চাঁদপুর। সোমবার ১৭ জুলাই ২০১৭। ২ শ্রাবণ ১৪২৪। ২২ শাওয়াল ১৪৩৮

বিজ্ঞাপন দিন

বিজ্ঞাপন দিন

সর্বশেষ খবর :

  • ---------
হেরার আলো
বাণী চিরন্তন
আল-হাদিস

২৮-সূরা কাসাস 


৮৮ আয়াত, ৯ রুকু, ‘মক্কী’


পরম করুণাময় ও অসীম দয়ালু  আল্লাহর নামে শুরু করছি।


 


৮৬। তুমি আশা কর নাই যে, তোমার প্রতি কিতাব অবতীর্ণ হইবে। ইহা তো কেবল তোমার প্রতিপালকের অনুগ্রহ। সুতরাং তুমি কখনও কাফিরদের সহায় হইও না। ’


দয়া করে এই অংশটুকু হেফাজত করুন


 


সৌভাগ্যবান হওয়ার চেয়ে জ্ঞানী হওয়া ভালো।


                        -ডাব্লিউ জি বেনহাম।


যাহাদের হৃদয় পবিত্র, দয়া ও সত্যে পূর্ণ, তাহারাই অমৃতলোক বেহেশতের অধিবাসী হবেন।


 

অ্যাসিডিটি থেকে হতে পারে পাকস্থলীর ক্যান্সার
১৭ জুলাই, ২০১৭ ০০:০০:০০
প্রিন্টঅ-অ+


ঘন ঘন অ্যাসিডিটি? কিছু খেলেই পেট ভার, বুক জ্বালা? ভাবছেন বদহজম? খাচ্ছেন অ্যান্টাসিড? অবহেলা করে বিপদ ডেকে আনছেন আপনি। এ ধরণের অ্যাসিডিটি অর্থাৎ গ্যাস-অম্বল থেকে হতে পারে পাকস্থলীর ক্যানসার। এমনটাই বলছেন বিশেষজ্ঞরা।



সকাল ৯টায় সকালের নাস্তা করে দুপুরের খাবার খান বিকেল ৪টায়। আর রাতের খাবার তো ঘড়ির কাঁটাকে তোয়াক্কাই করেন না। কখনও রাত ১২টা তো কখনও ১টা।



অনিয়মিত খাবারের কারণে অ্যাসিডিটি এখন আমাদের নিত্যসঙ্গী। অ্যাসিডিটির মূল কারণ খালি পেট। দিনের বেশিরভাগ সময় পেট খালি থাকলে বদহজমসহ হজমের নানা সমস্যা হয়। পর্যাপ্ত পানি খেলেও গলা-বুক-পেট জ্বালা, পেটে শব্দ করে।



যেসব কারণে অ্যাসিডিটি হয় :



কোষ্ঠকাঠিন্য, বেশি ভাজাপোড়া, মশলাদার খাবার খেলে, অপরিচ্ছন্ন জায়গা থেকে খাবার খেলে, হাঁটাচলা না করলে অ্যাসিডিটি হয়। অনেক সময় খাদ্যনালী ও পাকস্থলীতে সমস্যা হলেও অ্যাসিডিটি হয়।



অনেকেই আছেন যারা বাড়িতে অ্যান্টাসিড বা গ্যাসের ওষুধ মজুত রাখেন। সামান্য বুক জ্বালা করলেই অ্যান্টাসিড খেয়ে নেন। অ্যান্টাসিড বা গ্যাসের ওষুধে সাময়িক স্বস্তি মেলে। কিন্তু ডাক্তারের পরামর্শ না নিয়ে ওষুধ খেলে দীর্ঘস্থায়ী বিপদের আশঙ্কা রয়েছে।



বিশেষজ্ঞদের দাবি, অ্যাসিডিটি থেকে পাকস্থলীর ক্যানসার পর্যন্ত হতে পারে। শতকরা ৯০ ভাগ ক্ষেত্রে পাকস্থলীর ক্যানসার প্রাথমিকভাবে ধরা পড়ে না। এক্ষেত্রে পেটের সমস্যা স্বাভাবিকের চেয়ে বেশিদিন স্থায়ী হয়। পেটে অল্প অল্প ব্যাথা, খিদে কমতে থাকে। ওজন কমা থেকে শুরু করে বমি বমি ভাব, পরে টক বমি, হেঁচকি, রক্তবমি, রক্ত পায়খানা হয়ে থাকে। তাই অ্যাসিডিটিকে অবহেলা না করে ডাক্তারের শরণাপন্ন হন।



প্রতিরোধের উপায় কী?



তৈলাক্ত, ভাজাপোড়া ও বাসি-পচা খাবার এবং অত্যধিক চা-কফি, ধূমপান, জর্দা-তামাক, সুপারি খাওয়া ছাড়তে হবে। জীবনযাত্রার ধরণ নিয়ন্ত্রণে রাখতে হবে। ঠিক সময়ে খেতে হবে এবং পর্যাপ্ত ঘুমাতে হবে।



 



 


আজকের পাঠকসংখ্যা
২৭৬৯১৬
পুরোন সংখ্যা