চাঁদপুর, সোমবার ২ সেপ্টেম্বর ২০১৯, ১৮ ভাদ্র ১৪২৬, ২ মহররম ১৪৪১
jibon dip

সর্বশেষ খবর :

  • -
হেরার আলো
বাণী চিরন্তন
আল-হাদিস

৫৫-সূরা রাহ্মান


৭৮ আয়াত, ৩ রুকু, মাদানী


পরম করুণাময় ও অসীম দয়ালু আল্লাহর নামে শুরু করছি।


 


 


assets/data_files/web

বাণিজ্যই হলো বিভিন্ন জাতির সাম্য সংস্থাপক। -গ্লাডস্টোন।


 


 


যখন কোনো দলের ইমামতি কর, তখন তাদের নামাজকে সহজ কর।


 


 


 


ফটো গ্যালারি
রক্তে প্ল্যাটিলেট হ্রাস
ডাঃ পীযূষ কান্তি বড়ুয়া
০২ সেপ্টেম্বর, ২০১৯ ০০:০০:০০
প্রিন্টঅ-অ+


প্ল্যাটিলেট কী :



রক্তনালীর অভ্যন্তরে হৃদযন্ত্রের সংকোচন-প্রসারণজনিত শক্তিতে লালবর্ণের যে জীবন-তরল মানুষের দেহে প্রবাহমান থাকে তাই-ই রক্ত। এই রক্তের তিনটি মূল কণিকার মধ্যে প্ল্যাটিলেট একটি। এর অন্য নাম থ্রম্বোসাইট বা বাংলায় অনুচক্রিকা। এই কণিকায় কোন নিউক্লিয়াস বা কোষ কেন্দ্রিকা থাকে না। সাত থেকে দশদিন জীবনকালের পর অনুচক্রিকা বা প্ল্যাটিলেটগুলো নষ্ট হয়ে যায়। একজন স্বাভাবিক মানুষের রক্তস্রোতে দেড়লাখ থেকে সাড়ে চারলাখ প্ল্যাটিলেট থাকে। প্ল্যাটিলেটের সংখ্যা স্বাভাবিকের চেয়ে কমে গেলে বলে থ্রম্বোসাইটোপেনিয়া এবং বেড়ে গেলে বলে থ্রম্বোসাইটোসিস।



 



প্ল্যাটিলেটের জন্ম ও বিনাশ



আমাদের দেহে অস্থিগুলোর স্পঞ্জজাতীয় মজ্জাতে প্ল্যাটিলেট তৈরি হয়। এই প্রক্রিয়াকে বলে থ্রম্বোপোয়েসিস। স্পঞ্জি অস্থিমজ্জাগুলো সাধারণত লোহিত অস্থিমজ্জা এবং এরা লম্বাটে অস্থির প্রান্তের দিকে থাকে এবং এতে রক্তসরবরাহ তুলনামূলক অধিক লক্ষ্য করা যায়। থ্রম্বোপোয়েটিন নামক উদ্দীপক হরমোনের কারণে অস্থিমজ্জার মেগাক্যারিওসাইট নামের কোষ থেকে হাজার হাজার প্ল্যাটিলেট তৈরি হয়। জীবনকাল শেষে এই প্ল্যাটিলেটগুলো প্লীহা ও যকৃতে নষ্ট হয়ে যায়।



প্ল্যাটিলেটের কাজ



* দেহে রক্তক্ষরণ রোধ করা এবং রক্ত তঞ্চনে অংশ নেওয়া



* রক্তনালীর অন্তর্গাত্রের স্বাভাবিকতা বজায় রাখতে সহযোগিতা করা



* লাইপোপ্রোটিন নিঃসরণে অংশগ্রহণ করা



প্ল্যাটিলেট কমার লক্ষ্মণ



* দেহের রক্তক্ষরণ প্রবণতা বৃদ্ধি পাওয়া



* রক্ত জমাট বাঁধতে বিলম্ব হওয়া



* ত্বকের নিচে লালচে যার্শ হওয়া



* ত্বকে কালশিটে দাগ হওয়া



* প্রস্রাব, মলের সাথে রক্তক্ষরণ হওয়া



 



প্ল্যাটিলেট কমার কারণ



 



* অস্থিমজ্জার অকার্যকারিতা ও অ্যাপ্লাস্টিক অ্যানিমিয়া বা রক্তকণিকা কম উৎপাদনজনিত কারণে প্ল্যাটিলেট ঘাটতি



* লিউকেমিয়া বা রক্তের ক্যান্সার



* উইস্কট-অলড্রিচ বা মে-হেগলিন সিন্ড্রোম



* গিলবার্ট সিন্ড্রোম



* ভাইরাসজনিত সংক্রামক রোগ যেমন: চিকেন পঙ্, মাম্পস্, রুবেলা, এইডস্, ডেঙ্গু ইত্যাদির আক্রমণ



* আর্সেনিক ও কীটনাশক বিষক্রিয়া



* স্বপ্রতিরোধী রোগ যেমন: লুপাস, ইডিওপ্যাথিক থ্রম্বোসাইটোপেনিক পারপুরা



* হেপারিন, অ্যাস্পিরিন জাতীয় ঔষধ সেবন।



 



চিকিৎসা



* রক্তক্ষরণের জন্যে দায়ী ঔষধ সেবন বন্ধ রাখা



* কিছু কিছু রোগে স্টেরয়েড জাতীয় ঔষধ সেবন



* প্ল্যাটিলেটের পরিমাণ ২০.০০০ এর নীচে আসলে প্ল্যাটিলেট প্রদান



* ডেঙ্গু জাতীয় রোগে প্রচুর তরল পান ও প্রয়োজনে শিরাপথে আইসোটনিক ফ্লুইড প্রদান।



 



 



 


আজকের পাঠকসংখ্যা
১৪৬১২২
পুরোন সংখ্যা