চাঁদপুর, সোমবার ১০ জুন ২০১৯, ২৭ জ্যৈষ্ঠ ১৪২৬, ৬ শাওয়াল ১৪৪০
jibon dip

সর্বশেষ খবর :

  • -
হেরার আলো
বাণী চিরন্তন
আল-হাদিস

৫১-সূরা যারিয়াত


৬০ আয়াত, ৩ রুকু, মক্কী


পরম করুণাময় ও অসীম দয়ালু আল্লাহর নামে শুরু করছি।


৩৬। আর সেথায় আমি একটি পরিবার ব্যতীত কোনো আত্মসমর্পণকারী পাই নাই।


৩৭। যাহারা মর্মন্তুদ শাস্তিকে ভয় করে আমি তাহাদের জন্য উহাতে একটি নিদর্শন রাখিয়াছি।


৩৮। এবং নিদর্শন রাখিয়াছি মূসার বৃত্তান্তে, যখন আমি তাহাকে স্পষ্ট প্রমাণসহ ফিরআউনের নিকট প্রেরণ করিয়াছিলাম,


 


 


assets/data_files/web

বাণিজ্যই হলো বিভিন্ন জাতির সাম্য সংস্থাপক। -গ্লাডস্টোন।


 


 


কবরের উপর বসিও না এবং উহার দিকে মুখ করিয়া নামাজ পড়িও না।


 


 


ফটো গ্যালারি
ধূমপানের ক্ষতি যেভাবে কমিয়ে আনা সম্ভব
সার্জিন শরীফ
১০ জুন, ২০১৯ ০০:০০:০০
প্রিন্টঅ-অ+


ধূমপায়ীরা খাবারের পুষ্টিগুণ এবং অ্যান্টি অঙ্েিডন্টের সুফল থেকে বঞ্চিত। ধূমপানের ফলে ক্ষতিগ্রস্ত দেহাভ্যন্তরীণ অঙ্গ-প্রত্যঙ্গগুলো (বিশেষ করে ফুসফুস) গ্রহণ করা খাবারের সুফল থেকে বঞ্চিত হয়।



এই অবস্থা চলমান থাকলে তা একসময় গোটা শরীরকেই দুর্বল করে দেয় এবং বিভিন্ন ধরনের ব্যথা অনুভূত হয়।



যাদের ক্ষেত্রে ধূমপান ত্যাগের কোনোই বিকল্প নেই, তারা নির্দিষ্ট খাদ্যাভাসের মাধ্যমে ধূমপানের ফলে সৃষ্ট রোগের ঝুঁকি থেকে অনেকটাই রেহাই পেতে পারেন।



জেনে নিন এমনই কিছু খাদ্যদ্রব্য, যেগুলো ধূমপানের ফলে সরাসরি ক্ষতিগ্রস্ত অঙ্গ-প্রত্যঙ্গকে সুরক্ষা দেয়ার পাশাপাশি এ সংক্রান্ত রোগের ঝুঁকি কমাতে সাহায্য করে।



* সরিষা পাতা : সরিষা ধূমপায়ীদের জন্য বিশেষ উপকারী একটি খাদ্যদ্রব্য। কারণ এটি ফুসফুসের প্রদাহ রোধে সহায়তা করে। পাশাপাশি ধূমপানের ইচ্ছারোধ এবং শ্বাস-প্রশ্বাসের দুর্বলতা রোধ করে।



* কপি জাতীয় সবজি : প্রতিদিন অন্তত একটি কপি জাতীয় সবজি খাওয়ার অভ্যাস গড়ে তুললে ধূমপানের ফলে সৃষ্ট ক্যানসারের ঝুঁকি কমে যায়। কপি জাতীয় সবজির কিছু উদাহরণ হল- স্প্রাউট, ব্রকলি, ফুলকপি, কলমীদল শালুক, রঙিন আরুগুলা, মুলা এবং চীনা বাঁধাকপি।



তাছাড়া এই সবজিগুলো শরীরে ভিটামিন সি, ই এবং বিটা ক্যারোটিন (ভিটামিন এ) এর চাহিদা মেটায়।



* ভিটামিন 'বি ১২' সমৃদ্ধ খাবার : ভিটামিন 'বি ১২'-র অভাব একজন ধূমপায়ীর শরীরে বর্ণনাতীত ব্যথার উদ্রেক করতে পারে। আসলে ধূমপায়ীরা ভিটামিন 'বি গ্রুপ'-এর অভাবে ভুগে থাকেন। কারণ ধূমপানের ফলে শরীর পর্যাপ্ত পরিমাণ পুষ্টিগ্রহণ করতে পারে না।



তাই একজন ধূমপায়ীর খাদ্যতালিকায় অবশ্যই ভিটামিন 'বি ১২' অন্তর্ভুক্ত হওয়া উচিত। ডিম, পনির, দই, ফর্টিফায়েড সিরিয়াল অথবা ফুড সাপ্লিমেন্টের মাধ্যমে 'ভিটামিন ১২'-র চাহিদা পূরণ করা যেতে পারে।



সেই সঙ্গে প্রত্যেক ধূমপায়ীকে অবশ্যই পর্যাপ্ত পরিমাণে ভিটামিন 'বি৬' এবং 'বি৯' সমৃদ্ধ খাবার খেতে হবে। মাছ, মাংস, আলু এবং শস্যদানা ভিটামিন 'বি৬' এবং ফলমূল, সবুজ শাকসবজি, শুকনো শিমের বিচি, মসুর এবং ব্রকলি ভিটামিন 'বি৯' এ পরিপূর্ণ।



* ভিটামিন এ : অনেকেই হয়তো জেনে থাকবেন যে, সিগারেটের ধোঁয়ায় থাকা 'ক্যারসিনোজেন' শরীরে ভিটামিন 'এ'-এর অভাব সৃষ্টি করে। শরীরের জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ এই ভিটামিনের একটি প্রধানতম উৎস হচ্ছে, সরিষা। এছাড়া কুমড়া, ভুট্টা, লাল মরিচ, কমলালেবু এবং পিচফলেও প্রচুর ভিটামিন 'এ' থাকে।



পাশাপাশি কুমড়া এবং গাজরে থাকে 'বেটাক্রিপ্টোজ্যানথিন' নামক অ্যান্টি অঙ্েিডন্ট, যা ফুসফুস ক্যানসারের ঝুঁকি কমায়।



* ভিটামিন 'সি' : প্রত্যেক ধূমপায়ীর জন্য অত্যাবশকীয় একটি ভিটামিনের নাম ভিটামিন 'সি'। কারণ এটি নিকোটিনের বিষক্রিয়া কমায় এবং পরিপাকতন্ত্রকে শক্তিশালী করে।



ভিটামিন 'সি'-এর বড় উৎসগুলো হচ্ছে : আমলকী, লেবুজাতীয় ফলমূল, আনারস, পেয়ারা ইত্যাদি।



* ভিটামিন 'ই' : গবেষণায় দেখা গেছে, যেসব ধূমপায়ী প্রচুর পরিমাণে ভিটামিন 'ই' সমৃদ্ধ খাদ্যগ্রহণ করেন তাদের শরীরের নমনীয়তা এবং রক্তপ্রবাহ বৃদ্ধি পায়।



একজন ধূমপায়ীর প্রতিদিনের খাদ্যতালিকায় অবশ্যই বাদাম, ডিম এবং গমের তৈরি খাবার থাকা উচিত।



* ক্যাটচিন : ফাইটোকেমিক্যাল যৌগ ক্যাটচিন ধূমপানের ক্ষতি কমাতে বিশেষ সহায়ক হিসেবে বৈজ্ঞানিকভাবে প্রমাণিত। বস্ন্যাক টি, আঙুর, কালোজাম এবং গাঢ় রংয়ের চকলেট ক্যাটচিনের ভালো উৎস।



* মিথিওনিন : মিথিওনিন নামক অ্যামিনো অ্যাসিডটি আমাদের ফুসফুসের জন্য খুবই প্রয়োজনীয় একটি উপাদান। বিভিন্ন ধরনের ফলের বীজ, শস্যদানা, মাছ এবং মাংসে মিথিওনিন থাকে।



* ডালিম : বেদানা বা ডালিমে রয়েছে এলাগিক অ্যাসিড, এটি শক্তিশালী অ্যান্টি অঙ্েিডন্ট হিসেবে ধূমপায়ীর শরীরের ক্ষতিকর মৌল দূর করে এবং ফুসফুসের কোষসহ শরীরের কোষের ক্ষতি কমাতে সহায়তা করে।



* পেঁয়াজ এবং রসুন : সালফার যৌগে পরিপূর্ণ পেঁয়াজ এবং রসুন শ্বাস-প্রশ্বাসজনিত সমস্যায় উপকারী ভূমিকা পালন করে এবং ফুসফুসকে পরিষ্কার রাখে। পেঁয়াজে আপেল এবং শিমের ন্যায় 'কোয়েরসেটিন' থাকে, যা ফুসফুসকে ভালো রাখতে সহায়তা করে।



* জিংক, ম্যাগনেসিয়াম, ক্যালসিয়াম, ভিটামিন 'ডি' : দীর্ঘদিন ধরে ধূমপানের ফলে হাড় দুর্বল হয়ে পড়ে। তাই ধূমপায়ীদের জন্য এই জিনিসগুলো খুবই গুরুত্বপূর্ণ :



-জিংক (মাশরুম, ফলের বীজ এবং বাদাম)



-ম্যাগনেসিয়াম (ফলের বীজ, বাদামী রঙের চাল)



-ক্যালসিয়াম (দুগ্ধজাত খাবার, তিলের বীজ)



-ভিটামিন 'ডি' (সূর্যের আলোয় বেশিক্ষণ থাকা এবং ফুড সাপ্লিমেন্ট গ্রহণ করা)



সেই সঙ্গে, প্রচুর পরিমাণ পানি পান করতে হবে। কারণ ধূমপান শরীর থেকে পানি বের করে দেয় এবং পানি নিকোটিন দূর করতে সহায়তা করে।



তথ্যসূত্র : লিফটের।



 



 



 


আজকের পাঠকসংখ্যা
৫৮৯২৭০
পুরোন সংখ্যা