চাঁদপুর, সোমবার ১৪ অক্টোবর ২০১৯, ২৯ আশ্বিন ১৪২৬, ১৪ সফর ১৪৪১
jibon dip

সর্বশেষ খবর :

  • -
হেরার আলো
বাণী চিরন্তন
আল-হাদিস

৫৬ সূরা-ওয়াকি'আঃ


৯৬ আয়াত, ৩ রুকু, মক্কী


পরম করুণাময় ও অসীম দয়ালু আল্লাহর নামে শুরু করছি।


৮০। ইহা জগৎসমূহের প্রতিপালকের নিকট হইতে অবতীর্ণ।


৮১। তবুও কি তোমরা এই বাণীকে তুচ্ছ গণ্য করিবে?


৮২। এবং তোমরা মিথ্যারোপকেই তোমাদের উপজীব্য করিয়া লইয়াছো!


 


 


 


 


 


হিংসা একটা দরজা বন্ধ করে অন্য দুটো খোলে।


-স্যামুয়েল পালমার।


 


 


নামাজ বেহেশতের চাবি এবং অজু নামাজের চাবি।


 


 


 


ফটো গ্যালারি
চাঁদপুরের মানুষ অনেক ভালো, সবসময় ভালো কাজে সহযোগিতা করে থাকে
মৌসুমী আক্তার
১৪ অক্টোবর, ২০১৯ ০০:০০:০০
প্রিন্টঅ-অ+


মৌসুমী আক্তার চাঁদপুরের ঔষধ প্রশাসন অধিদপ্তরের তত্ত্বাবধায়ক হিসেবে দায়িত্ব পালন করে আসছেন।



তিনি বলেন, চাঁদপুরের মানুষ অনেক ভালো। সবসময় কাজের ব্যাপারে সহযোগিতা করে থাকে। পাবলিক প্লেসে কাজ করতে গিয়ে জটিল কোনো সমস্যায় পড়তে হয়নি। চিকিৎসাঙ্গন বিভাগের বিভাগীয় সম্পাদকের সাথে তার দেয়া সাক্ষাৎকার হুবহু তুলে ধরা হলো :



চিকিৎসাঙ্গন : কেমন আছেন?



মৌসুমী আক্তার : ভালো।



চিকিৎসাঙ্গন : আপনার কার্যক্রমগুলো কী কী?



মৌসুমী আক্তার : আমাদের প্রধান কাজ হচ্ছে ফার্মাসিউটিক্যাল কোম্পানী পরিদর্শন ও ফার্মেসী পরিদর্শন। এছাড়া লাইসেন্স করার প্রক্রিয়া, শর্ত রক্ষার বিষয় দেখা, মার্কেট থেকে স্যাম্পল উত্তোলন করে ড্রাগ টেস্টিংয়ে প্রেরণ করা, ঔষধে ভেজাল আছে কিনা ও নিম্নমানের ঔষধ কিনা তা খতিয়ে দেখা এবং মোবাইল কোর্ট করা।



চিকিৎসাঙ্গন : আপনাদের নিয়ন্ত্রণাধীন ঔষধগুলো কী কী?



মৌসুমী আক্তার : অ্যালোপ্যাথিক, আয়ুর্বেদিক, ইউনানী ও হোমিও। এসব ঔষধ আমরা সাধারণত দেখাশোনা করে থাকি।



চিকিৎসাঙ্গন : চাঁদপুরে কাজ করতে আপনাদের কোনো প্রতিকূলতায় পড়তে হয় কি না?



মৌসুমী আক্তার : সামান্য কিছু প্রতিকূলতায় তো পড়তে হয়। পাবলিকের সাথে কাজ। যেমন এই ঔষধটা নিয়মের বাইরে ক্রেতা ক্রয় করেছেন বলে থাকেন। পরবর্তীতে পেলে আইনানুগ ব্যবস্থা নেয়া হয়।



চিকিৎসাঙ্গন : কোনো সমস্যার সম্মুখীন হলে কিভাবে মোকাবেলা করে থাকেন?



মৌসুমী আক্তার : এখনো কোনো সমস্যার সম্মুখীন হইনি। আমার সাধ্যমতো হলে নিজে সমাধান করে থাকি। আর সম্ভব না হলে ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের সাথে যোগাযোগ করে তাদের পরামর্শ নিয়ে সমাধান করে দেই।



চিকিৎসাঙ্গন : এ পর্যন্ত কোনো সমস্যার সম্মুখীন হয়েছেন কিনা?



মৌসুমী আক্তার : বড় ধরনের কোনো সমস্যার সম্মুখীন হতে হয়নি। চাঁদপুরের মানুষ অনেক ভালো। সবসময় ভালো কাজের ব্যাপারে সহযোগিতা করে থাকে।



চিকিৎসাঙ্গন : আপনার সম্পর্কে কিছু বলুন।



মৌসুমী আক্তার : এ পেশায় এসে দায়িত্বপালন করতে গিয়ে যখন কোনো বিষয়ে সমস্যার ব্যাপারে অবহিত হই এবং দ্রুত তা সমাধানের চেষ্টা করি, তখন নিজের কাছে ভালো লাগে। আর যার সমস্যা হয়েছে সেও হতাশা ও ক্ষতির সম্মুখীন হতে রক্ষা পেলে নিজে তৃপ্তি পাই।



উল্লেখ্য যে, মৌসুমী আক্তারের গ্রামের বাড়ি মতলব উত্তর উপজেলার পশ্চিম দূর্গাপুর গ্রামে। তার পিতা মোঃ মনির হোসেন পরিসংখ্যান কর্মকর্তা ছিলেন। বর্তমান তিনি অবসরে রয়েছেন। মাতা নার্গিস আক্তার মতলব উত্তরে এসিস্টেন্ট হেলথ্ কর্মকর্তা হিসেবে কর্মরত। ২০০৫ সালে এস.এস.সি. ২০০৭ সালে এইচ.এস.সি, ২০১৩ সালে ফার্মেসিতে অনার্স ও ২০১৪ সালে মাস্টার্স শেষ করেন। ২০১৬ সালের ১৮ মে চাঁদপুরে ঔষধ প্রশাসন অধিদপ্তরের তত্ত্বাবধায়ক পদে যোগদান করে এ পর্যন্ত দায়িত্ব পালন করে আসছেন। সরকারি চাকুরিতে চাঁদপুরেই তাঁর প্রথম কর্মস্থল।



 



 



 


আজকের পাঠকসংখ্যা
৬০৫৯৯২
পুরোন সংখ্যা