চাঁদপুর। বুধবার ৭ নভেম্বর ২০১৮। ২৩ কার্তিক ১৪২৫। ২৭ সফর ১৪৪০
redcricent
jibon dip

সর্বশেষ খবর :

  • --
হেরার আলো
বাণী চিরন্তন
আল-হাদিস

৪৩-সূরা যুখ্রুফ


৮৯ আয়াত, ৭ রুকু,' মক্কী


পরম করুণাময় ও অসীম দয়ালু আল্লাহর নামে শুরু করছি।


৭৩। সেথায় তোমাদের জন্যে রহিয়াছে প্রচুর ফলমূল, তাহা হইতে তোমরা আহার করিবে।


৭৪। নিশ্চয় অপরাধীরা জাহান্নামের শাস্তিতে থাকিবে স্থায়ীভাবে;


৭৫। উহাদের শাস্তি লাঘব করা হইবে না এবং উহারা উহাতে হতাশ হইয়া পড়িবে।


 


 


assets/data_files/web

বীরত্বের নির্যাস হলো আত্মবিশ্বাস। -ইমারসন।


 


 


বিদ্যা শিক্ষার্থীগণ বেহেশতের ফেরেশতাগণ কৃর্তক অভিনন্দিত হবেন।


 


 


 


ফটো গ্যালারি
৭ নভেম্বরের অভ্যুত্থান ও কর্নেল তাহের
অধ্যাপক হাছান আলী সিকদার
০৭ নভেম্বর, ২০১৮ ০০:০০:০০
প্রিন্টঅ-অ+


বিশেষ একটি রাজনৈতিক ও সময়ের প্রেক্ষাপটে একটি দেশের চাহিদা, রাজনৈতিক চিন্তাধারা, রাজনৈতিক পট পরিবর্তন, নেতৃত্ব প্রভৃতি গড়ে উঠে। ঠিক সেইরূপ একটি নির্দিষ্ট প্রেক্ষাপটেই ঘটেছিল ৭ নভেম্বরের অভ্যুত্থান। আর তার নেতৃত্ব দিয়েছিলেন শহীদ লেঃ কর্নেল আবু তাহের।



তাহের ছিলেন সৈনিক, মুক্তিযোদ্ধা, দেশপ্রেমিক, বিপ্লবী রাজনীতিক। সৈনিক হিসেবে সেনাবাহিনীর একজন প্রতিভাবান অফিসার, মুক্তিযুদ্ধের সময় পশ্চিম পাকিস্তানের এবোটাবাদ থেকে পালিয়ে এসে মুক্তিযুদ্ধে যোগদান এবং ১১নং সেক্টরের কমান্ডার। '৭১ সালের ১৪ জুলাই একটি সম্মুখ যুদ্ধে আঘাত পেয়ে একটি পা হারান। তারপর থেকে তিনি '৭২ সালের এপ্রিল পর্যন্ত ভারতে একটি হাসপাতালে চিকিৎসা জনিত কারণে অবস্থান করেন। মুক্তিযুদ্ধের বীরত্বের জন্যে তিনি বীরউত্তম খেতাবে ভূষিত হন। ভারত থেকে ফিরে এসে তিনি সেনাবাহিনীর জেনারেল হেড কোয়ার্টারে অ্যাডজুটেন্ট জেনারেল হিসেবে দায়িত্ব গ্রহণ করেন। পরবর্তী সময় ৪৪নং ব্রিগেডের অধিনায়ক ও কুমিল্লা সেনানিবাসের অধিনায়কত্ব গ্রহণ করেন এবং প্রচলিত ব্যারাক আর্মির স্থলে উৎপাদনশীল পিপলস আর্মি গড়ে তোলার প্রস্তাব সরকারের কাছে তুলে ধরেন এবং চেষ্টা করেন। পরবর্তীতে জাতীয় সেনাবাহিনীর গঠন, কৌশল, প্রকৃতি সম্পর্কে তদানীন্তন সরকারের সাথে মতভেদ দেখা দিলে '৭২ সালের সেপ্টেম্বর মাসে তিনি অবসর গ্রহণ করেন। ইতঃমধ্যেই তিনি জাতীয় সমাজতান্ত্রিক দল-জাসদ এর সাথে যুক্ত হন। '৭৪ সালে জাসদ বিপ্লবী গণবাহিনী গড়ে তুললে তিনি নেতৃত্ব পর্যায়ে আসীন হন এবং গণবাহিনীর শাখা 'বিপ্লবী সৈনিক সংস্থা' তার উদ্যোগ ও নেতৃত্বেই গড়ে উঠে। আর '৭৫ সালের ৭ নভেম্বর সিপাহী অভ্যুত্থান সংঘটিত হয় উক্ত 'বিপ্লবী সৈনিক সংস্থা' কর্তৃক।



শহীদ কর্নেল আবু তাহের কেবল ব্যক্তি নন। একদিকে তিনি আমাদের ইতিহাসে বুর্জোয়াদের ঘৃণ্য ষড়যন্ত্রের শিকারের দৃষ্টান্ত, অন্যদিকে তিনি এ দেশের সামগ্রিক রাজনীতি তথা বৈপ্লবিক রাজনীতির শিক্ষণীয় অধ্যায়। কর্নেল তাহেরকে স্মরণ করার সময় তার ঐতিহাসিক কর্মপরিকল্পনা ও আত্মোৎসর্গের ঘটনাকে মূল্যায়ন করার সময় আমাদের এই প্রেক্ষাপটকে সামনে রেখেই তা করতে হবে।



স্বাধীনতা উত্তরকালে আমাদের মতো অনুন্নত পশ্চিাৎপদ ও নির্ভরশীল পুঁজিবাদী দেশে ক্ষমতাসীন বুর্জোয়াদের ঐতিহাসিক সীমাবদ্ধতা প্রত্যক্ষ করে এবং অক্ষম বুর্জোয়াদের স্বৈরাচারী প্রবণতার বিরুদ্ধে বিদ্রোহ করে সামারিক উর্দি ছেড়ে সরাসরি রাজনৈতিক দল জাসদের সাথে যুক্ত হন কর্নেল তাহের।



জাসদের রাজনৈতিক ধারণাই পরিচালিত করেছে কর্নেল তাহেরকে। সুতরাং ৭ নভেম্বর '৭৫-এর ঘটনার দায়ভার সবটা ব্যক্তি তাহেরের নয়। গুরু ভাগটাই দিতে হয় তাঁর রাজনৈতিক ধারণাকে। তিনি যে দলের নেতা ছিলেন সবার নিশ্চয়ই জানা আছে যে, সে দলের জন্ম ইতিহাস একটা বিশেষ মুহূর্তে এবং এক বাস্তব প্রয়োজনের প্রেক্ষিতে।



'জাসদ'-এর যখন জন্ম তখন সবেমাত্র মুক্তিযুদ্ধ শেষ হয়েছে। সশস্ত্র লড়াইয়ে জয়লাভ করে যে দলটি (আওয়ামী লীগ) ক্ষমতায় আসীন হলো তার সীমাবদ্ধতার কারণেই প্রকৃত মুক্তির পথ দেখাতে ব্যর্থ হচ্ছিলো। ৩১শে অক্টোবর '৭২ জন্ম নিলো জাতীয় সমাজতান্ত্রিক দল-জাসদ। সস্নোগান তুললো সামাজিক বিপ্লবের, শ্রেণী সংগ্রামের, শোষণ মুক্তির। দর্শন হিসেবে অবশ্যই যুগের সেরা। এ দর্শনের স্থপতিগণ এও উল্লেখ করেছেন যে, একটি সুশৃঙ্খল সঠিক বিপ্লবী পার্টি ছাড়া এ দর্শনের বাস্তবায়ন সম্ভব নয়। তবে '৭২-৭৪ এ সময়ে জাসদ সরকার বিরোধী কর্মসূচির মধ্য দিয়ে পরিচিত হয়ে উঠলো এবং জনগণের সামনে একমাত্র বিকল্প হয়ে দেখা দিলো। এখানে বলা বাহুল্য যে, তৎকালীন সমস্যার প্রধান কারণ হিসেবে জাসদের 'অ্যাপ্রোচ' ছিলো ক্ষমতাসীন আওয়ামী লীগই সকল সমস্যার উদ্রেককারী, কিন্তু এটা যে পুঁজিবাদের ঐতিহাসিক সীমাবদ্ধতার ফল তা কখনও প্রকট আকারে সামনে আসেনি। ফলে জাসদ এবং আওয়ামী লীগের দ্বন্দ্ব বাহ্যত ক্ষমতাসীন ও ক্ষমতা বহির্ভূত দু'টি দলের ক্ষমতা দখলের লড়াইয়ের মতই জনগণের সামনে এসেছে। তবে মধ্যবিত্ত যুব সমাজের মধ্যে স্বাধীনতার অগি্নস্পর্শে যারা উদ্দীপ্ত ছিলো, মুক্তির আকাঙ্ক্ষায় উন্মুখ ছিলো, যেসব তরুণ ও যুবক প্রচলিত রাজনৈতিক বিকল্প হিসেবে মার্কসীয় দর্শনের আকর্ষণে সমবেত হয়েছিল জাসদের পতাকাতলে। যা ছিলো অনেকটা স্বতঃস্ফূর্ত। স্বতঃস্ফূর্ত মানুষের সমাবেশ আর যাই করুক না কেন সমাজ পরিবর্তনের লক্ষ্যে পরিচালিত কোনো বিপ্লব সংঘটিত করতে পারে না। জাসদ তার তখনকার সাংগঠনিক দুর্বলতার কারণেই তা পারেনি বললে অত্যুক্তি হবে না।



জাসদ এবং তার সহযোগী সংগঠন সমূহের অঙ্গীকার ছিল একটি সমাজ বিপ্লবের এবং সমাজতান্ত্রিক বিপ্লবে পরিচালক শক্তি শ্রমিক শ্রেণীর বিপ্লবী পার্টি গড়ে তুলবার এক ধরনের প্রক্রিয়া চালু করা এবং উক্ত প্রক্রিয়া চালুও ছিল। যারা এ প্রক্রিয়ার নেতৃত্বে ছিলেন তারা বেশ আগে থেকেই সেনাবাহিনীর অভ্যন্তরে রাজনৈতিক ও সাংগঠনিক তৎপরতা চালাচ্ছিল। এভাবেই গড়ে উঠেছিল সৈনিক (সেনাবাহিনী ও বিমানবাহিনী)-এর সংগঠন 'বিপ্লবী সৈনিক সংস্থা'। এই বিপ্লবী সৈনিক সংস্থার মূল নেতৃত্বে ছিলেন কর্নেল আবু তাহের।



৫ই নভেম্বর সন্ধ্যা থেকে সেনানিবাসে 'বিপ্লবী সৈনিক সংস্থা'-এর নামে প্রচারপত্র বিলি করা হয়। এই প্রচারপত্রে সৈনিকদের ১২ দফা দাবি উল্লেখ করে সেনা সামগ্রিক জটিল পরিস্থিতি থেকে মুক্তি এবং ১২ দফা দাবি আদায়ের জন্যে একটি অভ্যুত্থানের প্রয়োজনীয়তার প্রতি ইঙ্গিত করা হয়। ৬ই নভেম্বর সন্ধ্যার পরে পার্টি প্রক্রিয়ার সর্বোচ্চ সাংগঠনিক কমিটি, কেন্দ্রীয় সাংগঠনিক কমিটির এক বৈঠক বসে। এই বৈঠকে কর্নেল তাহের সেনানিবাসের পরিস্থিতি ব্যাখ্যা করে একটি সামরিক অভ্যুত্থানের প্রস্তাব হাজির করেন এবং এও বলেন, যা সিদ্ধান্ত নেবার আজ রাতের মধ্যেই নিতে হবে। কারণ আমরা চাই বা না চাই আজ রাতে অভ্যুত্থান হবেই। বলাই বাহুল্য, সেনা পরিস্থিতির কারণে সে রাতের বৈঠক অভ্যুত্থানের পক্ষে সিদ্ধান্ত গ্রহণ করে থাকে। আর এই সিদ্ধান্ত নিয়ে তখন থেকে আজ পর্যন্ত জাসদসহ সর্বমহলে বিতর্ক শেষ হয়নি।



'বিপ্লবী সৈনিক সংস্থা' এবং ৭ই নভেম্বর অভ্যুত্থানের বিষয়গত দুর্বলতা যাই থাকুক না কেন তা রাষ্ট্রযন্ত্রকে আতঙ্কিত করে ফেলেছিল। একটা অবস্থা তৈরি হয়েছিলো, যাতে সমগ্র রাষ্ট্রের অস্তিত্ব সংকটাপন্ন হতে পারতো। সাংগঠনিক দুর্বলতা এবং সঠিক রণনীতি ও রণকৌশলের অভাবে একটি সফল বিপ্লবী অভ্যুত্থান সংঘটিত হতে পারেনি। সৈনিকদের মধ্যে যে সংগঠন ও চেতনা জেগে উঠেছিলো তা ভবিষ্যতে পরিপক্কতা লাভ করে আবারো বুর্জোয়া রাষ্ট্রকে আঘাত করতে পারে এই আতঙ্ক বুর্জোয়াদের গ্রাস করে ফেলেছিলো। এই আতঙ্ক থেকে মুক্তি পাওয়ার জন্য ভীত বুর্জোয়া শ্রেণী এবং শাসকগণ নিষ্ঠুর হয়ে উঠেছিল। নিষ্ঠুর হাতে এইসব উত্থিত শক্তিকে দমন করা তখন তাদের কর্তব্য হয়ে উঠেছিলো। কর্নেল তাহেরের ফাঁসি এই নিষ্ঠুরতার প্রকাশ। বিচারের নামে শাসক শ্রেণী (সামরিক শাসক) কর্নেল তাহেরের মৃত্যুকে একটি আইনি রূপ দেয়ার চেষ্টা করেছিলো। কিন্তু এটি ছিলো একটি হত্যাকা-। ঠা-া মাথায় সুপরিকল্পিত রাজনৈতিক হত্যাকা-।



১৯৭৫ সালের ১৫ আগস্টে বঙ্গবন্ধু হত্যাকা-ের সাথে সাথে বাংলাদেশ এক চরম অন্ধকারে নিপাতিত হয়। বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান ছিলেন মুক্তিযুদ্ধপন্থী শক্তির মূল প্রেরণা। তাঁকে হত্যা করে ফেলার পর ১৯৭৬ সালে তাহের নিঃসন্দেহে ছিলেন মুক্তিযুদ্ধপন্থী শক্তির শেষ স্তম্ভ। তাহেরকে হত্যা করার মাধ্যমে জেনারেল জিয়াউর রহমান শেষ পেরেকটি ঠুকে দিয়েছিলেন। এরপর তো ঘটে গেছে জিয়া কর্তৃক শত শত সিপাহী হত্যা, যাদের অধিকাংশই ছিলেন মুক্তিযোদ্ধা। তার প্রমাণ ২০১১ সালের ২২ মার্চের তাহের হত্যা মামলার রায়, যা জাতিকে সত্য জানানোর প্রক্রিয়ার ইতিহাসের অংশমাত্র। যে রায়ে কর্নেল তাহেরকে দেশপ্রেমিক এবং জেনারেল জিয়াউর রহমানকে তাহেরের হত্যাকারী হিসেবে অভিহিত করা হয়েছে।



আর সেই সেনাশাসক জিয়াউর রহমান কর্তৃক গঠিত বিএনপির অনেকেই ৭ নভেম্বরের সিপাহী বিদ্রোহকে অভিনন্দন জানাচ্ছেন, কিন্তু এই বিদ্রোহের নেতাকে স্বীকৃতি জানাচ্ছেন না। এটা অনেকটা এরকম যে, মুক্তিযুদ্ধকে মহান বলা হচ্ছে কিন্তু মুক্তিযুদ্ধের মহান নেতা বঙ্গবন্ধুর নাম উচ্চারণ করা হয় না। স্বাধীনতা দিবস পালন করছি, বিজয় দিবস পালন করছি কিন্তু জাতির পিতার নাম উচ্চারণ করছি না। একইভাবে সিপাহী বিদ্রোহের নামে বিপ্লব ও সংহতি দিবস পালন হচ্ছে, কিন্তু সিপাহী বিদ্রোহের মহান নেতা কর্নেল আবু তাহের বীরউত্তমের নাম উচ্চারণ করা হয় না।



জাসদ আজ বহুধা বিভক্ত এবং বিভক্তের কিছু কিছু অংশ আজ অবলুপ্ত। কিছু কিছু অংশ নির্লিপ্ত এবং অনেক নেতা বুর্জোয়া দলে ভিড়েছেন। আর যে অংশ মাঠে আন্দোলনে-সরকারে আছে তাদের সাংগঠনিক কর্মকা- ও শক্তি তেমন বৃদ্ধি করতে পারেনি। আর পারেনি বলেই তাদের আন্দোলনের ফসল বার বার বুর্জোয়াদের পকেটস্থ হচ্ছে। ফলে বুর্জোয়ারা ক্ষমতায় ফিরে এসেছে।



১৯৭৫ এর ৭ নভেম্বর জাসদের সহযোগিতায় তাহেরের নেতৃত্বে সিপাহী অভ্যুত্থান বিষয়ে গভীর ভাবনা ও বিশ্লেষণের প্রয়োজন আছে। ঐ অভ্যুত্থান সফল হয়েছে এ রকম দাবি কেউ জোর করে করবেন না। জেনারেল জিয়াউর রহমানের নেতৃত্বে প্রতিবিপ্লব সফল হয়েছিল। এর মধ্য দিয়ে মুক্তিযুদ্ধ পরবর্তী বাংলাদেশে প্রগতি-বিরোধী মুক্তিযুদ্ধের পরাজিত শক্তি রাষ্ট্র ক্ষমতার সুযোগটি পেয়ে যায়। তবে শুধুমাত্র প্রগতিশীল শক্তির এই পরাজয়ের মধ্যে দৃষ্টি সীমাবদ্ধ না রেখে আমাদের ভাবতে হবে সামনের দিনগুলোর কথা।



নভেম্বর অভ্যুত্থানে পরাজয় এবং তাহেরসহ অগণিত বিপ্লবীদের আত্মদানের মধ্য দিয়ে জাসদের বিপ্লবী রাজনীতির ইতি হয়ে গেছে তা ভাববার কোন অবকাশ নেই। যুগে যুগে দেশে দেশে সমাজ প্রগতির ধারায় আমরা দেখেছি, সমাজের নবতর শক্তি কিভাবে পরবর্তী অবস্থার উপযোগী করে পরিবর্তনের ধারায় নিজেদের তৈরি করেন ভবিষ্যৎ নির্মাণে। বাংলাদেশের নতুন প্রজন্মকে অবশ্যই পাঠ নিতে হবে জাসদের আপসহীন ধারণাটির সংগ্রামী ইতিহাস থেকে। বিশেষ করে ৭ই নভেম্বর অভ্যুত্থান এবং এর সাথে সামরিক শাসন বিরোধী গৌরবময় সংগ্রামী ইতিহাস ও ঐতিহ্য থেকে। তাহেরর ফাঁসির মঞ্চে জীবনদান এবং তার উদ্দীপ্ত উচ্চারণ? "নিঃশঙ্ক চিত্তের চেয়ে জীবনে আর বড় কোন সম্পদ নেই। আমি আমার জাতিকে তা অর্জন করতে ডাক দিয়ে যাই", নিঃসন্দেহে বর্তমান প্রজন্মকে আলোড়িত করবে। যেমন- বলিভিয়ার চে'গুয়েভারাকে মৃত্যুবরণ করতে হয়েছিল। চে' কিংবা তাহেরের মৃত্যুহীন লাশই আমাদের তরুণদের স্বপ্ন দেখায়, পথ বাতলে দেয় আগামী সমতার পৃথিবীর।



লেখক পরিচিতি : অধ্যাপক মোঃ হাছান আলী সিকদার, সভাপতি, জাতীয় সমাজতান্ত্রিক দল-জাসদ, চাঁদপুর জেলা শাখা, চাঁদপুর জেলা শিক্ষক নেতা, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রাক্তন ছাত্রনেতা।



 



 


আজকের পাঠকসংখ্যা
৪৯৫২৭৮
পুরোন সংখ্যা