চাঁদপুর, বুধবার ৩১ জুলাই ২০১৯, ১৬ শ্রাবণ ১৪২৬, ২৭ জিলকদ ১৪৪০
jibon dip

সর্বশেষ খবর :

  • -
হেরার আলো
বাণী চিরন্তন
আল-হাদিস

৫৪-সূরা কামার


৬২ আয়াত, ৩ রুকু, মক্কী


পরম করুণাময় ও অসীম দয়ালু আল্লাহর নামে শুরু করছি।


৪। উহাদের নিকট আসিয়াছে সুসংবাদ, যাহাতে আছে সাবধান বাণী;


৫। ইহা পরিপূর্ণ জ্ঞান, তবে এই সতর্কবাণী উহাদের কোনো উপকারে আসে নাই।


৬। অতএব তুমি উহাদের উপেক্ষা কর। যেদিন আহ্বানকারী আহ্বান করিবে এক ভয়াবহ পরিণামের দিকে,


 


 


 


প্রতিদিনের সূর্যালোকের সঙ্গে সঙ্গে নূতন নূতন আশার জন্ম হয়।


-টমাস হুগস।


 


 


ন্যায়পরায়ণ বিজ্ঞ নরপতি আল্লাহ'র শ্রেষ্ঠ দান এবং অসৎ মূর্খ নরপতি তার নিকৃষ্ট দান।


 


 


 


 


ফটো গ্যালারি
আকুপ্রেশার পদ্ধতি : স্বল্প খরচে উন্নত চিকিৎসা
অধ্যাপক কে. এম. মেছবাহ উদ্দিন
৩১ জুলাই, ২০১৯ ০০:০০:০০
প্রিন্টঅ-অ+


আকুপ্রেশার চিকিৎসা পদ্ধতি কী? : আকুপ্রেশার একটি অতি প্রাচীন চিকিৎসা পদ্ধতি। প্রায় ৫০০০ বছর পূর্বে ভরতবর্ষে এই পদ্ধতিতে চিকিৎসা শুরু হয়। শুরুতে এ পদ্ধতির নাম কী ছিলো তা জানা যায়নি। আকুপ্রেশার শব্দটি আকুপাংচার থেকে এসেছে। অ্যাকিউ শব্দের অর্থ সুচ এবং পাংচার শব্দের অর্থ বিদ্ধ করা। শরীরের বিশেষ বিশেষ বিন্দুতে সুচ বিদ্ধ করে চিকিৎসা করার পদ্ধতি হল আকুপাংচার। আকুপাংচারের এই বিন্দুগুলো হাত-পায়ের আঙ্গুলের ডগা থেকে শুরু করে সারা শরীরে ছড়িয়ে আছে। এদের সংখ্যা প্রায় ৯০০ থেকে ৪০০০। যে কোনো আনাড়ী ব্যক্তির পক্ষে এই সকল বিন্দু নির্ণয় করে চিকিৎসা করা সম্ভব নয়। আকুপ্রেশার হলো শরীরের বিশেষ বিশেষ জায়গায় বৃদ্ধাঙ্গুলি অথবা অন্য কোন ভোঁতা বস্তু দ্বারা চাপ দিয়ে চিকিৎসা করা। আকুপ্রেশার এর অধিকাংশ বিন্দুগুলো হাতের তালু ও পায়ের তালুতে অবস্থিত। এদের সংখ্যা মাত্র ৪৫ টি। এই বিন্দুগুলোর অবস্থান জানা এত সহজ যে, কোন ব্যক্তি এমনকি দশ বছরের শিশুও এই বিন্দুগুলোর অবস্থান জেনে নিজের চিকিৎসা নিজেই করতে পারবে।



আকুপ্রেশারের বৈজ্ঞানিক ব্যাখ্যা : ধনাত্মক ধর্মী একটি শুক্রকীট ঋণাত্মক ধর্মী ডিম্বানুর সাথে মিলিত হয়ে জাইগোট নামক ব্যাটারী সেলের মত বস্তুতে পরিণত হয়। এই অবস্থা থেকে বৃদ্ধির সাথে সাথে প্রতিটি কোষে বৈদ্যুতিক বর্তনী স্থাপিত হয়। ভ্রুণ যখন পূর্ণাঙ্গ মানব আকৃতি ধারণ করে তখন এই জীবন ব্যাটারী মস্তিষ্কে স্থাপিত। উল্লেখ্য যে মস্তিষ্কের ১ম ভেন্টিকলের মধ্য দিয়ে রক্ত প্রবাহিত হলে ধনাত্মক প্রবাহ এবং ২য় ভেন্টিকলের মধ্য দিয়ে রক্ত প্রবাহিত হলে ঋণাত্মক প্রবাহ সৃষ্টি হয়। সুতরাং মস্তিষ্ক থেকে এই বিদ্যুৎ প্রবাহ শরীরের প্রতিটি অঙ্গ-প্রত্যঙ্গ এমনকি প্রতিটি কোষে পেঁৗছে যায়। এই বিদ্যুৎ প্রবাহের বর্তনী মেরিডিয়ান নামে পরিচিত । ইহা ডান ও বাম এই দুই ভাগে বিভক্ত হয়েছে। অর্থাৎ ডান দিকের প্রবাহ ডান দিকের প্রতিটি অঙ্গ প্রত্যঙ্গ হয়ে ডান হাত ও পায়ের আঙ্গুলের ডগায় শেষ হয়েছে। অনুরূপ ভাবে বাম দিকের প্রবাহ বাম দিকের প্রতিটি অঙ্গ প্রত্যঙ্গ হয়ে বাম হাত ও পায়ের আঙ্গুলের ডগায় শেষ হয়েছে। এই জন্য হাত ও পায়ের তালুর বিভিন্ন বিন্দু হল শরীরের বিভিন্ন অঙ্গের সুইচ। এই বর্তনীর মাধ্যমে যে বিদ্যুৎ প্রবাহ চলে, তাকে জৈব বৈদ্যুৎ বলে। যতক্ষণ এই বিদ্যুৎ প্রবাহ শরীরের মধ্যে ঠিকমত প্রবাহিত হয়, ততক্ষণ শরীর সুস্থ ও সবল থাকে।



কোন্ কারণবশত : যদি এই বিদ্যুৎ প্রবাহ দেহের কোন অঙ্গে বাধাপ্রাপ্ত হয়, তখনই সেখানে বিকল অবস্থা সৃষ্টি হয় এবং কখনো কখনো ব্যথা হয়। যদি এই বিদ্যুৎ প্রবাহ পুণরায় প্রবাহিত করা যায়, তবে রোগ মুক্তি হয়। আকুপ্রেশার হলো সেই বৈজ্ঞানিক ব্যবস্থা, যার মাধ্যমে শরীরের বিভিন্ন অঙ্গে বিদ্যুৎ প্রবাহ সম্পর্কে অবহিত হওয়া যায় এবং প্রয়োজনে বৈদ্যুতিক বর্তনী মেরামত করত পুনরায় এই বিদ্যুৎ প্রবাহ স্বাভাবিক করা যায়।



যেমন, কেউ জন্ডিসের জীবাণুযুক্ত খাদ্য গ্রহণ করলে ৪৮ ঘন্টার মধ্যে জন্ডিসের জীবাণু লিভারে বাসা বাঁধে এবং লিভারে বিদ্যুৎ প্রবাহ বাধা প্রাপ্ত হয়। সাথে সাথে লিভারের সুইচ অর্থাৎ হাতের তালু ও পায়ের তালুতে অবস্থিত লিভারের বিন্দুতে ব্যথা হয়। কিন্তু রক্তে জন্ডিসের লক্ষণ ধরা পড়ে চার দিন পর এবং চোখে ও প্রস্রাবে এর লক্ষণ প্রকাশ পায় পাঁচ দিন পর । সুতরাং আকুপ্রেশারের সাহায্যে ৪৮ ঘন্টার মধ্যে জন্ডিস নির্ণয় সম্ভব। কিন্তু ডাক্তারী পরীক্ষায় চার দিনের আগে জন্ডিস নির্ণয় করা সম্ভব নয়। আবার কোন রোগের লক্ষণ ৩০ ভাগ থেকে ৪০ ভাগ প্রকাশ পাওয়ায় আগে ডাক্তারী পরীক্ষায় ধরা পড়ে না। কিন্তু আকুপ্রেশারের মাধ্যমে মাত্র ৫ থেকে ১০ ভাগ সমস্যা হলে ধরা পড়ে।



কখন এই বিদ্যুৎপ্রবাহ শেষ হয় : ভ্রূণ অবস্থা থেকে শুরু করে মৃত্যু পর্যন্ত এই বিদ্যুৎ প্রবাহ চলতে থাকে। কিন্তু দীর্ঘস্থায়ী এবং দুরারোগ্য রোগীদের দেহে এই বিদ্যুৎ শক্তি প্রোস্ট্রেট / যৌন গ্রন্থিতে স্থিতিশক্তি আকারে জমা থাকে। এই অবস্থায় পোস্ট্রেট গ্রন্থিতে নিয়মিত চিকিৎসা করলে প্রথমে এই বিদ্যুৎ যৌন গ্রন্থিতে প্রবেশ করে, ফলে যৌন শক্তি বৃদ্ধি পায়; যখন অন্ত্র গুচ্ছে প্রবেশ করে তখন হজম শক্তি ও অগ্নাশয় গ্রন্থির শক্তি বৃদ্ধি পায়, যখন থাইরয়েড/প্যারাথাইরয়েড গ্রন্থিতে প্রবেশ করে, তখন দেহের বিশুদ্ধকরণ প্রক্রিয়া বৃদ্ধি পেয়ে শরীর শক্তিশালী হয়, যখন পিটুইটারী ও পিনিয়ল গ্রন্থিতে পেঁৗছে, তখন স্মৃতি শক্তি বৃদ্ধি পায়।



আকুপ্রেশার কীভাবে কাজ করে ? : সুইচবোর্ডের কোন সুইচ অন করলে যেমন ওই সুইচের সাথে সংযুক্ত যন্ত্রে বিদ্যুৎ পৌছে যায় ঠিক তেমনিভাবে শরীরের কোন অঙ্গের বিন্দুতে (সুইচে) চাপ প্রয়োগ করলে সেখান থেকে শক্তিশালী বৈদ্যুতিক তরঙ্গ ঐ অঙ্গের মেরিডিয়ান রেখার সংযোগ বিন্দুতে আঘাত করে। কোনো কারণে যদি শরীরের কোনো অঙ্গে বিদ্যুৎ প্রবাহ বিঘি্নত হয় তখন ঐ অঙ্গের সুইচে বার বার চাপ প্রয়োগ করলে ঐ সংযোগ বিন্দুতে জমা হওয়া কার্বন ডাই অঙ্াইড বা অন্য কোনো বিষাক্ত পদার্থ বের হয়ে রক্তের মধ্যে চলে আসে। ফলে ঐ অঙ্গে বিদ্যুৎ প্রবাহ পূর্ণ প্রতিষ্ঠা হয় এবং ধীরে ধীরে অঙ্গটি সুস্থ হয়ে উঠে। রক্তের এই বর্জ্য পদার্থ কিডনীর মাধ্যমে ছেকে প্রস্রাবের সাথে শরীর থেকে বের করে দেয়। এই ভাবে বিষাক্ত বর্জ্য কিডনীর মাধ্যমে বের করলে কিডনীর উপর অধিক চাপ পড়ে। ফলে কিডনীর কর্মক্ষমতা লোপ পায়। সকল ব্যথার বিন্দুতে চিকিৎসা করার পর কিডনীর ২৬ নং বিন্দুতে চাপ দেওয়া প্রয়োজন। যেমন ডান হাতের সকল ব্যথার বিন্দুগুলোতে চাপ দেওয়ার শেষে কিডনীর ২৬ নং বিন্দুতে চাপ দেওয়ার প্রয়োজন এবং বাম হাত, বাম পা ও ডান পায়ের বিন্দুগুলোতে একই নিয়মে চাপ দিতে হবে।



আকুপ্রেশার ও REFLEXOLOGY : আমাদের শরীরের কোনো অঙ্গে রোগ জীবাণু প্রবেশ করলে বা অঙ্গটি অধিক কাজ করলে বা অন্য কোনো কারণে অঙ্গটি ক্ষতিগ্রস্ত হলে ওই অঙ্গের সাথে যুক্ত মেরিডিয়াম রেখার চার পাশে কার্বন ডাই অঙ্াইড বা অন্য কোনো বিষাক্ত পদার্থ জমা হয়। তখন ঐ অঙ্গে বিদ্যুৎ প্রবাহ বাধা প্রাপ্ত হয়। এই রোগের কারণে অঙ্গটিতে কখনো কখনো ব্যথা হয়। এই রোগ বা ব্যথা অঙ্গটির সুইচ (হাতের ও পায়ের তালুতে) অবস্থিত বিন্দুতে প্রতিফলিত হয় এবং সেখানে চাপ দিলে ব্যথা অনুভব হয়। এই জন্য এই চিকিৎসাকে 'REFLEXOLOGY'ও বলা হয়।



ব্যথার প্রকৃতি : আকুপ্রেশারের বিন্দুগুলোতে চাপ দিলে যে ব্যথা অনুভূত হয়, ইহা সাধারণ চাপ দেয়ার ব্যথা থেকে সম্পূর্ণ ভিন্ন। এই ব্যথা কষ্টদায়ক, সুচ ফুটানোর মত অনুভূত হয়। চাপ দেয়ার ফলে কপালে কুঞ্চন এবং চোখে স্পন্দন দেখা দেয়। ব্যথার মাত্রা থেকে সমস্যার পরিমাণ নির্ণয় করা যায়।



রোগ নির্ণয় ও চিকিৎসা : শরীরের কোনো অঙ্গ ৮/১০ দিন অসুস্থ থাকলে থাইরয়েড গ্রন্থিটি অস্থির হয়ে পড়ে এবং ৮নং বিন্দুতে চাপ দিলে ব্যথা অনুভব হয়। অতএব থাইরয়েডের বিন্দু হল আমাদের শরীরের অসুস্থতার সিগন্যাল বিন্দু। সুতরাং রোগ নির্ণয়ের ক্ষেত্রে প্রথমে থাইরয়েড বিন্দু থেকে শুরু করে রোগীর সমস্যানুসরে অন্যান্য বিন্দুতে চাপ দিয়ে রোগ নির্ণয় করতে হবে।



কোনো অঙ্গের সুইচে ব্যথা হলেই তা চাপ দিয়ে বের করে দিন এটিই হলো আকুপ্রেশারের মূলনীতি :



আকুপ্রেশারের সাহায্যে কী কী রোগের চিকিৎসা করা যায় : রোগের হাজারও নাম আছে কিন্তু প্রতিটি রোগই শরীরের কোনো না কোনো অঙ্গ বা গ্রন্থির সাথে সম্পর্কিত। সুতরাং অঙ্গ ও গ্রন্থিগুলো বিন্দুগুলি চিকিৎসা করে প্রতিটি রোগের চিকিৎসা করা সম্ভব।



চাপ দেয়ায় পদ্ধতি : রোগ অনুসারে হাতের তালু এবং পায়ের তালুর ব্যাথার বিন্দু (চধরহ চড়রহ) এর উপর এবং তার চার-পাশ্র্বে খাড়া ভাবে চাপ দিতে হবে। তবে বেশি সংখ্যক চাপ ব্যাথার বিন্দুতে দিতে হবে। চাপ হবে আরামদায়ক পাম্প করার মত থেমে থেমে, এক নাগাড়ে নয়। যতটুকু চাপ রোগী সহ্য করতে পারেন, ততটুকু জোরে চাপ দিতে হবে। সে ক্ষেত্রে রোগীর স্বাস্থ্য, ধৈর্য ও বয়স ইত্যাদির দিকে খেয়াল রাখতে হবে। যেহেতু অন্তঃক্ষরা গ্রন্থিগুলোর বিন্দু (৩, ৪, ৮, ১৬, ২৫, ২৮ এবং ৩৮) শরীরের গভীরে অবস্থিত, সেহেতু এই সকল বিন্দুতে একটু জোরে চাপ দিতে হবে। আবার পায়ের চামড়া পুরু হওয়ায় পায়ের বিন্দুগুলোতেও জোরে চাপ দিতে হয়।



কতক্ষণ চাপ দিতে হবে : প্রতিটি ব্যথার বিন্দুতে ৫০ থেকে ৬০ বার চাপ দিতে হবে অথবা সর্বোচ্চ দু'মিনিট চাপ দিতে পারেন। প্রতিদিন সকাল বেলা ও রাত্রি বেলা চাপ দিতে হবে অথবা প্রয়োজনে তিনবারও চাপ দেয়া যেতে পারে। তবে দুই বার চাপের মধ্যে ছয় ঘন্টা ব্যবধান হওয়া প্রয়োজন।



কখন চাপ দিতে হবে : চাপ দেয়ার কোনো নির্দিষ্ট সময় নেই। যে কোনো সময়, যে কোনো অবস্থায় যেমন বসে, শুয়ে এমনকি হাঁটতে-হাঁটতেও চাপ দেয়া যায়। তবে আহারের ১ ঘন্টার মধ্যে এবং খুব ক্ষুধার্ত অবস্থায় চাপ দেয়া ঠিক নয়।



কতদিন চাপ দিতে হবে : কোনো অঙ্গের অনুরূপ বিন্দুতে যতদিন পর্যন্ত সম্পূর্ণ ব্যথা নির্মূল না হয় অর্থাৎ ততোদিন পর্যন্ত ঐ বিন্দুতে এবং তার চার পাশে চাপ দিতে হবে।



আমাদের শরীরের প্রতিটি অঙ্গ এক একটি যন্ত্র বিশেষ। পরিপাশ্বর্িক প্রতিকূলতা এবং বিভিন্ন খাদ্য দ্রব্যের প্রতিক্রিয়া স্বরূপ কোনো অঙ্গে ক্লান্তি, অবসাদ বা বিকল অবস্থা সৃষ্টি হতে পারে। এই জন্য হাতের তালু ও পায়ের তালুর সব বিন্দুতে প্রতিদিন (প্রতিটি বিন্দুতে ৮-১০ বার এবং কোন বিন্দুতে ব্যথা থাকলে ২০-২৫ বার) দশ মিনিট চাপ দিয়ে প্রতিটি অঙ্গ ও গ্রন্থিগুলোকে ব্যাটারী সেলের মত রিচার্জ করতে পারে। এতে করে সমস্ত অঙ্গ ও গ্রন্থিগুলো সুষম ও সক্রিয় হয়ে উঠবে এবং স্বাভাবিক ভাবে কাজ করবে এবং শরীর সুস্থ থাকবে।



প্রতিক্রিয়া : এভাবে চাপ দেয়ার ফলে বিন্দু গুলো হতে প্রথম দুই দিন হয়ত কোন সাড়া পাওয়া যাবে না। কারণ এতদিন এগুলো অকেজো ছিল। তৃতীয় দিন হতে বিন্দুগুলোর প্রতিক্রিয়া দেখা যায়। তাবে কোন পার্শ্ব প্রতিক্রিয়া নেই। কখনো কখনো দেখা যায় দুই-তিন দিন চাপ দেয়ার ফলে বিন্দুর ব্যথাও বেড়ে গেছে সেই সাথে সংশ্লিষ্ট অঙ্গের ব্যথাও বেড়ে যেতে পারে। এক্ষেত্রে ঐ অঙ্গে হঠাৎ নাড়া পড়ার কারণে এরূপ হতে পারে।



সতর্কতা : অনেকে তাড়াতাড়ি সুস্থ হওয়ার আশায় ব্যথার বিন্দুতে অনেক সময় ধরে চাপ দেন অথবা দিনে অনেক বার চাপ দেন। এর ফলে নিম্নের সমস্যাগুলো দেখা দিতে পারে :



১। কোন বিন্দুতে একাধারে তিন মিনিট সময় চাপ দিলে ঐ বিন্দুর সাথে সম্পর্কিত অঙ্গের অনুভূতি কিছু সময়ের জন্য লোপ পায়।



২। সুইচ নষ্ট হয়ে যাবার সম্ভাবনা থাকে।



৩। জীবন ব্যাটারী অধিক কাজ করে এবং দেহে অতিরিক্ত বিদ্যুৎ প্রবাহ হয়। ফলে দুর্বলতা দেখা দিতে পারে।



৪। কিডনীতে অতিরিক্ত বিষাক্ত পদার্থের চাপ পড়ায় এর ক্ষতি হতে পারে।



তবে বেশি মাথা ব্যথা ও পেট ব্যাথার ক্ষেত্রে এ ধরনের বিরামহীন চাপ উপকারী। (চলবে)



 



 


আজকের পাঠকসংখ্যা
১২২৮১
পুরোন সংখ্যা