চাঁদপুর। সোমবার ০৭ জানুয়ারি ২০১৯। ২৪ পৌষ ১৪২৫। ৩০ রবিউস সানি ১৪৪০
jibon dip

সর্বশেষ খবর :

  • -
হেরার আলো
বাণী চিরন্তন
আল-হাদিস

৪৫-সূরা জাছিয়া :

৩৭ আয়াত, ৪ রুকু, ‘মক্কী

পরম করুণাময় ও অসীম দয়ালু  আল্লাহর নামে শুরু করছি।



২৩। তুমি কি লক্ষ্য করিয়াছ তাহাকে, যে তাহার খেয়াল-খুশিকে নিজ ইলাহ্ বানাইয়া লইয়াছে? আল্লাহ জানিয়া শুনিয়াই উহাকে বিভ্রান্ত করিয়াছেন এবং উহার কর্ণ ও হৃদয় মোহর করিয়া দিয়াছেন এবং উহার চক্ষুর উপর রাখিয়াছেন আবরণ। অতএব আল্লাহর পরে কে তাহাকে পথনির্দেশ করিবে? তবুও কি তোমরা উপদেশ গ্রহণ করিবে না?

দয়া করে এই অংশটুকু হেফাজত করুন


অসতর্ক জ্ঞানের অভাবের চেয়েও ক্ষতিকর।

-টলস্টয়।


মায়ের পদতলে সন্তানদের বেহেশত।

 


ফটো গ্যালারি
হার্ট এ্যাটাকে করণীয়
ডাঃ এম.এ. জলিল
০৭ জানুয়ারি, ২০১৯ ০০:০০:০০
প্রিন্টঅ-অ+


হার্ট এ্যাটাক কি?



হার্ট এ্যাটাক বা মায়োকার্ডিয়াল ইনফার্কশন বলতে হৃদপিন্ডের নিজস্ব মাংসপেশীতে রক্ত সরবরাহকারী রক্তনালী কোন কারনে বন্ধ হয়ে গেলে যে তীব্র ব্যাথা বুকে অনুভব হয় তাকে বুঝায়।



 



হার্ট এ্যাটাক বুঝবেন কি করে?



? বুকে তীব্র ব্যাথা, বিশেষ করে বুকের বাম দিকে। এই ব্যাথা বাম হাতে, গলায়, চোয়ালে এমনকি দাঁতের তীব্র ব্যাথা হিসেবে অনুভুত হতে পারে। প্রচুর ঘাম হতে পারে। বমি বমি ভাব অথবা বমি হতে পারে। রোগী বুকের ব্যাথায় কিছুক্ষণের মধ্যে ধীরে ধীরে নিস্তেজ এমনকি অজ্ঞান হয়ে যেতে পারে। রোগীর হৃস্পন্দন, অস্বাভাবিক দ্রুত, অনিয়মিত এমনকি অস্বাভাবিক কমেও যেতেপারে। রোগীর শ্বাসকষ্ট অনুভুত হতে পারে। রোগীর ঠোট, হাত, পায়ের তালু নীল হয়ে যেতে পারে। সাময়িকভাবে রোগীর হৃদস্পন্দন এবং শ্বাসক্রিয়া বন্ধ হয়ে যেতে পারে।



? অতি বৃদ্ধ, দীর্ঘদিন ডায়াবেটিসে আক্রান্ত রোগীরা কোন রকম বুকে ব্যাথার অনুভূতি ছাড়াও হার্ট এ্যাটাকে ভুগে থাকতে পারেন। যারা দীর্ঘদিন এ্যানজাইনা পেকটোরালিস [মৃদু বুকে ব্যাথা, যা শারীরিক কাজের চাপ বৃদ্ধিতে (যেমন সিড়ি বেয়ে উপরে উঠা, দীর্ঘক্ষনহাঁটা, দৌড়ানো, ভারী কাজ করা ইত্যাদি) বাড়ে এবং বিশ্রাম না নিলে বা নাইট্রোগি্লসারিন জাতীয় ঔষধে কমে যায়। রোগে ভূগছেন তাদের ক্ষেত্রে যদি বুকে ব্যাথা বিশ্রাম বা নাইট্রোগি্লাসারিন জাতীয় ঔষধে উপসম না হয় তাহলে বুঝতে হবে তিনি হার্ট এ্যাটাকে ভূগতে যাচ্ছেন।



 



জরুরি ভিত্তিতে কি করবেন?



? রোগীর হার্ট এ্যাটাক হলে প্রাথমিক কর্তব্য হলো হৃৎপিন্ডের কাজের চাপ কমিয়ে দেয়া। শরীরের অন্যান্য সমস্ত মাংসপেশীর কাজ যদি বন্ধ করে দেয়া যায় তাহলে হৃৎপিন্ডের কাজের চাপ কমিয়ে আনা সম্ভব, সে জন্য রোগীকে সম্পূর্ণ বিছানায় বিশ্রাম দিতে হবে। রোগী যাতে অজ্ঞান হয়ে যেতে না পারে, সে জন্য রোগীকে বিছানায় শুইয়ে মাথার দিকটা বালিশ উঁচু করে দিন যাতে রোগী অর্ধবসা অবস্থায় থাকে। রোগীর গাঁয়ের জামা-কাপড় খুলে ঢিলা করে রাখতে হবে। রোগী যদি অজ্ঞান হয়ে গিয়ে থাকে তাহলে তাকে শ্বাস ফিরিয়ে মাথা একদিকে করে কাঁত করে শুইয়ে দিন।



? পড়নের জামা-কাপড় হালকা করে দিন। ঘরে যাতে পর্যাপ্ত বাতাস চলাচল করতে পারে সে ব্যবস্থা করুন।



? রোগীর সাথে বেশি কথা বলা বা কাছে বেশী লোক না থাকা ভালো।



? রোগী যদি বমি করে থাকে তাহলে মুখগহ্বর টুকরা কাপড় দিয়ে পরিষ্কার করে দিন।



? রোগী পানির পিপাসা বোধ করতে থাকলে মুখে কিছু না খেতে দেওয়াই ভালো। প্রয়োজনে ঠোঁট, জিহ্বা আলতো করে ভিজিয়ে দিন।



? রোগীর হৃদক্রিয়া যদি সাময়িক ভাবে বন্ধ হয়ে যায় তাহলে রোগীকে চিত করে শুইয়ে তার পাশে হাটু গেড়ে বসুন এবং বুকের মাঝখানে আপনার এক হাতের উপরে অন্য হাত রেখে নিয়মিত বিরতিতে চাপ দিতে থাকুন। (মিনিটে আশিবার করে) এবং প্রতি পনেরো বা চাপ দিবার পর লক্ষ করুন হৃদস্পন্দন ফিরে আসছে কিনা, এসময়ে রোগীকে অঙ্েিজন দিতে হবে।



? রোগীকে দ্রুত নিকটস্থ হাসপাতালে প্রেরণ করুন।



 


আজকের পাঠকসংখ্যা
১১৪৭৮৬৬
পুরোন সংখ্যা