চাঁদপুর। সোমবার ২৯ অক্টোবর ২০১৮। ১৪ কার্তিক ১৪২৫। ১৮ সফর ১৪৪০
redcricent
jibon dip

সর্বশেষ খবর :

  • --
হেরার আলো
বাণী চিরন্তন
আল-হাদিস

৪৩-সূরা যূখরুফ

৮৯ আয়াত, ৭ রুকু, মক্কী

পরম করুণাময় ও অসীম দয়ালু  আল্লাহর নামে শুরু করছি।

২৭। সম্পর্ক আছে শুধু তাঁরই সাথে যিনি আমাকে সৃষ্টি করেছেন এবং তিনিই আমাকে হেদায়েত দিবেন।

২৮। এই (তাওহীদের) ঘোষণাকে যে স্থায়ী কালেমারূপে রেখে গেছে তার পরবর্তীদের জন্যে যাতে তারা (শিরক থেকে) প্রত্যাবর্তন করে।

২৯। বরং আমিই তাদেরকে এবং তাদের পূর্বপুরুষদেরকে সুযোগ দিয়েছিলাম ভোগের, অবশেষে তাদের নিকট সত্য ও স্পষ্ট (প্রচারক) রাসূল আগমন করা পর্যন্ত।

দয়া করে এই অংশটুকু হেফাজত করুন


যে ব্যক্তি সর্বদা পবিত্র (হালাল) দ্রব্য ভক্ষণ করে, আমার বিধি অনুসারে চলে এবং মানুষের কোন ক্ষতি করে না, সে বেহেশতবাসী হবে।



 


যে ব্যক্তি সর্বদা পবিত্র (হালাল) দ্রব্য ভক্ষণ করে, আমার বিধি অনুসারে চলে এবং মানুষের কোন ক্ষতি করে না, সে বেহেশতবাসী হবে।



 


ফটো গ্যালারি
শিশুর যত্নে প্রতিদিন
২৯ অক্টোবর, ২০১৮ ০০:০০:০০
প্রিন্টঅ-অ+


শিশুর দৈনন্দিন যত্নের সঙ্গে কিছু বিষয় বেশ সতর্কতার সঙ্গে খেয়াল রাখা উচিত। এতে নানা অসুখ-বিসুখ বা দুর্ঘটনা থেকে রক্ষা পাওয়া যাবে। পরামর্শ দিয়েছেন বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিক্যাল বিশ্ববিদ্যালয়ের নবজাতক বিভাগের অধ্যাপক ডাঃ মোঃ আব্দুল মান্নান।



* এক স্থান থেকে অন্য স্থানে ছোট শিশু নিয়ে যাওয়ার সময় সর্বদা এক হাত মাথার নিচে রেখে সাপোর্ট দিন। মাথায় ধরে ঝুলিয়ে কখনো তুলবেন না।



* বুকের দুধ পানের আগে মা পিঠ সোজা রেখে বসুন। শিশুর পেট মায়ের পেটের সঙ্গে লাগিয়ে রাখুন। লক্ষ করুন, যাতে শিশু বড় হাঁ করে স্তনের বোঁটা মুখে নেয়। তবে সিগারেট ধরার ভঙ্গিতে স্তনের বোঁটা শিশুর মুখে গুঁজে দেবেন না।



* বেশি তুলতুলে নরম বিছানায় নবজাতককে শোয়াবেন না। এতে করে উল্টে গিয়ে তার নাকমুখ চেপে শ্বাস-প্রশ্বাস বন্ধ হয়ে যেতে পারে। বরং কিছুটা শক্ত বিছানা ও দুই পাশে ছোট বালিশ ব্যবহার করুন।



* শিশুকে ঘুম থেকে জাগাতে জোরে ডাক, উচ্চশব্দে কোনো বাজনা পেটানো বা শব্দ সৃষ্টি করা উচিত নয়। তাকে আলতোভাবে চুম্বন-স্পর্শ বা গায়ে সুড়সুড়ি দিন। দেখবেন, শিশুটি জেগে উঠবে। পিঠে বা শরীরের অন্য অংশে জোরে থাপ্পড় বা ঝাঁকুনি দেওয়াও অনুচিত।



* শিশুকে শান্ত করতে হাতের কাছে যা পাওয়া যায়, তা দিয়ে বশ করাবেন না। কেননা এগুলোর মধ্যে কিছু বিপজ্জনক দ্রব্যও থাকতে পারে। বরং তাকে কাঁধে নিন। মায়া-মমতার পরশে হাত পিঠে বুলিয়ে দিন। শিশুর কান্না থেমে যাবে।



* শিশুকে হাসানোর প্রক্রিয়ায় তার মুখের ভেতর আঙুল ঢুকিয়ে দেবেন না। বরং বয়স অনুযায়ী রংবেরঙের পুতুল নিয়ে তার সঙ্গে মজা করুন।



* শিশুর নাক পরিষ্কার করতে নিজের আঙুলের ডগা ঢোকানোর চেষ্টা করবেন না। কয়েক ফোঁটা লবণমিশ্রিত পানি শিশুর নাসারন্ধ্রে দিয়ে নরম পরিচ্ছন্ন কাপড় সুচোমুখ করে পরিষ্কার করুন। প্রয়োজনে ন্যাজাল অ্যাসপিরেটরের সাহায্য নেওয়া যাবে।



 


আজকের পাঠকসংখ্যা
৫৩০৪১৪
পুরোন সংখ্যা