চাঁদপুর, শুক্রবার ৬ সেপ্টেম্বর ২০১৯, ২২ ভাদ্র ১৪২৬, ৬ মহররম ১৪৪১
jibon dip

সর্বশেষ খবর :

  • -
হেরার আলো
বাণী চিরন্তন
আল-হাদিস

৫৫-সূরা রাহ্মান


৭৮ আয়াত, ৩ রুকু, মাদানী


পরম করুণাময় ও অসীম দয়ালু আল্লাহর নামে শুরু করছি।


৭৫। সুতরাং তোমরা উভয়ে তোমাদের প্রতিপালকের কোন্ অনুগ্রহ অস্বীকার করিবে?


৭৬। উহারা হেলান দিয়া বসিবে সবুজ তাকিয়ায় ও সুন্দর গালিচার উপরে।


৭৭। সুতরাং তোমরা উভয়ে তোমাদের প্রতিপালকের কোন্ অনুগ্রহ অস্বীকার করিবে?


৭৮। কত মহান তোমার প্রতিপালকের নাম যিনি মহিমময় ও মহানুভব!


 


 


 


 


assets/data_files/web

বাণিজ্যই হলো বিভিন্ন জাতির সাম্য সংস্থাপক। -গ্লাডস্টোন।


 


 


কাহারো উপর অত্যাচার করা হইলে সে যদি সবর করিয়া চুপ থাকিতে পারে, আল্লাহ তাহার সম্মান বৃদ্ধি করিয়া দেন।


 


ফটো গ্যালারি
সড়কে ঝরবে আর কত তাজা প্রাণ?
মঈনুল ইসলাম কাজল
০৬ সেপ্টেম্বর, ২০১৯ ০০:০০:০০
প্রিন্টঅ-অ+


আমরা অসহায়, আমরা জিম্মি, আমাদের হাত বাঁধা, আমরা দেখেও দেখি না। আমরা বলতে ও করতে জানি না। আমরা শুধু চেয়ে থাকি। সাধারণ মানুষগুলোর সড়ক নিয়ে এমন ধারণা তৈরি হচ্ছে দিন দিন। চোখের সামনে আপনজন একে একে বিদায় নিয়ে চলে যাচ্ছে অথচ আমাদের কিছু বলার থাকে না। শুধু দু'চোখে একটু জল এনে তাদের বিদায় দিয়েই আমাদের দায়িত্ব শেষ হয়ে যায়। আর কতো দিন দেখতে হবে এ দৃশ্য? আর কতো দিন মেনে নিতে হবে আমাদেরকে? আমরা এতোটাই অসহায় যে আমাদের আর্তনাদ কেউ শুনতে পায় না। যারা আমাদের জন্যে কিছু করতে পারবে, যাদের কিছু করার কথা তাদের দিকে আমরা দু'চোখ মেলে তাকিয়ে আছি। আমরা একটু বাঁচতে চাই। নিরাপদ জীবন আমাদের অধিকার। আমরা নিরাপদ সড়ক চাই- এটাও আমাদের অধিকার। দয়া করে আমাদের বাঁচতে দিন। ঘর থেকে বের হলে আমাদের আপনজন বলতে পারে না আমরা নিরাপদে বাড়ি ফিরবো কি না। যতটুকু সময় একটি লোক বাইরে থাকে তাদের জন্যে ততটা সময় আপনজনদের উৎকণ্ঠায় থাকতে হয়। আমরা নিরাপদে বাড়ি ফিরতে চাই।



দেশের বিভিন্ন সড়কের সাথে পাল্লা দিয়ে চলছে চাঁদপুর জেলার বিভিন্ন সড়কে দুর্ঘটনা। সম্প্রতি বেশ কয়েকটি সড়ক দুর্ঘটনা সাধারণ মানুষের মনে আতঙ্ক বাড়িয়ে দিয়েছে। জনগণ এখন সড়কে বের হতে ভয় পায়। আতঙ্কের অপর নাম হয়ে উঠছে সড়ক। দিনের পর দিন সড়কে তাজা তাজা প্রাণ ঝরে গেলেও সংশ্লিষ্টদের কাছ থেকে তেমন কোনো উদ্যোগ নিতে দেখা যায়নি।



চাঁদপুর-কুমিল্লা আঞ্চলিক সড়কসহ জেলার বিভিন্ন সড়কে বর্তমানে দুর্ঘটনার প্রধান কারণ হিসেবে সিএনজি অটোরিঙ্াকেই দায়ী করা হয়ে থাকে। এ যানবাহনটিই বর্তমানে বেশি দুর্ঘটনায় কবলিত হচ্ছে। এর কারণ হিসেবে সাধারণ যাত্রীদের ধারণা, অতিরিক্ত যাত্রী বহন, দ্রুত গতি, অদক্ষ চালক, ঘাটে ঘাটে চাঁদাবাজি, লাইসেন্সবিহীন চালক ও গাড়ি অন্যতম। এছাড়া জেলাতে স্বাভাবিকের তুলনায় মাত্রাতিরিক্ত সিএনজি স্কুটার থাকার কারণে দুর্ঘটনা ঘটছে প্রতিদিন। সাধারণ জনগণ মনে করেন দুর্ঘটনার এ কারণগুলো প্রশাসন একটু নজর দিলেই নিয়ন্ত্রণ করা সম্ভব। শাহরাস্তি উপজেলার কাকৈরতলা বাজারে ৬ জন প্রাণ হারানোর পর শাহরাস্তি থানা পুলিশ সড়কে শৃঙ্খলা ফিরিয়ে আনতে উঠে পড়ে লাগে। তাদের এই সাঁড়াশি অভিযান ২/৩ দিনের বেশি স্থায়ী হয়নি। কোনো এক অদৃশ্য কারণে এ অভিযান আলোর মুখ দেখেনি, আবার আগের মতোই সড়কের পুরোনো রূপ ফুটে উঠে। কে ফেরাবে সড়কে শৃঙ্খলা, বেপোরোয়া নিয়ন্ত্রণহীন, সিএনজি স্কুটারের দৌরাত্ম থামাবে কে? আর কতো তাজা প্রাণ সড়কে বিলিয়ে দিলে আমরা নিরাপদ সড়ক পাবো? চোখের সামনে একে একে আপনজনগুলো বিদায় নিয়ে চলে যাচ্ছে। আর সহ্য হয় না এ দৃশ্য। আর কতো আপনজনকে বিদায় জানাতে হবে, আমরা কি তাদের কাছে হেরে যাচ্ছি ? আমরা বলতে বলতে ক্লান্ত, আর বলার শক্তি নেই। শুধু অনুরোধ করবো, দয়া করে নজর দিবেন কি?



লেখক : সাংবাদিক।



 



 



 


এই পাতার আরো খবর -
    আজকের পাঠকসংখ্যা
    ২৫৯২১৯
    পুরোন সংখ্যা