চাঁদপুর । বৃহস্পতিবার ১২ জুলাই ২০১৮ । ২৮ আষাঢ় ১৪২৫ । ২৭ শাওয়াল ১৪৩৯
redcricent
jibon dip

সর্বশেষ খবর :

  • কচুয়ায় স্ত্রী হত্যার দায়ে স্বামীকে ফাঁসির আদেশ দিয়েছে জেলা দায়রা জজ আদালত
হেরার আলো
বাণী চিরন্তন
আল-হাদিস

৩৯-সূরা আয্-যুমার

৭৫ আয়াত, ৮ রুকু, মক্কী

পরম করুণাময় ও অসীম দয়ালু  আল্লাহর নামে শুরু করছি।

৪২। আল্লাহ মানুষের প্রাণ হরণ করেন তার মৃত্যুর সময়, আর যে মরে না, তার নিদ্রাকালে। অতঃপর যার মৃত্যু অবধারিত করেন, তার প্রাণ ছাড়েন না এবং অন্যান্যের ছেড়ে দেন এক নির্দিষ্ট সময়ের জন্যে। নিশ্চয় এতে চিন্তাশীল লোকদের জন্যে নিদর্শনাবলি রয়েছে।

৪৩। তারা কি আল্লাহ ব্যতীত সুপারিশকারী গ্রহণ করেছে? বলুন, তাদের কোন এখতিয়ার না থাকলেও এবং তারা না বুঝলেও?

দয়া করে এই অংশটুকু হেফাজত করুন

 


খাবার টেবিলে বসে যারা কথা বলে বেশি, তারা বেশি খেতে পারে না।  


-ও ডাব্লিউ ছোলম।


মানবতার সেবায় যিনি নিজের জীবন নিঃশেষে বিলিয়ে দিতে পারেন, তিনিই মহামানব।





                           


ফটো গ্যালারি
প্রিয় বন্ধু বাচ্চু পাটোয়ারীর প্রতি
১২ জুলাই, ২০১৮ ০০:০০:০০
প্রিন্টঅ-অ+


বন্ধু আমার,



আজ ক'দিন ধরে তোমার কথা মনে পড়ছিল। সেলফোনে তোমার নাম্বারটা কয়েকবার খুলেছিলাম। তোমাকে ভড়কে দেবো এই ছিল প্ল্যান। এবার একা এসেছি। তাই ভেবেছিলাম তোমাকে বলবো, বাসায় একা রান্নাবান্নার অসুবিধা। তোমার বাসায় উঠবো। ভালো ভালো খাবো। বহুবার বলেছিলে এরপর এলে যেন তোমার বাসায় উঠি। ইচ্ছে ছিলো এবার তাই করবো। নিজের কিছু কাজ সেরে তারপর তোমাকে ফোন দেবো, জানাবো আমি এসেছি। দু'জনে একসাথে কিছু সময় কাটাবো। জমাট কথাগুলোর গিঁট খুলে প্রাণভরে হাসবো। আহা বন্ধু, চলে গেলে তুমি, হাসতে



 



দিলে না। তোমাকে নিয়ে লিখতে বসলাম। এখন চোখের জলে টপ টপ আঙ্গুল চলে। খবরটা শোনার পরেও অদ্ভুত এক প্রত্যাশা নিয়ে তোমার ফোনে কয়েকবার রিং করেছি। ফোনটা বন্ধ না। তখনো রিং হচ্ছে। আর আমি ভাবছিলাম, বাচ্চু, এই বুঝি তুমি রিসিভ করবে। তোমার ভরাট গলায় সম্বোধন করে বলবে, যা শুনেছি সব মিথ্যে, তুমি আছো, চলে যাও নি। এই বলে তোমার আকাশ ছোঁয়া হাসিটা আবার শুনিয়ে দেবে। আহা বন্ধু আমার, তুমি আবার হাসছো না কেন? কেন চলে যাচ্ছ? এখনো তো চলে যাও নি। এখনো তোমার দেহ দিঘল রোদে ছায়া দিতে পারে। এখনো তোমার আকাশ ছোঁয়া হাসি সব কষ্ট মুছে দিতে পারে। সব সময় সব নিয়ম যে আমার ভালো লাগে না। একবার নিয়ম ভেঙ্গে উঠে আসো বন্ধু। এখনো যে সবটাই বাকি রয়ে গেল বন্ধু। পূর্ণ হলো না জীবনের পথ। এখনো তো আরো অনেকটুকু পথ হেঁটে যাওয়া দরকার। এভাবে যেও না, ফিরে এসো আবার। চলে যেও না বন্ধু আমার। আমি এনালগ হয়ে যাবো, চিঠিতে যোগাযোগ রাখবো। তোমার ঠিকানায় আমার চিঠি যাবে। আমার চিঠি পড়ে তোমার হাসিতে বন্যা হবে। তোমাকে ভড়কে দেবার জন্য আরো কতো কী যে করার ছিল। অথচ এভাবে আমাকে ভড়কে দিয়ে তুমিই চলে গেলে। বন্ধু আমার, আজ রাতের অগোচরে তোমার বরফ শীতল কপাল ছুঁয়ে দিলাম। জান্নাতে আমার উত্তাপ তুমি পাবে। তোমার ঠিকানায় আমার চিঠি পেঁৗছে যাবে, আবার দেখা হবে নিশ্চয়ই।



-মইনুদ্দিন লিটন ভঁূইয়া।



 


আজকের পাঠকসংখ্যা
১৩৬১৪৬
পুরোন সংখ্যা