চাঁদপুর, মঙ্গলবার ১১ ফেব্রুয়ারি ২০২০, ২৮ মাঘ ১৪২৬, ১৬ জমাদিউস সানি ১৪৪১
jibon dip

সর্বশেষ খবর :

  • -
হেরার আলো
বাণী চিরন্তন
আল-হাদিস

৬৩-সূরা মুনাফিকূন


১১ আয়াত, ২ রুকু, মাদানী


পরম করুণাময় ও অসীম দয়ালু আল্লাহর নামে শুরু করছি।


১১। কিন্তু যখন কাহারও নির্ধারিত কাল উপস্থিত হইবে, তখন আল্লাহ তাহাকে কিছুতেই অবকাশ দিবেন না। তোমরা যাহা কর আল্লাহ সে সম্বন্ধে সবিশেষ অবহিত।


 


আমার মনে হয়, একমাত্র দেশকেই অন্ধের মতো ভালোবাসা যায়।


-বস্নাউডিন।


 


 


শক্তিসম্পন্ন ও কর্মে সক্ষম হয়েও যে নিজের জন্যে পরিশ্রম বা অপরের জন্য কোনো কার্য সম্পাদন করে না, আল্লাহ তার উপর প্রসন্ন নহেন।


ফটো গ্যালারি
ক্রীড়াকণ্ঠের সাথে চাঁদপুর জেলা দলের সাবেক ফুটবলার ওয়াহিদুর রহমান লাবু
বিদ্যালয় ও ম্যানেজিং কমিটি চাইলে শিক্ষার্থীদের নিয়ে ভালো ফুটবল দল তৈরি করতে পারবো
চৌধুরী ইয়াসিন ইকরাম
১১ ফেব্রুয়ারি, ২০২০ ০০:০০:০০
প্রিন্টঅ-অ+


বাসার পাশেই খেলার জন্যে বড় একটি মাঠ ছিলো। আর সেই কারণেই প্রাইমারী স্কুলে পড়া অবস্থায়ই পাড়ার ছেলেদের সাথে খালি পায়ে ফুটবল খেলা শুরু করেন। ওই সময়ে চাঁদপুরের বিভিন্ন উপজেলা সহ শহরের বিভিন্ন এলাকাতে ৪ ফুট ৫ ইঞ্চি ফুটবলারদের নিয়ে খেলা হতো। হাইস্কুলে পড়া অবস্থায় আন্তঃ স্কুলের হয়ে বেশ ক'টি প্রতিযোগিতায়ও অংশ নিয়েছেন। কলেজে পড়া অবস্থায় শুরু হয় তার জেলা ফুটবল দল সহ ঢাকার বিভিন্ন ক্লাবে নিয়মিত একাদশের হয়ে মাঠে নামা। যখনই যে মাঠে খেলেছেন তখনই পুরো মাঠ জুড়ে খেলে দর্শকদের মন জয় করার চেষ্টা করেছেন। তিনি খেলতেন মধ্যমাঠের খেলোয়াড় হিসেবে। নিজ এলাকার ক্লাবের হয়ে ঢাকা সহ বিভাগীয় পর্যায়ে বিভিন্ন জেলাতে নিয়মিত একাদশে খেলেছেন। চাঁদপুর জেলা দলের হয়ে সর্বশেষ ম্যাচটিও খেলেছেন ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলা ফুটবল দলের সাথে। আর তিনি হলেন চাঁদপুর জেলা ও উপজেলার ক্রীড়ামোদী দর্শক ও ক্রীড়া সংগঠনের কাছে এক নামে পরিচিত লাবু। পুরো নাম মোঃ ওয়াহিদুর রহমান লাবু। তার বাবার নাম মরহুম সিদ্দিকুর রহমান। ৫ ভাই ও ৪ বোনের মধ্যে তিনি অষ্টম। খেলোয়াড়ী জীবনের মাঝে ২০০৫ সালের ১৮ নভেম্বর বিয়ের পিঁড়িতে বসেন। তার স্ত্রীর নাম রাশিদা আক্তার। তার ২ মেয়ের মধ্যে বড় মেয়ে লাবিবা আক্তার পড়াশোনা করছেন চাঁদপুর শহরের মাতৃপীঠ সরকারি বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়ের সপ্তম শ্রেণীতে দিবা শাখায়। ছোট মেয়ে লামিসা আফরোজের বয়স ৫ বছর। তার বাবার বাড়ি তরপুরচ-ী গাজী বাড়ি হলেও কয়েক যুগ ধরেই তার পুরো পরিবার বসবাস করছে চাঁদপুর শহরের নাজিরপাড়া এলাকায়। তিনি জেলা ক্রীড়া সংস্থার অন্তর্ভুক্ত নাজিরপাড়া ক্রীড়া চক্রের সহকারী ক্রীড়া সম্পাদকের দায়িত্ব পালন করছেন অনেক দিন ধরেই। ২০০৩ সাল থেকে তার চাকুরি জীবন শুরু হয়। বর্তমানে তিনি চাঁদপুরের ঐতিহ্যবাহী বিদ্যাপীঠ পুরাণবাজার মধুসূদন উচ্চ বিদ্যালয়ের ক্রীড়া শিক্ষকের দায়িত্ব পালন করে যাচ্ছেন অত্যন্ত সুনামের সাথে। তার প্রাইমারী জীবন শুরু হয় শহরের হাসান আলী সরকারি মডেল প্রাথমিক বিদ্যালয়ের মাধ্যমে। ৬ষ্ঠ থেকে দশম শ্রেণি পর্যন্ত পড়াশোনা করেন শহরের ডিএন উচ্চ বিদ্যালয়ে। এরপর ভর্তি হন চাঁদপুর সরকারি কলেজে। এই কলেজ থেকে মাস্টার্স শেষ করেন। আর এক বছর ঢাকার মোহাম্মদপুর শারীরিক শিক্ষা কেন্দ্রে বিপিএড প্রশিক্ষণ নেন। চাঁদপুর সোনালী অতীত ক্লাবের সদস্য হিসেবে তিনি দায়িত্ব পালন করছেন। তিনি প্রায় ২৯ বছর ধরে চাঁদপুর জেলা দলের ফুটবলার হিসেবে রাজধানী ঢাকা ও বন্দর নগরী চট্টগ্রাম সহ দেশের বিভিন্ন জেলার বিভিন্ন মাঠে খেলেছেন। তিনি শনিবার শেষ ম্যাচটি খেলতে নামেন চাঁদপুর স্টেডিয়ামে। সেখান থেকেই তিনি আর জেলা দলের হয়ে মাঠে নামবে না বলে ঘোষণা দিলে তখন তার সাথের খেলোয়াড় ও জেলা ক্রীড়া সংস্থার কর্মকর্তাগণ তাকে ফুলেল শুভেচ্ছার মাধ্যমে বিদায় জানান। এ সময় উপস্থিত ছিলেন জেলা ক্রীড়া সংস্থার সাধারণ সম্পাদক গোলাম মোস্তফা বাবু, জেলা ফুটবল অ্যাসোসিয়েশনের সভাপতি রোটারিয়ান মোহাম্মদ আলী জিন্নাহ, জেলা ক্রীড়া সংস্থার ফুটবল উপ-কমিটির সম্পাদক শাহির পাটওয়ারী, ফুটবল কোচ ইউছুফ বকাউল, মহসিন পাটওয়ারী, ক্রীড়া সংগঠক ও কাতার প্রবাসী মনির হোসেন সহ স্থানীয় ফুটবলার ও গণমাধ্যমকর্মীগণ। বিদায় শেষে চাঁদপুর কণ্ঠের ক্রীড়া প্রতিবেদকের সাথে তার খেলোয়াড়ী জীবনের বিভিন্ন বিষয় জানতে চাইলে তিনি তুলে ধরেন সিলেটে অনুষ্ঠিত মা-মনি গোল্ডকাপ ফুটবল টুর্নামেন্ট দিয়ে তার জেলা দলের যাত্রা এবং জেলা দলের হয়ে নিজ মাঠেই ব্রাহ্মণবাড়িয়ার সাথে বিদায় ম্যাচ পর্যন্ত তার খেলোয়াড়ী জীবনের কথা। ক্রীড়ামোদী পাঠকদের জন্যে তা তুলে ধরা হলো :-



ক্রীড়াকণ্ঠ : আস্সালামুআলাইকুম, কেমন আছেন?



ওয়াহিদুর রহমান লাবু : জ্বি ওয়ালাইকুম আস্সালাম। জ্বি ভালো আছি। তবে এখন একটু খারাপ লাগছে যে, দীর্ঘদিনের খেলোয়াড়দের থেকে এবং মাঠ থেকে বিদায় নিতে হচ্ছে। বয়সের সাথে সাথে আসলে সকল কিছুরই পরিবর্তন হয়। তেমনি আমার বেলায়ও হলো। তাছাড়া একটি স্কুলে দায়িত্বপালন করতে গিয়ে মাঠে ঠিকমত আসা যায় না। তারপরও সকলের দোয়া চাই যেনো বাকি সময়টুকু ঘরোয়া টুর্নামেন্টে খেলার সুযোগ পাই। এ সুযোগ পেলে খেলবো, আর না হলে সবার মাঝে লাবু হিসেবেই থাকতে চাই।



ক্রীড়াকণ্ঠ : খেলাধুলা শুরু হয় আপনার কখন থেকে, জেলা দলের হয়ে কখন থেকে খেলা শুরু করেন?



ওয়াহিদুর রহমান লাবু : আমি প্রাইমারী ও হাইস্কুলে পড়া অবস্থায় স্থানীয়দের সাথে ফুটবলসহ অন্য খেলাধুলায় জড়িয়ে পড়ি। বাসার পাশেই তো কলেজ মাঠ আর একটু দূর হেঁটে গেলেই তো চাঁদপুর স্টেডিয়াম। আমি হাইস্কুলে পড়া অবস্থায়ই আন্তঃস্কুলের হয়ে খেলায় অংশ নেই। চাঁদপুর সরকারি কলেজে পড়া অবস্থায় ১৯৯২ সালে সিলেটে মা ও মনি গোল্ডকাপ ফুটবল খেলার মাধ্যমে আমার জেলা দলের হয়ে খেলোয়াড় হিসেবে যাত্রা। ওই টুর্নামেন্টে আমরা সুনামগঞ্জের সাথে বড় ব্যবধানে জয়ী হই। ১৯৯৪ সালে হবিগঞ্জে শেরে বাংলা কাপ ফুটবল টুর্নামেন্টে জেলার হয়ে অংশ নেই। আমরা প্রথম কয়েকটি ম্যাচ জয়ী হলেও সেমিফাইনালে হেরে যাই। এরপর বেশ কয়েক বছর ঢাকায় পাইওনিয়ার ও তৃতীয় বিভাগ খেলি। ১৯৯৬ সালে জেলা দলের হয়ে মিরপুর স্টেডিয়ামে নারায়ণগঞ্জের সাথে খেলতে নামি, যদিও আমাদের দল টাইব্রেকারে হেরে যায়। ১৯৯৯ সালে সোহরাওয়ার্দী কাপ ফুটবলে জেলার অনূর্ধ্ব-১৯ দলের হয়ে খেলতে যাই। ওই টুর্নামেন্টে আমরা প্রথম ২টি ম্যাচ জয়ী হলেও ৩য় ম্যাচে চট্টগ্রামের সাথে ড্র করি। এরপর বেশ কয়েক বছর জেলা দলের হয়ে বিভাগীয় কমিশনার কাপ ফুটবলে অংশ নিয়েছি। এছাড়া আমার খেলোয়াড়ী জীবনে জেলা দলের হয়ে সুনামগঞ্জ, সিলেট, কঙ্বাজার, ফেনী, নোয়াখালী, নারায়ণগঞ্জ, ঢাকা, লক্ষ্মীপুর, কুমিল্লা সহ বেশ কয়েকটি জেলার টুর্নামেন্ট ও লীগে খেলার সুযোগ পেয়েছি।



ক্রীড়াকণ্ঠ : চাঁদপুর জেলা ফুটবল লীগে কখন থেকে খেলা শুরু করেন?



ওয়াহিদুর রহমান লাবু : ১৯৯৩ সালে প্রথমেই আমি চাঁদপুর মোহামেডান স্পোর্টিং ক্লাবের হয়ে খেলতে নামি। আমি তখন দেশসেরা সাবি্বর সহ অনেকের সাথে ওই ক্লাবের হয়ে খেলি। এরপর আমি জেলা ফুটবল লীগে বিষ্ণুদী, আবাহনী ক্রীড়া চক্র, নতুনবাজার ক্রীড়া চক্র, নাজিরপাড়া ক্রীড়া চক্র, গুয়াখোলা ক্রীড়া চক্র ও ভাই ভাই স্পোর্টিং ক্লাবের হয়ে মাঠে খেলতে নামি।



ক্রীড়াকণ্ঠ : আপনি চাঁদপুরে অনুষ্ঠিত জেলা প্রশাসক কাপ ফুটবলে কোন্ কোন্ উপজেলার হয়ে খেলেছেন?



ওয়াহিদুর রহমান লাবু : আমি চাঁদপুর সদর, ফরিদগঞ্জ ও মতলব উত্তরের হয়ে অংশ নেই।



ক্রীড়াকণ্ঠ : খেলোয়াড়ি জীবনে কোন্ টুর্নামেন্ট খেলতে আপনার ভালো লেগেছে?



ওয়াহিদুর রহমান লাবু : আমার খেলোয়াড়ী জীবনে আমি ২০০৪ সালে নিজের ক্লাব নাজিরপাড়া ক্রীড়া চক্রের হয়ে নিটল টাটা জাতীয় ফুটবল লীগে অংশ নেই। আমাদের সেই খেলাগুলো তখনকার সময়ে বাংলাদেশ টেলিভিশনে নিয়মিত প্রচার করে। আমাদের নাজিরপাড়া দলটি তখন ঢাকা স্টেডিয়াম, ময়মনসিংহ, রংপুর, খুলনা ও চট্টগ্রামের বিভিন্ন ভেন্যু ও স্টেডিয়ামগুলোতে খেলায় অংশ নেয়।



ক্রীড়াকণ্ঠ : ঢাকায় আপনার খেলা শুরু হয় কবে থেকে? কার সহযোগিতা পেয়েছিলেন?



ওয়াহিদুর রহমান লাবু : ১৯৯৫ সালে ঢাকার মাতুয়াইল উদয়ন সংঘের মাধ্যমে পাইওনিয়ারে আমার যাত্রা শুরু হয়। নরসিংদী এলাকার মাধবপুরের ব্যবসায়ী চাঁদপুরের সাবেক ফুটবলার তুহিন ভাইয়ের মাধ্যমে আমি মাতুয়াইলে খেলা শুরু করি। এরপর আমি যাত্রাবাড়ি ক্রীড়া চক্র ও শান্তিনগর স্পোর্টিং ক্লাবের হয়ে বেশ কয়েক বছর নিয়মিত একাদশের হয়ে খেলি। এক্ষেত্রে ঢাকার ফুটবল কোচ আবুল ভাই ও চাঁদ ভাই অনেক সহযোগিতা করেছেন।



ক্রীড়াকণ্ঠ : খেলোয়াড়ি জীবনে চাঁদপুরের কার কার সহযোগিতা পেয়েছেন?



ওয়াহিদুর রহমান লাবু : আমি মফিজুল ইসলাম চৌধুরী, আনোয়ার হোসেন মানিক, জাহাঙ্গীর গাজী, ইফসুফ বকাউল, বিএম হারুনুর রশিদ, গোলাম মোস্তফা বাবু ভাই ও বোরহান খানের সহযোগিতা পেয়েছি।



ক্রীড়াকণ্ঠ : আপনার খেলোয়াড়ি জীবনের কষ্টের সময়টুকু?



ওয়াহিদুর রহমান লাবু : আমি নিয়মিতভাবেই শুরু থেকেই ক্লাব কিংবা উপজেলাগুলোতে খেলে যেতাম। ২০০১ সালে আমি পায়ে চোট পাই। তখন জেলা লীগ চলে চাঁদপুরে। আমার পায়ের চোটের কারণে প্রথমে কোনো ক্লাবই আমাকে খেলতে নেয়নি। পরবর্তীতে আমাকে নতুনবাজার ক্রীড়াচক্র খেলার জন্য আমন্ত্রণ জানায়। আমি নতুনবাজারের হয়ে মূল একাদশে ৫টি ম্যাচে খেলি। আর ওই বছরই নতুনবাজার জেলা ফুটবল লীগে চ্যাম্পিয়ন হয়। এছাড়া আমার স্কুলের চাকুরির কারণে নিয়মিত অনুশীলন করতে পারতাম না। তাই অনেক দলই আমাকে নেয়নি। এছাড়া যখন নিটল টাটা ফুটবল লীগে খেলতে যাই, তখন আমাদের কোচ ছিলো রঙ্ িভাই। তিনি নিয়মিত অনুশীলন না করতে পারায় প্রথমে আমাকে মূল একাদশে খেলার সুযোগ দেননি।



ক্রীড়াকণ্ঠ : খেলোয়াড়ি জীবনে আপনার সফলতা?



ওয়াহিদুর রহমান লাবু : আমি অনেক মাঠেই অনেক লীগ ও টুর্নামেন্ট খেলেছি। তবে ২০১৭ সালে চাঁদপুর স্টেডিয়ামে কমিশনার কাপ ফুটবলে যুগ্মভাবে চ্যাম্পিয়ন হওয়াটাই যেনো আমার বড় সফলতা। এছাড়া আমি যখন ঢাকা পাইওনিয়ারে খেলতাম তখন আমার যে দলটি ছিলো এবং আমি নিয়মিত যে একাদশে খেলতাম সেই দলটি তৃতীয় বিভাগে সুযোগ পাওয়া।



ক্রীড়াকণ্ঠ : আপনি কি বয়স ভিত্তিক ফুটবলে জাতীয়ভাবে খেলার সুযোগ পেয়েছিলেন?



ওয়াহিদুর রহমান লাবু : আসলে আমি যখন খেলা শুরু করি, তখন ছিলো সারা বাংলাদেশে ফুটবলের জোয়ার। যতই আমার খেলার সংখ্যা বেড়ে চলা শুরু করলো ততই এ দেশে ক্রিকেটের জোয়ার শুরু হলো। তবে বেশ কয়েকবার ঢাকার কয়েকজন কর্মকর্তা আমাকে খেলার জন্য বলেছিলো। আমি নিজের এলাকা ও চাকুরির কারণে খেলার সুযোগ করতে পারিনি।



ক্রীড়াকণ্ঠ : আপনার কি কোচ হওয়ার স্বপ্ন আছে কিংবা যেই স্কুলে চাকুরি করেন, সেই স্কুলটির ভালো একটি ফুটবল দল গঠন করার পরিকল্পনা আছে?



ওয়াহিদুর রহমান লাবু : আমি তো এখন চাকুরি করি। চাকুরি শেষে যে সময়টুকু পাই সেভাবে কোচিং করানো সম্ভব নয়। কিন্তু আমি যেই স্কুলে ক্রীড়া শিক্ষক হিসেবে রয়েছি, সেই স্কুল ম্যানেজিং কমিটির কর্মকর্তাসহ যদি বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক দুপুর ২টা থেকে ৪টা পর্যন্ত শুধুমাত্র স্কুলের শিক্ষার্থীদের নিয়ে ফুটবল কোচিংয়ের ব্যবস্থা করেন তাহলে আমি আমার নিজের পুরোটুকু শ্রম দিয়ে স্কুলের বালক ও বালিকাদের জন্য ভালো ফুটবল দল গঠন করতে পারবো। সর্বোপরি বিদ্যালয় ও ম্যানেজিং কমিটি চাইলে শিক্ষার্থীদের নিয়ে ভালো ফুটবল দল তৈরি করতে পারবো।



ক্রীড়াকণ্ঠ : উঠতি বয়সী ফুটবলারদের উদ্দেশ্যে কিছু বলুন।



ওয়াহিদুর রহমান লাবু : আমি প্রথমেই বলবো, যারা বর্তমানে ফুটবলের সাথে জড়িত রয়েছে, তাদেরকে নিয়মিত অনুশীলনে আসতে হবে। চাঁদপুরকেন্দ্রিক খেলার স্বপ্ন না নিয়ে ঢাকা কিংবা অন্যত্র খেলার চিন্তা রাখলেই সে ভালো ফুটবলার হতে পারবে। আমাদের সাথের ছোট ভাই ফরিদগঞ্জের রাফি বর্তমানে বাংলাদেশ জাতীয় ফুটবল দলে খেলছেন। নিয়মিত যেই স্থানেই সুযোগ পাবে সেখানেই অনুশীলন চালিয়ে যেতে হবে ফুটবলারদেরকে। আর খেলার সময় এবং পরবর্তীতে একজন খেলোয়াড়কে আদব-কায়দা মেনে চলা সহ পড়াশোনা নিয়মিত চালিয়ে যেতে হবে। উঠতি বয়সী খেলোয়াড়রা যদি খেলার ব্যাপারে আমাকে স্মরণ করে অবশ্যই আমি তাদের পাশে এসে দাঁড়াবো।



ক্রীড়াকণ্ঠ : আমাদেরকে সময় দেয়ার জন্য আপনাকে ধন্যবাদ।



ওয়াহিদুর রহমান লাবু : আসলে জেলা দলের হয়ে খেলা ছেড়ে দিলেও চাঁদপুর কণ্ঠের ক্রীড়াকণ্ঠ থেকে আমার খেলোয়াড়ী জীবনের যে স্মৃতির কথাগুলো তুলে ধরা হয়েছে, সেজন্য আমি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করছি এবং ক্রীড়ার সাথে জড়িত সকলের কাছে দোয়া ও ভালোবাসা প্রত্যাশা করছি।



 



 



 


আজকের পাঠকসংখ্যা
২৯০৬৬৯
পুরোন সংখ্যা