চাঁদপুর। সোমবার ১৩ নভেম্বর ২০১৭। ২৯ কার্তিক ১৪২৪। ২৩ সফর ১৪৩৯

বিজ্ঞাপন দিন

বিজ্ঞাপন দিন

সর্বশেষ খবর :

  • ---------
হেরার আলো
বাণী চিরন্তন
আল-হাদিস

৩১-সূরা লোকমান


৩৪ আয়াত, ৪ রুকু, ‘মক্কী’


পরম করুণাময় ও অসীম দয়ালু  আল্লাহর নামে শুরু করছি।


 


৩৩। হে মানবজাতি!  তোমরা তোমাদের পালনকর্তাকে ভয় করো এবং ভয় করো এমন এক দিবসকে, যখন পিতা পুত্রের কোনো কাজে আসবে না এবং  পুত্রও তার পিতার কোনো উপকার করতে পারবে না, নিঃসন্দেহে আল্লাহর ওয়াদা সত্য। অতএব, পার্থিব জীবন যেন তোমাদেরকে ধোঁকা না দেয় এবং আল্লাহ সম্পর্কে প্রতারক শয়তানও যেন তোমাদেরকে প্রতারিত না করে।


দয়া করে এই অংশটুকু হেফাজত করুন


 


 


 


দুপুরের খাবার গ্রহণের পর সামান্য বিশ্রাম নিও এবং রাতের খাবারের পর পূর্ণ বিশ্রাম নিও।                                         


                        -ডাব্লিউ টি হেলমুর্থ।


যে ব্যক্তি (অভাবগ্রস্ত না হয়ে) ভিক্ষা করে, কেয়ামতের দিন তার কাপালে একটি প্রকাশ্য ঘা হবে ।


 

খাওয়ার সময়-অসময়
১৩ নভেম্বর, ২০১৭ ০০:০০:০০
প্রিন্টঅ-অ+


স্বাস্থ্যকর খাবার খেলেই হলো না, কোন সময় খাচ্ছেন সেটা জানাও জরুরি। জানালেন পুষ্টিবিদ আসিফ মোহাম্মদ। রাতে ঘুমাতে যাওয়ার আগে এক গ্লাস দুধ খেলে ঘুম ভালো হয়



 



ভাত : ভাত খাওয়ার সঠিক সময় হলো রাত। কারণ সহজে হজম করা যায়। এছাড়া ভাত খেলে ভালো ঘুম হয়; কিন্তু কতটুকু ভাত খাচ্ছেন তা জানা জরুরি। এক কাপের বেশি ভাত খাওয়া উচিত নয়। এ ছাড়া ঘুমাতে যাওয়ার অন্তত তিন ঘণ্টা আগে খেতে হবে। কর্মজীবীদের দুপুরে ভাত খাওয়া উচিত নয়, ঘুম পেতে পারে। এ ছাড়া ভাত খাওয়ার ফলে হঠাৎ করে শরীরে চিনির মাত্রা বেড়ে যায়। শরীর ক্লান্ত লাগে ও কাজে অনীহা আসে।



দই : দই খাবার সঠিক সময় হলো দিনের বেলা। কারণ দই অন্য খাবার হজম করতে সাহায্য করে। এ ছাড়া এটা একটা প্রবায়োটিক খাবার, যা অন্ত্রে শক্তি জোগায়। রাতেও দই খাওয়া যেতে পারে; কিন্তু যাদের সহজেই সর্দি-কাশি হয়, তাদের জন্যে রাতে দই খাওয়া ক্ষতিকর। দই শরীর ঠা-া করে, তাই সর্দি-কাশি আরো বেড়ে যেতে পারে।



চিনি : চিনি সব সময় সকালে খাওয়া উচিত। কারণ শরীরে উপস্থিত ইনসুলিন সকালেই চিনি ভালোভাবে ব্যবহার করতে পারে। এ ছাড়া সকালে চিনি সহজেই হজম করতে পারে শরীর। রাতে চিনি খেলে শরীরে হঠাৎ করে শক্তির সঞ্চালন হয় এবং ঘুমের ব্যাঘাত ঘটে।



কলা : দুপুরে কলার ফাইবার অন্য খাবার হজম করতে সাহায্য করে। এ ছাড়া কলা ন্যাচারাল অ্যান্টাসিডের কাজ করে। খুব সহজেই বুক জ্বালা ও অম্বল কমায়। কলা খেলে শরীরে ধীরে ধীরে শক্তির সঞ্চালন হয় এবং অনেকক্ষণ পেট ভরা থাকে। ভারী কাজ করার আগে কলা খাওয়া উচিত। রাতে কলা খেলে ঠা-া লাগারও আশঙ্কা থাকে।



ডাল : সকালে ও দুপুরে। কারণ ডালে হাই ফাইবার থাকে, ফলে হজম হতে সময় লাগে। রাতে ডাল এড়িয়ে চলা উচিত। কারণ ঠিকমতো হজম না হলে গ্যাসের সমস্যা দেখা দেয়।



আখরোট : রাতে ঘুমাতে যাওয়ার আগে। আখরোট শরীরে মেলাটোনিন নামক হরমোন তৈরিতে সাহায্য করে, ফলে ভালো ঘুম হয়। এতে ওমেগা ৩ ও অ্যান্টি-অঙ্েিডন্ট আর ভিটামিন 'বি' আছে।



পনির : সব সময় সকালে খাওয়া উচিত। বেশি মাত্রায় প্রোটিন থাকায় নিরামিশভোজীদের জন্যে ভালো। এতে ক্যালসিয়ামও আছে। রাতে না খাওয়াই উচিত। কারণ সহজে হজম হয় না। বদহজম ছাড়াও রাতে পনির খেলে ওজন বাড়ার আশঙ্কা থাকে।



 



দুধ : দিনে বা রাতে যেকোনো সময় খেতে পারেন। তবে রাতে ঘুমাতে যাওয়ার আগে এক গ্লাস দুধ খেলে ঘুম ভলো হবে।



কফি : সকাল বা দুপুরে কফি খাওয়া উচিত। কারণ কফিতে ক্যাফেইন থাকে, যা শরীরে শক্তি জোগায়। সন্ধ্যার পর কফি খাবেন না। এতে রাতে ভালো ঘুম হবে না। এ ছাড়া কফি শরীরে পানিশূন্যতা তৈরি করে।



চেরি : রাতের খাবারের পর চেরি মেলাটোনিন হরমোন তৈরি করতে সাহায্য করে, যাতে ভালো ঘুম হয়। যাদের অনিদ্রা রোগ আছে তাদের জন্যে চেরি উপকারী।



সূত্র : কালের কণ্ঠ।



 


আজকের পাঠকসংখ্যা
৪৮৯২৯
পুরোন সংখ্যা