চাঁদপুর, রোববার ৬ অক্টোবর ২০১৯, ২১ আশ্বিন ১৪২৬, ৬ সফর ১৪৪১
jibon dip

সর্বশেষ খবর :

  • -
হেরার আলো
বাণী চিরন্তন
আল-হাদিস

৫৭-সূরা হাদীদ


২৯ আয়াত, ৪ রুকু, মাদানী


পরম করুণাময় ও অসীম দয়ালু আল্লাহর নামে শুরু করছি।


 


 


 


০৩। তিনিই আদি, তিনিই অন্ত; তিনিই ব্যক্ত ও তিনিই গুপ্ত এবং তিনি সর্ববিষয়ে সম্যক অবহিত।


৪। তিনিই ছয় দিবসে আকাশম-লী ও পৃথিবী সৃষ্টি করিয়াছেন; অতঃপর 'আরশে সমাসীন হইয়াছেন। তিনি জানেন যাহা কিছু ভূমিতে প্রবেশ করে ও যাহা কিছু উহা হইতে বাহির হয় এবং আকাশ হইতে যাহা কিছু নামে ও আকাশে যাহা কিছু উত্থিত হয়। তোমরা যেখানেই থাক না কেনো_তিনি তোমাদের সঙ্গে আছেন, তোমরা যাহা কিছু করো আল্লাহ তাহা দেখেন।


 


assets/data_files/web

সংশয় যেখানে থাকে সফলতা সেখানে ধীর পদক্ষেপে আসে।


-জন রে।


 


 


যে ব্যক্তি উদর পূর্তি করিয়া আহার করে, বেহেশতের দিকে তাহার জন্য পথ উন্মুক্ত হয় না।


 


যে শিক্ষা গ্রহণ করে তার মৃত্যু নেই।


 


ফটো গ্যালারি
বৃদ্ধাশ্রম-প্রবীণ নিবাস কতটুকু প্রবীণবান্ধব?
হাসান আলী
০৬ অক্টোবর, ২০১৯ ০০:০০:০০
প্রিন্টঅ-অ+


বৃদ্ধাশ্রম হলো বিনা পয়সায় দুঃস্থ ও অসহায় প্রবীণের থাকা-খাওয়ার স্থান। প্রবীণ নিবাস হলো সামর্থ্যবান প্রবীণের টাকার বিনিময়ে থাকা-খাওয়ার স্থান। পৃথিবী যোগ্য লোকদের থাকতে দেয়। যোগ্যতা কমতে থাকলে পৃথিবী সেভাবেই অবহেলার হাতখানি এগিয়ে দেবে। পৃথিবীর মানুষ সেখানেই বিনিয়োগ করবে যেখান থেকে মুনাফা কিংবা সুবিধা পাবে। একটা মানুষ যখন সংসারে অপ্রয়োজনীয় হয়ে পড়ে কিংবা অন্যদের ওপর বোঝার মতো চেপে বসে, তখন তাকে সরিয়ে দেওয়ার জন্যে মানসিক প্রস্তুতি গ্রহণ করে। বেশিরভাগ ক্ষেত্রে চিকিৎসায় অবহেলার কারণে মৃত্যু ত্বরান্বিত হয়ে থাকে। প্রবীণের ভবিষ্যৎ নেই মনে করে অনেকেই চিকিৎসার জন্যে মোটা অঙ্কের টাকা খরচ করতে চিন্তা করে। শিশুর ভবিষ্যৎ উজ্জ্বল হওয়ার সম্ভাবনা থাকায় তার চিকিৎসায় টাকা-পয়সা খরচ করতে দ্বিধা করে না। অসহায় প্রবীণরা নিরূপায় হয়ে বৃদ্ধাশ্রমে আশ্রয় নেয় আর সামর্থ্যবান প্রবীণরা প্রবীণ নিবাসে বসবাস শুরু করে। কেউ কেউ নিঃসঙ্গ প্রবীণ জীবনকে নিয়তি হিসেবে গ্রহণ করেছেন। বাংলাদেশে ছয়টি প্রবীণ নিবাস তৈরি করা হয়েছিল। ঢাকা বিভাগেরটি ফরিদপুর জেলায়, খুলনা বিভাগেরটি বাগেরহাট জেলায়। বাকি চারটি রাজশাহী, চট্টগ্রাম, সিলেট ও বরিশালে। বিশেষ কারণবশত এই ছয়টি প্রবীণ নিবাসকে সরকার ‘সেফহোম’-এ রূপান্তরিত করেছে।

সরকার সমাজসেবা অধিদপ্তরের আওতায় ৮৫টি শিশু পরিবারে প্রতিটির সঙ্গে ১০ জন করে প্রবীণ ব্যক্তির বসবাসের ব্যবস্থা রেখেছে। সরকার ভবিষ্যতে ছয়টি প্রবীণ নিবাসকে ফের চালু করবে বলে জানা গেছে। আগারগাঁও প্রবীণ নিবাসে ৪০ প্রবীণের টাকার বিনিময়ে থাকা-খাওয়ার ব্যবস্থা রয়েছে। সুবার্তা ট্রাস্ট নামে একটি স্বেচ্ছাসেবী প্রতিষ্ঠান ঢাকার শ্যামলীতে এবং হেমায়েতপুরে প্রবীণবান্ধব আবাসন ব্যবস্থা গড়ে তুলেছে। এই প্রতিষ্ঠানটি স্বল্পমূল্যে নেত্রকোনা জেলায় টেকসই প্রবীণবান্ধব আবাসনের ব্যবস্থা করেছে। প্রবীণদের বিনা পয়সায় থাকা-খাওয়া, চিকিৎসাসহ প্রয়োজনীয় সুযোগ-সুবিধা রেখে ১০০ বিঘা জমির ওপর এশিয়ার বৃহত্তম ‘বয়স্ক পুনর্বাসন কেন্দ্র’ করেন গিভেন্সি গ্রুপের মালিক খতিব জাহিদ মুকুল। গাজীপুরের কাপাসিয়া উপজেলায় ‘আবদুল আলী সেবাশ্রম’ নামে ১১০ শতক জমিতে ১০০ জনের থাকা-খাওয়ার সুযোগ-সুবিধাসহ বৃদ্ধাশ্রম গড়ে তুলেছেন শাহাজাহান কবির। এটি বাংলাদেশের দ্বিতীয় বৃহত্তম বৃদ্ধাশ্রম। নীলফামারী জেলার কিশোরগঞ্জে ১০ শতাংশ জমির ওপর টিনশেড বাড়িতে ‘নিরাপদ বৃদ্ধাশ্রম’ প্রতিষ্ঠা করেন সাজেদুর রহমান সাজু, আনিসুর রহমান ও মাসুদ আলম। কিশোরগঞ্জের স্থানীয় ১০ জন এবং সৈয়দপুর উপজেলার একজন এই বৃদ্ধাশ্রমে বসবাস করেন। গোপালগঞ্জ জেলার কাশিয়ানী উপজেলার রাহুথর ইউনিয়নের হাইশুর গ্রামে প্রতিষ্ঠা করা হয় ‘হাইশুর বৃদ্ধাশ্রম’। এ বৃদ্ধাশ্রমে বসবাসকারী প্রবীণের সংখ্যা ২১ জন। তাদের মধ্যে কয়েকজন স্ট্রোকের রোগী, মানসিক ও শারীরিক প্রতিবন্ধী রয়েছেন। বৃদ্ধাশ্রমে ২৪০ জন খাদ্য প্রদানকারী রয়েছেন, যারা বছরে অন্তত একদিন সবাইর খাবারের ব্যবস্থা করেন। বৃদ্ধাশ্রমের প্রধান সেবক হলেন আশুতোষ বিশ্বাস (আশু)। তিনি অসহায় প্রবীণদের খাবার জোগাড় করতে হাটে-বাজারে গান গেয়ে, বাদ্যযন্ত্র বাজিয়ে ভিক্ষে করেন। তার স্ত্রী মনিকা রাণী স্থানীয় সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষিকা। আশুতোষ বিশ্বাস করেন, তৃষ্ণার্তকে জলদান, ক্ষুধার্তকে অন্ন, আশ্রয়হীনকে আশ্রয়দানই হলো মানব ধর্ম।

জননেতা তোফায়েল আহমেদ ভোলা সদর উপজেলার বাংলাবাজারে মায়ের নামে ‘ফাতেমা খানম বৃদ্ধাশ্রম’ নির্মাণ করেছেন। এটি ফাতেমা খানম ট্রাস্টের অর্থায়নে নির্মিত হয়েছে। এখানে অসহায় প্রবীণ নারীদের যতœ সহকারে থাকা-খাওয়ার ব্যবস্থা রয়েছে। নোয়াখালী জেলার চাটখিল উপজেলার গোসাতলী গ্রামে ‘ডাঃ সিরাজুল ইসলাম বৃদ্ধাশ্রম’ নির্মাণ করেন ডাঃ রুবাইয়াত ইসলাম মন্টি। ২০১৮ সালে ডাঃ সিরাজুল ইসলামের ছেলে ডাঃ মন্টি এটি প্রতিষ্ঠা করেন। নোয়াখালী জেলা শহরের হরিনারায়ণপুরে ২০০৭ সালে টিসিএস হালিমা মাহমুদা বৃদ্ধাশ্রম নির্মিত হয়। এখানে বর্তমানে ২৫ জন প্রবীণ বসবাস করেন। মিল্টন সমাদ্দার ঢাকার মিরপুরে ‘চাইল্ড অ্যান্ড ওল্ড এইজ কেয়ার’ নামে একটি বৃদ্ধাশ্রম চালান। বর্তমানে এখানে প্রায় চল্লিশজন প্রবীণ নরনারী বসবাস করেন। জনসাধারণের প্রত্যক্ষ সহযোগিতা নিয়ে এটি পরিচালিত হয়ে থাকে। রাজধানী ঢাকার আবদুল্লাহপুরের জিয়াবাগে (মৈনারটেক) সেলিনা সুলতানা শেলি ‘আপন নিবাস’ নামে একটি বৃদ্ধাশ্রম গড়ে তোলেন। এখানে প্রায় তিরিশজন প্রবীণ বসবাস করেন। আপন নিবাস সাধারণ মানুষের আর্থিক সহায়তায় পরিচালিত হয়ে থাকে।

    রাজধানীর মিরপুরে চলচ্চিত্র জগতের বহুল আলোচিত খলনায়ক আনোয়ার হোসেন ডিপজল ২০০ শয্যার প্রবীণ নিবাস গড়ে তুলছেন, যার ৬০ শতাংশ কাজ এরই মধ্যে সম্পন্ন হয়েছে। এই বৃদ্ধাশ্রমটিতে প্রবীণরা বিশ্বমানের সেবা পাবেন বলে আশাবাদ ব্যক্ত করেন ডিপজল। নারায়ণগঞ্জ জেলার সৈয়দপুরে শিল্পপতি ও সমাজসেবক আলমাছ আলী ‘আয়েশা-আলমাছ বৃদ্ধাশ্রম’ প্রতিষ্ঠা করেন। ২০১৪ সালের বহুল আলোচিত ঘটনা হলো, হাসিনা নামে এক বৃদ্ধাকে তার ছেলেরা বস্তায় বন্দী করে রাস্তায় ফেলে যায়। তাকে উদ্ধার করে হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। সুস্থ হয়ে তিনি এই বৃদ্ধাশ্রমের প্রথম বাসিন্দা হয়েছেন। রাজশাহী জেলার বাগমারা উপজেলার ৪নং বড় বিহানলী ইউনিয়নে ৫ শতক জমির ওপর ‘জোবেদা হোসেন বৃদ্ধাশ্রম’ নির্মিত হয়েছে। এটি ২০১১ সাল থেকে চালু রয়েছে। বাঘা উপজেলার সারেরহাট কল্যাণী শিশু সদনের শাখা প্রতিষ্ঠান ‘মমতাজ-আজিজ বৃদ্ধা নিকেতন’ বৃদ্ধাশ্রমটি গড়ে উঠেছে। এটি পরিচালনা করেন শামসুদ্দিন শামেস ডাক্তার। এখানে ১০ জন প্রবীণ বাস করেন। পবা উপজেলার আলাই বিদিরপুরে ২০১৭ সালে রোটারিয়ান লাইলা রওশনের দানকৃত সাত বিঘা জমির ওপর ‘সার্ভিস সেন্টার ফর এল্ডারলি পিপল কমপ্লেক্স’ গড়ে উঠে। এখানে কর্মক্ষম প্রবীণরা কাজ করার সুযোগ পান। মহানগরীর পাশে থাকায় সেখানকার প্রবীণরা সেবা ও সহযোগিতা পান।

রাজশাহীর মোহনপুরে মৌগাছি ইউনিয়নের ভাটুপাড়া গ্রামে ‘আদর্শ মফিজ উদ্দিন বয়স্ক পুনর্বাসন কেন্দ্র’ ২০১৭ সালে প্রতিষ্ঠিত হয়। এখানে বর্তমানে ২০ প্রবীণ বসবাস করছেন। দিনাজপুর শহরের রাজবাড়ীতে ২০১২ সালে ‘শান্তি নিবাস’ নামে একটি বৃদ্ধাশ্রম প্রতিষ্ঠা করা হয়। বর্তমানে এখানে ছয় প্রবীণ বসবাস করছেন। রংপুরে পীরগাছা উপজেলার কৈকুড়ী ইউনিয়ন পরিষদের পাশে ‘দেবী চৌধুরানী বয়স্ক পুনর্বাসন কেন্দ্র’ প্রতিষ্ঠা লাভ করে। এটি পরিচালনা করেন বীমা কর্মী রাজেকা বেগম। চট্টগ্রামের রাউজানে ‘আমেনা-বশর বয়স্ক পুনর্বাসন কেন্দ্র’ বহুল পরিচিত। গাইবান্ধা জেলার গোবিন্দগঞ্জ পৌর শহরে ‘বৃদ্ধা সেবা বৃদ্ধাশ্রম’ নামে ১২ জন তরুণ নিজেদের উদ্যোগে ২০১৭ সালে এটি প্রতিষ্ঠা করেন। জনগণের আর্থিক সহায়তায় এটি পরিচালিত হয়ে থাকে। বগুড়া জেলার শেরপুর রোডে গাড়ীদহ রোডে ২০১৭ সালে আবদুল মজিদ খান তার মায়ের নামে ‘সোনাভান বৃদ্ধাশ্রম’ প্রতিষ্ঠা করেন। বগুড়ায় ‘টিএমএসএস মাসুদা প্রবীণ নিবাস’ নামে বৃদ্ধাশ্রম রয়েছে।

কুষ্টিয়া জেলার মিরপুরে তালবাড়ি ইউনিয়ন পরিষদের সাবেক চেয়ারম্যানের ছেলে আরিফুর রহমান ২ কোটি টাকা ব্যয়ে ৫০ শয্যাবিশিষ্ট ‘আসিন উদ্দিন-আয়েশা খাতুন বৃদ্ধাশ্রম’ নির্মাণ করেছেন। নেত্রকোনা জেলা শহরের মালনী এলাকায় জাতীয় তরুণ সংসদের উদ্যোগে ‘অক্রয়মণি বৃদ্ধাশ্রম’ প্রতিষ্ঠা করেন। জামালপুর সদর উপজেলর শ্রীপুর ইউনিয়নে ৫০ বিঘা জমির ওপর গড়ে উঠেছে সমন্বিত বৃদ্ধাশ্রম। প্রতিষ্ঠাতা আলেকা ফাউন্ডেশনের চেয়ারম্যান একেএম মুস্তাফিজুর রহমান মুক্তা। টাঙ্গাইল জেলার দেলদুয়ার আটিয়ায় দুই একর জমির ওপর বৃদ্ধাশ্রম গড়ে তুলেছেন সৈয়দ মাজহারুল হক। খুলনা নগরীর দৌলতপুর থানার মহেশ্বরপাশা এলাকার গোলকধাম মোড়ে ১০ শতক জমির ওপর ‘মুক্তিযোদ্ধা আবু বকর মুন্সী’ বৃদ্ধাশ্রমটি গড়ে তোলেন অধ্যাপক ইফতাদুল হোসেন লাভলু। যশোর জেলার সদর উপজেলায় হৈবতপুর ইউনিয়ন ‘ওল্ড কেয়ার হোম’টি স্বাধীন আলো ফাউন্ডেশন প্রতিষ্ঠা করে। পটুয়াখালী টেলিপ্লাজা সংলগ্ন এলাকায় অ্যাডভোকেট জাকির হোসেনের উদ্যোগে ‘দক্ষিণবঙ্গ বৃদ্ধাশ্রম’ ২০১১ সালে গড়ে উঠেছে।

মাদারীপুর জেলার শিবচরের শিরুয়াইল ইউনিয়নের উৎরাইল গ্রামে যুক্তরাজ্য প্রবাসী শামসুন্নাহার চৌধুরী রোজীর প্রচেষ্টায় কমিউনিটি ক্লিনিকের সঙ্গে একটি বৃদ্ধাশ্রম গড়ে তোলা হয়েছে। সিলেটের সাহেববাজার উমাদারপাড়ায় গোল্ডেন ড্রিম ওমেন অরগানাইজেশনের চেয়ারপারসন কামরুন নেছা মতিন বৃদ্ধাশ্রমটি প্রতিষ্ঠা করেন। ফেনী চৌধুরী গার্ডেন পার্ক ও বৃদ্ধাশ্রমটি প্রতিষ্ঠা করেন জাহাঙ্গীর আলম চৌধুরী। পার্ক থেকে প্রাপ্ত আয় দিয়ে তিনি বৃদ্ধাশ্রমটি পরিচালনা করেন। কক্সবাজার শহরের ঘোনাপাড়ায় উন্নয়ন সমিতির উদ্যোগে ২০ প্রবীণকে নিয়ে বৃদ্ধাশ্রমটির যাত্রা শুরু হয়েছে। আমার জানার বাইরে আরও বৃদ্ধাশ্রম কিংবা প্রবীণ নিবাস থাকতে পারে। সব কিছু বিবেচনায় নিলে আমরা দেখি সরকারি উদ্যোগের পাশাপাশি ব্যক্তি এবং সংগঠনগুলো প্রবীণসেবার প্রতি মনোযোগী হয়েছে। অসহায় ও দুঃস্থ প্রবীণের থাকা-খাওয়ার সঙ্কট একেকজন একেকভাবে সমাধানের চেষ্টা করছেন। প্রবীণরা দুর্বল বিধায় তাদের নিয়ে একদল মানুষ বাণিজ্য করার চেষ্টা করছেন। প্রবীণদের বাণিজ্যের হাত থেকে রক্ষা করতে সর্বস্তরের মানুষের সক্রিয় অংশগ্রহণ জরুরি। জীবনের শেষ দিনগুলো স্বস্তিদায়ক মর্যাদাপূর্ণ করার জন্য সম্মিলিত প্রচেষ্টা গ্রহণ সময়ের দাবি।

 


আজকের পাঠকসংখ্যা
৩২৭০৮২
পুরোন সংখ্যা