চাঁদপুর। শুক্রবার ১৫ জুন ২০১৮। ১ আষাঢ় ১৪২৫। ২৯ রমজান ১৪৩৯
redcricent
jibon dip

সর্বশেষ খবর :

  • কচুয়ায় স্ত্রী হত্যার দায়ে স্বামীকে ফাঁসির আদেশ দিয়েছে জেলা দায়রা জজ আদালত
হেরার আলো
বাণী চিরন্তন
আল-হাদিস

৩৯-সূরা আয্-যুমার

৭৫ আয়াত, ৮ রুকু, মক্কী

পরম করুণাময় ও অসীম দয়ালু  আল্লাহর নামে শুরু করছি।


৫৫। তোমাদের প্রতি অবতীর্ণ উত্তম বিষয়ের অনুসরণ কর তোমাদের কাছে অতর্কিত ও অজ্ঞাতসারে আযাব আসার পূর্বে।

৫৬। যাতে কেউ না বলে, হায় হায়, আল্লাহ সকাশে আমি কর্তব্যে অবহেলা করেছি এবং  আমি ঠাট্টা-বিদ্রুপকারীদের অন্তর্ভূক্ত ছিলাম।

৫৭। অথবা না বলে, আল্লাহ যদি আমাকে পথপ্রদর্শন করতেন, তবে অবশ্যই আমি পরহেযগারদের একজন হতাম।  

দয়া করে এই অংশটুকু হেফাজত করুন





 


assets/data_files/web

শাসন করা তারই সাজে সোহাগ করে যে গো।

 -রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর।


নারী পুরুষের যমজ অর্ধাঙ্গিনী।

 


ফটো গ্যালারি
একাত্তরের প্রিয় সাথী ভাইয়েরা,
১৫ জুন, ২০১৮ ০০:০০:০০
প্রিন্টঅ-অ+


সর্ব প্রথম আমার সালাম গ্রহণ করুন। মহান মুক্তিযুদ্ধ বাঙালি জাতির ইতিহাসে একটি অবিস্মরণীয় ঘটনা। আমাদের মহান মুক্তিযুদ্ধে চাঁদপুর জেলার মুক্তিযোদ্ধারা অন্যান্য জেলার মুক্তিযোদ্ধাদের মত পাকিস্তান হানাদার বাহিনীর সাথে জীবনের ঝুঁকি নিয়ে দীর্ঘ নয় মাস যুদ্ধ করে যে বীরত্বপূর্ণ অবদান রেখেছেন, তা চিরস্মরণীয় হয়ে থাকবে। মুক্তিযুদ্ধের ওপর জাতীয় পর্যায়ে অনেক গ্রন্থ রচিত হয়েছে। অনেক জেলায়ও মুক্তিযোদ্ধাদের বীরত্ব কাহিনী নিয়ে রচিত হয়েছে ঐ সকল জেলার ইতিহাস। কিন্তু অন্যান্য জেলার মত চাঁদপুরের মুক্তিযোদ্ধাদের বীরত্ব নিয়ে, এখন পর্যন্ত তেমন কোনো পূর্ণাঙ্গ ইতিহাস রচিত হয়নি। তবে এই দীর্ঘ ৪৭ বছরে ব্যক্তিগত পর্যায়ে কিছু যুদ্ধ নিয়ে চাঁদপুর জেলার ৩/৪টি গ্রন্থ রচিত হয়েছে। তা আবার পূর্ণাঙ্গ নয় বলে বিষয়টি আমাকে ভীষণ পীড়া দেয়।



মহান মুক্তিযুদ্ধে তৎকালীন চাঁদপুর মহকুমায় যারা অবিস্মরণীয় অবদান রেখেছেন তাদের মধ্যে এই দীর্ঘ সময়ে অনেকেই পৃথিবী থেকে চিরতরে বিদায় নিয়েছেন। তাঁরা আমাদের কাছ থেকে হারিয়ে গিয়েছেন। যারা এখনও বেঁচে আছেন তাঁরাও প্রকৃতির নিয়মে হারিয়ে যাবেন এক সময়। স্থানীয় উদ্যোগে অনেক জেলায় মুক্তিযুদ্ধের আঞ্চলিক ইতিহাস সুরক্ষিত হচ্ছে। আমি দীর্ঘ কয়েক বছর অক্লান্ত পরিশ্রম করে যাচ্ছি চাঁদপুরের মুক্তিযুদ্ধের পূর্ণাঙ্গ ইতিহাস লেখার জন্য এবং গত কয়েক বছর পূর্বে চাঁদপুরের নৌ-যুদ্ধের ইতিহাস (চাঁদপুরের নৌ-মুক্তিযুদ্ধ গ্রন্থটি) লিখেছি। গত কযেক বছর পূর্বে ঢাকাস্থ চাঁদপুর জেলা মুক্তিযোদ্ধা পরিষদের উদ্যোগে চাঁদপুর জেলার মুক্তিযুদ্ধের ইতিহাস লেখার জন্য আপনাদের কাছে তথ্য ফরম পাঠানো হয়েছিল এবং প্রায় এক হাজার জন মুক্তিযোদ্ধা উক্ত তথ্য ফরম পূরণ করে আমাদের নিকট ফেরত পাঠিয়েছিলেন। কিন্তু উক্ত তথ্য ফরমে পূর্ণাঙ্গ তথ্য আসেনি বলে পুনরায় তথ্য ফরম নতুন করে আপনাদের নিকট পাঠানো হলো। তথ্য ফরম পূরণ করার সময় বিশেষ করে যুদ্ধের তারিখ অথবা তারিখ জানা না থাকলে অন্তত মাসের নাম ও যুদ্ধের সময় এবং আপনাদের সহযোদ্ধাদের নাম পাঠাবেন।



আমাদের মহান স্বাধীনতা যুদ্ধে মুষ্টিমেয় কিছু লোক ছাড়া গোটা বাঙালি জাতি বিভিন্নভাবে অবদান রেখেছেন। আমি বিশ্বাস করি যে, প্রত্যেক মুক্তিযোদ্ধা যুদ্ধকালীন সময় তার নিজের যুদ্ধ ও তার দেখা যুদ্ধের ঘটনা ও সহযোদ্ধার যুদ্ধের ঘটনা উপলব্ধি হতে একটি করে গ্রন্থ রচনা করা সম্ভব। আশা করি আপনারা তথ্য ফরমটি দ্রুত পূরণ করে আগামী ৩০ দিনের মধ্যে আমার নিম্ন ঠিকানায় পাঠিয়ে চাঁদপুর জেলার মুক্তিযুদ্ধের সঠিক ইতিহাস লেখায় সর্বিক সহযোগিতা করার আহ্বান জানাই এবং একই সাথে আপনাদের সকলের মঙ্গল কমনা করছি।



 



আলহাজ্ব মোঃ শাহজাহান কবির বীর প্রতীক



১৩/এফ পূর্ব মাদারটেক, শরীফবাগ আবাসিক এলাকা, সিঙ্গাপুর রোড, সবুজবাগ, ঢাকা-১২১৪, ফোন নং-০২-৭৮১৩২৬৫, মোবাইল ফোন নং ০১৫৫২৪৬১০৫৮।



 


আজকের পাঠকসংখ্যা
৪২৯৪৫৮
পুরোন সংখ্যা