চাঁদপুর, বুধবার ৪ সেপ্টেম্বর ২০১৯, ২০ ভাদ্র ১৪২৬, ৪ মহররম ১৪৪১
jibon dip

সর্বশেষ খবর :

  • -
হেরার আলো
বাণী চিরন্তন
আল-হাদিস

৫৮-সূরা মুজাদালা


২২ আয়াত, ৩ রুকু, মাদানী


পরম করুণাময় ও অসীম দয়ালু আল্লাহর নামে শুরু করছি।


০৪। কিন্তু যাহার এ সামর্থ্য থাকিবে না, একে অপরকে স্পর্শ করিবার পূর্বে তাহাকে একাদিক্রমে দুই মাস সিয়াম পালন করিতে হইবে; যে তাহাতেও অসমর্থ, সে ষাটজন অভাবগ্রস্তকে খাওয়াইবে; ইহা এইজন্য যে, তোমরা যেনো আল্লাহর ও তাহার রাসূলে বিশ্বাস স্থাপন করো। এইগুলি আল্লাহর নির্ধারিত বিধান; কাফিরদের জন্য রহিয়াছে মর্মন্তুদ শাস্তি।


 


 


 


assets/data_files/web

খাদ্য খাওয়া ও খাওয়ানোর চেয়ে খাদ্য উৎপাদনই মহত্তর কাজ।


-তাবিব।


 


 


যার দ্বারা মানবতা উপকৃত হয়, মানুষের মধ্যে তিনি উত্তম পুরুষ।


 


 


 


 


ফটো গ্যালারি
শিক্ষার্থীরা মাঠে ঠিকমতো খেলাধুলা করতে পারছে না
চাঁদপুর পৌরপার্কের মাঠটি আবার ট্রাক ও পিকআপের দখলে
চৌধুরী ইয়াসিন ইকরাম
০৪ সেপ্টেম্বর, ২০১৯ ০০:০০:০০
প্রিন্টঅ-অ+


চাঁদপুর পৌরপার্কের মাঠটি চাঁদপুর শহরের প্রাণকেন্দ্রেই অবস্থিত। এ মাঠটিকে জেলাবাসীসহ সকলেই জানে পৌর ঈদগাহ হিসেবে। এ মাঠটির তত্ত্বাবধানে রয়েছে চাঁদপুর পৌরসভা কর্তৃপক্ষ। কিন্তু এ মাঠটির বতর্মান চিত্র দেখলে বোঝাই যাবে না যে এটি কোনো ঈদগাহ কিংবা খেলার মাঠ। এর আগে চাঁদপুর কণ্ঠে স্থিরচিত্র উঠার পর পৌর কর্তৃপক্ষ মাঠটির সামনের গেটের দুটি অংশে খুঁটি স্থাপন করে দেয়ার কারণে বেশ কিছুদিন এই মাঠটিতে কোনো ট্রাক, পিকআপ ঢুকতে পারেনি। তখন শহরের বিভিন্ন এলাকায় বসবাসকারী শিশু ও উঠতি বয়সী শিক্ষার্থীরা সকাল ও বিকেলে খেলাধুলা করতো।



পবিত্র ঈদুল আযহার নামাজের কারণে মাঠটির গেইটের খুঁটিগুলো উঠানো হয় ট্রাকভর্তি বালু ঢোকার জন্যে। ঈদের নামাজের জন্যে মাঠের ভেতরের গর্তগুলো পূরণ করা হয় সেই বালু দিয়ে। কিন্তু এরপরই গত কয়েকদিন ধরে ভোর না হতেই আবারো মালিক-চালকরা মাঠের ভেতর গাড়ি রেখে দিচ্ছেন এবং মাঠের মাঝখানেই মালামাল ওঠানামা করছেন। সরজমিনে গেলে দেখা যাবে যে, সকাল না হতেই যেনো পৌর পার্কের এ মাঠটি ট্রাক আর পিকআপ স্ট্যান্ড হিসেবে ব্যবহার করা হচ্ছে।



চাঁদপুর শহরের হাসান আলী, আল-আমিন একাডেমীসহ কয়েকটি বিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীরা ফুটবল ও ক্রিকেট খেলতে এসেছিলো রোববার সকালে। তারা এসে দেখে মাঠ নয় যেনো ট্রাক-পিকআপের স্ট্যান্ড হিসেবে দেখা যাচ্ছে। একই চিত্র ওইদিন বিকেলে বেলা গিয়েও দেখা যায়। এছাড়া সম্প্রতি পালবাজার এলাকা থেকে চৌধুরী মসজিদ পর্যন্ত জনৈক ঠিকাদার কাজ করছেন। সেই রাস্তার কিছু বর্জ্যও মাঠের মধ্যে রাখা হয়েছে। শিক্ষার্থীরা এ প্রতিবেদককে জানান যে, এই মাঠটি তো পৌরসভার। অথচ পৌর কর্তৃপক্ষের সংশ্লিষ্টদের গাফলতির কারণেই কিছু চালক-মালিক সকল কিছু অমান্য করে মাঠটিতে গাড়ি রাখছেন।



চৌধুরীঘাট এলাকার ও পালবাজার এলাকার কিছু ব্যবসায়ীর সাথে আলাপকালে তারা জানান, যারা এখানে গাড়ি রাখেন তারা অনেক প্রভাবশালী। এছাড়া ওই গাড়ি ব্যবসায়ীদের একটি অংশ হয়তো চাঁদপুর পৌরসভার কোনো কর্মকর্তা কিংবা কর্মচারীকে সাপ্তাহিক টাকা দিয়ে থাকেন, ফলে তারা কিছু বলছেন না।



স্থানীয় এলাকাবাসী ও শিক্ষার্থীদের দাবি, পৌরসভার যারা দায়িত্বে রয়েছেন তারা যদি এ বিষয়ে নজর দিতেন তাহলে কোনো ট্রাক-পিকআপ ব্যবসায়ীই এখানে ট্রাক-পিকআপ রেখে মালামাল ওঠানামা করতে পারতেন না। আর খেলার মাঠটিতে বিভিন্ন বয়সী খেলোয়াড়রা খেলাধুলা করতে পারতেন। এ বিষয়ে পৌর কর্তৃপক্ষ নজর দিবেন বলে পৌরবাসী আশা করছেন।



 



 


আজকের পাঠকসংখ্যা
১০২৩০৬৯
পুরোন সংখ্যা