চাঁদপুর, সোমবার ২ সেপ্টেম্বর ২০১৯, ১৮ ভাদ্র ১৪২৬, ২ মহররম ১৪৪১
jibon dip

সর্বশেষ খবর :

  • -
হেরার আলো
বাণী চিরন্তন
আল-হাদিস

৫৫-সূরা রাহ্মান


৭৮ আয়াত, ৩ রুকু, মাদানী


পরম করুণাময় ও অসীম দয়ালু আল্লাহর নামে শুরু করছি।


 


 


assets/data_files/web

বাণিজ্যই হলো বিভিন্ন জাতির সাম্য সংস্থাপক। -গ্লাডস্টোন।


 


 


যখন কোনো দলের ইমামতি কর, তখন তাদের নামাজকে সহজ কর।


 


 


 


ফটো গ্যালারি
চাঁদপুর সরকারি জেনারেল হাসপাতালে নোংরা পরিবেশ ও দুর্গন্ধ
সোহাঈদ খান জিয়া
০২ সেপ্টেম্বর, ২০১৯ ০০:০০:০০
প্রিন্টঅ-অ+


চাঁদপুর ২৫০ শয্যা বিশিষ্ট সরাকারি জেনারেল হাসপাতালে দীর্ঘদিন যাবত নোংরা ও দুর্গন্ধময় পরিবেশ বিরাজ করে আসছে। একজন সুস্থ রোগী হাসপাতালে প্রবেশ করলে দুর্গন্ধে অসুস্থ হয়ে পড়ে। ঝাড়ুদার নিয়মিত দায়িত্ব পালন না করায় ময়লা আবর্জনা পড়ে থাকে। ডেঙ্গু রোগীর সংখ্যা বৃদ্ধির পাশাপাশি অন্যান্য রোগীর সংখ্যাও বৃদ্ধি পায়। হাসপাতালের বেডে জায়গা না হওয়ায় ফ্লোরে ময়লা-আবর্জনার মাঝে বিছানা বিছিয়ে দেওয়া হয়। আর এ ময়লা আবর্জনার মাঝে চিকিসা নিতে হয় রোগীকে। আর দুর্গন্ধ তো রয়েছে। হাসপাতালের ওয়ার্ডে রোগী দেখার জন্য রাউন্ডে চিকিৎসক এসে নোংরা পরিবেশ ও দুর্গন্ধ পেয়ে থাকলেও করার কিছু থাকে না। হাসপাতালে যেখানে সেখানে পানের পিক ও ময়লা আবর্জনা ছড়িয়ে ছিটিয়ে থাকে। টয়লেটের পানি ওয়ার্ডের দিকে আসার পথে ভিজে থাকে। সিটে বিছানোর চাদর অপরিষ্কার থাকে বেশির ভাগ সময়। হাসপতালে বিরাজমান দুর্গন্ধে রোগীর সাথে আসা লোকজন অসুস্থ হয়ে পড়ছে। দুর্গন্ধ থেকে পরিত্রাণ পাওয়ার জন্য অনেক রোগীকে চিকিৎসা নিয়ে চলে যেতে দেখা গেছে। হাসপাতালে প্রতিদিন রোগীর ভিড় লক্ষ্য করা গেলেও না পারতে অসহায় হয়ে ব্যক্তিদের চিকিৎসা নিতে হয়। এভাবে যদি চলতে থাকলে রোগীরা এ হাসপালের প্রতি আস্থা হারিয়ে ফেলবে। এতে করে সরকার রাজস্ব আয় থেকে বঞ্চিত হবে। আর এ সুযোগে প্রাইভেট হাসপাতাল গুলো লাভবান হবে। প্রাইভেট হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ এ সুযোগের অপেক্ষায় রয়েছে। সরকারি হাসপাতালে পরীক্ষা নিরীক্ষার সরকারি ফিতে কম মূল্যে ব্যবস্থা ও সকল ধরনের চিকিৎসা ব্যবস্থা থাকার পরও দালাল চক্র রোগী ভাগিয়ে নিয়ে হাজার হাজার টাকা হাতিয়ে নেয়। এতে গরীব অসহায় মানু্ষ বেশি ক্ষতিগ্রস্ত হয়ে থাকে। হাসপাতালের তত্ত্বাবধায়ক ডাঃ আনোয়ারুল আজিজ বলেন, প্রতিদিন চাদর ধোয়া হয়। যেটুকু সম্ভব পরিষ্কার-পরিচ্ছন্নতা রাখার চেষ্টা করি। সকাল ৭টায়, দুপুর আড়াইটায়, রাত আটটায় ঝাড়ু দেয়া হয় ও পরিষ্কার করা হয়। পানের পিকের জন্য আমি আমার স্টাফ ও নার্সরা সতর্ক করে থাকি। এটা অনেকের একটা স্বভাব। আমাদের স্বল্প লোকের মধ্যে চেষ্টা করছি পরিস্কার রাখার জন্যে। দালাল চক্রের বিষয়ে পুলিশ প্রশাসন থেকে শুরু করে সকল মিটিংয়ে আলোচনা করে থাকি। মাঝে মধ্যে পুলিশ টহল দেয়। অনেকটা দালাল নিয়ন্ত্রনে এসেছে। হাসপাতালের রোগী নার্স ডাক্তারদের নিরাপত্তার জন্যে যে খানে যা করার প্রয়োজন সেখানেই যোগাযোগ করেছি। কোনো লাভ হচ্ছে না। তারপরও চেষ্টা করে যাচ্ছি।



 



 


আজকের পাঠকসংখ্যা
১২৭৫৩৯
পুরোন সংখ্যা