চাঁদপুর। সোমবার ৬ ফেব্রুয়ারি ২০১৭। ২৪ মাঘ ১৪২৩। ৮ জমাদিউল আউয়াল ১৪৩৮
ckdf

বিজ্ঞাপন দিন

সর্বশেষ খবর :

  • --
হেরার আলো
বাণী চিরন্তন
আল-হাদিস

২৭-সূরা নাম্ল 


৯৩ আয়াত, ৭ রুকু, ‘মক্কী’


পরম করুণাময় ও অসীম দয়ালু  আল্লাহর নামে শুরু করছি।


 


৭। স্মরণ কর সেই সময়ের কথা, যখন মূসা তাহার পরিবারবর্গকে বলিয়াছিলো, ‘আমি আগুন দেখিয়াছি, সত্বর আমি সেথা হইতে তোমাদের জন্য কোনো খবর আনিবো অথবা তোমাদের জন্য আনিবো জ্বলন্ত অঙ্গার, যাহাতে তোমরা আগুন পোহাইতে পারো’।  


দয়া করে এই অংশটুকু হেফাজত করুন


ঔদ্ধত্য মানুষের জীবনে দুঃখ আনে।


                   -টমাস ক্যাম্বেল।


ধনের যদি সদ্ব্যবহার করা হয় তবে তা সুখের বিষয় এবং সদুপায়ে ধন বৃদ্ধির জন্যে সকলেই বৈধভাবে চেষ্টা করতে পারে।    


 

ফটো গ্যালারি
গলা ব্যথার কারণ ও চিকিৎসা
০৬ ফেব্রুয়ারি, ২০১৭ ০০:০০:০০
প্রিন্টঅ-অ+


 



নানা কারণে গলা ব্যথা হয়ে থাকে। গলা ব্যথার উপশমে কিছু ঘরোয়া চিকিৎসা ও চিকিৎসকের পরামর্শ দেয়া গেল।



১। গলা ব্যাথার জন্য গরম পানীয় খুব কার্যকর। আদা চা, কফি, মধু মিশানো জল, গরম দুধ প্রভৃতি পান করতে হবে।



২। গলা ব্যথা বেশি হলে শীঘ্রই চিকিৎসকের পরামর্শ নিতে হবে। অনেক সময় টনসিল ফুলে গলা ব্যথা হয়ে থাকে। সেক্ষেত্রে পরামর্শ নিয়ে নিয়মিত ওষুধ সেবন করতে হবে।



৩। গলা ব্যথার সঙ্গে যদি ঢোক গেলার সময় কাঁটা কাঁটা অনুভূতি হয় তবে চিকিৎসকের পরামর্শ নিন। গ্ল্যান্ড ফুলে, গ্ল্যান্ডে ইনফেকশন হলে এরকম হয়ে থাকে। সময়মত চিকিৎসা না করালে পরবর্তীতে এটি থেকে জ্বর ও অন্যান্য সমস্যা দেখা দিতে পারে।



উপরোক্ত পদ্ধতি অনুসরণ করলে এসব সমস্যা থেকে অনেকখানি সমাধান পাওয়া যায়। তবে একটি প্রবাদ আছে, প্রতিকারের চেয়ে প্রতিরোধ ভালো। শীতকালে পর্যাপ্ত গরম কাপড় পরতে হবে। ভোর সকালে বা সন্ধ্যায় বের হওয়ার সময় মাথা ঢেকে বের হন। মাফলার, টুপি প্রভৃতি ব্যবহার করুন। মাথায় কুয়াশা পড়লে তা থেকে মারাত্মক ঠা-া লেগে থাকে। যাদের টনসিলের সমস্যা আছে তাদেরকে অবশ্যই গলা ঢেকে রাখতে হবে। ঠা-া পানীয় পান, ঠা-া জল ব্যবহার যথাসম্ভব এড়িয়ে চলতে হবে।



ঋতু পরিবর্তনের ফলে হঠাৎ ঠা-া লাগা, খুব সহজেই ঠা-ায় গলা ব্যথা হওয়া, অতিরিক্ত গরম সহ্য করতে না পেরে ঢক ঢক করে ঠা-া পানি গিলে ফেলার কারণে অনেক সময়েই গলা ব্যথার সমস্যা দেখা দেয়। খুসখুসে কাশি আর জ্বরও অনেক সময় গলা ব্যথার কারণ হয়ে দাঁড়ায়। এ সময় কণ্ঠনালীতে সংক্রমণ হয়, প্রদাহ হয়, অনেক সময় টনসিল এবং অন্যান্য গ্রন্থি ফুলে যায় ও ব্যথা করে? তাই এসকল সমস্যা প্রতিরোধের জন্য সবসময় সচেতন থাকতে হবে এবং গুরুত্বপূর্ণ কিছু পরামর্শ মেনে চলতে হবে।



গলা ব্যথা রোধের ছয়টি পরামর্শ



গার্গল : গবেষণায় পরিলক্ষিত যে, কুসুম গরম পানিতে সামান্য লবণ মিশিয়ে গার্গল করা, শুধুমাত্র গলার জীবাণুকেই ধ্বংস করে না, প্রদাহ ও ব্যথা কমাতেও সাহায্য করে। তাই এক কাপ হালকা গরম পানিতে আধা চা চামচ লবণ মিশিয়ে দিনে দুই তিন বার গার্গল করা প্রয়োজন।



তরল খাবার : হাঁচি, কাশি ও গলার ভিতর প্রচুর তরল নিঃসরণের জন্য শরীর অনেকটাই পানিশূন্য হয়ে পড়ে। তাই প্রচুর পানি ও তরল খাবার খেতে হবে। তবে অবশ্যই ঠা-া পানি বর্জন করা প্রয়োজন। গলা ব্যাথায় ধোঁয়া উঠা গরম স্যুপ দারুণ কাজে দেয়।



লজেন্স : মেনথল, ইউক্যালিপটাস বা ফেনলসমৃদ্ধ কিছু লজেন্স আছে, যা চুষার ফলে গলা ব্যাথা ও প্রদাহ কমে যায়। এগুলো মূলত ক্লোরোসেপটিক অর্থাৎ গলায় একটা আরামদায়ক অনুভূতি এনে দেয়ার পাশাপাশি জীবাণুনাশক হিসেবেও কাজ করে?



চা : গলা ব্যাথায় দিনে দুই তিনবার গরম চা আমাদের অনেকটাই আরাম দিতে পারে। সেক্ষেত্রে গ্রীন টি বা হারবাল চা অনেক বেশি কার্যকর। চাইলে চায়ের মধ্যে লেবুর রস বা লবঙ্গ জাতীয় জিনিস যোগ করুন, যা ভিটামিন সি রোগ প্রতিরোধে সাহায্য করবে?



বিশ্রাম : যেকোনো অসুখে প্রজাপ্ত বিশ্রাম গ্রহণ করলেই দ্রুত সুস্থ হয়ে উঠা যায়। তাই কাজ থেকে ছুটি নিন, অবকাশ যাপন করুন, দেখবেন খুব দ্রুত আপনার গলা ব্যাথা সেরে যাবে।



ওষুধ : গলা ব্যাথায় প্যারাসিটামল বা বেদনানাশক ওষুধই যথেষ্ট। তবে ১০ শতাংশ ক্ষেত্রে গলায় স্ট্রেপটোকক্কাস সংক্রমণ হয়ে থাকতে পারে? সে ক্ষেত্রে অ্যান্টিবায়োটিক লাগতে পারে? তাই চিকিৎসকের পরামর্শ নিতে হবে।



আশা করি উপরোক্ত নিয়োম মেনে চললে আপনার গলা ব্যথা কমে যাবে। আপনি সুস্থ থাকতে পারবেন আগের চেয়েও অনেক বেশি।



 



কনজাংটিভাইটিস বা চোখ উঠা রোগ



চোখের সাদা অংশের উপরে ও পাতার নিচে যে ঝিলি্লর মত পাতলা পর্দা থাকে তাকে কনজাংটিভা বলে। কনজাংটিভার প্রদাহকে কনজাংটিভাইটিস বলে। জীবাণুর আক্রমণ, এলার্জিসহ বিভিন্ন কারণে কনজাংটিভাইটিস হতে পারে। ছোট বড় সকলেই কনজাংটিভাইটিস রোগে আক্রান্ত হয়ে থাকে। কনজাংটিভাইটিসকে সাধারণত: নিম্নলিখিতভাবে ভাগ করা যায়



 


আজকের পাঠকসংখ্যা
৭৭৫৮৪৩
পুরোন সংখ্যা