চাঁদপুর। সোমবার ১৩ নভেম্বর ২০১৭। ২৯ কার্তিক ১৪২৪। ২৩ সফর ১৪৩৯

বিজ্ঞাপন দিন

বিজ্ঞাপন দিন

সর্বশেষ খবর :

  • ---------
হেরার আলো
বাণী চিরন্তন
আল-হাদিস

৩১-সূরা লোকমান


৩৪ আয়াত, ৪ রুকু, ‘মক্কী’


পরম করুণাময় ও অসীম দয়ালু  আল্লাহর নামে শুরু করছি।


 


৩৩। হে মানবজাতি!  তোমরা তোমাদের পালনকর্তাকে ভয় করো এবং ভয় করো এমন এক দিবসকে, যখন পিতা পুত্রের কোনো কাজে আসবে না এবং  পুত্রও তার পিতার কোনো উপকার করতে পারবে না, নিঃসন্দেহে আল্লাহর ওয়াদা সত্য। অতএব, পার্থিব জীবন যেন তোমাদেরকে ধোঁকা না দেয় এবং আল্লাহ সম্পর্কে প্রতারক শয়তানও যেন তোমাদেরকে প্রতারিত না করে।


দয়া করে এই অংশটুকু হেফাজত করুন


 


 


 


দুপুরের খাবার গ্রহণের পর সামান্য বিশ্রাম নিও এবং রাতের খাবারের পর পূর্ণ বিশ্রাম নিও।                                         


                        -ডাব্লিউ টি হেলমুর্থ।


যে ব্যক্তি (অভাবগ্রস্ত না হয়ে) ভিক্ষা করে, কেয়ামতের দিন তার কাপালে একটি প্রকাশ্য ঘা হবে ।


 

ফুসফুস ভালো রাখার ৭ খাবার
১৩ নভেম্বর, ২০১৭ ০০:০০:০০
প্রিন্টঅ-অ+


স্বাস্থ্যের ওপর মারাত্মক প্রভাব ফেলছে বায়ুদূষণ। দেখা দিচ্ছে নানা জটিল রোগ। সমস্যা দেখা দিচ্ছে ফুসফুসে। স্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞরা পরামর্শ দিচ্ছেন, বায়ুদূষণের ক্ষতিকর প্রভাব ঠেকাতে নিয়মিত কিছু স্বাস্থ্যকর খাবার খাওয়া প্রয়োজন। এর মধ্যে অন্যতম টমেটো। এতে থাকা লাইকোপেন অ্যান্টিঅঙ্েিডন্ট শ্বাসযন্ত্রে সুরক্ষাস্তর হিসেবে কাজ করতে পারে। এছাড়া কমলা, পেয়ারা, আঙুর, লেবুর মতো ভিটামিন সুসমৃদ্ধ ফল নিয়মিত খেতে হবে। এসব ফল ফুসফুস ভালো রাখে। ফুসফুস ভালো রাখতে পারে এমন কয়েকটি খাবার সম্পর্কে জেনে নিন:



 



আমলকি : গবেষণায় দেখা গেছে, নিয়মিত আমলকি খেলে যকৃতের ধূলিকণার সব ক্ষতি ঠেকানো যায়। আমলকিতে থাকা ভিটামিন সি রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়ায়, সর্দি-কাশি ঠেকাতে পারে। আয়ুর্বেদ শাস্ত্রেও আমলকির জুসের গুণ বর্ণনা করে বলা হয়েছে, শরীরের সব ধরনের ক্রিয়ার মধ্যে ভারসাম্য রক্ষা করতে পারে তা।



টমেটো : শরীরকে রোগ প্রতিরোধক্ষম করে তোলে টমেটো। সামপ্রতিক এক গবেষণায় টমেটোর এসব কার্যক্ষমতার কথা বলা হয়েছে। গবেষকেরা বলছেন, টমেটোতে আছে দারুণ অ্যান্টিঅঙ্েিডটিভ প্রভাব, যা কোষকে বুড়ো হতে দেয় না। এ ছাড়া নানা রকম ক্যানসার প্রতিরোধ করতে পারে টমেটো। টমেটোর লাইকোপেন শ্বাসযন্ত্রে সুরক্ষাস্তর হিসেবে কাজ করে। বাতাসে থাকা ক্ষতিকর ধূলিকণার প্রভাব হিসেবে কাজ করে লাইকোপেন।



হলুদ : হলুদ পরিচিত অ্যান্টিঅঙ্েিডন্ট হিসেবে পরিচিত। দূষিত কণার প্রভাব থেকে ফুসফুসকে সুরক্ষা দিতে কাজ করে এই অ্যান্টিঅঙ্েিডন্ট। কফ ও অ্যাজমার সমস্যা সমাধানে হলুদ ও ঘিয়ের মিশ্রণ কাজে লাগে। এ ছাড়া হলুদ, গুড় ও মাখনের মিশ্রণ অ্যাজমা দূর করতে পারে।



 



তুলসী : বায়ুদূষণের বিরুদ্ধে ফুসফুসকে রক্ষা করতে পারে তুলসীপাতা। এ ছাড়া বাতাসে থাকা ধূলিকণা শোষণ করতে পারে তুলসীগাছ। স্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞদের মতে, প্রতিদিন অল্প করে তুলসীপাতার রস খেলে শরীরের শ্বাসযন্ত্রের দূষিত পদার্থ দূর হয়।



লেবুজাতীয় ফল : কমলা ও লেবুতে প্রচুর ভিটামিন সি থাকে। লেবুজাতীয় ফল নিয়মিত খেলে ফুসফুসে বায়ুর ক্ষতিকর উপাদানগুলোর প্রভাব পড়তে পারে না।



 



গুড় : অ্যাজমা ও ব্রংকাইটিসের মতো অনেক শ্বাসযন্ত্রের সমস্যায় কার্যকর হতে পারে গুড়। তিলের সঙ্গে গুড় মিশিয়ে খেলে ইতিবাচক ফল পাওয়া যায়। বায়ুদূষণের ক্ষতিকর প্রভাব পড়ে কম।



সবুজ চা : প্রতিদিন দুই কাপ করে গ্রিন টি বা সবুজ চা খেতে পারেন। শরীর থেকে বিষাক্ত পদার্থ দূর করতে সাহায্য করে সবুজ চায়ের সঙ্গে থাকা অ্যান্টিঅঙ্েিডন্ট।



তথ্যসূত্র : এনডিটিভি অনলাইন।



 



 


আজকের পাঠকসংখ্যা
৪৯২৬৫
পুরোন সংখ্যা