চাঁদপুর। সোমবার ১৭ জুলাই ২০১৭। ২ শ্রাবণ ১৪২৪। ২২ শাওয়াল ১৪৩৮

বিজ্ঞাপন দিন

বিজ্ঞাপন দিন

সর্বশেষ খবর :

  • আজ ভোরে অ্যাডঃ এ.বি.এম. মোনাওয়ার উল্লা মৃত্যুবরন করেছেন (ইন্নালিল্লাহে.....রাজেউন)। তাঁর মৃত্যুতে চাঁদপুর রোটারী ক্লাব ও চাঁদপুর ডায়াবেটিক সমিতির পক্ষ থেকে গভীর শোক জানিয়েছেন
হেরার আলো
বাণী চিরন্তন
আল-হাদিস

২৮-সূরা কাসাস 


৮৮ আয়াত, ৯ রুকু, ‘মক্কী’


পরম করুণাময় ও অসীম দয়ালু  আল্লাহর নামে শুরু করছি।


 


৮৬। তুমি আশা কর নাই যে, তোমার প্রতি কিতাব অবতীর্ণ হইবে। ইহা তো কেবল তোমার প্রতিপালকের অনুগ্রহ। সুতরাং তুমি কখনও কাফিরদের সহায় হইও না। ’


দয়া করে এই অংশটুকু হেফাজত করুন


 


সৌভাগ্যবান হওয়ার চেয়ে জ্ঞানী হওয়া ভালো।


                        -ডাব্লিউ জি বেনহাম।


যাহাদের হৃদয় পবিত্র, দয়া ও সত্যে পূর্ণ, তাহারাই অমৃতলোক বেহেশতের অধিবাসী হবেন।


 

স্ক্যাবিস
যেভাবে চুলকানি মুক্ত থাকবেন
১৭ জুলাই, ২০১৭ ০০:০০:০০
প্রিন্টঅ-অ+


 



খুব সহজেই স্কিনের স্ক্যাবিস রোগটি সারকোপটিস স্ক্যাবি নামক মাইট দ্বারা সংক্রমিত হয়। এ ক্ষুদ্র পরজীবী জীবাণুটি ত্বকের অগভীরে ডিম পাড়ে এবং বারোজ তৈরি করে। জীবাণু দ্বারা আক্রমণের ২ থেকে ৬ সপ্তাহের মধ্যে উপসর্গ দেখা দেয়। যেমন : চাকা, তীব্র চুলকানি যা বিকেলের দিকে শুরু হয় এবং রাতে আরও তীব্র আকার ধারণ করে এবং অসহনীয় পর্যায়ে চলে যায়।



এই ছোট চাকাগুলো শরীরের নির্দিষ্ট কিছু স্থান যেমন : কবজি, নাভি, যৌনাঙ্গ, আঙুলের ফাঁকে দেখা দিতে পারে। স্ক্যাবিস শিশু, কিশোর, বৃদ্ধ, নারী-পুরুষ নির্বিশেষে সবারই হতে পারে। যেভাবে চুলকানি মুক্ত থাকবেন।



কেন হয় ?



তৃতীয় বিশ্বের অনুন্নত দেশে এর প্রকোপ বেশি। কারণ অস্বাস্থ্যকর পরিবেশ ও অপরিচ্ছন্নতার কারণে এ রোগগুলো বেশি হয়ে থাকে। আক্রান্ত ব্যক্তির তোয়ালে, বালিশ ও বিছানার চাদর দ্বারা এ রোগটি সংক্রমিত হয় বলে ঘনবসতিপূর্ণ আবাসিক মেছগুলোতে এ রোগটির প্রাদুর্ভাব বেশি।



প্রতিরোধ, প্রতিকার :



চিকিৎসা বিজ্ঞানে স্ক্যাবিস প্রতিরোধে পারমেথ্রিন ও বেনজাইল বেনজোয়েটের ভূমিকা অতুলনীয়। এগুলো লোশন ও ক্রিম হিসেবে পাওয়া যায়, যা পা থেকে গলা পর্যন্ত মেখে ৮-১০ ঘণ্টা রাখতে হয়। তাই চিকিৎসকরা রাতে শোবার আগে এ ওষুধগুলো ব্যবহার করতে বলে থাকেন। সালফার মলম, লিনডেন লোশন ব্যবহার করা হয়। আর বিরক্তিকর উপসর্গের হাত থেকে রক্ষার জন্যে এন্টি-হিস্টামিন জাতীয় ওষুধ খাওয়া যেতে পারে। তবে ইনফ্যাকটেড স্ক্যাবিসের ক্ষেত্রে এন্টি-বায়োটিক সেবন করার পপ্রয়োজন হতে পারে এবং পরে স্ক্যাবিসের চিকিৎসা নিতে হবে।



পুরোপুরি নিরাময় :



সম্পূর্ণরূপে স্ক্যাবিস নিরাময় করতে হলে আক্রান্ত ব্যক্তির ব্যবহৃত পোশাক, বিছানার চাদর সবকিছু গরম পানি দিয়ে ধুয়ে নিতে হবে এবং ভালোভাবে রোদে শুকাতে হবে। প্রতি বছর বিশ্বের জনসংখ্যার ১-১০ ভাগ লোক স্ক্যাবিসে আক্রান্ত হয়। তাই বলে স্ক্যাবিস কোনো হুমকি নয়। এ রোগের উপসর্গ দেখা মাত্রই চিকিৎসকের পরামর্শ নিয়ে সহজেই স্ক্যাবিস বা চুলকানি থেকে মুক্ত থাকতে পারেন।



 



 


আজকের পাঠকসংখ্যা
২৪৯৯৭৯
পুরোন সংখ্যা