চাঁদপুর। সোমবার ৬ ফেব্রুয়ারি ২০১৭। ২৪ মাঘ ১৪২৩। ৮ জমাদিউল আউয়াল ১৪৩৮
ckdf

সর্বশেষ খবর :

  • ধেয়ে আসছে ঘূর্ণিঝড় মোড়া, চাঁদপুরে ০৭ (সাত) নম্বর বিপদ সংকেত নামিয়ে তার পরিবর্তে ১০ (দশ) নম্বর মহাবিপদ সংকেত  || ধেয়ে আসছে ঘূর্ণিঝড় মোড়া, চাঁদপুরে ৭ নম্বর বিপদ সংকেত
হেরার আলো
বাণী চিরন্তন
আল-হাদিস

২৭-সূরা নাম্ল 


৯৩ আয়াত, ৭ রুকু, ‘মক্কী’


পরম করুণাময় ও অসীম দয়ালু  আল্লাহর নামে শুরু করছি।


 


৭। স্মরণ কর সেই সময়ের কথা, যখন মূসা তাহার পরিবারবর্গকে বলিয়াছিলো, ‘আমি আগুন দেখিয়াছি, সত্বর আমি সেথা হইতে তোমাদের জন্য কোনো খবর আনিবো অথবা তোমাদের জন্য আনিবো জ্বলন্ত অঙ্গার, যাহাতে তোমরা আগুন পোহাইতে পারো’।  


দয়া করে এই অংশটুকু হেফাজত করুন


ঔদ্ধত্য মানুষের জীবনে দুঃখ আনে।


                   -টমাস ক্যাম্বেল।


ধনের যদি সদ্ব্যবহার করা হয় তবে তা সুখের বিষয় এবং সদুপায়ে ধন বৃদ্ধির জন্যে সকলেই বৈধভাবে চেষ্টা করতে পারে।    


 

শিশুর কান পেকেছে কী করবেন
০৬ ফেব্রুয়ারি, ২০১৭ ০০:০০:০০
প্রিন্টঅ-অ+

কান পাকা রোগ আমাদের দেশে একটি সাধারণ সমস্যা। চিকিৎসকের ভাষায় এই রোগকে ঈঙগ অর্থাৎ ক্রনিক অটাইসিস মিডিয়া বলা হয়। সঠিক চিকিৎসার মাধ্যমে এ রোগ দ্রুত সারানো যায়। তবে দীর্ঘদিন ধরে শিশু যদি এ রোগে ভুগতে থাকে এবং তার চিকিৎসা না হয় তাহলে এ রোগ জটিল দিকে মোড় নেয়ার আশঙ্কা থাকে।

চিকিৎসকের মতে, কানের পর্দায় একটা স্থায়ী অসামঞ্জস্য তৈরি হলে কান পাকা রোগ হয়। মধ্যকর্ণের আকস্মিক প্রদাহ, মধ্যকর্ণের বায়ুচাপ অথবা সেখানে পানি জমে থাকলে এ রোগের আশঙ্কা দেখা যায়। অ্যাডেনয়েডের সমস্যা বা টনসিলের অস্ত্রোপচার হয়ে থাকলেও কান পাকতে পারে।

এছাড়া শিশুকে খাওয়ানোর পদ্ধতিতে কিছু ভুল, শ্বাসতন্ত্রে সংক্রমণ অর্থাৎ যাদের প্রায়ই সর্দি, কাশি, গলা ব্যথা বা এ ধরনের সমস্যা হয়ে থাকে তাদেরই কান পাকার আশঙ্কা থাকে সবচেয়ে বেশি।

কান পাকলে কানে ব্যথা বা ভারী অনুভব হয়। কিছুদিন কানে ব্যথা বা অস্বস্তি হওয়ার পর হঠাৎ করে কান থেকে পুঁজ বা অন্য কোনো ধরনের তরল বের হয়ে আসতে থাকে।

চিকিৎসা

কান পাকা সমস্যা প্রতিরোধ করার একমাত্র উপায় হচ্ছে, কান সবসময় পরিষ্কার রাখা। ব্যথানাশক ওষুধ খাওয়ানো যেতে পারে তবে অবশ্যই চিকিৎসকের পরামর্শ নিয়ে। ছোট্ট শিশুকে গোসলের সময় বা খাবার খাওয়ানোর সময় খেয়াল রাখতে হবে খাবার যে কোনও ভাবেই কানের ভিতরে না ঢোকে। প্রয়োজন হলে কনে তুলা বা কাপড় গুঁজে দিয়ে খাওয়াতে হবে।

তবে কান পাকলে ভয় পাওয়ার কিছু নেই। বেশির ভাগ ক্ষেত্রেই এটা চিকিসার মাধ্যমে সহজেই সেরে যায়। তবে কিছু শিশু ভালো হয়ে গেলেও পরে আবারও কান পাকার আশঙ্কা থাকে। এ রকম হলে অবশ্যই চিকিৎসকের পরামর্শ নেবেন।

আজকের পাঠকসংখ্যা
৯১২৯৩
পুরোন সংখ্যা