চাঁদপুর, সোমবার ২৮ অক্টোবর ২০১৯, ১২ কার্তিক ১৪২৬, ২৮ সফর ১৪৪১
jibon dip

সর্বশেষ খবর :

  • চাঁদপুর সদর হাসপাতালের তত্ত্বাবধায়কসহ আরো ৯ জনের করোনা শনাক্ত, মোট আক্রান্ত ২১৯
হেরার আলো
বাণী চিরন্তন
আল-হাদিস

৬৯-সূরা হাক্‌কা :


৫২ আয়াত, ২ রুকু, মক্কী


২৭। 'হায়! আমার মৃত্যুই যদি আমার শেষ হইত!


২৮। 'আমার ধন-সম্পদ আমার কোন কাজেই আসিল না।


২৯। 'আমার ক্ষমতাও বিনষ্ট হইয়াছে।'


 


 


assets/data_files/web

শ্রেষ্ঠ বইগুলি হচ্ছে শ্রেষ্ঠ বন্ধু।


-লর্ড চেস্টারফিল্ড।


 


 


 


 


নম্রতায় মানুষের সৌন্দর্য বৃদ্ধি পায় আর কড়া মেজাজ হলো আয়াসের বস্তু অর্থাৎ বড় দূষণীয়।


 


 


 


ফটো গ্যালারি
পলিসিস্টিক ওভারি সিন্ড্রোম
ডাঃ পীযূষ কান্তি বড়ুয়া
২৮ অক্টোবর, ২০১৯ ০০:০০:০০
প্রিন্টঅ-অ+


যাঁরা মাতৃত্ব ধারণের বয়স-শ্রেণিতে আছেন অর্থাৎ যাঁদের বয়স পনের হতে চুয়ালি্লশ বছরের, সে রকম নারীদের এক বিশেষ রোগ-সমষ্টিকে এক কথায় পলিসিস্টিক ওভারি সিন্ড্রোম বলে। পলি মানে অনেক আর সিস্ট মানে ভেতরে জলীয় অংশ ধারণকারী মটরের দানার মতো গঠন বিশেষ। পলিসিস্টিক ওভারি সিন্ড্রোমে আক্রান্ত সন্তান ধারণকারী বয়স-সীমার নারীদের ডিম্বাশয়ের চারদিকে অনূ্যন দশটা বা তার অধিক সিস্ট মুক্তোর মালার মতো জড়িয়ে থাকে। এতে নারীদেহে পুরুষ হরমোন তথা অ্যান্ড্রোজেনের মাত্রা স্বাভাবিকের চেয়ে বেড়ে যায়। সারাবিশ্বে শতকরা ২.২% ভাগ হতে ২৬.৭% ভাগ নারীরা এই রোগের শিকার হয় এবং শতকরা ৭০% ভাগ নারী এ রোগে আক্রান্ত হলেও তা অনির্ণীত থাকে।



 



পলিসিস্টিক ওভারি সিন্ড্রোমের চারিত্র :



* রক্তে অতিরিক্ত পুরুষ হরমোন বা অ্যান্ড্রোজেন বা টেস্টোস্টেরন



* মাসিক ঋতুস্রাব অনিয়মিত হওয়া



* ডিম্বাশয়ে সিস্ট বা ক্ষুদ্র রসথলি।



পলিসিস্টিক ওভারি সিন্ড্রোমে আক্রান্ত নারীদের দেহে বেশকিছু পরিবর্তন ঘটে। যেমন :



* ওজন স্বাভাবিকের চেয়ে অধিক বৃদ্ধি পাওয়া



* গলার স্বর মোটা হয়ে যাওয়া



* মুখে ব্রণ ওঠা



* মাথার চুল পড়ে যাওয়া



* দেহের বিশেষ ও বিভিন্ন অংশে পুরুষের মতো লোম জাগ্রত হওয়া



* মাসিক ঋতুস্রাব অনিয়মিত হওয়া



* সন্তান ধারণে অক্ষমতা তৈরি হওয়া



* রক্তে কোলেস্টেরল বা চর্বির মাত্রা বৃদ্ধি পাওয়া।



* রক্তে ইনসুলিনের প্রতি প্রতিরোধ গড়ে তোলা ও ফলশ্রুতিতে ডায়াবেটিসে আক্রান্ত হওয়া



* রক্তে কোলেস্টেরলের উচ্চমানের কারণে হৃদরোগে আক্রান্ত হওয়া



* ইনফ্ল্যামেশন বা বিভিন্ন অঙ্গের প্রদাহ তৈরি হয়। এই প্রদাহ শরীরে ইনসুলিন নিঃসরণ বাড়িয়ে দেয়।



 



রোগ নির্ণয় :



* রোগী হতে রোগের বিবরণ ও ইতিহাস অবগত হওয়া। এদের বছরে আটবারের বেশি মাসিক ঋতুস্রাব হয় না।



* রোগীর ওজন পরিমাপ



* ওভারি ও জরায়ুর আল্ট্রাসনোগ্রাম



* রক্তে ডায়াবেটিস পরিমাপ



* রক্তে অ্যান্ড্রোজেন বা টেস্টোস্টেরন এর মাত্রা পরিমাপ



 



পলিসিস্টিক ওভারি সিন্ড্রোমের ঝুঁকি :



* বন্ধ্যাত্ব



* অবেসিটি



* হার্সুইটিজম



* হার্ট ডিজিজ



* মায়োকার্ডিয়াল ইনফার্কশন



* ডায়াবেটিস



* মুখম-লে ব্রণ



 



পলিসিস্টিক ওভারি সিন্ড্রোম হতে পরিত্রাণের উপায় :



* নিয়মিত শরীর চর্চা



* দেহের ওজন নিয়ন্ত্রণ



* খাদ্যাভাসে পরিবর্তন আনয়ন



* নিয়মিত জন্মনিয়ন্ত্রণ বড়ি সেবনের মাধ্যমে অ্যান্ড্রোজেনের মাত্রা নিয়ন্ত্রণ



 



যেসব খাবার গ্রহণযোগ্য :



* উচ্চমাত্রার অাঁশজাতীয় খাবার গ্রহণ যেমন : ব্রকলি, ফুলকপি



* মাছ



* প্রদাহ বিরোধী মশলা জাতীয় খাদ্য ও স্বাদকারক সেবন না করা।



* টম্যাটো



* কাঁচা ও লালমরিচ



* সীম



* চীনা বাদাম



* শুকনো মরিচ ও কাঁচা মরিচ



 



পলিসিস্টিক ওভারি সিন্ড্রোমে ব্যবহৃত ঔষধ



* ওজন কমাতে মেটফরমিন



* মাসিক ঋতুস্রাব নিয়মিত রাখতে জন্মদিয়ন্ত্রণ বড়ি সেবন



* ডিম্বস্ফোটন ত্বরান্বিত করতে ক্লমিফিন সাইট্রেট ব্যবহার।



 



 


আজকের পাঠকসংখ্যা
৭৯৮৪২৩
পুরোন সংখ্যা