চাঁদপুর। সোমবার ১ অক্টোবর ২০১৮। ১৬ আশ্বিন ১৪২৫। ২০ মহররম ১৪৪০
redcricent
jibon dip

সর্বশেষ খবর :

  • -
হেরার আলো
বাণী চিরন্তন
আল-হাদিস

৪২-সূরা শূরা


৫৪ আয়াত, ৫ রুকু, মক্কী


পরম করুণাময় ও অসীম দয়ালু আল্লাহর নামে শুরু করছি।


 


১২। আকাশম-লী ও পৃথিবীর চাবিসমূহ তাঁরই নিকট। তিনি যার প্রতি ইচ্ছা তার রিযিক বর্ধিত করেন অথবা সংকুচিত করেন। তিনি সর্ববিষয়ে সর্বজ্ঞ।


১৩। তিনি তোমাদের জন্যে নির্ধারণ করেছেন দ্বীন, যার নির্দেশ দিয়েছিলেন তিনি নূহকে আর যা আমি ওহী করেছিলাম তোমাকে এবং যার নির্দেশ দিয়েছিলাম ইবরাহীম, মূসা ও ঈসাকে, এই বলে যে, তোমরা এই দ্বীনকে (তাওহীদকে) প্রতিষ্ঠিত কর এবং ওতে মতভেদ করো না। তুমি মুশরিকদেরকে যার প্রতি আহ্বান করছো তা তাদের নিকট কঠিন মনে হয়। আল্লাহ যাকে ইচ্ছা তাঁর জন্য চয়ন করে নেন এবং যে তাঁর দিকে প্রত্যাবর্তন করেন, তাকে দ্বীনের দিকে পরিচালিত করেন।


দয়া করে এই অংশটুকু হেফাজত করুন


 


 


আমি চলে গেলে যদি কেউ না কাঁদে তবে আমার অস্তিত্বের কোনো মূল্য নেই। -সুইফট।


 


 


নামাজে তোমাদের কাতার সোজা কর, নচেৎ আল্লাহ তোমাদের অন্তরে মতভেদ ঢালিয়া দিবেন।


 


 


 


 


ফটো গ্যালারি
বিশ্ব হার্ট দিবসের লেখা
হার্ট সুস্থ রাখতে স্বাস্থ্যকর খাবার ও পানীয় গ্রহণ করুন
০১ অক্টোবর, ২০১৮ ০০:০০:০০
প্রিন্টঅ-অ+


খাবার এবং পানীয় হার্টের জ্বালানি শক্তি হিসেবে কাজ করে। সুতরাং হার্ট বান্ধব স্বাস্থ্যকর খাবার ও পানীয় গ্রহণে জীবনীশক্তি, বৃদ্ধি পায়। এজন্য-



১। চিনিযুক্ত ফলের রস ও কোমল পানীয় পান করবেন না। বরং পানি ও স্বাভাবিক ফলের রস পান করুন।



২। মিষ্টি এবং মিষ্টিজাতীয় খাবার, চকলেট না খেয়ে আম, জাম, কলাসহ মৌসুমী বা অন্যান্য ফলমূল বা শাকসবজি খান।



৩। সুস্থ থাকতে দিনে পাঁচবার কমপক্ষে একমুঠো করে ফলমূল ও সবজি খান।



৪। প্রক্রিয়াজাত এবং প্যাকেটজাত খাবারে প্রচুর পরিমাণে চিনি, লবণ ও ট্রান্সফ্যাট থাকে। এ ধরনের খাবার এড়িয়ে চলুন।



৫। স্কুল বা কর্মক্ষেত্রে বাসায় তৈরি স্বাস্থ্যকর খাবার খাওয়ার চেষ্টা করুন।



৬। অ্যালকোহল বা মদ পান করবেন না।



 



আপনি জানেন কি?



রক্তে উচ্চমাত্রার গ্লুকোজ ডায়াবেটিস নির্দেশ করে। আর ডায়াবেটিক রোগীদের বেশিরভাগই হৃদরোগে মারা যান। তাই সঠিকভাবে রক্তের গ্লুকোজ নির্ণয় ও চিকিৎসা করা প্রয়োজন। না হলে হৃদরোগ ও স্ট্রোকের ঝুঁকি আরো অনেক গুণ বেড়ে যাবে।



শপথ নিন, কর্মঠ হওয়ার



শারীরিক সক্রিয়তা হৃদরোগের ঝুঁকি কমাতে সাহায্য করে।



১। সপ্তাহে কমপক্ষে ৫ দিন ৩০ মিনিট করে হাঁটুন বা হালকা ব্যায়াম করুন।



২। সেটা সম্ভব না হলে সারা সপ্তাহে অন্তত ৭৫ মিনিট শারীরিক পরিশ্রম করুন।



 



আপনি জানেন কি?



উচ্চ রক্তচাপ হৃদরোগীদের মৃত্যুর অন্যতম বড় কারণ। এর কোনো লক্ষণ বা উপসর্গ না থাকায়, এটাকে নীরব ঘাতক বলা হয়। তারপরও অনেকেই জানেন না যে, তার উচ্চ রক্তচাপ রয়েছে।



৩। শুধু ব্যায়াম যে করত হবে, তা নয়। বরং খেলাধুলা, হাঁটাহাঁটি, ঘর-গৃহস্থালির বিভিন্ন কাজ যেমন-বাগান করা, ঘর ঝাড়া-মোছা, কাপড় ধোয়া এসব করলেও চলবে।



৪। শারীরিকভাবে আরো বেশি সক্রিয় হতে, লিফট ছেড়ে সিঁড়ি ধরুন, গাড়ি বাদ দিয়ে হাঁটুন বা সাইকেলে চড়ুন।



৫। একা ব্যায়াম করতে ভালো না লাগলে পরিবার এবং বন্ধু-বান্ধবদের সাথে হাঁটুন বা ব্যায়াম করুন। সময়টা আনন্দে কেটে যাবে।



৬। আপনার স্মার্টফোনে ব্যায়ামের অ্যাপ ইনস্টল করুন এবং শারীরিক উন্নতির দিকে নজর রাখুন।



 



শপথ নিন, ধূমপান না করার



এটা প্রমাণিত যে, ধূমপান করোনারী হৃদরোগের অন্যতম ঝুঁকি। সুতরাং ধূমপান ছাড়ার মাধ্যমে আপনি আপনার হার্ট সুস্থ রাখতে পারেন।



১। হার্ট ভালো রাখার সবচেয়ে ভালো উপায়, ধূমপান থেকে দূরে থাকা। ধূমপান ছাড়ার দুই বছরের মধ্যে হৃদরোগের ঝুঁকি অনেকাংশে কমে যায়।



২। ১৫ বছরের মধ্যে তিনি অধূমপায়ীর মতো শংকামুক্ত হয়ে যান। ধূমপানের সময় ধূমপায়ীর কাছে থাকলে, অধূমপায়ীরাও হৃদরোগে আক্রান্ত হওয়ার সমান ঝুঁকিতে থাকেন।



৩। তাই ঝুঁকিমুক্ত থাকতে ধূমপায়ীর কাছ থেকে নিরাপদে থাকুন।



৪। আর ধূমপান না করা শুধু নিজেকে নয়, চারপাশের প্রিয়জনদেরও সুস্থ রাখুন।



৫। ধূমপান ছাড়তে চেয়েও যদি সফল না হন, সেক্ষেত্রে চিকিৎসকের পরামর্শ নিন।



 



আপনি জানেন কি?



রক্তে অধিক মাত্রায় কোলেস্টরলের কারণে পৃথিবীতে প্রতি বছর প্রায় ৪০ লাখ মানুষ মারা যান। তাই স্বাস্থ্যকর্মীদের কাছে গিয়ে রক্তে কোলেস্টেরলের মাত্রা পরিমাপ করুন এবং আপনার উচ্চতার অনুপাতে ওজন (বিএমআই) ঠিক আছে কিনা জেনে নিন। এর মাধ্যমে আপনার হৃদরোগের ঝুঁকি থাকলে তা জানতে পারবেন এবং হার্টকে সুস্থ রাখতে সে অনুযায়ী পদক্ষেপ নিতে পারবেন।



 



বিশ্ব হার্ট দিবস-২০১৮



বিশ্বে প্রতি বছর প্রায় এক কোটি ৭৫ লাখ মানুষ হৃদরোগে ও স্ট্রোকে আক্রান্ত হয়ে অকালে মৃত্যুবরণ করেন। এটা বর্তমানে দুনিয়ার সবচেয়ে বড় ঘাতক ব্যাধি। আর ২০৩০ সাল নাগাদ মৃত্যুর সংখ্যা দুই কোটি ৩০ লাখ ছাড়িয়ে যাবে।



তবে হতাশ হওয়ার কিছু নেই। আমাদের জীবনযাত্রায় সামান্য কিছু পরিবর্তন আনলেই আমরা আরো বেশিদিন সুস্থভাবে বাঁচতে পারবো, আমাদের হার্টও থাকবে সুস্থ-সবল। তাই এখনই জেনে নেয়ার সময়, নিজের ও আপনজনদের হার্টকে সুস্থ রাখতে কী করতে পারেন।



তাই এই হার্ট দিবসে, আপনার সুযোগ এসেছে হার্ট ভালো রাখার শপথ নেয়ার। শপথ নিন-স্বাস্থ্যকর খাবার রান্না করা ও খাওয়ার, আরো বেশি শারীরিক পরিশ্রম করার এবং শিশুদেরও সক্রিয় করে তোলার, ধূমপান না করার এবং আপনজনদের ধূমপান থেকে দূরে রাখার।



বিশ্বব্যাপী জনগণকে হৃদরোগ সম্পর্কে বিভিন্ন তথ্য জানানো এবং এর ঝুঁকি সম্পর্কে সচেতনতা সৃষ্টি এবং প্রতিরোধে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ গ্রহণ করতে উদ্ধুদ্ধ করার জন্য বিশ্ব হার্ট দিবসের আয়োজন। ওয়ার্ল্ডর্ হার্ট ফেডারেশনের উদ্যোগে প্রতি বছরের ন্যায় এ বছর ২৯ সেপ্টেম্বর ২০১৮ বিশ্ব হার্ট দিবস উদ্যাপিত হয়েছে। ন্যাশনাল হার্ট ফাউন্ডেশন অব বাংলাদেশ স্বাস্থ্য সংশ্লিষ্ট গুরুত্বপূর্ণ বিষয়াবলিকে সামনে রেখে নিয়মতিভাবে বিভিন্ন কার্যক্রম গ্রহণ করে থাকে। তারই ধারাবাহিকতায় বিশ্বের অন্যান্য দেশের সাথে ন্যাশনাল হার্ট ফাউন্ডেশন অব বাংলাদেশ দিবসটি উদ্যাপন উপলক্ষে বিভিন্ন কর্মসূচি গ্রহণ করেছে; যেমন বিভিন্ন ধরনের র‌্যালি, গণমুখী সেমিনার, ফ্রি হার্ট ক্যাম্প, সচেতনতামূলক পোস্টার ও লিফলেট বিতরণ ইত্যাদি। বিশ্ব হার্ট দিবসের কার্যক্রম শুধু ঢাকার মধ্যে সীমাবদ্ধ রাখা হয়নি, ন্যাশনাল হার্ট ফাউন্ডেশন অব বাংলাদেশের ৪১টি অধিভুক্ত সমিতিও (এফিলিয়েটেড বডি) দেশের বিভিন্ন জায়গায় দিবসটি উদ্যাপন করছে। আমরা বিশ্বাস করি, সকলের সম্মিলিত প্রচেষ্টায় সাধারণ মানুষ উপকৃত হবে এবং সুস্থ হার্টের অধিকারী হয়ে সুন্দর জীবনযাপন করবে।



 


আজকের পাঠকসংখ্যা
৬৩৩৮৮৮
পুরোন সংখ্যা