিত হচ্ছে 'নাইট মিনি ক্রিকেট টুর্নামেন্টের' মত ক্রীড়া ইভেন্টগুলো।



গত প্রায় তিন বছর ধরে ফরিদগঞ্জের বিভিন্ন অঞ্চলে ক্রমান্বয়ে আয়োজিত হচ্ছে স্বল্প ওভারের নাইট মিনি ক্রিকেট টুর্নামেন্ট। আলোনিয়া, কড়ৈতলী, ধানুয়া, নয়াহাটের মত ইউনিয়ন ভিত্তিক অঞ্চলে আয়োজন হয়েছে একাধিক রাত্রিকালীন ক্রিকেট আসর। ফরিদগঞ্জ পৌরসভার ভাটিয়ালপুর, ভাটিরগাঁও, কেরোয়া ও ফরিদগঞ্জ সদরস্থ কাছিয়াড়া গ্রামে আয়োজিত রাত্রিকালীন ক্রিকেট আসরগুলোতে দর্শকদের উপচে পড়া ভিড় জানান দেয় তারা কতটা ভালোবাসে ক্রিকেটকে। বিশেষ করে ফরিদগঞ্জ এ. আর. পাইলট মডেল উচ্চ বিদ্যালয় মাঠে ফরিদগঞ্জ স্পোর্টস ক্লাবের আয়োজনে তিনটি মিনি ক্রিকেট টুর্নামেন্ট সাড়া ফেলেছে পুরো উপজেলায়। অনেকেই এটিকে অবহিত করছেন ক্রিকেটের নতুন সংস্করণ হিসেবে। এই খেলাটিতে তারাই ভালো করতে পারে যারা ব্যাট হাতে ধৈর্যের সাথে সার্বক্ষণিক নিজেকে নিয়ন্ত্রণে রাখতে পারেন। প্রতি ম্যাচে ১১ জন করে খেলেলেও ৪ রানই এ খেলার সর্বোচ্চ রান সীমা। বল উড়িয়ে বাউন্ডারির বাইরে নিতে পারলে ক্রিকেটিয় ভাষায় ছক্কা নামে অভিহিত হলেও মিনি ক্রিকেট টুর্নামেন্ট আইনে তা আউট বলে গণ্য হয়। গতি সম্পন্ন বল করা বোলাররা মোটেই সুবিধা করতে পারেন না এ ধরনের টুর্নামেন্টে। আইসিসি ক্রিকেট আইনে বল করার সময় হাত ভাঙ্গলে নো বল দেখলেও এ খেলায় উল্টো হাত ঘুরালে নো বল দেখতে হয় বোলারকে। কোনো কোনো টুর্নামেন্টে নো বলের জন্যেও রয়েছে পৃথক আইন। এক ওভারে বোলার তিনিটি নো বল করলে তা একটি বাউন্ডারির রান অর্থাৎ ৪ রানের সমান রান জরিমানায় পড়তে হয় বোলারকে। কোথাও বুকের মধ্য খান থেকে বল করতে হয় আবার কোথাও সর্বোচ্চ কানের সামনে থেকে বল করতে হয় বোলারকে। এমন কঠিন নিয়ম থাকলেও এ খেলাটি ক্রমেই জনপ্রিয় হয়ে উঠছে ফরিদগঞ্জ ক্রীড়াপ্রেমীদের কাছে। বিশেষ করে তা যদি রাত্রে হয় তবে তো তার প্রতি আকর্ষণ বেড়ে যায় আরও কয়েকগুণ।



গত বছর ঈদুল আজহা উপলক্ষে ফরিদগঞ্জ স্পোর্টস্ ক্লাব আয়োজন করে 'ঈদুল আযহা নাইট মিনি ক্রিকেট টুর্নামেন্ট'। টুর্নামেন্টটিতে মোট অংশ নেয় ৬টি দল। লীগ ভিত্তিক এ টুর্নামেন্টে চ্যাম্পিয়ন হয় বাপ্পি-আল হাসানের নেতৃত্বাধীন এ. আর. নাইট রাইডার্স নামক দলটি। রানার্স আপ হয় টাইগার সোহেলের নেতৃত্বাধীন গাজী থান্ডার বোল্ড নামক দলটি। টুর্নামেন্টে ম্যান অব দ্যা সিরিজ নির্বাচিত হয় এ. আর. নাইট রাইডার্স-এর আল-আমিন বাপ্পি। উদীয়মান খেলোয়াড় নির্বাচিত হয় অষ্টম শ্রেণির শিক্ষার্থী আহাম্মেদ পিয়াম।



এ বছর ঈদুল আজহা উপলক্ষে একই মাঠে বৈকালিক মিনি টুর্নামেন্ট আয়োজন হলেও ২০ অক্টোবর একই মাঠে শুরু হয় এ. হাবীব নাইট মিনি ক্রিকেট টুর্নামেন্ট। এবারের টুর্নামেন্টেও অংশ নেয় ৬টি দল। প্রতিট দলে ১২ জন করে মোট ৭২ জন খেলোয়াড় অংশ নেয় টুর্নামেন্টে। অংশগ্রহণকৃত দলগুলোর নাম ছিলো আহসান হাবীবের কলাবাগান গ্ল্যাডিয়েটরস, আকাশ আহমেদ শুকুর সেবা ক্রিকেট ভিক্টোরিয়ান্স, রনি হাসানের ভাটিরগাঁও ভাইকিংস, আনোয়ার হোসেন সজিবের গাব্দেরগাঁও রাইডার্স, সজিব হোসেন সজিবের চরপাড়া সুপার স্টার এবং ইঞ্জিনিয়ার আল-আমিনের বিএস একাদশ। ফাইনালে ক্রিকেটার রনি হাসানের নেতৃত্বাধীন ভাটিরগাঁও ভিক্টোরিয়ান্সকে হারিয়ে চ্যাম্পিয়ন হয় ক্রিকেটার সজিব হোসেন সজিবের নেতৃত্বাধীন চরপাড়া সুপার স্টার নামক দলটি। পুরো টুর্নামেন্টে সেরা খেলোয়াড় নির্বাচিত হয় আহাম্মেদ ইপ্তি এবং ইমাজিন খেলোয়াড় নির্বাচিত হয় আহাম্মেদ পিয়াম। টুর্নামেন্টেটি সামগ্রিক পরিচালনা করেন ফরিদগঞ্জ স্পোর্টস্ ক্লাবের মহাপরিচালক জিয়াউর রহমান জিয়ার নেতৃত্বে ক্লাবের ১১ সদস্য বিশিষ্ট পরিচালনা পর্ষদ। টুর্নামেন্টের পৃষ্ঠপোষকতা করেন এ. হাবীব ট্রেড ইন্টারন্যাশনালের স্বত্বাধকিারী আহসান হাবীব।



বিপুল উৎসাহ ও উদ্দীপনার মধ্য দিয়ে টুর্নামেন্টটি শেষ হলেও দর্শকদের প্রত্যাশা রয়েই গেছে আগামীতেও রাত্রিকালীন এমন আয়োজন দেখার। সারাদিন ব্যস্ত সময় যারা পার করেন এমন ক্রীড়াপ্রেমীরা কৃত্রিম আলোয় ক্রিকেটের এ আয়োজন টিকিয়ে রাখার আহ্বান জানান। যদিও ফরিদগঞ্জ স্পোর্টস্ ক্লাবের বরাত দিয়ে ক্লাবের পরিচালক (সার্বিক) আহসান হাবীব বলেছেন, মাদক, জঙ্গিবাদ ও সামাজিক অবক্ষয় থেকে তরুণ সমাজকে বাঁচাতে এবং দূরে রাখতে আগামীতেও এ ধরনের টুর্নামেন্ট আয়োজন হবে।



 



 


আজকের পাঠকসংখ্যা
৪৯৫৫৮০
পুরোন সংখ্যা