চাঁদপুর, মঙ্গলবার ৩০ জুলাই ২০১৯, ১৫ শ্রাবণ ১৪২৬, ২৬ জিলকদ ১৪৪০
jibon dip

সর্বশেষ খবর :

  • চাঁদপুরে স্কুল শিক্ষিকা জয়ন্তীর চাঞ্চল্যকর হত্যার রহস্য উদঘাটন * হত্যাকারী ডিস ব্যবসায়ী লাইনম্যান জামাল ও আনিসুর রহমান আটক
হেরার আলো
বাণী চিরন্তন
আল-হাদিস

৫৪-সূরা কামার


৬২ আয়াত, ৩ রুকু, মক্কী


পরম করুণাময় ও অসীম দয়ালু আল্লাহর নামে শুরু করছি।


১। কিয়ামত নিকটবর্তী হইয়াছে, আর চন্দ্র বিদীর্ণ হইয়াছে,


২। উহারা কোন নিদর্শন দেখিলে মুখ ফিরাইয়া লয় এবং বলে, 'ইহা তো চিরাচরিত জাদু।'


৩। উহারা সত্য প্রত্যাখ্যান করে এবং নিজ খেয়াল-খুশির অনুসরণ করে, আর প্রত্যেক ব্যাপারই লক্ষ্যে পেঁৗছাবে।


 


 


দুপুরের খাবারের পর বিশ্রাম নাও এবং রাত্রে খাবারের পর হাঁটো।


-জনরে।


 


 


নফস্কে দমন করাই সর্বপ্রথম জেহাদ।


 


 


 


ফটো গ্যালারি
এটি কি বাস্কেটবল মাঠ?
৩০ জুলাই, ২০১৯ ০০:০০:০০
প্রিন্টঅ-অ+


বৃহত্তর কুমিল্লা জেলার মধ্যে এ বাস্কেটবল মাঠটি ছিলো অতি পরিচিত। এ মাঠে এক সময় খেলেছেন দেশসেরা অনেক বাস্কেটবল খেলোয়াড়ই। সারা দেশে যখন বাস্কেটবলের জোয়ার ছিলো তখন চাঁদপুর জেলার অনেক বাস্কেটবল খেলোয়াড়ই বিভিন্ন জেলার হয়ে খেলতেন। আর এ বাস্কেটবল মাঠটির অবস্থান হলো চাঁদপুর সরকারি কলেজ মাঠের পশ্চিম-উত্তর কোণে। এ মাঠটিতে আগে নিয়মিত বাস্কেটবল খেলা সহ বাস্কেটবলের অনুশীলন চলতো। এ মাঠে অনুশীলনরত অনেক বাস্কেটার সারা দেশে সুনামও ছড়িয়েছেন। সেই বাস্কেটবল মাঠটি এখন এমন অবস্থায় পড়ে রয়েছে যে, কেউ যদি হঠাৎ চাঁদপুর সরকারি কলেজের রাজু ভবনের দিকে রওয়ানা করে তাহলে দেখতে পাবে মাঠের মাঝখানে ছোট একটি চৌবাচ্চা বুঝি রয়েছে। এমনিতেই কলেজের আগে যে মাঠটি ছিলো এটি এখন অনেক ছোট হয়ে এসেছে। আগে বিভিন্ন স্থানে বাস্কেটবল খেলার আয়োজন করা হলে সেখানে চাঁদপুর কলেজের বাস্কেটবল দল রাখা হতো। আবার জেলা শহরের বিভিন্ন দলে খেলোয়াড়দেরকে জিজ্ঞাসা করলে তারা বলতো, আমরা চাঁদপুর সরকারি কলেজের ছাত্র এবং কলেজের বাস্কেটবল মাঠেই অনুশীলন করি। অথচ এখন আর অনুশীলন হয় না কলেজের বাস্কেটবল দলের, আর জেলার বাইরে কোনো টুর্নামেন্ট কিংবা আন্তঃ কলেজ বাস্কেটবল প্রতিযোগিতায়ও অংশ নেয় না।



বর্তমানে কলেজ পড়ুয়া শিক্ষার্থীদের দাবি, এ মাঠটিকে খেলার উপযোগী সহ নিয়মিত কলেজের ক্রীড়া শিক্ষকের মাধমে বাস্কেটবলের অনুশীলন শুরু করা হোক। আর নয়তো এ জেলার ইতিহাস থেকে এ খেলা এবং ঐতিহ্যবাহী এ খেলার মাঠটি হারিয়ে যাবে। ছবি ও প্রতিবেদন : চৌধুরী ইয়াসিন ইকরাম।



 



 



 



 



 


আজকের পাঠকসংখ্যা
৬৪৫৩০৬
পুরোন সংখ্যা