চাঁদপুর, রোববার ৬ অক্টোবর ২০১৯, ২১ আশ্বিন ১৪২৬, ৬ সফর ১৪৪১
jibon dip

সর্বশেষ খবর :

  • -
হেরার আলো
বাণী চিরন্তন
আল-হাদিস

৫৭-সূরা হাদীদ


২৯ আয়াত, ৪ রুকু, মাদানী


পরম করুণাময় ও অসীম দয়ালু আল্লাহর নামে শুরু করছি।


 


 


 


০৩। তিনিই আদি, তিনিই অন্ত; তিনিই ব্যক্ত ও তিনিই গুপ্ত এবং তিনি সর্ববিষয়ে সম্যক অবহিত।


৪। তিনিই ছয় দিবসে আকাশম-লী ও পৃথিবী সৃষ্টি করিয়াছেন; অতঃপর 'আরশে সমাসীন হইয়াছেন। তিনি জানেন যাহা কিছু ভূমিতে প্রবেশ করে ও যাহা কিছু উহা হইতে বাহির হয় এবং আকাশ হইতে যাহা কিছু নামে ও আকাশে যাহা কিছু উত্থিত হয়। তোমরা যেখানেই থাক না কেনো_তিনি তোমাদের সঙ্গে আছেন, তোমরা যাহা কিছু করো আল্লাহ তাহা দেখেন।


 


assets/data_files/web

সংশয় যেখানে থাকে সফলতা সেখানে ধীর পদক্ষেপে আসে।


-জন রে।


 


 


যে ব্যক্তি উদর পূর্তি করিয়া আহার করে, বেহেশতের দিকে তাহার জন্য পথ উন্মুক্ত হয় না।


 


যে শিক্ষা গ্রহণ করে তার মৃত্যু নেই।


 


ফটো গ্যালারি
একজন সফল মানুষ খালিদ মাহমুদ চৌধুরী
মোঃ কায়ছার আলী
০৬ অক্টোবর, ২০১৯ ০০:০০:০০
প্রিন্টঅ-অ+


নেতা এবং কর্মীদের মধ্যে এক আবেগময় বন্ধন থাকে। যে বন্ধনের জন্যে কর্মীরা জীবনের সর্বোচ্চ ত্যাগ স্বীকার করে দল বা তাদের নেতার জন্যে। আজকে চোখের সামনে ঘটে যাওয়া তেমনি কিছু ভাসমান স্মৃতি, বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের সফল সাংগঠনিক সম্পাদক এবং মাননীয় এমপি খালিদ মাহমুদ চৌধুরী মহোদয়ের জীবনের কিছু অংশ নিয়ে লিখছি। তিনি ১৯৭০ সালের ৩১ জানুয়ারি ধনতলা গ্রামের বোচাগঞ্জ, দিনাজপুরে এক সম্ভ্রান্ত মুসলিম পরিবারে জন্মগ্রহণ করেন। পিতা আব্দুর রৌফ চৌধুরী, মাতা রমিজা রৌফ চৌধুরী। ১৯৮৪ সালে সেতাবগঞ্জ পাইলট উচ্চ বিদ্যালয় থেকে এস.এস.সি. ১৯৮৬ সালে দিনাজপুর সরকারি কলেজ থেকে এইচ.এস.সি. এবং ১৯৮৯ সালে রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের অধীনে বি.কম এবং ১৯৯২ সালে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে মাস্টার্স ডিগ্রি অর্জন করেন। পরবর্তীতে তিনি ন্যাশনাল ডিফেন্স (ঘউঈ)-এর অধীনে ক্যাপস্টোন কোর্স সম্পন্ন করেন।

ছাত্রজীবন থেকেই বঙ্গবন্ধুর আদর্শে গড়া সংগঠন বাংলাদেশ ছাত্রলীগের রাজনীতির সাথে যুক্ত ছিলেন এবং কেন্দ্রীয় কমিটির দপ্তর সম্পাদক পদে দায়িত্ব পালন করেন। পরবর্তীতে ২০০২ সালে জাতীয় কাউন্সিলে বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের উপ-কমিটির সহ-সম্পাদক নির্বাচিত হন এবং ২০০৭ সালের ১২ই জানুয়ারি আওয়ামী লীগ সভানেত্রীর বিশেষ সহকারীর দায়িত্ব লাভ করেন। তিনি ২০০৮, ২০১৪ এবং ২০১৮ সালের জাতীয় সংসদ নির্বাচনে পরপর তিনবার দিনাজপুর-২ (বিরল-বোচাগঞ্জ) আসন থেকে আওয়ামী লীগের মনোনয়ন নিয়ে সংসদ সদস্য নির্বাচিত হন। ২০০৯, ২০১২ এবং ২০১৬ সালের আওয়ামী লীগের কাউন্সিলে পরপর তিনবার সাংগঠনিক সম্পাদক নির্বাচিত হন। তিনি রংপুর এবং রাজশাহী বিভাগের দায়িত্বে থাকার সময় ২০ ডিসেম্বর ২০১২ এবং ৩০ জুলাই ২০১৮ সালে আওয়ামী লীগ সমর্থিত (মনোনীত প্রার্থী) সরফুদ্দিন আহমেদ ঝন্টু এবং এ এইচ এম খায়রুজ্জামান লিটনকে মেয়র পদে বিজয়ের মুকুট পরান। তাঁর নির্বাচনী কৌশলগত দক্ষতা আর স্থানীয় আওয়ামী লীগকে ঐক্যবদ্ধ তথা এক সুতোয় নিয়ে আসতে পারার কারণে দুটো রাজনৈতিক দলের দুর্গ ভেঙ্গে ঐতিহাসিক সাফল্য এনে দেন, যা সর্বত্রই প্রশংসনীয় হয়।

শত ব্যস্ততার মধ্যেও খালিদ মাহমুদ ব্যক্তিগত, পারিবারিক, সামাজিক এবং রাজনৈতিক জীবনের পরতে পরতে নিখুঁতভাবে দায়িত্ব পালন করে চলেছেন। ২০১৬ সালের ২২ ও ২৩ অক্টোবর আওয়ামী লীগের ২০তম কাউন্সিলের জন্যে তিনি ঢাকায় দলের কাজে ব্যস্ত আবার ২১ অক্টোবর তাঁর বাবার ৯ম মৃত্যুবার্ষিকী। ওইদিনই তিনি ঢাকা থেকে ছুটে এসে বাবার কবর জিয়ারত এবং মিলাদ মাহফিল শেষে আবার ঢাকায় ফিরে যান। একমাত্র পুত্র সন্তান হিসেবে বাবার প্রতি যেভাবে দায়িত্ব ও কর্তব্য পালন করেছেন, আবার নিজে পিতা হিসেবে একমাত্র কন্যা সন্তান তুষারাদ্রী (তিতম) মাহমুদকে আধুনিক শিক্ষায় যোগ্য করে গড়ে তুলছেন। অবশ্য এ কাজে সর্বাত্মক সহযোগিতা করছেন তাঁর সহধর্মিণী রশীদুন আরা হাসনিন (লিরা)। ২০১৭ সালের আগস্ট মাসে দিনাজপুরের স্মরণকালের ভয়াবহ বন্যায় মানুষ যখন দিশেহারা তখন দুর্গত এলাকায় নৌকা নিয়ে পরিদর্শন করে প্রয়োজনীয় দিক নির্দেশনা দেন আবার ঢাকায় গিয়ে মাননীয় প্রধানমন্ত্রীকে নিয়ে ১৭ আগস্ট বিরলের তেঘরা স্কুলে ত্রাণ বিতরণ শেষে ঐতিহাসিক সমাবেশ করেন। দিনাজপুর-২ বাসীর প্রতি যথাযথভাবে অর্পিত দায়িত্ব পালন শেষে ঐ দিনই তিনি মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর সফরসঙ্গী হিসেবে কুড়িগ্রাম গিয়ে বিভাগীয় দায়িত্ব পালন করেন। সেখানেই শেষ নয়, ঢাকায় ফিরে গিয়ে জাতীয় নেতার মত মহান কর্তব্যগুলো সম্পাদন করেন।

মাতৃভূমির প্রতি নাড়ীর টানে এবং গভর্নিং বডির সভাপতি হিসেবে সেতাবগঞ্জ সরকারি কলেজের ৫০ বছর পূর্তিতে ২০ ডিসেম্বর ২০১৭ সালে জাতীয় বিশ^বিদ্যালয়ের ভাইস চ্যান্সেলর ড. হারুন-উর-রশিদ কে প্রধান অতিথি হিসেবে নিয়ে এসে জাঁকজমকপূর্ণভাবে দিনটি উদ্্যাপন করেন। শিক্ষকের মর্যাদা রক্ষায় এবং কলেজের অর্থায়নে তিনতলা ভবনের নাম দেন প্রফেসর ড. হারুন-উর-রশিদ ভবন। ২০১৮ সালের ১৮ই মার্চ ধুকুরঝাড়ী কলেজে প্রবেশ করে চারদিকে তাকিয়ে মঞ্চে উঠে আসন গ্রহণ করে অধ্যক্ষ স্যারকে ৪ তলা একাডেমিক ভবন প্রদানের আশ্বাস দেন, যা বাস্তবায়িত হচ্ছে। ২৪ মার্চ ২০১৮ ধুকুরঝাড়ী স্কুলে ৪ তলা একাডেমিক ভবনের ভিত্তি প্রস্তর অনুষ্ঠানের শেষ পর্যায়ে তিনি ঐ বিদ্যালয়ের সাবেক কৃতীছাত্র মোঃ নুরুল ইসলাম (অতিরিক্ত সচিব)-এর নামে ভবনের নামকরণের প্রস্তাব পেশ করেন কমিটির কাছে। এটা মেধাবী ছাত্রদের প্রতি স্যারের আন্তরিক ভালবাসার ফল। ২৬ মার্চ ২০১৮ বিরল ফুটবল খেলার মাঠে মহান জাতীয় ও স্বাধীনতা দিবস যথাযোগ্য মর্যাদায় পালনে সকাল থেকে দুপুর পর্যন্ত ধৈর্য ধরে মার্চ পাস্ট, সালাম অভিবাদন গ্রহণসহ ডিসপ্লে উপভোগ করেন।

একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের প্রাক্কালে নিজ নির্বাচনী এলাকায় সাইকেল র‌্যালিতে নেতৃত্ব দিয়ে চমক সৃষ্টি করেন এবং ৩০শে ডিসেম্বর ২০১৮ ভোটের দিন সকাল সাড়ে আটটায় সেতাবগঞ্জ পৌরসভার ধনতলা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে একজন নতুন ভোটারকে সঙ্গে নিয়ে ভোট প্রদান করেন। ২০১৯ সালের ৭ জানুয়ারি তিনি নৌ পরিবহন মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী হিসেবে দায়িত্ব পেয়ে ঢাকা থেকে সড়ক পথে ১২ জানুয়ারি দিনাজপুর আসার সময় মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর স্বামী ড. ওয়াজেদ মিয়ার (পীরগঞ্জ, রংপুর) কবর জিয়ারত করে চেহেলগাজী মাজারে শহীদদের প্রতি শ্রদ্ধা নিবেদন শেষে এবং জেলা প্রশাসন কর্তৃক গার্ড অব অনার নিয়ে বড় মাঠের শহীদ মিনারে নাগরিক সংবর্ধনায় যোগ দেন।

আপনবেগে ছুটে চলা অনন্তকাল ধরে সারাদেশের শুকিয়ে যাওয়া মরা নদ-নদীগুলোকে আর্তনাদের হাত থেকে বাঁচানোর জন্য তিনি আপ্রাণ চেষ্টা করে যাচ্ছেন। গত ঈদ-উল-ফিতর এবং ঈদ-উল-আযহায় নৌপথে যাত্রী সেবা নিশ্চিত করতে মনিটরিং ব্যবস্থা জোরদার ও যাত্রীদের সচেতনতা বৃদ্ধি করায় প্রচুর যাত্রীর চাপ থাকলেও মানুষ শান্তিপূর্ণভাবে ঈদের আনন্দ পরিবার পরিজনসহ শেয়ার করতে পেরেছেন। অসাম্প্রদায়িক, প্রত্যুৎপন্নমতি, দূরদর্শী এবং বাগ্মী হিসেবে তাঁর সুনাম থাকায় বিভিন্ন চ্যানেলে টকশোতে সাম্প্রতিক ইস্যু নিয়ে অংশগ্রহণ করেন। ১ম মন্ত্রী হওয়ার পর ১৪ই জানুয়ারি ২০১৯ ডিবিসি চ্যানেলে ‘সংলাপ না শুভেচ্ছা বিনিময়’ বিষয়ে অতিথি হিসেবে জনাব মুজাহিদুল ইসলাম সেলিম এবং অ্যাডঃ তৈমুর আলম খন্দকারের সঙ্গে ডিবেট করেন। ব্যস্ততার ফাঁকে তিনি বিভিন্ন জাতীয় দৈনিকে প্রবন্ধ ও নিবন্ধ লিখেন বা সাক্ষাৎকার দেন। ‘স্থিতিশীল দেশে এবারের উদ্যাপনী আয়োজন’ (দৈনিক আমাদের সময় ২২/১০/২০১৬), ‘১৫ই আগস্ট ও মুক্তিযুদ্ধ বিরোধী রাজনীতি’ (দৈনিক করতোয়া ১৫/০৮/২০১৭), ‘বাংলাদেশের অহংকার দেশরতœ শেখ হাসিনা’ (দৈনিক আমাদের সময় ২৮/০৯/২০১৭), সাক্ষাৎকার সাপ্তাহিক (প্রথমবার) ০১/১২/২০১৬ : ‘খালেদার প্রস্তাব স্ট্যান্ডবাজি ছাড়া কিছুই না’ এবং (দ্বিতীয়বার) ১২/০৭/২০১৮ : ‘আমরা সকল ষড়যন্ত্র মোকাবেলা করতে প্রস্তুত।’ সৈয়দ আশরাফুল ইসলাম স্মরণে লিখেন, ‘একজন নির্ভেজাল নির্লোভ মানুষ ছিলেন’ (দৈনিক আমাদের সময়, ৫ জানুয়ারি ২০১৯)। গত ১৫ আগস্ট ২০১৯ দৈনিক নয়া দিগন্তে লিখেন ‘ষড়যন্ত্র দমাতে পারেনি বঙ্গবন্ধুর বাংলাদেশকে।’

গত ৯ মে ২০১৯ দিনাজপুরে আওয়ামী লীগের কা-ারী অ্যাডঃ আমজাদ হোসেনের ১৪তম মৃত্যুবার্ষিকীতে বিকেলে দোয়া মাহফিলে সুইহারী বাসভবনে অংশগ্রহণ করেন। ১১ মে ২০১৯ ধুকুরঝাড়ী উচ্চ বিদ্যালয়ে নবনির্মিত একাডেমিক ভবন (নুরুল ইসলাম ভবন) উদ্বোধন শেষে বিকেলে তেঘরা উচ্চ বিদ্যালয়ে ৪ তলা একাডেমি ভবনের ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন অনুষ্ঠানে খালিদ মাহমুদ চৌধুরী তাঁর বক্তব্যে বলেন, “এই স্কুলের মাটিতে মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর পা পড়েছে। তাই এই স্কুলকে স্বপ্নের ঠিকানা হিসেবে গড়তে হবে।” কথা প্রসঙ্গে ধন্য মা মহীয়সী রতœগর্ভা বঙ্গমাতা ফজিলাতুন্নেসা মুজিবের নামে ভবনের নামকরণের প্রস্তাব দেন, আর ভবন উদ্বোধনের দিন মাননীয় শিক্ষামন্ত্রী দীপু মনিকে নিয়ে আসবেন বলে কথা দেন। ঐদিন বিরল ইফতার মাহফিলে গিয়ে শোক সংবাদ পান যে, সহ-সভাপতি অ্যাডঃ রিয়াজুল ইসলাম আর নেই। ইফতার মাহফিলে ইফতারের পূর্বে বলেন, আজ এখানে মরহুমের উপস্থিত থাকার কথা ছিল। উপজেলা এবং জাতীয় সংসদ নির্বাচনে মরহুমের অবদানের কথা শ্রদ্ধার সাথে স্মরণ করেন। ইফতারের পর মরহুমের চাউলিয়াপট্টি শহরের বাসভবনে শোকসন্তপ্ত পরিবারের প্রতি সমবেদনা জানাতে ছুটে যান। পরের দিন ১২ মে বাদ যোহর গ্রামের বাড়িতে জানাজায় উপস্থিত হয়ে বেসরকারি মেডিকেল পড়–য়া ৪র্থ মেয়েটির কথা এবং পারিবারিক কবরস্থানের খাজনা পরিশোধ করার কথা বর্ণনা করেন। নেতা-কর্মীদের পরিবারের কার কী অবস্থা তা তাঁর ভাল জানা আছে। দাফন কাজে অংশগ্রহণ করে মরহুমের অশীতিপর বৃদ্ধা মায়ের সামনে দাঁড়িয়ে অনেকক্ষণ কথা শুনেন এবং বলেন।

নেতা-কর্মীবান্ধব বলেই তো তিনি বিপদ আপদে তাদের মাঝে ছুটে যান। ৫ জুন ঈদ-উল-ফিতরের দিনে সানমুনের পিতা নজরুল ইসলামের মৃত্যুতে সশরীরে হাজির হন। ১২ আগস্ট ঈদ-উল-আযহার দিনে ৮নং ধর্মপুর ইউপি রতন চন্দ্রের মায়ের শ্রাদ্ধানুষ্ঠানে যোগদান তাঁকে অনেক বড় আসনে নিয়ে গেছে বলে আমার বিশ্বাস। তিনি নিজ দলের পাশাপাশি অন্যদলের নেতা-কর্মীর জানাজাতেও শরীক হন। বিশেষ করে বিএনপি সহ-সভাপতি নজমুল সরকারের কথা না লিখলেই নয়। ভিন্নমতের উপজেলা পরিষদ ভাইস চেয়ারম্যান এবং চেয়ারম্যানকে তিনি কোনো প্রকার রাজনৈতিক হয়রানি করেননি। কোনো প্রকার সিন্ডিকেট বাহিনী বিরল-বোচাগঞ্জে নেই। এ এলাকায় রাস্তাঘাট, রেলপথ দেখলে মনে হবে আধুনিক উন্নত বাংলাদেশের সোনালী চিত্র। বাঁধ, ব্রিজ, অর্থনৈতিক অঞ্চলসহ নানা দিক যেভাবেই এগিয়ে যাচ্ছে ঠিক সেভাবেই জনগণের হৃদয়ের মণিকোঠায় স্থান পাচ্ছে আজ তাঁর নাম এবং কর্ম। সময় সচেতন এবং আন্তরিকতায় মুগ্ধ এ এলাকার আপামর জনগণ তাঁকে নিয়ে অনেক বড় স্বপ্ন দেখে।



লেখক : শিক্ষক, প্রাবন্ধিক ও কলামিস্ট। মোবাইল ফোন : ০১৭১৭-৯৭৭৬৩৪, kaisardinajpur@yahoo.com

 


আজকের পাঠকসংখ্যা
৩২৭৪০২
পুরোন সংখ্যা