চাঁদপুর। সোমবার ১৩ মার্চ ২০১৭। ২৯ ফাল্গুন ১৪২৩। ১৩ জমাদিউস সানি ১৪৩৮
ckdf

বিজ্ঞাপন দিন

সর্বশেষ খবর :

  • --
হেরার আলো
বাণী চিরন্তন
আল-হাদিস

২৭-সূরা নাম্ল 


৯৩ আয়াত, ৭ রুকু, ‘মক্কী’


পরম করুণাময় ও অসীম দয়ালু  আল্লাহর নামে শুরু করছি।


 


৪৬। সে বলিল, ‘হে আমার সম্প্রদায়! তোমরা কেন কল্যাণের পূর্বে অকল্যাণ ত্বরান্বিত করিতে চাহিতেছে? কেন তোমরা আল্লাহর নিকট ক্ষমা প্রার্থনা করিতেছ না, যাহাতে তোমরা অনুগ্রহভাজন হইতে পারো?


দয়া করে এই অংশটুকু হেফাজত করুন


 


প্রতিভাই শক্তি কিন্তু কৌশল হচ্ছে দক্ষতা। 


                         -ডাব্লিউ পি কারজিল।

কবরের উপর বসিও না এবং উহার দিকে মুখ করিয়া নামাজ পড়িও না।   


৫টি ফর্মুলায় বাচ্চাকে গরমে রাখুন ঠান্ডা
১৩ মার্চ, ২০১৭ ০০:০০:০০
প্রিন্টঅ-অ+


গরম বেশি বলে তো বাচ্চাকে ঘরে বসিয়ে রাখা যায় না! স্কুল, নাচের বা গানের ক্লাস, বিকালে খেলা আর সারাদিন তাদের নিরন্তর ছোটাছুটি তো আছেই। তাই বের হবার আগে কয়েকটা ব্যাপারে নজর রাখা দরকার। কিছু ফর্মুলা মেনে চললেই গরমকে জয় করে বাচ্চা থাকবে আরও প্রাণবন্ত।



১। বাচ্চারা সারাদিনই ছুটোছুটি করে, তাই গরমে তাদের আরামদায়ক কাপড় পরানো জরুরি। অাঁটসাঁট পোশাক গরম বাড়িয়ে দেয়। তাতে ঘাম বেশি হয়, এতে সহজেই বাচ্চা ক্লান্ত হয়ে যায়। তাই গরমে সুতির পোশাক কিংবা সহজে ঘাম শুষে নেয় এমন পোশাক পরাতে পারেন। এছাড়া গাঢ় রঙের পোশাক এড়িয়ে চলা ভাল, কারণ গাঢ় রং সূর্যরশ্মি শোষণ করে বেশি, ফলে গরমটাও লাগে বেশি। সবচেয়ে ভালো হয় হালকা রং যেমন সাদা, হলুদ, হালকা নীল জামা পরলে।



২। গরমে বাচ্চাদের অনেক ঘাম হয় আর অল্পতেই ক্লান্ত হয়ে পড়ে। তাই বাচ্চাদের প্রচুর পানি খাওয়াতে হবে। কোথাও বেড়াতে গেলে কিংবা বাচ্চা স্কুলে গেলে ব্যাগে পানির বোতল অবশ্যই দিয়ে দেবেন। আরও ভাল হয় যদি স্যালাইন খাওয়াতে পারেন। ঘামের সাথে শরীর থেকে পানির পাশাপাশি লবণও বেরিয়ে যায়, আর তা পূরণ করার জন্য স্যালাইন ভাল বিকল্প।



৩। প্রচ- গরমে ভাজাপোড়া, জাংক ফুড না খাইয়ে বাচ্চাদের খাওয়াতে পারেন ফল বা ফলের রস। ডাবের পানিও খাওয়াতে পারেন। টিফিনে দিতে পারেন ঘরে বানানো খাবার। তবে ফলের রস খাওয়ানোর সময় পানিটা নিরাপদ কি না নিশ্চিত হয়ে নেবেন।



৪। বাচ্চাকে নিয়ে স্কুল থেকে ফেরার পথে কিংবা রাস্তা পার হবার সময় গাছপালার ছায়া আছে এমন রাস্তা বেছে নিন। আর একটু নিরিবিলি রাস্তা দেখে আসা যাওয়া করুন। তাতে গরমের অাঁচ কম লাগবে। রোদ এড়াতে ছাতা ব্যবহার করতে পারেন।



৫। বাচ্চারা রোদ সহ্য করতে পারে না। তাই রোদ চড়ে যাবার আগেই নরম রোদে বাচ্চাকে নিয়ে বেরিয়ে পড়ুন। চেষ্টা করুন সকালটা একটু আগে আগেই শুরু করতে। কিছুটা সময় নষ্ট হতে পারে, তবে যাত্রাটা আরামের হবে।



ইদানীং গরমটা বেশি, তাই গরম তো একটু পোহাতেই হবে। তবে কিছুটা খেয়াল করলে বাচ্চাকে নিয়ে আরামে চলাফেরা করতে পারবেন। যাত্রা শুভ হোক!



সূত্র : মাইটনিক ডট কম।



 


আজকের পাঠকসংখ্যা
৮৭৭১৭
পুরোন সংখ্যা