চাঁদপুর। সোমবার ৬ আগস্ট ২০১৮। ২২ শ্রাবণ ১৪২৫। ২৩ জিলকদ ১৪৩৯
redcricent
jibon dip

সর্বশেষ খবর :

  • হাজীগঞ্জে আটককৃত বিএনপি'র ১৭ নেতাকর্মীকে জেলহাজতে প্রেরন
হেরার আলো
বাণী চিরন্তন
আল-হাদিস

৪০-সূরা আল মু’মিন

৮৫ আয়াত, ৯ রুকু, মক্কী

পরম করুণাময় ও অসীম দয়ালু  আল্লাহর নামে শুরু করছি।

২৬। ফেরাউন বললো, তোমরা আমাকে ছাড়, মূসাকে হত্যা করতে দাও, ডাকুক সে তার পালনকর্তাকে! আমি আশঙ্কা করি যে, সে তোমাদের ধর্ম পরিবর্তন করে দেবে অথবা সে দেশময় বিপর্যয় সৃষ্টি করবে।

২৭। মূসা বললো, যারা হিসাব দিবসে বিশ^াস করে না এমন প্রত্যেক অহংকারী থেকে আমি আমার ও তোমাদের পালনকর্তার আশ্রয় নিয়ে নিয়েছি।

দয়া করে এই অংশটুকু হেফাজত করুন




মন যদি চোখকে শাসন করে তবে কখনো চোখ ভুল করবে না।    


-পাবলিয়াস সাইরাস।                    


রাসূলুল্লাহ (দঃ) বলেছেন, নামাজ আমার নয়নের মণি।    

     


ফটো গ্যালারি
বর্ষায় রোগ প্রতিরোধে করণীয়
০৬ আগস্ট, ২০১৮ ০০:০০:০০
প্রিন্টঅ-অ+

১. স্বাস্থ্যকর জীবনযাপন

আপনার প্রথম লক্ষ্য হবে স্বাস্থ্যকর জীবনযাপন। পুষ্টিকর খাবার, নিয়মিত ব্যায়াম আর অস্বাস্থ্যকর খাবার এড়িয়ে চলাটাই হবে প্রধান উদ্দেশ্য।

২. ঘুমের সঙ্গে আপস নয়

দেহের রোগ প্রতিরোধী ব্যবস্থাকে শক্তিশালী রাখতে সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ ঘুম। বিভিন্ন গবেষণায় দেখানো হয়েছে, যে প্রাণীদের ঘুমের অভাব রয়েছে তারা নানা রোগে জর্জরিত। মানুষের ক্ষেত্রেও তাই ঘটে। প্রতিদিন একই সময়ে ঘুমাতে যাওয়ার অভ্যাস গড়ে তুলুন। কমপক্ষে সাত-আট ঘণ্টা ঘুমানোর চেষ্টা করবেন।

৩. মানসিক চাপ

বলা হয়, আধুনিক মানুষের মানসিক চাপ বাড়িয়ে দিয়েছে। আগের প্রজন্মের কাছেও কিন্তু স্ট্রেস ছিল এক দুঃস্বপ্নের নাম। দেহ-মনের ওপর অতিরিক্ত ধকল দেহের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতাকে পুরোপুরি নষ্ট করে দেয়। প্রতিদিনের মেডিটেশন এবং ইয়োগা এ অবস্থার অবসান ঘটাতে পারে।

এবার সঠিক খাবার বেছে নিয়ে রোগ তাড়ান আরো শক্তভাবে। কিছু খাবার রোগ প্রতিরোধী ব্যবস্থাকে জোরদার করে। এগুলো চিনে নিন এবং নিয়মিত খাওয়ার অভ্যাস গড়ে তুলুন।

* গোলমরিচ : এই খাবারের রয়েছে ঔষধি গুণ। বলা হয় বায়ুরোগ ও পেটের গ্যাস খেয়াল রাখে। ঘাম ঝরাতে দেহ উত্তপ্ত করে। এতে দেহের বিষাক্ত উপাদান বের হয়ে যায়। এর অ্যান্টি-ইনফ্লেমেটরি, অ্যান্টি-অঙ্েিডন্ট এবং অ্যান্টি-ব্যাকটেরিয়াল উপাদান রোগ প্রতিরোধে দারুণ কার্যকর।

* আদা-রসুন : এ দুটি অতি উপকারী খাবার দেহের সর্বোচ্চ যত্ন নেয়। দেহের প্রদাহ বিনাশে কাজ করে এদের সুপার অ্যান্টি-ইনফ্লেমেটরি উপাদান। বমি বমি ভাব দূর করতে কার্যকর। আদার ছোট একটা ফালি, দুই-চার কোয়া রসুন এবং একটি গাজরের জুস তৈরি করে খেলে তা অ্যান্টিসেপটিকের কাজ করে।

* তুলসী : শ্বাসযন্ত্রের সমস্যা, জ্বর, অ্যাজমা এবং ফুসফুসের ব্যাধিতে জাদুমন্ত্রের মতো কাজ করে তুলসী পাতা। চিকিৎসাবিজ্ঞানে তুলসী বেশ গুরুত্বপূর্ণ বিবেচিত হয়। বলা হয়, এক গ্লাস পানিতে কয়েকটি তুলসী পাতা ছেড়ে দিলে তা বিশুদ্ধ হয়ে যায়। অ্যারোমাথেরাপিতেও বহুল ব্যবহৃত উপকরণ তুলসী।

* হলুদ ও মধু : মৌসুমি রোগ থেকে দূরে থাকতে এক অনন্য যুগল হতে পারে হলুদ ও মধুর ব্যবহার। এদের মিশ্রণ রীতিমতো অব্যর্থ ওষুধ। দুটিতেই আছে জীবাণুনাশক উপাদান। ব্যাকটেরিয়া বা ভাইরাস বিনাশে দারুণ কার্যকর।

সূত্র :

এনডিটিভি অবলম্বনে সাকিব সিকান্দার।

আজকের পাঠকসংখ্যা
২২৯৯৫৩
পুরোন সংখ্যা