চাঁদপুর। সোমবার ০৭ জানুয়ারি ২০১৯। ২৪ পৌষ ১৪২৫। ৩০ রবিউস সানি ১৪৪০
jibon dip

সর্বশেষ খবর :

  • -
হেরার আলো
বাণী চিরন্তন
আল-হাদিস

৪৫-সূরা জাছিয়া :

৩৭ আয়াত, ৪ রুকু, ‘মক্কী

পরম করুণাময় ও অসীম দয়ালু  আল্লাহর নামে শুরু করছি।



২৩। তুমি কি লক্ষ্য করিয়াছ তাহাকে, যে তাহার খেয়াল-খুশিকে নিজ ইলাহ্ বানাইয়া লইয়াছে? আল্লাহ জানিয়া শুনিয়াই উহাকে বিভ্রান্ত করিয়াছেন এবং উহার কর্ণ ও হৃদয় মোহর করিয়া দিয়াছেন এবং উহার চক্ষুর উপর রাখিয়াছেন আবরণ। অতএব আল্লাহর পরে কে তাহাকে পথনির্দেশ করিবে? তবুও কি তোমরা উপদেশ গ্রহণ করিবে না?

দয়া করে এই অংশটুকু হেফাজত করুন


অসতর্ক জ্ঞানের অভাবের চেয়েও ক্ষতিকর।

-টলস্টয়।


মায়ের পদতলে সন্তানদের বেহেশত।

 


ফটো গ্যালারি
আগুনে পুড়ে গেলে করণীয়
ডাঃ নায়লা আজিজ মিতা
০৭ জানুয়ারি, ২০১৯ ০০:০০:০০
প্রিন্টঅ-অ+


* আক্রান্ত ব্যক্তিকে এমনভাবে শুইয়ে দিতে হবে যাতে তার পুড়ে যাওয়া অংশ খোলা দিকে থাকে। তারপর জগ বা মগে ঠান্ডা পানি বা বরফ পানি এনে পোড়া জায়গায় ঢালতে হবে। যতক্ষণ না তার জ্বালা-যন্ত্রণা কমে এবং ক্ষতস্থানের গরমভাবও কমে না যায়।



 



* আক্রান্ত স্থানটি ফুলে যাবার আগে সেখান থেকে ঘড়ি, বেল্ট, আংটি (যদি থাকে) কাপড় খুলে ফেলতে হবে।



পুড়ে যাওয়া অংশে যদি কাপড় লেগে থাকে তবে সেটা না টেনে বাকি কাপড় কেটে সরিয়ে ফেলতে হবে।



* পরিষ্কার জীবানুমুক্ত ব্যান্ডেজ বা কাপড় দিয়ে ক্ষতস্থান হালকা করে বেঁধে দিতে হবে।



* যদি মুখে কোথাও পুড়ে যায় তবে পানি দিয়ে ঠান্ডা করতে হবে যতক্ষণ না ক্ষতস্থান ঠান্ডা হয় এবং ব্যাথা কমে। মুখ ঢাকবার কোন প্রয়োজন নেই, তবে পরিষ্কার জীবানুমুক্ত কাপড় দিয়ে এমনভাবে মাস্ক তৈরী করতে হবে যাতে নাক, মুখ ও চোখ বের করে মুখ ঢাকা যায়।



* পোড়া জায়গা দিয়ে শরীরের প্রয়োজনীয় জলীয় পদার্থ বের হয়ে যায়, যার ফলে আক্রান্ত ব্যক্তি শকে (ঝযড়পশ) চলে যেতে পারে। অর্থাৎ তার রক্তচাপ কমে যায়, হৃৎপিন্ডের স্পন্দন কমে যায় এবং শ্বাস-প্রশ্বাস ব্যবহৃত হয়। এই অবস্থায় যত তাড়াতাড়ি সম্ভব চিকিৎসকের পরমার্শ গ্রহণ করে সে অনুযায়ী ব্যবস্থা নেওয়া উচিত। চিকিৎসকের পরামর্শে আক্রান্ত ব্যক্তিকে ব্যথার, জ্বরের ঔষধ ও জীবাণুনাশক এ্যান্টিবায়োটিক দেয়া যেতে পারে। এমনকি ক্ষতস্থান যদি অপরিষ্কার মনে হয় তবে টিটানল দিতে হতে পারে।



* ডারমাজিন মলম নিকটে থাকলে সাথে সাথে তা পোড়াস্থানে পুরো করে লাগিয়ে দিলে ভালো ফল পাওয়া যায়।



* যদি আক্রান্ত ব্যক্তি জ্ঞান হারিয়ে ফেলে আর সহজে জ্ঞান না ফেরে তবে অবশ্যই তাকে নিকটতম হাসপাতালে বা চিকিৎসা কেন্দ্রে নিয়ে যেতে হবে। তবে হাসপাতালে নেয়ার সময়টুকুর ভেতর তার শ্বাস-প্রশ্বাস, রক্তচাপ ও হৃদস্পন্দনের দিকে বিশেষ খেয়াল রাখতে হবে। মনে রাখতে হবে, ফোস্কা পড়লে তার উপরের চামড়া তুলে ফেলা যাবে না। ঐ স্থান খোলা রাখতে হবে। এতে করে ক্ষতস্থান তাড়াতাড়ি শুকিয়ে যাবে। পুড়ে যাওয়া অংশ নাড়াচাড়া না করাই ভালো।



 


আজকের পাঠকসংখ্যা
১১২০৪০৬
পুরোন সংখ্যা